Kitab

আন্ নাজআ’ত (মুক্তি)

Chapter 79, 46 verses

  • সমকালীন বাংলা
  • মুহিউদ্দীন খান
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ তাদের, যারা প্রবলভাবে টেনে বের করে,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ তাহাদের যাহারা নির্মমভাবে উৎপাটন করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেই (ফেরেশতাদের), যারা অত্যন্ত কঠোর ও নির্মমভাবে টেনে হিচঁড়ে বের করে নেয় ( ও দুষ্কৃতকারীদের প্রাণ)।

সমকালীন বাংলা

এবং যারা কোমলভাবে মুক্ত করে,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা মৃদুভাবে বন্ধনমুক্ত করিয়া দেয়

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা অত্যন্ত কোমলভাবে বের করে আনে (মুমিনদের আত্মা)।

সমকালীন বাংলা

আর যারা তীব্র গতিতে সাঁতার কাটে,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে দ্রুতগতিতে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা তীব্র গতিতে সন্তরণ করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং শপথ সেইসব (ফেরেশতা, কিংবা গ্রহের) যারা সাঁতরে চলে।

সমকালীন বাংলা

এবং যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয়,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয় এবং

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যাহারা দ্রুতবেগে অগ্রসর হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শপথ সেইসব (ফেরেশতা, নক্ষত্র, কিংবা ঘোড়ার) যারা নির্দেশক্রমে সবেগে ধাবিত হয়।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যারা বিষয়সমূহ পরিচালনা করে,

মুহিউদ্দীন খান

শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যাহারা সকল কর্ম নির্বাহ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা তাদের প্রভুর নির্দেশক্রমে কার্য সম্পাদন করে থাকে।

সমকালীন বাংলা

যেদিন প্রকম্পনকারী প্রকম্পিত করবে,

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন প্রথম শিংগাধ্বনি প্রকম্পিত করিবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন যখন (প্রথমবার শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে), তখন (পৃথিবী, পাহাড় সবই) প্রবল ধাক্কায় বিশৃংখল হয়ে পড়বে।

সমকালীন বাংলা

তারপর আরেকটি প্রকম্পন,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাকে অনুসরণ করিবে পরবর্তী শিংগাধ্বনি,

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রথমটিকে অনুসরণ করবে আরেকটি শিংগাধবনি (তখন পুনরুত্থিত হবে সব মানুষ)।

সমকালীন বাংলা

কত হৃদয় সেই দিন সন্ত্রস্ত হইবে,

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন অনেক হৃদয় ভীত - বিহবল হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কত হৃদয় সেই দিন সন্ত্রস্ত হইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো হৃদয় সেদিন কম্পমান হবে ভয়ে।

সমকালীন বাংলা

তাদের দৃষ্টিসমূহ হবে অবনত,

মুহিউদ্দীন খান

তাদের দৃষ্টি নত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের দৃষ্টি ভীতি - বিহ্বলতায় নত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের দৃষ্টি হবে (অপমানে) অবনমিত।

সমকালীন বাংলা

তারা বলবে, “আমাদের কি সত্যিই পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে?”

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হইবই -

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা বলে: ‘‘(মরার পর) আমাদের কি আবার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে (জীবিত করে) আনা হবে?

সমকালীন বাংলা

“ক্ষয়প্রাপ্ত অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরেও?”

মুহিউদ্দীন খান

গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

গলিত অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরও?’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের হাড় - গোড় পঁচে গলে (বিনাশ হয়ে) যাবার পরও?’’

সমকালীন বাংলা

তারা বলবে, “তবে তো এ প্রত্যাবর্তন হবে সর্বনাশা!”

মুহিউদ্দীন খান

তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা হবে!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলে, ‘তাহাই যদি হয় তবে তো ইহা সর্বনাশা প্রত্যাবর্তন।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘তবে তো সেটা হবে এক বড় ক্ষতিকর ফিরে আসা।’

সমকালীন বাংলা

প্রকৃতপক্ষে তা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, এটা তো কেবল এক মহা - নাদ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ,

আবদুস শহীদ নাসিম

আসল ব্যাপার হলো, ওটা হবে এক বিকট আওয়ায (দ্বিতীয় শিংগা ধ্বনি)।

সমকালীন বাংলা

তারপর তারা উন্মুক্ত ভূমিতে উপস্থিত হবে,

মুহিউদ্দীন খান

তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখনই ময়দানে উহাদের আবির্ভাব হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(সেই বিকট ধ্বনির) সাথে সাথেই তারা নিজেদেরকে জীবিত হাজির দেখতে পাবে এক উন্মুক্ত ময়দানে।

সমকালীন বাংলা

তোমার কাছে কি মূসার সংবাদ পৌঁছেছে?

মুহিউদ্দীন খান

মূসার বৃত্তান্ত আপনার কাছে পৌছেছে কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার নিকট মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছিয়াছে কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার কাছে মূসার হাদিস (ইতিহাস, ঘটনাবলি) পৌছেছে কি?

সমকালীন বাংলা

যখন তার প্রতিপালক তাকে পবিত্র 'তুওয়া' উপত্যকায় আহ্বান করেছিলেন,

মুহিউদ্দীন খান

যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র তুয়া উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন তাহার প্রতিপালক পবিত্র উপত্যকা তুওয়া - য় তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিয়াছিলেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তার প্রভু তাকে পবিত্র তোয়া উপত্যকায় ডেকে বলেছিলেন:

সমকালীন বাংলা

“ফিরাউনের কাছে যাও; নিশ্চয়ই সে সীমালঙ্ঘন করেছে।”

মুহিউদ্দীন খান

ফেরাউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ফির‘আওনের নিকট যাও, সে তো সীমালংঘন করিয়াছে,’

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউনের কাছে যাও, সে লংঘন করেছে সমস্ত সীমা।

সমকালীন বাংলা

“এবং তাকে বলো, ‘তুমি কি পরিশুদ্ধ হতে চাও?’”

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর বলঃ তোমার পবিত্র হওয়ার আগ্রহ আছে কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বল, ‘তোমার কি আগ্রহ আছে যে, তুমি পবিত্র হও -

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি গিয়ে তাকে বলো: তুমি কি (কুফর, শিরক ও সীমালংঘন থেকে) পবিত্র হবে?

সমকালীন বাংলা

“এবং আমি কি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথ দেখাবো, যাতে তুমি ভীত হও?”

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাকে তোমার পালনকর্তার দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাকে ভয় কর।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আর আমি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথপ্রদর্শন করি যাহাতে তুমি তাঁহাকে ভয় কর?’

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমি কি তোমাকে সঠিক পথ দেখাবো তোমার মালিকের দিকে, যাতে করে তোমার মধ্যে জাগ্রত হয় তাঁর ভয়?

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তিনি তাকে মহা নিদর্শন দেখিয়েছিলেন,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে তাকে মহা - নিদর্শন দেখাল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে উহাকে মহানিদর্শন দেখাইল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে (মূসা) তার (ফেরাউনের) কাছে গিয়ে তাকে অনেক বড় নিদর্শন দেখালো।

সমকালীন বাংলা

কিন্তু সে অস্বীকার করেছিল এবং অবাধ্য হয়েছিল,

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু সে মিথ্যারোপ করল এবং অমান্য করল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু সে অস্বীকার করিল এবং অবাধ্য হইল।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু সে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করলো এবং অমান্য করলো।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর ফিরে গেলো চেষ্টা করতে;

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সে প্রতিকার চেষ্টায় প্রস্থান করল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে পশ্চাৎ ফিরিয়া প্রতিবিধানে সচেষ্ট হইল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে ষড়যন্ত্র অাঁটার প্রচেষ্টায় পিছু হটলো।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে সমবেত করল এবং ঘোষণা করল,

মুহিউদ্দীন খান

সে সকলকে সমবেত করল এবং সজোরে আহবান করল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে সকলকে সমবেত করিল এবং উচ্চৈ:স্বরে ঘোষণা করিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর (জনতাকে) সমবেত করে ঘোষণা দিলো।

সমকালীন বাংলা

এবং বলল, “আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক।”

মুহিউদ্দীন খান

এবং বললঃ আমিই তোমাদের সেরা পালনকর্তা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর বলিল, ‘আমিই তোমাদের শ্রেষ্ঠ প্রতিপালক।’

আবদুস শহীদ নাসিম

বললো: ‘আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রভু।’

সমকালীন বাংলা

তখন তাকে পরকাল ও ইহকালের শাস্তির জন্য ধরলেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাকে পরকালের ও ইহকালের শাস্তি দিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ‌ উহাকে আখিরাতে ও দুনিয়াতে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করিলেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তাকে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করলেন তার শেষ ও প্রথম সীমা লংঘনের জন্যে।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই এতে শিক্ষা রয়েছে তার জন্য, যে ভয় করে।

মুহিউদ্দীন খান

যে ভয় করে তার জন্যে অবশ্যই এতে শিক্ষা রয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ভয় করে তাহার জন্য অবশ্যই ইহাতে শিক্ষা রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি এ ঘটনার মধ্যে শিক্ষামূলক উপদেশ রয়েছে ঐ ব্যক্তির জন্যে, যে ভয় করে (আল্লাহকে)।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের সৃষ্টি কি অধিক কঠিন, না আকাশের? তিনি তা নির্মাণ করেছেন,

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না আকাশের, যা তিনি নির্মাণ করেছেন?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে সৃষ্টি করা কঠিনতর, না আকাশ সৃষ্টি? তিনিই ইহা নির্মাণ করিয়াছেন;

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের সৃষ্টি করা বেশি কঠিন কাজ, না মহাকাশ সৃষ্টি করা? তিনিই তো সৃষ্টি করেছেন এই (মহাকাশ)।

সমকালীন বাংলা

তিনি তার উচ্চতাকে সুউচ্চ করেছেন, অতঃপর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,

মুহিউদ্দীন খান

তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি ইহার ছাদকে সুউচ্চ করিয়াছেন ও সুবিন্যস্ত করিয়াছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই অনেক উপরে উঠিয়েছেন এর উচ্চতা, অতপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ ও সুবিন্যস্ত করেছেন।

সমকালীন বাংলা

৭৯–২৯ :
এবং তার রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন ও তার সকালকে আলোকিত করেছেন,

মুহিউদ্দীন খান

তিনি এর রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক প্রকাশ করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তিনি ইহার রাত্রিকে করিয়াছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং প্রকাশ করিয়াছেন ইহার সূর্যালোক;

আবদুস শহীদ নাসিম

আর রাতকে তিনি ঢেকে দেন অন্ধকার দিয়ে, আর দিনকে বের করে আনেন আলোকিত করে।

সমকালীন বাংলা

এবং এরপর পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন,

মুহিউদ্দীন খান

পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পৃথিবীকে ইহার পর বিস্তৃত করিয়াছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরপর তিনি বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।

সমকালীন বাংলা

তিনি তা থেকে তার পানি ও চারণভূমি বের করেছেন,

মুহিউদ্দীন খান

তিনি এর মধ্য থেকে এর পানি ও ঘাম নির্গত করেছেন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি উহা হইতে বহির্গত করিয়াছেন উহার পানি ও তৃণ,

আবদুস শহীদ নাসিম

তার (পৃথিবীর) মধ্য থেকেই বের করেছেন তার পানি ও তৃণ - লতা (উদ্ভিদ)।

সমকালীন বাংলা

এবং পর্বতমালাকে সুদৃঢ়ভাবে গ্রথিত করেছেন,

মুহিউদ্দীন খান

পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রোথিত করিয়াছেন;

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তার মধ্যে মজবুতভাবে গেড়ে দিয়েছেন পাহাড় - পর্বত।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের ও তোমাদের গবাদিপশুর জীবিকার জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপকারার্থে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই সমস্ত তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুদের ভোগের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

(এসবই করেছেন) তোমাদের ও তোমাদের পশুদের কল্যাণার্থে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন মহাবিপর্যয় আসবে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন মহাসংকট উপস্থিত হইবে

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর যেদিন ঘটে যাবে মহাবিপর্যয়,

সমকালীন বাংলা

সেদিন মানুষ স্মরণ করবে সে কিসের জন্য কষ্ট করেছিল,

মুহিউদ্দীন খান

অর্থাৎ যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম স্মরণ করবে

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষ যাহা করিয়াছে তাহা সে সেই দিন স্মরণ করিবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন মানুষ খুব করে স্মরণ করবে তার (পৃথিবীর জীবনের) সা’য়ীর (ব্যস্ততা ও কৃতকর্মের) কথা,

সমকালীন বাংলা

এবং জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে, যে দেখবে তার জন্য,

Note

জাহিম: কুরআনে ব্যবহৃত জাহান্নামের একটি নাম, যা বিশেষভাবে প্রজ্বলিত ও তীব্র জ্বলন্ত আগুনের ধারণা প্রকাশ করে। কুরআনে জাহান্নামের জন্য বিভিন্ন নাম ও বর্ণনা ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:


  • جَهَنَّم (Jahannam)
  • الْجَحِيم (Al-Jaḥīm)
  • سَقَر (Saqar)
  • لَظَى (Laẓā)
  • الْحُطَمَة (Al-Ḥuṭamah)
  • السَّعِير (As-Saʿīr)
  • الْهَاوِيَة (Al-Hāwiyah)

মুহিউদ্দীন খান

এবং দর্শকদের জন্যে জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং প্রকাশ করা হইবে জাহান্নাম দর্শকদের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যেদিন দর্শকদের সামনে খুলে ধরা হবে জাহিম (দোযখ),

সমকালীন বাংলা

অনন্তর যে সীমালঙ্ঘন করেছে,

মুহিউদ্দীন খান

তখন যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অনন্তর যে সীমালংঘন করে

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন (এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে যে,) পৃথিবীর জীবনে যারা সীমালংঘন করেছিল,

সমকালীন বাংলা

এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দেয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং (আখিরাতের চাইতে) অগ্রাধিকার দিয়েছিল দুনিয়ার জীবনকে,

সমকালীন বাংলা

তবে নিশ্চয়ই জাহিম হবে তার আশ্রয়,

মুহিউদ্দীন খান

তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জাহান্নামই হইবে তাহার আবাস।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আবাস হবে জাহিম (দোযখ)।

সমকালীন বাংলা

অপরদিকে যে তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোর ব্যাপারে ভীত হয়েছে এবং নিজেকে প্রবৃত্তি থেকে বিরত রেখেছে,

মুহিউদ্দীন খান

পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল - খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পক্ষান্তরে যে স্বীয় প্রতিপালকের সম্মুখে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং প্রবৃত্তি হইতে নিজকে বিরত রাখে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যে তার মহান প্রভুর সামনে দাঁড়াবার ভয়ে ভীত ছিলো এবং নিজেকে আত্মার দাসত্ব ও মন্দ কামনা - বাসনা থেকে বিরত রেখেছিল,

সমকালীন বাংলা

তবে নিশ্চয়ই বেহেশতই হবে তার আশ্রয়,

মুহিউদ্দীন খান

তার ঠিকানা হবে জান্নাত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জান্নাতই হইবে তাহার আবাস।

আবদুস শহীদ নাসিম

জান্নাতই হবে তাদের আবাস।

সমকালীন বাংলা

তারা তোমাকে সেই সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, ‘তা কখন ঘটবে?’

মুহিউদ্দীন খান

তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কখন হবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে কিয়ামত সম্পর্কে, ‘উহা কখন ঘটিবে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মুহাম্মদ!) এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে সেই সময়টি সম্পর্কে - তা কখন অনুষ্ঠিত হবে?

সমকালীন বাংলা

সে ব্যাপারে আপনার কী বলার আছে?

মুহিউদ্দীন খান

এর বর্ণনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার আলোচনার সঙ্গে তোমার কী সম্পর্ক?

আবদুস শহীদ নাসিম

(কিন্তু) এ ব্যাপারে বলার কী জ্ঞান তোমার আছে?

সমকালীন বাংলা

তার চূড়ান্ত জ্ঞান তোমার প্রতিপালকের কাছেই,

মুহিউদ্দীন খান

এর চরম জ্ঞান আপনার পালনকর্তার কাছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার পরম জ্ঞান আছে তোমার প্রতিপালকেরই নিকট;

আবদুস শহীদ নাসিম

এর জ্ঞান তো শুধুমাত্র তোমার প্রভুর নিকটই সীমাবদ্ধ।

সমকালীন বাংলা

তুমি তো কেবল সতর্ককারী তার জন্য, যে তাকে ভয় করে,

মুহিউদ্দীন খান

যে একে ভয় করে, আপনি তো কেবল তাকেই সতর্ক করবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে উহার ভয় রাখে তুমি কেবল তাহার সতর্ককারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র, তাদের জন্যে যারা তাকে (কিয়ামতকে) ভয় করে।

সমকালীন বাংলা

যেদিন তারা তা দেখবে, মনে হবে যেন তারা কেবল এক সন্ধ্যা বা সকালের বেশী অবস্থান করেনি।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেই দিন উহারা ইহা প্রত্যক্ষ করিবে সেই দিন উহাদের মনে হইবে যেন উহারা পৃথিবীতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক প্রভাত অবস্থান করিয়াছে!

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন তারা সে দিনটিকে দেখতে পাবে, তারা অনুভব করবে, পৃথিবীতে তারা কাটিয়েছে একটি সন্ধ্যা, কিংবা একটি সকাল মাত্র।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme