Kitab

আল ওয়াক্বিয়া (বিশেষ ঘটনা)

Chapter 56, 96 verses

  • সমকালীন বাংলা
  • মুহিউদ্দীন খান
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; যখন সেই ঘটনা ঘটবে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন কিয়ামতের ঘটনা ঘটবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন কিয়ামত ঘটিবে,

জহুরুল হক

যখন বিরাট ঘটনাটি ঘটবে, - -

সমকালীন বাংলা

থাকবে না ঘটনার অস্বীকারকারী।

মুহিউদ্দীন খান

যার বাস্তবতায় কোন সংশয় নেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার সংঘটন অস্বীকার করিবার কেহ থাকিবে না।

জহুরুল হক

এর সংঘটনকে মিথ্যা বলার কেউ থাকবে না।

সমকালীন বাংলা

তা কাউকে নিচু করবে এবং কাউকে উচ্চ করবে।

মুহিউদ্দীন খান

এটা নীচু করে দেবে, সমুন্নত করে দেবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা কাহাকেও করিবে নীচ, কাহাকেও করিবে সম্মুন্নত ;

জহুরুল হক

এটি লাঞ্ছিত করবে, এটি করবে সমুন্নত।

সমকালীন বাংলা

যখন পৃথিবী প্রবলভাবে কাঁপানো হবে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন প্রবলভাবে প্রকম্পিত হবে পৃথিবী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন প্রবল কম্পনে প্রকম্পিত হইবে পৃথিবী,

জহুরুল হক

যখন পৃথিবী আলোড়িত হবে আলোড়নে,

সমকালীন বাংলা

পাহাড়গুলোকে চূর্ণ বিচূর্ণ করা হবে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং পর্বতমালা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পর্বতমালা চূর্ণ - বিচূর্ণ হইয়া পড়িবে,

জহুরুল হক

আর পাহাড়গুলো ভেঙ্গে পড়বে চূর্ণ - বিচূর্ণ হয়ে - -

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সেগুলো ছড়িয়ে পড়া ধূলিকণা হবে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তা হয়ে যাবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ফলে উহা পর্যবসিত হইবে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণায়;

জহুরুল হক

ফলে তা হয়ে যাবে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণা,

সমকালীন বাংলা

আর তোমরা তিন দলে ভাগ হয়ে যাবে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমরা তিনভাবে বিভক্ত হয়ে পড়বে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমরা বিভক্ত হইয়া পড়িবে তিন শ্রেণীতে -

জহুরুল হক

আর তোমরা হয়ে পড়বে তিনটি শ্রেণীতে - -

সমকালীন বাংলা

অতঃপর ডানদিকের লোকেরা, কী সৌভাগ্য ডানদিকের লোকদের!

মুহিউদ্দীন খান

যারা ডান দিকে, কত ভাগ্যবান তারা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ডান দিকের দল; কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল!

জহুরুল হক

যথা ডান দিকের দল, - - কেমনতর এই ডানদিকের দল!

সমকালীন বাংলা

আর বামদিকের লোকগুলো, কী দুর্ভাগ্য বামদিকের লোকদের!

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা বামদিকে, কত হতভাগা তারা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বাম দিকের দল; কত হতভাগ্য বাম দিকের দল!

জহুরুল হক

আর বাঁদিকের দল, - - কেমনতর এই বাঁদিকের দল!

সমকালীন বাংলা

আর অগ্রবর্তীরাই তো অগ্রবর্তী।

মুহিউদ্দীন খান

অগ্রবর্তীগণ তো অগ্রবর্তীই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর অগ্রবর্তীগণই তো অগ্রবর্তী,

জহুরুল হক

আর অগ্রগামীগণ তো অগ্রগামী,

সমকালীন বাংলা

তারাই নৈকট্যপ্রাপ্ত,

মুহিউদ্দীন খান

তারাই নৈকট্যশীল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারাই নৈকট্যপ্রাপ্ত -

জহুরুল হক

এরাই হবে নৈকট্যপ্রাপ্ত,

সমকালীন বাংলা

সুখময় বেহেস্তসমূহে।

মুহিউদ্দীন খান

অবদানের উদ্যানসমূহে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিয়ামতপূর্ণ উদ্যানে;

জহুরুল হক

আনন্দময় উদ্যানে।

সমকালীন বাংলা

তাদের অনেকেই হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা একদল পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বহুসংখ্যক হইবে পূর্ববর্তীদের মধ্য হইতে;

জহুরুল হক

প্রথমকালীনদের থেকে অধিক সংখ্যায়,

সমকালীন বাংলা

আর অল্পসংখ্যক পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং অল্পসংখ্যক পরবর্তীদের মধ্যে থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং অল্পসংখ্যক হইবে পরবর্তীদের মধ্য হইতে।

জহুরুল হক

আর পরবর্তীকালীনদের থেকে অল্প সংখ্যায়।

সমকালীন বাংলা

নকশা করা আসনের উপর,

মুহিউদ্দীন খান

স্বর্ণ খচিত সিংহাসন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

স্বর্ণখচিত আসনে

জহুরুল হক

কারুকার্যময় সিংহাসনে,

সমকালীন বাংলা

তার উপর মুখোমুখি হেলান দিয়ে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তাতে হেলান দিয়ে বসবে পরস্পর মুখোমুখি হয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা হেলান দিয়া বসিবে, পরস্পর মুখোমুখি হইয়া।

জহুরুল হক

তাতে তারা হেলান দিয়ে আসন গ্রহণ করবে পরস্পর মুখোমুখি হয়ে।

সমকালীন বাংলা

তাদের চারপাশে ঘুরে বেড়াবে চিরস্থায়ী কিশোরগণ,

মুহিউদ্দীন খান

তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরেরা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের সেবায় ঘোরাফেরা করিবে চির - কিশোরেরা

জহুরুল হক

তাদের চারিদিকে ঘুরে বেড়াবে চিরনবীন তরুণেরা - -

সমকালীন বাংলা

কলসীসমূহ এবং জগ এবং প্রবাহিত পানীয়ের পেয়ালা নিয়ে,

মুহিউদ্দীন খান

পানপাত্র কুঁজা ও খাঁটি সূরাপূর্ণ পেয়ালা হাতে নিয়ে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পানপাত্র, কুঁজা ও প্রস্রবণ - নিঃসৃত সুরাপূর্ণ পেয়ালা লইয়া।

জহুরুল হক

পানপাত্র ও সোরাই নিয়ে ও নির্মল পানীয়ের পেয়ালা।

সমকালীন বাংলা

যাতে তাদের মাথাব্যথা হবে না এবং তারা মাতালও হবে না।

মুহিউদ্দীন খান

যা পান করলে তাদের শিরঃপীড়া হবে না এবং বিকারগ্রস্ত ও হবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই সুরা পানে তাহাদের শিরঃপীড়া হইবে না, তাহারা জ্ঞানহারাও হইবে না -

জহুরুল হক

তাদের মাথা ধরবে না তাতে, আর তাদের নেশাও ধরবে না।

সমকালীন বাংলা

আর তারা পছন্দমতো ফলমূল পাবে,

মুহিউদ্দীন খান

আর তাদের পছন্দমত ফল - মুল নিয়ে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তাহাদের পসন্দমত ফলমূল,

জহুরুল হক

আর ফল - মূল যা তারা পছন্দ করে;

সমকালীন বাংলা

এবং তাদের পছন্দমতো পাখির মাংস।

মুহিউদ্দীন খান

এবং রুচিমত পাখীর মাংস নিয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাহাদের ঈপ্সিত পাখির গোশ্‌ত লইয়া,

জহুরুল হক

আর পাখির মাংস যা তারা কামনা করে,

সমকালীন বাংলা

আর থাকবে বড় বড় চোখের হুরগণ,

Note

হুরগণ= বেহেস্তের বিশেষ নারীরা

মুহিউদ্দীন খান

তথায় থাকবে আনতনয়না হুরগণ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাহাদের জন্য থাকিবে আয়তলোচনা হূর,

জহুরুল হক

আর আয়তলোচন হূরগণ - -

সমকালীন বাংলা

যেন সুরক্ষিত মুক্তার মতো।

মুহিউদ্দীন খান

আবরণে রক্ষিত মোতির ন্যায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুরক্ষিত মুক্তাসদৃশ,

জহুরুল হক

আবৃত মুক্তার উদাহরণের ন্যায়; - -

সমকালীন বাংলা

তাদের কর্মের প্রতিদান হিসেবে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা যা কিছু করত, তার পুরস্কারস্বরূপ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের কর্মের পুরস্কারস্বরূপ।

জহুরুল হক

যা তারা করতো তার পুরস্কার।

সমকালীন বাংলা

তারা সেখানে কোনো অনর্থক কথা বা পাপের কথা শুনবে না।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তথায় অবান্তর ও কোন খারাপ কথা শুনবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেখানে তাহারা শুনিবে না কোন অসার অথবা পাপবাক্য,

জহুরুল হক

তারা সেখানে শুনবে না কোনো খেলোকথা, না কোনো পাপবাক্য, - -

সমকালীন বাংলা

শুধু বলা হবে, “সালাম, সালাম।”

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু শুনবে সালাম আর সালাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘সালাম’ আর ‘সালাম’ বাণী ব্যতীত।

জহুরুল হক

শুধু এই কথা ছাড়া - - ''সালাম! সালাম!’’

সমকালীন বাংলা

আর ডানদিকের লোকেরা, কী সৌভাগ্য ডানদিকের লোকদের!

মুহিউদ্দীন খান

যারা ডান দিকে থাকবে, তারা কত ভাগ্যবান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর ডানদিকের দল, কত ভাগ্যবান ডানদিকের দল!

জহুরুল হক

আর ডানদিকের দল, - - কেমনতর এই ডানদিকের দল!

সমকালীন বাংলা

কাঁটাবিহীন কুলবড়ই গাছের মধ্যে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা থাকবে কাঁটাবিহীন বদরিকা বৃক্ষে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা থাকিবে এমন উদ্যানে, সেখানে আছে কণ্টকহীন কুলবৃক্ষ,

জহুরুল হক

কাঁটা বিহীন সিদরাহ - গাছের নীচে,

সমকালীন বাংলা

এবং স্তরে স্তরে সাজানো কলাগাছের মধ্যে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং কাঁদি কাঁদি কলায়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কাঁদি ভরা কদলী বৃক্ষ,

জহুরুল হক

আর সারি সারি সাজানো কলাগাছ,

সমকালীন বাংলা

এবং প্রসারিত ছায়ায়,

মুহিউদ্দীন খান

এবং দীর্ঘ ছায়ায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সম্প্রসারিত ছায়া,

জহুরুল হক

আর সুদূরবিস্তৃত ছায়া,

সমকালীন বাংলা

এবং প্রবাহমান পানি,

মুহিউদ্দীন খান

এবং প্রবাহিত পানিতে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সদা প্রবহমান পানি,

জহুরুল হক

আর উছলে ওঠা পানি,

সমকালীন বাংলা

এবং প্রচুর ফলমূল,

মুহিউদ্দীন খান

ও প্রচুর ফল - মূলে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ও প্রচুর ফলমূল,

জহুরুল হক

আর প্রচুর পরিমাণে ফলমূল,

সমকালীন বাংলা

যা শেষ হবে না এবং নিষিদ্ধও হবে না।

মুহিউদ্দীন খান

যা শেষ হবার নয় এবং নিষিদ্ধ ও নয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা শেষ হইবে না ও যাহা নিষিদ্ধও হইবে না।

জহুরুল হক

ব্যাহত হবার নয় এবং নিষিদ্ধ হবারও নয়।

সমকালীন বাংলা

আর উঁচু বিছানাগুলোতে।

মুহিউদ্দীন খান

আর থাকবে সমুন্নত শয্যায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সমুচ্চ শয্যাসমূহ;

জহুরুল হক

আর উঁচুদরের গালিচা।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই আমরা তাদেরকে বিশেষভাবে সৃষ্টি করেছি,

মুহিউদ্দীন খান

আমি জান্নাতী রমণীগণকে বিশেষরূপে সৃষ্টি করেছি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে আমি সৃষ্টি করিয়াছি বিশেষরূপে -

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ আমরা ওদের সৃষ্টি করেছি বিশেষ সৃষ্টিতে;

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তাদেরকে কুমারী করেছি,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাদেরকে করেছি চিরকুমারী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদেরকে করিয়াছি কুমারী,

জহুরুল হক

আর তাদের বানিয়েছি চিরকুমারী,

সমকালীন বাংলা

প্রেমময়ী এবং সমবয়সী,

মুহিউদ্দীন খান

কামিনী, সমবয়স্কা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সোহাগিনী ও সমবয়স্কা,

জহুরুল হক

সোহাগিনী, সমবয়স্কা, - -

সমকালীন বাংলা

ডানদিকের লোকদের জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

ডান দিকের লোকদের জন্যে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ডানদিকের লোকদের জন্য।

জহুরুল হক

দক্ষিণপন্থী লোকদের জন্য।

সমকালীন বাংলা

তাদের অনেকেই হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে,

মুহিউদ্দীন খান

তাদের একদল হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহাদের অনেকে হইবে পূর্ববর্তীদের মধ্য হইতে,

জহুরুল হক

প্রথমকালীনদের থেকে অধিক সংখ্যায়,

সমকালীন বাংলা

এবং অনেকেই পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং একদল পরবর্তীদের মধ্য থেকে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং অনেকে হইবে পরবর্তীদের মধ্য হইতে।

জহুরুল হক

আর পরবর্তীকালীনদের মধ্যে থেকেও অধিক সংখ্যায়।

সমকালীন বাংলা

আর বামদিকের লোকেরা, কী দুর্ভাগ্য বামদিকের লোকদের!

মুহিউদ্দীন খান

বামপার্শ্বস্থ লোক, কত না হতভাগা তারা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর বামদিকের দল, কত হতভাগ্য বাম দিকের দল!

জহুরুল হক

কিন্তু বামপন্থীদল - - কেমনতর এই বামপন্থী দল।

সমকালীন বাংলা

তারা থাকবে উত্তপ্ত বাতাস ও ফুটন্ত পানির মধ্যে,

মুহিউদ্দীন খান

তারা থাকবে প্রখর বাষ্পে এবং উত্তপ্ত পানিতে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা থাকিবে অত্যুষ্ণ বায়ু ও উত্তপ্ত পানিতে,

জহুরুল হক

উত্তপ্ত বাতাসে ও ফুটন্ত পানিতে,

সমকালীন বাংলা

এবং কালো ধোঁয়ার ছায়ায়,

মুহিউদ্দীন খান

এবং ধুম্রকুঞ্জের ছায়ায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কৃষ্ণবর্ণ ধূম্রের ছায়ায়,

জহুরুল হক

আর কালো ধোঁয়ার ছায়ায়,

সমকালীন বাংলা

যা ঠান্ডাও নয় এবং আরামদায়কও নয়।

মুহিউদ্দীন খান

যা শীতল নয় এবং আরামদায়কও নয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা শীতল নয়, আরামদায়কও নয়।

জহুরুল হক

শীতল নয় এবং সম্মানজনকও নয়।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তারা এর আগে বিলাসিতায় মগ্ন ছিলো।

মুহিউদ্দীন খান

তারা ইতিপূর্বে স্বাচ্ছন্দ্যশীল ছিল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইতিপূর্বে উহারা তো মগ্ন ছিল ভোগ - বিলাসে

জহুরুল হক

অথচ তারা তো এর আগে ছিল ভোগবিলাসে মগ্ন,

সমকালীন বাংলা

আর তারা মহাপাপের উপর অবিচল থাকতো।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সদাসর্বদা ঘোরতর পাপকর্মে ডুবে থাকত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহারা অবিরাম লিপ্ত ছিল ঘোরতর পাপকর্মে।

জহুরুল হক

আর তারা ঘোরতর পাপাচারে জেদ ধরে থাকত,

সমকালীন বাংলা

আর তারা বলতো, “আমরা যখন মারা যাবো এবং মাটি ও হাড় হয়ে যাবো, তখনও কি আমাদের পুনরুত্থিত করা হবে?

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলতঃ আমরা যখন মরে অস্থি ও মৃত্তিকায় পরিণত হয়ে যাব, তখনও কি পুনরুত্থিত হব?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর উহারা বলিত, ‘মরিয়া অস্থি ও মৃত্তিকায় পরিণত হইলেও কি উত্থিত হইব আমরা?

জহুরুল হক

আর তারা বলত - - ''কী! আমরা যখন মরে যাব ও মাটি ও হাড্ডি হয়ে যাব তখন কি আমরা আদৌ পুনরুত্থিত হব, - -

সমকালীন বাংলা

অথবা আমাদের পূর্বপুরুষদেরও?

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমাদের পূর্বপুরুষগণও!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘এবং আমাদের পূর্বপুরুষগণও?’

জহুরুল হক

এবং আমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষরাও?

সমকালীন বাংলা

বলো, “নিশ্চয়ই পূর্ববর্তীরা ও পরবর্তীরা,

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণ,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বল, ‘অবশ্যই পূর্ববর্তিগণ ও পরবর্তিগণ -

জহুরুল হক

তুমি বলো - - ''নিঃসন্দেহ পূর্ববর্তীরা এবং পরবর্তীরা - -

সমকালীন বাংলা

এক নির্ধারিত দিনের নির্ধারিত সময়ে অবশ্যই সমবেত হবে।”

মুহিউদ্দীন খান

সবাই একত্রিত হবে এক নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট সময়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সকলকে একত্র করা হইবে এক নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে।

জহুরুল হক

''অবশ্যই সবাইকে একত্রিত করা হবে এক সুবিদিত দিনের নির্ধারিত স্থানে - ক্ষণে,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর হে পথভ্রষ্ট, মিথ্যা প্রতিপন্ন কারীরা,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর হে পথভ্রষ্ট, মিথ্যারোপকারীগণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর হে বিভ্রান্ত অস্বীকারকারীরা!

জহুরুল হক

''তখন নিঃসন্দেহ তোমরাই, হে পথভ্রষ্ট মিথ্যাআরোপকারিগণ!

সমকালীন বাংলা

তোমরা অবশ্যই যাক্কুম গাছ থেকে খাবে,

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা অবশ্যই ভক্ষণ করবে যাক্কুম বৃক্ষ থেকে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা অবশ্যই আহার করিবে যাক্কূম বৃক্ষ হইতে,

জহুরুল হক

''তোমরা আলবৎ আহার করবে যিক্কুমের গাছের থেকে,

সমকালীন বাংলা

তারপর তা দিয়ে তোমরা পেট ভরবে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তা দ্বারা উদর পূর্ণ করবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং উহা দ্বারা তোমরা উদর পূর্ণ করিবে,

জহুরুল হক

''এবং তাই দিয়ে তোমরা উদর পূর্ণ করবে,

সমকালীন বাংলা

তারপর তার উপর ফুটন্ত পানি পান করবে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তার উপর পান করবে উত্তপ্ত পানি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরে তোমরা পান করিবে উহার উপর অত্যুষ্ণ পানি -

জহুরুল হক

''তারপর তোমরা তার উপরে পান করবে উত্তপ্ত পানি,

সমকালীন বাংলা

এবং তৃষ্ণার্ত উটের মতো পান করবে।

মুহিউদ্দীন খান

পান করবে পিপাসিত উটের ন্যায়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর পান করিবে তৃষ্ণার্ত উষ্ট্রের ন্যায়।

জহুরুল হক

''আর তোমরা পান করবে তৃষ্ণার্ত উটের পান করার ন্যায়।’’

সমকালীন বাংলা

এটাই প্রতিদান দিবসে তাদের আপ্যায়ন।

মুহিউদ্দীন খান

কেয়ামতের দিন এটাই হবে তাদের আপ্যায়ন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিয়ামতের দিন ইহাই হইবে উহাদের আপ্যায়ন।

জহুরুল হক

এই হবে তাদের আপ্যায়ন বিচারের দিনে।

সমকালীন বাংলা

আমরাই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, তবে তোমরা কেন সত্য মেনে নাও না?

মুহিউদ্দীন খান

আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে। অতঃপর কেন তোমরা তা সত্য বলে বিশ্বাস কর না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করিয়াছি, তবে কেন তোমরা বিশ্বাস করিতেছ না?

জহুরুল হক

আমরাই তো তোমাদের সৃষ্টি করেছি, তবে কেন তোমরা সত্য বলে স্বীকার কর না?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি ভেবেছো, যা তোমরা বীর্যপাত করো?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি ভেবে দেখেছ, তোমাদের বীর্যপাত সম্পর্কে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কি ভাবিয়া দেখিয়াছ তোমাদের বীর্যপাত সম্বন্ধে?

জহুরুল হক

তোমরা কি তবে ভেবে দেখেছ - - যা তোমরা স্খলন কর?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি তা সৃষ্টি করো, নাকি আমরাই সৃষ্টিকর্তা?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তাকে সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহা কি তোমরা সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি?

জহুরুল হক

তোমরা বুঝি ওকে সৃষ্টি করেছ, না আমরা সৃষ্টিকর্তা?

সমকালীন বাংলা

আমরা তোমাদের মধ্যে মৃত্যুকে নির্ধারণ করেছি এবং আমরা অক্ষম নই

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের মৃত্যুকাল নির্ধারিত করেছি এবং আমি অক্ষম নই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি তোমাদের মধ্যে মৃত্যু নির্ধারিত করিয়াছি এবং আমি অক্ষম নই -

জহুরুল হক

আমরাই তোমাদের মধ্যে মৃত্যু ধার্য করে রেখেছি, আর আমরা প্রতিহত হব না, - -

সমকালীন বাংলা

যে আমরা তোমাদের পরিবর্তে তোমাদের মতো অন্যদের নিয়ে আসি এবং তোমাদেরকে এমন জগতে পুনরায় সৃষ্টি করি যা তোমরা জানো না।

মুহিউদ্দীন খান

এ ব্যাপারে যে, তোমাদের পরিবর্তে তোমাদের মত লোককে নিয়ে আসি এবং তোমাদেরকে এমন করে দেই, যা তোমরা জান না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদের স্থলে তোমাদের সদৃশ আনয়ন করিতে এবং তোমাদেরকে এমন এক আকৃতিতে সৃষ্টি করিতে যাহা তোমরা জান না।

জহুরুল হক

যেন আমরা বদলে দিতে পারি তোমাদের অনুকরণে, এবং তোমাদের রূপান্তরিত করতে পারি তাতে যা তোমরা জান না।

সমকালীন বাংলা

আর অবশ্যই তোমরা প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে জেনেছো; তবুও কেন শিক্ষা গ্রহণ করো না?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা অবগত হয়েছ প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে, তবে তোমরা অনুধাবন কর না কেন?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা তো অবগত হইয়াছ প্রথম সৃষ্টি সম্বন্ধে, তবে তোমরা অনুধাবন কর না কেন?

জহুরুল হক

আর তোমরা অবশ্য প্রথম অভ্যুত্থান সন্বন্ধে অবগত হয়েছ, তবে কেন তোমরা ভেবে দেখ না?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি ভেবেছো,  যা তোমরা চাষ করো?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যে বীজ বপন কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যে বীজ বপন কর সে সম্পর্কে চিন্তা করিয়াছ কি?

জহুরুল হক

তোমরা কি ভেবে দেখেছ যা তোমরা বপন কর?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি তা উৎপন্ন করো, নাকি আমরাই উৎপন্ন করি?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তাকে উৎপন্ন কর, না আমি উৎপন্নকারী ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কি উহাকে অঙ্কুরিত কর, না আমি অঙ্কুরিত করি?

জহুরুল হক

তোমরা কি তা গজিয়ে তুলো, না আমরা বর্ধনকারী?

সমকালীন বাংলা

আমরা চাইলে অবশ্যই তা খড়কুটো করে দিতে পারি, তখন তোমরা বিস্মিত হয়ে বলবে,

মুহিউদ্দীন খান

আমি ইচ্ছা করলে তাকে খড়কুটা করে দিতে পারি, অতঃপর হয়ে যাবে তোমরা বিস্ময়াবিষ্ট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলে ইহাকে খড় - কুটায় পরিণত করিতে পারি, তখন হতবুদ্ধি হইয়া পড়িবে তোমরা;

জহুরুল হক

আমরা যদি চাইতাম তবে আমরা আলবৎ তাকে খড় - কুটোয় পরিণত করতে পারতাম, তখন তোমরা হাহুতাশ করতে থাকবে,

সমকালীন বাংলা

“নিশ্চয়ই আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি;

মুহিউদ্দীন খান

বলবেঃ আমরা তো ঋণের চাপে পড়ে গেলাম;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আমরা তো দায়গ্রস্ত হইয়া পড়িয়াছি’,

জহুরুল হক

''আমরা তো নিশ্চয় ঋণগ্রস্ত হলাম,

সমকালীন বাংলা

বরং আমরা বঞ্চিত হয়েছি।”

মুহিউদ্দীন খান

বরং আমরা হূত সর্বস্ব হয়ে পড়লাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

বরং ‘আমরা হৃতসর্বস্ব হইয়া পড়িয়াছি।’

জহুরুল হক

''বরং আমরা বঞ্চিত হলাম।’’

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি ভেবেছো, যে পানি তোমরা পান করো?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যে পানি পান কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যে পানি পান কর তাহা সম্পর্কে কি তোমরা চিন্তা করিয়াছ?

জহুরুল হক

তোমরা যে পানি পান কর সে - সন্বন্ধে তোমরা কি ভেবে দেখেছ?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি তা মেঘ থেকে নামাও, নাকি আমরাই নামাই?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তা মেঘ থেকে নামিয়ে আন, না আমি বর্ষন করি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা কি উহা মেঘ হইতে নামাইয়া আন, না আমি উহা বর্ষণ করি?

জহুরুল হক

তোমরাই কি তা মেঘ থেকে নামিয়ে আন, না আমরা বর্ষণকারী?

সমকালীন বাংলা

আমরা চাইলে তা লবনাক্ত করে দিতে পারি। অতএব কেন তোমরা কৃতজ্ঞ হও না?

মুহিউদ্দীন খান

আমি ইচ্ছা করলে তাকে লোনা করে দিতে পারি, অতঃপর তোমরা কেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইচ্ছা করিলে উহা লবণাক্ত করিয়া দিতে পারি। তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না?

জহুরুল হক

আমরা যদি চাইতাম তাহলে আমরা তাকে লোনা করে দিতে পারতাম, কেন তবে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর না?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি ভেবে দেখেছো, যে আগুন তোমরা জ্বালাও?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যে অগ্নি কর তাহা লক্ষ্য করিয়া দেখিয়াছ কি?

জহুরুল হক

তোমরা যে আগুন জ্বালাও তা কি তোমরা লক্ষ্য করেছ?

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি তার গাছ সৃষ্টি করেছো, নাকি আমরাই সৃষ্টি করেছি?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি এর বৃক্ষ সৃষ্টি করেছ, না আমি সৃষ্টি করেছি ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরাই কি উহার বৃক্ষ সৃষ্টি কর, না আমি সৃষ্টি করি?

জহুরুল হক

তোমরাই কি তার গাছকে জন্মইয়েছ, না আমরা উৎপাদনকারী?

সমকালীন বাংলা

আমরা এটিকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার বিষয় এবং পথিকদের জন্য উপকার করেছি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি সেই বৃক্ষকে করেছি স্মরণিকা এবং মরুবাসীদের জন্য সামগ্রী।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি ইহাকে করিয়াছি নিদর্শন এবং মরুচারীদের প্রয়োজনীয় বস্তু।

জহুরুল হক

আমরাই তাকে বানিয়েছি এক নিদর্শনসামগ্রী এবং মরুচারীদের জন্য এক প্রয়োজনসামগ্রী।

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমার মহান প্রতিপালকের নামে পবিত্রতা ঘোষণা করো।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সুতরাং তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।

জহুরুল হক

অতএব তোমার সর্বশক্তিমান প্রভুর নামের জপতপ করো।

সমকালীন বাংলা

অতএব না, আমি নক্ষত্রসমূহের অবস্থানগুলোর শপথ করছি,

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আমি তারকারাজির অস্তাচলের শপথ করছি,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমি শপথ করিতেছি নক্ষত্ররাজির অস্তাচলের,

জহুরুল হক

না, আমি কিন্তু শপথ করছি নক্ষত্ররাজির অবস্থানের, - -

সমকালীন বাংলা

আর নিশ্চয়ই এটি এক মহাশপথ, যদি তোমরা জানতে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এটা এক মহা শপথ - যদি তোমরা জানতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অবশ্যই ইহা এক মহাশপথ, যদি তোমরা জানিতে -

জহুরুল হক

আর নিঃসন্দেহ এটি তো এক বিরাট শপথ, যদি তোমরা জানতে, - -

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই এটি সম্মানিত কুরআন,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় এটা সম্মানিত কোরআন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

নিশ্চয়ই ইহা সম্মানিত কুরআন,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এটি তো এক সম্মানিত কুরআন,

সমকালীন বাংলা

যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে।

মুহিউদ্দীন খান

যা আছে এক গোপন কিতাবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহা আছে সুরক্ষিত কিতাবে।

জহুরুল হক

এক সুরক্ষিত গ্রন্থে।

সমকালীন বাংলা

পবিত্রকৃতরা ছাড়া কেউ তা স্পর্শ করে না।

মুহিউদ্দীন খান

যারা পাক - পবিত্র, তারা ব্যতীত অন্য কেউ একে স্পর্শ করবে না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাহারা পূত - পবিত্র তাহারা ব্যতীত অন্য কেহ তাহা স্পর্শ করে না।

জহুরুল হক

কেউ তা স্পর্শ করবে না পূত - পবিত্র ছাড়া।

সমকালীন বাংলা

এটি সৃষ্টিজগতের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

মুহিউদ্দীন খান

এটা বিশ্ব - পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট হইতে অবতীর্ণ।

জহুরুল হক

এটি এক অবতারণ বিশ্বজগতের প্রভুর কাছ থেকে।

সমকালীন বাংলা

তাহলে কি তোমরা এই বাণীকে হালকা করে দেখছো?

মুহিউদ্দীন খান

তবুও কি তোমরা এই বাণীর প্রতি শৈথিল্য পদর্শন করবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবুও কি তোমরা এই বাণীকে তুচ্ছ গণ্য করিবে?

জহুরুল হক

তা সত্ত্বেও কি সেই বাণীর প্রতি তোমরা তুচ্ছতাচ্ছিল্য ভাবাপন্ন,

সমকালীন বাংলা

আর তোমরা যে তোমাদের জীবিকাকে অস্বীকার করছো?

মুহিউদ্দীন খান

এবং একে মিথ্যা বলাকেই তোমরা তোমাদের ভূমিকায় পরিণত করবে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তোমরা মিথ্যারোপকেই তোমাদের উপজীব্য করিয়া লইয়াছ !

জহুরুল হক

এবং তোমাদের জীবিকা বানিয়ে নিয়েছ যে তোমরা মিথ্যা আখ্যা দেবে?

সমকালীন বাংলা

অতএব যখন প্রাণ কণ্ঠনালিতে পৌঁছে যায়,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন কারও প্রাণ কন্ঠাগত হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পরন্তু কেন নয় - প্রাণ যখন কণ্ঠাগত হয়

জহুরুল হক

তবে কেন যখন কন্ঠাগত হয়ে যায়,

সমকালীন বাংলা

আর তোমরা তখন তাকিয়ে থাকো,

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমরা তাকিয়ে থাক,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং তখন তোমরা তাকাইয়া থাক,

জহুরুল হক

এবং তোমরা যে - সময়ে তাকিয়ে থাকো,

সমকালীন বাংলা

আর আমরা তার চেয়ে তোমাদের নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না।

মুহিউদ্দীন খান

তখন আমি তোমাদের অপেক্ষা তার অধিক নিকটে থাকি; কিন্তু তোমরা দেখ না।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি তোমাদের অপেক্ষা তাহার নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখিতে পাও না।

জহুরুল হক

আমরা তখন তোমাদের চাইতে তার বেশী নিকটবর্তী কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না।

সমকালীন বাংলা

অতএব যদি তোমরা কারও অধীন না হও,

মুহিউদ্দীন খান

যদি তোমাদের হিসাব - কিতাব না হওয়াই ঠিক হয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমরা যদি কর্তৃত্বাধীন না হও!

জহুরুল হক

যদি তোমরা আজ্ঞাধীন না হয়ে থাক তবে কেন তোমরা পার না - -

সমকালীন বাংলা

তবে সেই প্রাণকে ফিরিয়ে আনো, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।

মুহিউদ্দীন খান

তবে তোমরা এই আত্মাকে ফিরাও না কেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও ?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তোমরা উহা ফিরাও না কেন? যদি তোমরা সত্যবাদী হও।

জহুরুল হক

তাকে ফিরিয়ে দিতে, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যদি সে নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়,

মুহিউদ্দীন খান

যদি সে নৈকট্যশীলদের একজন হয়;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যদি সে নৈকট্যপ্রাপ্তদের একজন হয়,

জহুরুল হক

আর পক্ষান্তরে যদি সে নৈকট্যপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়।

সমকালীন বাংলা

তবে আরাম আর সুগন্ধি উদ্ভিদ আর সুখের বেহেস্ত।

মুহিউদ্দীন খান

তবে তার জন্যে আছে সুখ, উত্তম রিযিক এবং নেয়ামতে ভরা উদ্যান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তাহার জন্য রহিয়াছে আরাম, উত্তম জীবনোপকরণ ও সুখদ উদ্যান;

জহুরুল হক

তাহলে আয়েশ - আরাম ও সৌরভ, এবং আনন্দময় উদ্যান।

সমকালীন বাংলা

আর যদি সে ডানদিকের লোকদের অন্তর্ভুক্ত হয়,

মুহিউদ্দীন খান

আর যদি সে ডান পার্শ্বস্থদের একজন হয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যদি সে ডানদিকের একজন হয়,

জহুরুল হক

আর অপরপক্ষে সে যদি দক্ষিণপন্থীদের মধ্যেকার হয়,

সমকালীন বাংলা

তবে তোমার জন্য শান্তি, কারণ সে ডানদিকের লোকদের অন্তর্ভুক্ত।

মুহিউদ্দীন খান

তবে তাকে বলা হবেঃ তোমার জন্যে ডানপার্শ্বসস্থদের পক্ষ থেকে সালাম।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে তাহাকে বলা হইবে, ‘হে দক্ষিণ পার্শ্ববর্তী! তোমার প্রতি শান্তি।’

জহুরুল হক

তাহলে দক্ষিণপন্থীদের দলের থেকে - - ''তোমার প্রতি সালাম।’’

সমকালীন বাংলা

আর যদি সে মিথ্যাপ্রতিপন্নকারী পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হয়,

মুহিউদ্দীন খান

আর যদি সে পথভ্রষ্ট মিথ্যারোপকারীদের একজন হয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু সে যদি সত্য অস্বীকারকারী ও বিভ্রান্তদের অন্যতম হয়,

জহুরুল হক

আর পক্ষান্তরে সে যদি প্রত্যাখ্যানকারী পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে, - -

সমকালীন বাংলা

তবে তার আপ্যায়ন হবে ফুটন্ত পানি দিয়ে,

মুহিউদ্দীন খান

তবে তার আপ্যায়ন হবে উত্তপ্ত পানি দ্বারা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তবে রহিয়াছে আপ্যায়ন অত্যুষ্ণ পানির দ্বারা,

জহুরুল হক

তাহলে আপ্যায়ন হবে ফুটন্ত পানি দিয়ে,

সমকালীন বাংলা

এবং জাহিমে পোড়ানো।

মুহিউদ্দীন খান

এবং সে নিক্ষিপ্ত হবে অগ্নিতে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং দহন জাহান্নামের;

জহুরুল হক

এবং প্রবেশস্থল হবে ভয়ংকর আগুন!

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই এটিই নিশ্চিত সত্য।

মুহিউদ্দীন খান

এটা ধ্রুব সত্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা তো ধ্রুব সত্য।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এটি অবশ্য সুনিশ্চিত সত্য।

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমার মহান প্রতিপালকের নামে পবিত্রতা ঘোষণা করো।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামে পবিত্রতা ঘোষণা করুন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তুমি তোমার মহান প্রতিপালকের নামের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা কর।

জহুরুল হক

সুতরাং তোমার সর্বশক্তিমান প্রভুর নামের জপতপ করো।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme