Kitab

আন নাজম (আকাশের তারা)

Chapter 53, 62 verses

  • সমকালীন বাংলা
  • মুহিউদ্দীন খান
  • জহুরুল হক
  • আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা

পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল আল্লাহর নামে; শপথ নক্ষত্রের, যখন তা অস্ত যায়।

মুহিউদ্দীন খান

নক্ষত্রের কসম, যখন অস্তমিত হয়।

জহুরুল হক

ভাবো তারকার কথা, যখন তা অস্ত যায়!

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ নক্ষত্রের, যখন তারা অস্তমিত হয়,

সমকালীন বাংলা

তোমাদের সঙ্গী বিভ্রান্ত নয়, বিপথগামীও নয়,

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের সংগী পথভ্রষ্ট হননি এবং বিপথগামীও হননি।

জহুরুল হক

তোমাদের সঙ্গী দোষ - ত্রুটি করেন না, আর তিনি বিপথেও যান না,

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের সাথি বিপথগামীও হয়নি, বিভ্রান্তও হয়নি।

সমকালীন বাংলা

আর সে খেয়ালখুশি মতন কথা বলে না।

মুহিউদ্দীন খান

এবং প্রবৃত্তির তাড়নায় কথা বলেন না।

জহুরুল হক

আর তিনি ইচ্ছামত কোনো কথা বলেন না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে নিজের খেয়াল খুশি মতো কথা বলেনা।

সমকালীন বাংলা

এটি তো কেবল ওহি, যা তার প্রতি ওহি করা হয়।

মুহিউদ্দীন খান

কোরআন ওহী, যা প্রত্যাদেশ হয়।

জহুরুল হক

এইখানা প্রত্যাদিষ্ট হওয়া প্রত্যাদেশবাণী বৈ তো নয়, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

সে যা বলে তা তো অহি, যা তার কাছে পাঠানো হয়।

সমকালীন বাংলা

তাকে শিক্ষা দিয়েছে প্রবল শক্তির অধিকারী।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁকে শিক্ষা দান করে এক শক্তিশালী ফেরেশতা,

জহুরুল হক

তাঁকে শিখিয়েছেন বিরাট শক্তিমান - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তাকে (এ কুরআন) শিক্ষা দেয় এক শক্তিধর

সমকালীন বাংলা

শক্তির অধিকারী, অতঃপর সে স্থির হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

মুহিউদ্দীন খান

সহজাত শক্তিসম্পন্ন, সে নিজ আকৃতিতে প্রকাশ পেল।

জহুরুল হক

বলবীর্যের অধিকারী। কাজেই তিনি পরিপূর্ণতায় পৌঁছলেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রজ্ঞাবান (জিবরিল)। নিজের আকৃতিতে সে স্থির হয়েছিল,

সমকালীন বাংলা

আর সে ছিল সর্বোচ্চ দিগন্তে।

মুহিউদ্দীন খান

উর্ধ্ব দিগন্তে,

জহুরুল হক

আর তিনি রয়েছেন ঊর্ধ্ব দিগন্তে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে ছিলো উপর দিগন্তে,

সমকালীন বাংলা

এরপর সে কাছে এলো এবং আরো কাছে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর নিকটবর্তী হল ও ঝুলে গেল।

জহুরুল হক

তারপর তিনি সন্নিকটে এলেন, অতঃপর তিনি অবনত করলেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে তার কাছে আসে এবং অতি কাছে,

সমকালীন বাংলা

এরপর দুই ধনুকের মতো দূরত্বে, অথবা আরো কম।

মুহিউদ্দীন খান

তখন দুই ধনুকের ব্যবধান ছিল অথবা আরও কম।

জহুরুল হক

তখন তিনি দুই ধনুকের ব্যবধানে রইলেন, অথবা আরও কাছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে তাদের মাঝখানে ব্যবধান বাকি থাকে মাত্র দুই ধনুকের ব্যবধান অথবা তার চাইতেও কম।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তিনি তাঁর দাসের প্রতি যা ওহি করার, তা ওহি করলেন।

Note

এখানে أَوْحَىٰ এসেছে وحي (ওহি) থেকে। এর মূল অর্থ হলো গোপনে/বিশেষভাবে বার্তা জানানো, প্রকাশ করা, ওহি করা।

মুহিউদ্দীন খান

তখন তাঁর দাসের প্রতি যা প্রত্যাদেশ করবার, তা প্রত্যাদেশ করলেন।

জহুরুল হক

তখন তিনি তাঁর বান্দার কাছে প্রত্যাদেশ করলেন যা তিনি প্রত্যাদেশ করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তাঁর বান্দার প্রতি অহি করেন (জিবরিলের মাধ্যমে) যা অহি করার।

সমকালীন বাংলা

সে যা দেখেছে, তার হৃদয় ভুল করেনি।

মুহিউদ্দীন খান

রসূলের অন্তর মিথ্যা বলেনি যা সে দেখেছে।

জহুরুল হক

হৃদয় অস্বীকার করে নি যা তিনি দেখেছিলেন তাতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

হৃদয় যা দেখেছে, সে তা ভুল করেনি।

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি তার সঙ্গে সে যা দেখে, সে বিষয়ে বিতর্ক করছো?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি বিষয়ে বিতর্ক করবে যা সে দেখেছে?

জহুরুল হক

তোমরা কি তবে তাঁর সঙ্গে বিতর্ক করবে যা তিনি দেখেছেন সে - সন্বন্ধে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সে যা দেখেছে তোমরা কি সে বিষয়ে তার সাথে বিতর্ক করবে?

সমকালীন বাংলা

আর অবশ্যই সে তাঁকে আরেকবার দেখেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় সে তাকে আরেকবার দেখেছিল,

জহুরুল হক

আর তিনি নিশ্চয়ই তাঁকে দেখেছিলেন অন্য এক অবতরণে - -

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই সে তাকে পরেও একবার দেখেছিল

সমকালীন বাংলা

সিদরাতুল মুনতাহার কাছে,

Note
سِدْرَةُ الْمُنتَهَىٰ অর্থ “চূড়ান্ত সীমার সিদরাত গাছ”। সিদরাত শব্দটি আরবি سِدْر থেকে এসেছে, যা এক ধরনের কূল বা বরই জাতীয় গাছ। মুনতাহা অর্থ শেষ সীমা বা চূড়ান্ত সীমা।
মুহিউদ্দীন খান

সিদরাতুলমুন্তাহার নিকটে,

জহুরুল হক

দূরদিগন্তের সিদরাহ্‌ - গাছের কাছে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সিদরাতুল মুনতাহার কাছে।

সমকালীন বাংলা

তার কাছে মাওয়া বেহেশত।

মুহিউদ্দীন খান

যার কাছে অবস্থিত বসবাসের জান্নাত।

জহুরুল হক

তার কাছে আছে চির - উপভোগ্য উদ্যান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার কাছেই রয়েছে জান্নাতুল মা’ওয়া।

সমকালীন বাংলা

যখন সিদরাতকে যা ঢেকে দেওয়ার, তা ঢেকে দিচ্ছিল।

Note
সিদরাত শব্দটি আরবি سِدْر থেকে এসেছে, যা এক ধরনের কূল বা বরই জাতীয় গাছ।
মুহিউদ্দীন খান

যখন বৃক্ষটি দ্বারা আচ্ছন্ন হওয়ার, তদ্দ্বারা আচ্ছন্ন ছিল।

জহুরুল হক

দেখো! যা আচ্ছাদন করে তা ঢেকে দিয়েছিল সিদরাহ্‌ - গাছকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন সে সিদরাটি (কুল গাছটি) যা দিয়ে ঢাকার তা দিয়ে আচ্ছাদিত ছিলো।

সমকালীন বাংলা

দৃষ্টি বিচ্যুত হয়নি এবং সীমালঙ্ঘনও করেনি।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর দৃষ্টিবিভ্রম হয় নি এবং সীমালংঘনও করেনি।

জহুরুল হক

দৃষ্টি বিভ্রান্ত হয় নি এবং তা সীমা ছাড়িয়েও যায় নি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার নজর বিভ্রম ঘটেনি এবং সে বিচ্যুতও হয়নি।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই সে তার পালনকর্তার মহান নিদর্শনসমূহের কিছু দেখেছিল।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় সে তার পালনকর্তার মহান নিদর্শনাবলী অবলোকন করেছে।

জহুরুল হক

তিনি নিশ্চয়ই তাঁর প্রভুর শ্রেষ্ঠ নিদর্শনগুলোর মধ্যে চেয়ে দেখেছিলেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে তো তার প্রভুর শ্রেষ্ঠ নিদর্শনাবলি দেখেছে।

সমকালীন বাংলা

তোমরা কি ভেবে দেখেছো লাত ও উজ্জা সম্পর্কে?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি ভেবে দেখেছ লাত ও ওযযা সম্পর্কে।

জহুরুল হক

তোমরা কি তবে ভেবে দেখেছ লাত ও 'উযযা,

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি লাত ও উযযার বিষয়টি ভেবে দেখেছো?

সমকালীন বাংলা

এবং মানাত, তৃতীয় আর একটি?

মুহিউদ্দীন খান

এবং তৃতীয় আরেকটি মানাত সম্পর্কে?

জহুরুল হক

এবং মানাত, - - তৃতীয় আরেকটি?

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তৃতীয় আরেকটি মানাতের বিষয়টি?

সমকালীন বাংলা

তোমাদের জন্য কি পুত্রসন্তান, আর তার জন্য কন্যাসন্তান?

মুহিউদ্দীন খান

পুত্র - সন্তান কি তোমাদের জন্যে এবং কন্যা - সন্তান আল্লাহর জন্য?

জহুরুল হক

তোমাদের জন্য পুত্রসন্তান আর তাঁর জন্য কন্যা!

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে কি তোমাদের জন্যে পুত্র সন্তান আর আল্লাহর জন্যে কন্যা সন্তান?

সমকালীন বাংলা

এটি তো এক অন্যায় বণ্টন!

মুহিউদ্দীন খান

এমতাবস্থায় এটা তো হবে খুবই অসংগত বন্টন।

জহুরুল হক

এ তো বড়ই অসংগত বন্টন!

আবদুস শহীদ নাসিম

এ ধরণের ভাগ তো সম্পূর্ণ অন্যায়।

সমকালীন বাংলা

এগুলো তো কেবল নাম, যা তোমরা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষেরা নাম দিয়েছো। এগুলোর কোনো প্রমাণ অবতীর্ণ করেননি। তারা তো কেবল অনুমান এবং নিজেদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করে। অথচ তাদের কাছে তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে পথনির্দেশ এসেছে।

মুহিউদ্দীন খান

এগুলো কতগুলো নাম বৈ নয়, যা তোমরা এবং তোমাদের পূর্ব - পুরুষদের রেখেছ। এর সমর্থনে কোন দলীল নাযিল করেননি। তারা অনুমান এবং প্রবৃত্তিরই অনুসরণ করে। অথচ তাদের কাছে তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে পথ নির্দেশ এসেছে।

জহুরুল হক

তারা নামাবলী বৈ তো নয়, যা তোমরা নামকরণ করেছ - - তোমরা ও তোমাদের পূর্বপুরুষরা, যাদের জন্য কোনো সনদ পাঠান নি। তারা তো শুধু অনুমানের এবং যা তাদের অন্তর কামনা করে তারই অনুসরণ করে। অথচ তাদের প্রভুর কাছ থেকে তাদের কাছে পথনির্দেশ অবশ্যই এসে গেছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের এগুলো তো কতোগুলো নামমাত্র, তোমরা এবং তোমাদের পূর্ব পুরুষরা এসব নাম দিয়েছো। তো এগুলোর সমর্থনে কোনো প্রমাণ নাযিল করেননি। তোমরা তো অনুমান এবং কামনা - বাসনারই অনুসরণ করো। অথচ এদের কাছে তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে হিদায়াত এসেছে।

সমকালীন বাংলা

মানুষ কি যা ইচ্ছে করে তাই পায়?

মুহিউদ্দীন খান

মানুষ যা চায়, তাই কি পায়?

জহুরুল হক

অথবা মানুষের জন্য কি তাই থাকবে যা সে কামনা করে?

আবদুস শহীদ নাসিম

নাকি মানুষ যা চায়, তাই পায়?

সমকালীন বাংলা

অতঃপর শেষ ও প্রথম আল্লাহরই।

Note
শেষ = পরকাল, প্রথম = দুনিয়ার জীবন
মুহিউদ্দীন খান

অতএব, পরবর্তী ও পূর্ববর্তী সব মঙ্গলই আল্লাহর হাতে।

জহুরুল হক

কিন্ত শেষটা তো ‌র, আর প্রথমটাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রকৃতপক্ষে, ইহকাল এবং সবই আল্লাহর।

সমকালীন বাংলা

আর আকাশসমূহে কত ফেরেশতা রয়েছে, যাদের সুপারিশ কোনো কাজে আসবে না, যতক্ষণ না যাকে ইচ্ছা এবং যার প্রতি সন্তুষ্ট, তার জন্য অনুমতি দেন।

মুহিউদ্দীন খান

আকাশে অনেক ফেরেশতা রয়েছে। তাদের কোন সুপারিশ ফলপ্রসূ হয় না যতক্ষণ যার জন্যে ইচ্ছা ও যাকে পছন্দ করেন, অনুমতি না দেন।

জহুরুল হক

আর মহাকাশমন্ডলে কত যে ফিরিশ্‌তা রয়েছে যাদের সুপারিশ কোনো কাজে আসবে না যতক্ষণ না অনুমতি দেন তার জন্য যাকে তিনি ইচ্ছা করেন ও তিনি সন্তষ্ট হয়েছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশে কতো যে ফেরেশতা রয়েছে, তাদের শাফায়াতে কিছুমাত্র লাভ হবেনা, তবে যদি অনুমতি দেন তারপর, এবং তিনি যার জন্যে অনুমতি দেন, আর তিনি যার প্রতি সন্তুষ্ট হন।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, তারা ফেরেশতাদের নারীবাচক নাম দেয়।

মুহিউদ্দীন খান

যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, তারাই ফেরেশতাকে নারীবাচক নাম দিয়ে থাকে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ যারা পরকালে বিশ্বাস করে না তারা ফিরিশ্‌তাদের নাম দেয় মেয়েদের নামে।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই যারা আখিরাতের প্রতি ঈমান আনেনা, তারাই ফেরেশতাদের নারীবাচক নাম দিয়ে থাকে।

সমকালীন বাংলা

আর তাদের কোনো জ্ঞান নেই এ বিষয়ে। তারা কেবল অনুমানের অনুসরণ করে। আর নিশ্চয়ই অনুমান সত্যের কোনো কাজে আসে না।

মুহিউদ্দীন খান

অথচ এ বিষয়ে তাদের কোন জ্ঞান নেই। তারা কেবল অনুমানের উপর চলে। অথচ সত্যের ব্যাপারে অনুমান মোটেই ফলপ্রসূ নয়।

জহুরুল হক

আর এ বিষয়ে তাদের কোনো জ্ঞান নেই। তারা তো অনুমানেরই অনুসরণ করছে, আর নিঃসন্দেহ সত্যের বিরুদ্ধে অনুমানে কোনো লাভ হয় না।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ এ ব্যাপারে তাদের কোনো এলেমই নেই। তারা তো কেবল অনুমানের পিছে ছুটে। কিন্তু অনুমান সত্যের মোকাবেলায় কোনো কাজেই লাগেনা।

সমকালীন বাংলা

অতএব তুমি তাকে উপেক্ষা করো যে আমাদের স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং দুনিয়ার জীবন ছাড়া কিছু চায় না।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব যে আমার স্মরণে বিমুখ এবং কেবল পার্থিব জীবনই কামনা করে তার তরফ থেকে আপনি মুখ ফিরিয়ে নিন।

জহুরুল হক

সেজন্য তাকে উপেক্ষা করো যে আমাদের উপদেশ থেকে ফিরে যায় আর দুনিয়ার জীবন ছাড়া আর কিছু চায় না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং যে আমার যিকির থেকে বিমুখ, তাকে উপেক্ষা করে চলো। সে তো দুনিয়ার জীবন ছাড়া আর কিছুই কামনা করেনা।

সমকালীন বাংলা

এটাই তাদের জ্ঞানের সীমা। নিশ্চয়ই তোমার পালনকর্তাই ভালো জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনি ভালো জানেন কে সঠিক পথে রয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জ্ঞানের পরিধি এ পর্যন্তই। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা ভাল জানেন, কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনিই ভাল জানেন কে সুপথপ্রাপ্ত হয়েছে।

জহুরুল হক

এইটিই তাদের জ্ঞানের শেষসীমা। নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু - - তিনিই ভাল জানেন তাকে যে তার পথ থেকে ভ্রষ্ট হয়েছে, আর তিনিই ভাল জানেন যে সৎপথপ্রাপ্ত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জ্ঞানের দৌড় এ পর্যন্তই শেষ। তোমার প্রভু ভালো করেই জানেন, কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, আর তিনি তাকেও ভালো করেই জানেন, যে সঠিক পথের অনুসারী।

সমকালীন বাংলা

আর আল্লাহরই যা কিছু আকাশসমূহ ও পৃথিবীতে আছে। যারা মন্দ কাজ করেছে, তাদের সেই অনুযায়ী প্রতিদান দেন এবং যারা ভালো কাজ করেছে, তাদের উত্তম প্রতিদান দেন।

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবই আল্লাহর, যাতে তিনি মন্দকর্মীদেরকে তাদের কর্মের প্রতিফল দেন এবং সৎকর্মীদেরকে দেন ভাল ফল।

জহুরুল হক

আর মহাকাশমন্ডলে যা - কিছু আছে এবং যা - কিছু আছে পৃথিবীতে তা ‌রই, যেন যারা মন্দ কাজ করেছে তাদের তিনি প্রতিফল দিতে পারেন যা তারা করেছে সেজন্য, আর যারা সৎকাজ করেছে তাদের তিনি ভালভাবে প্রতিদান দিতে পারেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর, যাতে করে যারা বদ আমল করে তাদের মন্দ প্রতিফল দিয়ে দেন, আর যারা নেক আমল করে, তাদের শুভ প্রতিফল দান করেন।

সমকালীন বাংলা

যারা বড় বড় পাপ ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকে, ছোটখাটো ত্রুটি ছাড়া; নিশ্চয়ই তোমার পালনকর্তার ক্ষমা অপরিসীম। তিনি তোমাদের সম্পর্কে ভালো জানেন, যখন তিনি তোমাদের মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং যখন তোমরা তোমাদের মায়েদের গর্ভে ভ্রূণ ছিলে। অতএব নিজেদের পবিত্র দাবি করো না। কে তাকওয়া অবলম্বন করেছে, তিনি তা ভালো জানেন।

Note

test

মুহিউদ্দীন খান

যারা বড় বড় গোনাহ ও অশ্লীলকার্য থেকে বেঁচে থাকে ছোটখাট অপরাধ করলেও নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার ক্ষমা সুদূর বিস্তৃত। তিনি তোমাদের সম্পর্কে ভাল জানেন, যখন তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মৃত্তিকা থেকে এবং যখন তোমরা মাতৃগর্ভে কচি শিশু ছিলে। অতএব তোমরা আত্নপ্রশংসা করো না। তিনি ভাল জানেন কে সংযমী।

জহুরুল হক

যারা বর্জন করে বড় বড় পাপাচার ও অশ্লীল কাজ - - মুখোমুখি হওয়া ভিন্ন - - তোমার প্রভু পরিত্রাণে নিশ্চয়ই অপরিসীম। তিনি তোমাদের ভালো জানেন যখন থেকে তিনি তোমাদের সৃষ্টির সূচনা করেছেন মাটি থেকে, আর যখন তোমরা ছিলে তোমাদের মায়ের পেটে ভ্রণরূপে। অতএব তোমরা তোমাদের নিজেদের গুণগান করো না। তিনিই ভালো জানেন তাকে যে ধর্মভীরুতা অবলন্বন করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা কবিরা গুনাহ্ এবং ফাহেশা কাজ থেকে বিরত থাকে, যদিও ছোট খাটো গুনাহ্ হয়েই থাকে, তোমার প্রভু (তাদের ব্যাপারে) উদার ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের সম্পর্কে অবগত আছেন, যখন তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছিলেন মাটি থেকে এবং যখন তোমরা মায়ের গর্ভে ছিলে ভ্রুণ হিসেবে। সুতরাং তোমরা নিজেদেরকে শুদ্ধতার সার্টিফিকেট দিওনা। তিনি ভালো করেই জানেন কে বেশি ?

সমকালীন বাংলা

তুমি কি তাকে দেখেছো, যে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

জহুরুল হক

তুমি কি তবে তাকে দেখেছ যে ফিরে যায়,

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি ঐ ব্যক্তিকে দেখেছো, যে মুখ ফিরিয়ে নেয় (ইসলাম থেকে)?

সমকালীন বাংলা

আর সামান্য দান করেছে এবং বন্ধ করে দিয়েছে?

মুহিউদ্দীন খান

এবং দেয় সামান্যই ও পাষাণ হয়ে যায়।

জহুরুল হক

আর যৎসামান্য দান করে এবং নির্দয়তা দেখায়?

আবদুস শহীদ নাসিম

যে সামান্যই দান করে এবং পরে (তাও) বন্ধ করে দেয়?

সমকালীন বাংলা

তার কাছে কি অদৃশ্যের জ্ঞান আছে, ফলে সে দেখতে পায়?

মুহিউদ্দীন খান

তার কাছে কি অদৃশ্যের জ্ঞান আছে যে, সে দেখে?

জহুরুল হক

তার কাছে কি সম্পর্কে জ্ঞান রয়েছে ফলে সে দেখত পাচ্ছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তার কাছে কি গায়েবের জ্ঞান আছে এবং সে কি সব দেখতে পায়?

সমকালীন বাংলা

তাকে কি জানানো হয়নি যা মূসার পত্রসমূহে রয়েছে?

মুহিউদ্দীন খান

তাকে কি জানানো হয়নি যা আছে মূসার কিতাবে,

জহুরুল হক

অথবা তাকে কি সংবাদ দেওয়া হয় নি মূসার গ্রন্থে যা আছে সে - সন্বন্ধে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তাকে কি অবহিত করা হয়নি যা রয়েছে মূসার কিতাবে?

সমকালীন বাংলা

এবং ইবরাহীম, যে তার দায়িত্ব পূর্ণ করেছিল?

মুহিউদ্দীন খান

এবং ইব্রাহীমের কিতাবে, যে তার দায়িত্ব পালন করেছিল?

জহুরুল হক

এবং ইব্রাহীম সন্বন্ধে যিনি সম্পূর্ণরূপে প্রতিপালন করেছিলেন - -

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং ইবরাহিমের কিতাবে, যে পূর্ণ করেছিল তার কর্তব্য?

সমকালীন বাংলা

কোনো বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না।

মুহিউদ্দীন খান

কিতাবে এই আছে যে, কোন ব্যক্তি কারও গোনাহ নিজে বহন করবে না।

জহুরুল হক

যথা কোনো ভারবাহী অন্যের বোঝা বহন করবে না,

আবদুস শহীদ নাসিম

(সেসব কিতাবে রয়েছে:) কোনো বোঝা বহনকারী অপরের (পাপের) বোঝা বহন করবে না।

সমকালীন বাংলা

আর মানুষের জন্য নেই এছাড়া, যার জন্য সে চেষ্টা করেছে।

Note

Another easy translation could be "আর মানুষের জন্য তা-ই রয়েছে, যার জন্য সে চেষ্টা করেছে।"

মুহিউদ্দীন খান

এবং মানুষ তাই পায়, যা সে করে,

জহুরুল হক

আর এই যে মানুষের জন্য কিছুই থাকবে না যার জন্য সে চেষ্টা না ক’রে,

আবদুস শহীদ নাসিম

মানুষ তাই পাবে, যা সে চেষ্টা করবে।

সমকালীন বাংলা

আর নিশ্চয়ই তার চেষ্টা শীঘ্রই দেখা হবে।

মুহিউদ্দীন খান

তার কর্ম শীঘ্রই দেখা হবে।

জহুরুল হক

আর এই যে, তার প্রচেষ্টা অচিরেই দৃষ্টিগোচর হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং শীঘ্রি তাকে দেখানো হবে তার প্রচেষ্টা,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তাকে তার পূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হবে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাকে পূর্ণ প্রতিদান দেয়া হবে।

জহুরুল হক

তারপর তাকে প্রতিদান দেওয়া হবে পরিপূর্ণ প্রতিদানে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তাকে দেয়া হবে পূর্ণ প্রতিফল,

সমকালীন বাংলা

আর নিশ্চয়ই তোমার পালনকর্তার কাছেই শেষ গন্তব্য।

মুহিউদ্দীন খান

তোমার পালনকর্তার কাছে সবকিছুর সমাপ্তি,

জহুরুল হক

আর এই যে, তোমার প্রভুর দিকেই হচ্ছে শেষ - সীমা,

আবদুস শহীদ নাসিম

(সেসব কিতাবে) আরো রয়েছে যে, সব কিছুর সমাপ্তি হবে তোমার প্রভুর কাছে গিয়েই।

সমকালীন বাংলা

আর নিশ্চয়ই তিনিই হাসান এবং কাঁদান।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তিনিই হাসান ও কাঁদান

জহুরুল হক

আর এই যে, তিনিই হাসান আর তিনিই কাঁদান,

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই হাসাবেন এবং তিনিই কাঁদাবেন।

সমকালীন বাংলা

আর নিশ্চয়ই তিনিই মৃত্যু দেন এবং জীবন দেন।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তিনিই মারেন ও বাঁচান,

জহুরুল হক

আর এই যে, তিনিই মারেন ও তিনিই বাঁচান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই মউত ঘটান এবং তিনিই হায়াত দান করেন

সমকালীন বাংলা

আর নিশ্চয়ই তিনিই সৃষ্টি করেছেন জোড়া, পুরুষ ও নারীকে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তিনিই সৃষ্টি করেন যুগল - পুরুষ ও নারী।

জহুরুল হক

আর এই যে, তিনিই সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় - জোড়ায় নর ও নারী, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই সৃষ্টি করেন পুরুষ ও নারীর জোড়া

সমকালীন বাংলা

এক ফোঁটা বীর্য থেকে, যখন তা নিক্ষিপ্ত হয়।

মুহিউদ্দীন খান

একবিন্দু বীর্য থেকে যখন স্খলিত করা হয়।

জহুরুল হক

শুক্রকীট থেকে যখন তাকে বিন্যাস করা হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

নোতফা (শুক্র বিন্দু) থেকে যখন বীর্যপাত করা হয়।

সমকালীন বাংলা

আর নিশ্চয়ই তাঁরই দায়িত্ব পুনরায় সৃষ্টি করা।

মুহিউদ্দীন খান

পুনরুত্থানের দায়িত্ব তাঁরই,

জহুরুল হক

আর এই যে, তাঁর উপরেই রয়েছে পুনরায় উত্থানের দায়িত্ব,

আবদুস শহীদ নাসিম

পুনরুত্থান ঘটানোর দায়িত্বও তাঁরই।

সমকালীন বাংলা

আর নিশ্চয়ই তিনিই অভাবমুক্ত করেন এবং সম্পদ দান করেন।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তিনিই ধনবান করেন ও সম্পদ দান করেন।

জহুরুল হক

আর এই যে, তিনিই ধনদৌলত দেন ও সুখ - সমৃদ্ধি প্রদান করেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই অভাবমুক্ত করেন এবং দান করেন প্রাচুর্য।

সমকালীন বাংলা

আর নিশ্চয়ই তিনিই শি‘রার পালনকর্তা।

Note
Sirius বা লুব্ধক একটি নক্ষত্র বা তারা এর নাম
মুহিউদ্দীন খান

তিনি শিরা নক্ষত্রের মালিক।

জহুরুল হক

আর এই যে, তিনিই শি'রা নক্ষত্রের প্রভু,

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই প্রভু শে’রা নক্ষত্রের।

সমকালীন বাংলা

আর নিশ্চয়ই তিনিই প্রথম ‘আদকে ধ্বংস করেছিলেন।

Note
الأولى = প্রথম, প্রাচীন عادا = আদ একটি জাতি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায়
মুহিউদ্দীন খান

তিনিই প্রথম আদ সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছেন,

জহুরুল হক

আর এই যে, তিনিই ধ্বংস করেছিলেন প্রাচীনকালের 'আদ - জাতিকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই হালাক (ধ্বংস) করেছিলেন প্রথম আদকে,

সমকালীন বাংলা

আর সামূদকেও, অতঃপর অবশিষ্ট রাখেননি।

Note

সামূদ = একটি জাতি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায়    // ধ্বংসের পর তাদের একজনও অবশিষ্ট ছিলো না

মুহিউদ্দীন খান

এবং সামুদকেও; অতঃপর কাউকে অব্যহতি দেননি।

জহুরুল হক

আর ছামূদ - জাতিও, তাই তিনি বাকী রাখেন নি,

আবদুস শহীদ নাসিম

সামুদ জাতিকেও - যাদের একজনকেও বাকি রাখেননি।

সমকালীন বাংলা

আর এর আগে নূহের জাতিকে। নিশ্চয়ই তারা ছিল আরও অত্যাচারী ও আরও অবাধ্য।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়কে, তারা ছিল আরও জালেম ও অবাধ্য।

জহুরুল হক

আর নূহ - এর লোকদলও এর আগে। নিঃসন্দেহ তারা ছিল - - তারাই তো ছিল অত্যন্ত অত্যাচারী ও বেজায় অবাধ্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

এর আগে (ধ্বংস করেছিলেন) নূহের জাতিকেও। এরা সবাই ছিলো বড় যালিম আর চরম বিদ্রোহী।

সমকালীন বাংলা

আর জনপদগুলোকে উল্টে দিয়েছিলেন।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই জনপদকে শুন্যে উত্তোলন করে নিক্ষেপ করেছেন।

জহুরুল হক

আর উলটে ফেলা শহরগুলো - - তিনি ধ্বংস করেছিলেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

এছাড়াও (সেসব কিতাবে) রয়েছে যে, তিনি ধ্বংস করে দিয়েছিলেন উল্টে দেয়া জনপদকেও (লুতের জাতির শহরকে),

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সেগুলোকে ঢেকে দেওয়া হলো, যা ঢেকে দিয়েছিল।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তাকে আচ্ছন্ন করে নেয় যা আচ্ছন্ন করার।

জহুরুল হক

ফলে তাদের তিনি ঢেকে দিয়েছিলেন যা ঢেকে দেয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর তাদের আচ্ছন্ন করে নিয়েছিল - আচ্ছন্নকারী আযাব।

সমকালীন বাংলা

অতএব তোমার পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহ সম্পর্কে তুমি সন্দেহ করবে?

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তুমি তোমার পালনকর্তার কোন অনুগ্রহকে মিথ্যা বলবে?

জহুরুল হক

অতএব তোমার প্রভুর কোন অনুগ্রহ সম্পর্কে তুমি বাদানুবাদ করবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

এখন বলো, তোমার প্রভুর কোন্ নিয়ামত সম্পর্কে সন্দেহ করবে?

সমকালীন বাংলা

এ তো আগের সতর্ককারীদের মতোই একজন সতর্ককারী।

মুহিউদ্দীন খান

অতীতের সতর্ককারীদের মধ্যে সে - ও একজন সতর্ককারী।

জহুরুল হক

প্রাচীনকালের সতর্ককারীদের মধ্যে থেকে ইনি হচ্ছেন একজন সতর্ককারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ নবীও একজন সতর্ককারী অতীতের সতর্ককারীদের মতোই।

সমকালীন বাংলা

আসন্ন বিষয়টি নিকটবর্তী।

Note
এখানে সম্ভবত নিকটবর্তী কিয়ামতের বা বিচার দিনের কথা বুঝানো করা হয়েছে।
মুহিউদ্দীন খান

কেয়ামত নিকটে এসে গেছে।

জহুরুল হক

আসন্ন ঘটনা সমাগত,

আবদুস শহীদ নাসিম

কিয়ামত সন্নিকটে,

সমকালীন বাংলা

ছাড়া কেউ তা প্রকাশ করতে পারে না।

মুহিউদ্দীন খান

ব্যতীত কেউ একে প্রকাশ করতে সক্ষম নয়।

জহুরুল হক

এটি দূর করবার মতো ছাড়া আর কেউ নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

ছাড়া কেউই তা উন্মুক্ত করতে সক্ষম নয়।

সমকালীন বাংলা

তবে কি তোমরা এই বাণীতে অবাক হচ্ছো?

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কি এই বিষয়ে আশ্চর্যবোধ করছ?

জহুরুল হক

এই বিবৃতিতে তোমরা কি তাজ্জব হচ্ছ?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি এই বাণীর (কুরআনের) ব্যাপারে বিস্ময়বোধ করছো?

সমকালীন বাংলা

আর তোমরা হাসছো, এবং কাঁদছো না!

মুহিউদ্দীন খান

এবং হাসছ - ক্রন্দন করছ না?

জহুরুল হক

আর তোমরা কি হাসছ, তোমরা কি আর কাঁদবে না?

আবদুস শহীদ নাসিম

হাসাহাসি করছো? অথচ কাঁদছো না?

সমকালীন বাংলা

আর তোমরা উদাসীন রয়েছো!

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা ক্রীড়া - কৌতুক করছ,

জহুরুল হক

আর তোমরা তো হেলাফেলা করছ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আসলে তোমরা গাফিল।

সমকালীন বাংলা

অতএব আল্লাহকে সিজদা করো এবং ইবাদত করো।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব আল্লাহকে সেজদা কর এবং তাঁর এবাদত কর।

জহুরুল হক

অতএব ‌র প্রতি সিজদা করো এবং উপাসনা করো।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতএব, তোমরা সাজদা করো আল্লাহকে এবং ইবাদত করো কেবল তাঁরই। (সাজদা)

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme