আল ক্বামার (চাঁদ) , choose another chapter
আল ক্বামার (চাঁদ)
Chapter 54, 55 verses
সমকালীন বাংলা
জহুরুল হক
Arabic, with marks
আবদুস শহীদ নাসিম
Add book
List
Grid
সমকালীন বাংলা
১ আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে।
জহুরুল হক
১ ঘড়িঘন্টা সমাগত, আর চন্দ্র দ্বিখন্ডিত হয়েছে।
Arabic, with marks
١ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ
আবদুস শহীদ নাসিম
১ কিয়ামত করিব (নিকটবর্তী) হয়েছে এবং দ্বিখন্ডিত হয়েছে চাঁদ।
সমকালীন বাংলা
২ আর তারা কোনো নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, “এ তো যথারীতি জাদু।”
জহুরুল হক
২ আর যদি তারা কোনো নিদর্শন দেখে, তারা ফিরে যায় ও বলে - - ''এক জবরদস্ত জাদু।’’
Arabic, with marks
٢ وَإِن يَرَوْا آيَةً يُعْرِضُوا وَيَقُولُوا سِحْرٌ مُّسْتَمِرٌّ
আবদুস শহীদ নাসিম
২ তারা যখন কোনো নিদর্শন দেখে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে: ‘এতো আগে থেকে চলে আসা ম্যাজিক।’
সমকালীন বাংলা
৩ আর তারা অস্বীকার করেছে এবং নিজেদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করেছে; আর প্রত্যেক বিষয়ের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।
জহুরুল হক
৩ আর তারা প্রত্যাখ্যান করে এবং তারা তাদের খেয়ালখুশির অনুসরণ করে, অথচ প্রত্যেক বিষয়েরই নিস্পত্তি হয়েই গেছে।
Arabic, with marks
٣ وَكَذَّبُوا وَاتَّبَعُوا أَهْوَاءَهُمْ ۚ وَكُلُّ أَمْرٍ مُّسْتَقِرٌّ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ তারা প্রত্যাখ্যান করে সত্যকে এবং অনুগামী হয় খেয়াল খুশির। প্রতিটি বিষয় অবশ্যি লক্ষ্যে পৌঁছুবে।
সমকালীন বাংলা
৪ আর অবশ্যই তাদের কাছে এমন সংবাদ এসেছে, যাতে সতর্কবার্তা রয়েছে।
জহুরুল হক
৪ আর তাদের কাছে অবশ্য কিছুটা সংবাদ এসেই গেছে যাতে রয়েছে প্রতিষেধক - -
Arabic, with marks
٤ وَلَقَدْ جَاءَهُم مِّنَ الْأَنبَاءِ مَا فِيهِ مُزْدَجَرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ তাদের কাছে এসেছে এক মহাসংবাদ যাতে রয়েছে সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
৫ পরিপূর্ণ প্রজ্ঞা, কিন্তু উপদেশগুলো কোনো কাজে আসে না।
জহুরুল হক
৫ এক সুপরিণত জ্ঞান, কিন্তু এ সতর্কীকরণ কোনো কাজে আসে না।
Arabic, with marks
٥ حِكْمَةٌ بَالِغَةٌ ۖ فَمَا تُغْنِ النُّذُرُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ এ এক পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান (আল কুরআন)। তবে (আহবানকারীদের) সতর্কবাণী তাদের কোনো উপকারে আসেনি।
সমকালীন বাংলা
৬ অতএব তাদের উপেক্ষা করো, সেদিন আহ্বানকারী এক ভয়ংকর বিষয়ে আহ্বান করবে।
জহুরুল হক
৬ কাজেই তাদের থেকে ফিরে এস। একদিন আহ্বানকারী আহ্বান করবেন এক অপ্রীতিকর ব্যাপারের প্রতি - -
Arabic, with marks
٦ فَتَوَلَّ عَنْهُمْ ۘ يَوْمَ يَدْعُ الدَّاعِ إِلَىٰ شَيْءٍ نُّكُرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ সুতরাং তাদের উপেক্ষা করো। যেদিন আহবানকারী আহবান করবে এক অপছন্দনীয় জিনিসের দিকে।
সমকালীন বাংলা
৭ তাদের দৃষ্টিগুলো অবনত থাকবে। তারা কবরসমূহ থেকে বের হবে, যেনো তারা ছড়িয়ে পড়া পঙ্গপাল।
জহুরুল হক
৭ তাদের চোখ অবনত অবস্থায়, তারা বেরিয়ে আসতে থাকবে কবর থেকে যেন তারা ছড়িয়ে পড়া পঙ্গপাল - -
Arabic, with marks
٧ خُشَّعًا أَبْصَارُهُمْ يَخْرُجُونَ مِنَ الْأَجْدَاثِ كَأَنَّهُمْ جَرَادٌ مُّنتَشِرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ অপমানে চোখ নিচু করে তারা সেদিন কবর থেকে বের হয়ে আসবে বিক্ষিপ্ত ফড়িং - এর মতো।
সমকালীন বাংলা
৮ তারা আহ্বানকারীর দিকে দ্রুত এগিয়ে যাবে। অবিশ্বাসীরা বলবে, “এটি এক কঠিন দিন।”
জহুরুল হক
৮ ওরা আহবায়কের প্রতি ছুটে আসবে। অবিশ্বাসীরা বলবে - - ''এইটি বড় কঠিন দিন!’’
Arabic, with marks
٨ مُّهْطِعِينَ إِلَى الدَّاعِ ۖ يَقُولُ الْكَافِرُونَ هَٰذَا يَوْمٌ عَسِرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে আহবানকারীর দিকে ছুটে আসবে। কাফিররা বলবে: ‘আজ এক ভয়াবহ কঠিন দিন।’
সমকালীন বাংলা
৯ তাদের আগে নূহের সম্প্রদায় অস্বীকার করেছিল। তারা আমাদের বান্দাকে অস্বীকার করেছিল এবং বলেছিল, “সে তো উন্মাদ।” আর তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
জহুরুল হক
৯ এদের আগে নূহ - এর লোকদল সত্যপ্রত্যাখ্যান করেছিল, ফলে তারা আমাদের বান্দাকে প্রত্যাখ্যান করল ও বললে - - ''এক টি পাগল’’! আর তাঁকে অবজ্ঞা করা হয়েছিল।
Arabic, with marks
٩ ۞ كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍ فَكَذَّبُوا عَبْدَنَا وَقَالُوا مَجْنُونٌ وَازْدُجِرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ তাদের আগে নূহের জাতিও প্রত্যাখ্যান করেছিল (তাদের রসূলকে), তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল আমাদের দাসকে এবং বলেছিল: ‘এ এক তিরস্কৃত ও ধমক খাওয়া পাগল।’
সমকালীন বাংলা
১০ অতঃপর সে তার পালনকর্তাকে ডাকল, “আমি পরাজিত, অতএব আপনি সাহায্য করুন।”
জহুরুল হক
১০ সেজন্য তিনি তাঁর প্রভুকে ডেকে বললেন - - ''আমি তো পরাভূত হয়ে পড়েছি, অতএব তুমি সাহায্য করো।’’
Arabic, with marks
١٠ فَدَعَا رَبَّهُ أَنِّي مَغْلُوبٌ فَانتَصِرْ
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ তখন সে তার প্রভুর কাছে দোয়া করে বলেছিল: ‘আমি পরাস্ত হয়েছি, আমাকে সাহায্য করো।’
সমকালীন বাংলা
১১ অতঃপর আমরা আকাশের দরজাগুলো প্রবলভাবে বর্ষণকারী পানি দিয়ে খুলে দিলাম।
জহুরুল হক
১১ তখন আমরা আসমানের দরজাগুলো খুলে দিলাম বর্ষণশীল পানির দ্বারা,
Arabic, with marks
١١ فَفَتَحْنَا أَبْوَابَ السَّمَاءِ بِمَاءٍ مُّنْهَمِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ ফলে আমরা প্রবল পানি বর্ষণের জন্যে খুলে দিয়েছিলাম আসমানের দুয়ার।
সমকালীন বাংলা
১২ আর আমরা মাটি থেকে ঝর্ণাসমূহ প্রবাহিত করে দিলাম, অতঃপর সব পানি পরিকল্পনা অনুযায়ী মিলিত হলো।
জহুরুল হক
১২ আর জমিনকে উৎক্ষেপ করতে দিলাম ঝরনাধারায়, ফলে পানি মিলিত হয়ে গেল এক পূর্বনির্ধারিত ব্যাপারে,
Arabic, with marks
١٢ وَفَجَّرْنَا الْأَرْضَ عُيُونًا فَالْتَقَى الْمَاءُ عَلَىٰ أَمْرٍ قَدْ قُدِرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ এবং জমিন থেকে উৎসারিত করে দিয়েছিলাম বিপুল প্রস্রবন। তারপর সব পানি মিলে গেলো এক নির্দিষ্ট পরিকল্পনা মাফিক।
সমকালীন বাংলা
১৩ আর আমরা তাকে তক্তা ও পেরেকের উপর বহন করলাম।
Noteকাঠের তক্তা ও পেরেক নির্মিত নৌকার উপরে
জহুরুল হক
১৩ আর আমরা তাঁকে বহন করলাম তাতে যা ছিল তক্তা ও পেরেক সন্বলিত, - -
Arabic, with marks
١٣ وَحَمَلْنَاهُ عَلَىٰ ذَاتِ أَلْوَاحٍ وَدُسُرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তখন আমরা নূহকে আরোহণ করিয়ে নিয়েছিলাম পাত ও পেরেক দিয়ে তৈরি করা নৌযানে।
সমকালীন বাংলা
১৪ যা আমাদের চোখের সামনে চলছিল, তার প্রতি প্রতিদানস্বরূপ যার সঙ্গে অবিশ্বাস করা হয়েছিল।
জহুরুল হক
১৪ তা ভেসে চলেছিল আমাদের চোখের সামনে, - - এক প্রতিদান তাঁর জন্য যাঁকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।
Arabic, with marks
١٤ تَجْرِي بِأَعْيُنِنَا جَزَاءً لِّمَن كَانَ كُفِرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ সেটি চলছিল আমাদের তত্ত্বাবধানে, যারা কুফুরি করেছিল, তাদের প্রতিফল দেয়ার জন্যে।
সমকালীন বাংলা
১৫ আর অবশ্যই আমরা সেটিকে এক নিদর্শন হিসেবে রেখে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
জহুরুল হক
১৫ আর আমরা অবশ্য এটিকে রেখে দিয়েছি এক নিদর্শনরূপে। কিন্তু কেউ কি রয়েছে উপদেশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত?
Arabic, with marks
١٥ وَلَقَد تَّرَكْنَاهَا آيَةً فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ আমরা সেটাকে রেখে দিয়েছি একটি নিদর্শন হিসেবে। উপদেশ গ্রহণ করার কেউ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
১৬ অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
জহুরুল হক
১৬ সুতরাং কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ!
Arabic, with marks
١٦ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ এবার ভেবে দেখো, কী যে কঠোর ছিলো আমার আযাব এবং সতর্কবাণী!
সমকালীন বাংলা
১৭ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
জহুরুল হক
১৭ আর আমরা তো অবশ্যই কুরআনকে উপদেশগ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি আছে যে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?
Arabic, with marks
١٧ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ আমরা কুরআনকে বুঝার ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করে দিয়েছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
১৮ আদ অস্বীকার করেছিল। অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
Note“আদ” একটি গোত্র বা সম্প্রদায়ের নাম
জহুরুল হক
১৮ আর 'আদ - জাতি সত্যপ্রত্যাখ্যান করেছিল, কাজেই কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ!
Arabic, with marks
١٨ كَذَّبَتْ عَادٌ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ আদ জাতিও (রসূলকে) প্রত্যাখ্যান করেছিল। এর ফলে কেমন ছিলো আমার আযাব আর সতর্কবাণী?
সমকালীন বাংলা
১৯ নিশ্চয়ই আমরা তাদের ওপর এক অশুভ দিনে প্রচণ্ড ঝড় পাঠিয়েছিলাম।
জহুরুল হক
১৯ নিঃসন্দেহ আমরা তাদের উপরে এক চরম দুর্ভাগ্যের দিনে পাঠিয়েছিলাম এক প্রচন্ড ঝড় - তোফান,
Arabic, with marks
١٩ إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ رِيحًا صَرْصَرًا فِي يَوْمِ نَحْسٍ مُّسْتَمِرٍّ
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম ঝড়ো বায়ু এক বিরামহীন দুর্ভাগ্যের দিনে,
সমকালীন বাংলা
২০ যা মানুষকে উপড়ে ফেলছিল, যেনো তারা উপড়ে ফেলা খেজুরগাছের কাণ্ড।
জহুরুল হক
২০ যা মানুষকে উড়িয়ে নিয়েছিল, যেন তারা ছিল উৎপাটিত খেজুরগাছের গুঁড়ি।
Arabic, with marks
٢٠ تَنزِعُ النَّاسَ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ مُّنقَعِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ সে ঝড় মানুষকে উৎখাত করে রেখে দিয়েছিল সমূলে উৎপাটিত খেজুর গাছের কান্ডের মতো।
সমকালীন বাংলা
২১ অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
জহুরুল হক
২১ সুতরাং কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ?
Arabic, with marks
٢١ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ ফলে কেমন ছিলো আমার আযাব আর সতর্কবাণী?
সমকালীন বাংলা
২২ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
জহুরুল হক
২২ কাজেই আমরা আলবৎ কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি হবে উপদেশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত?
Arabic, with marks
٢٢ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ আমরা কুরআনকে বুঝা ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করে দিয়েছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
২৩ সামূদ অস্বীকার করেছিল সতর্কবার্তাগুলোকে।
Note“সামূদ” একটি গোত্র বা সম্প্রদায়ের নাম
জহুরুল হক
২৩ ছামুদ - জাতিও সতর্কীকরণ প্রত্যাখ্যান করেছিল।
Arabic, with marks
٢٣ كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِالنُّذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ সামুদ জাতিও সতর্কবাণীসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিল।
সমকালীন বাংলা
২৪ তখন তারা বলেছিল, “আমরা কি আমাদের মধ্যকার একজন মানুষের অনুসরণ করব? তাহলে তো আমরা অবশ্যই বিভ্রান্তি ও উন্মাদনায় পড়বো।
জহুরুল হক
২৪ কাজেই তারা বলেছিল - - ''কী! আমাদের মধ্যেকার মানুষই একজন, তাকেই কি আমরা অনুসরণ করব? সেক্ষেত্রে আমরা তো নিশ্চয়ই বিপথগামী হব ও পাগলামিতে পড়ব।
Arabic, with marks
٢٤ فَقَالُوا أَبَشَرًا مِّنَّا وَاحِدًا نَّتَّبِعُهُ إِنَّا إِذًا لَّفِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ তারা বলেছিল: ‘‘একজন মানুষকে? আমাদেরই এক ব্যক্তিকে আমরা অনুসরণ করবো? তাহলে তো আমরা পথভ্রষ্ট এবং উন্মাতাল হয়ে পড়বো।
সমকালীন বাংলা
২৫ আমাদের মধ্য থেকে কি তার ওপরই উপদেশ নাজিল করা হয়েছে? বরং সে একজন মিথ্যাবাদী, অহংকারী।”
জহুরুল হক
২৫ ''আমাদের মধ্যে থেকে স্মারক কি তার উপরেই পতিত হল? বস্তুত সে একজন ডাহা মিথ্যাবাদী, দাম্ভিক।’’
Arabic, with marks
٢٥ أَأُلْقِيَ الذِّكْرُ عَلَيْهِ مِن بَيْنِنَا بَلْ هُوَ كَذَّابٌ أَشِرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ আমাদের মধ্যে কি কেবল তার প্রতি যিকির (অহি) নাযিল হলো? বরং সে এক উদ্ধত মিথ্যাবাদী।’’
সমকালীন বাংলা
২৬ তারা আগামীকাল জানতে পারবে, কে মিথ্যাবাদী, অহংকারী।
জহুরুল হক
২৬ কালকেই তারা ত্বরায় জানতে পারবে কে মিথ্যুক, কে দাম্ভিক।
Arabic, with marks
٢٦ سَيَعْلَمُونَ غَدًا مَّنِ الْكَذَّابُ الْأَشِرُ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ কালই তারা জানতে পারবে কে উদ্ধত মিথ্যাবাদী?
সমকালীন বাংলা
২৭ নিশ্চয়ই আমরা তাদের পরীক্ষা করার জন্য উটনী পাঠাব। অতএব তুমি তাদের পর্যবেক্ষণ করো এবং ধৈর্য ধরো।
Note
জহুরুল হক
২৭ নিঃসন্দেহ আমরা একটি উষ্ট্রিকে পাঠাতে যাচ্ছি তাদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ, সেজন্য তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখো এবং ধৈর্যধারণ করো।
Arabic, with marks
٢٧ إِنَّا مُرْسِلُو النَّاقَةِ فِتْنَةً لَّهُمْ فَارْتَقِبْهُمْ وَاصْطَبِرْ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ আমরা তাদের পরীক্ষার জন্যে পাঠালাম এই উটনী। সুতরাং তুমি এর ব্যাপারে তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করো এবং সবর করো।
সমকালীন বাংলা
২৮ আর তাদের জানিয়ে দাও যে, পানি তাদের মধ্যে বণ্টিত। প্রত্যেকের পান করার পালা নির্ধারিত।
জহুরুল হক
২৮ আর তাদের জানিয়ে দাও যে পানির ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে ভাগাভাগি রয়েছে, প্রত্যেক জলপানে হাজিরা থাকবে।
Arabic, with marks
٢٨ وَنَبِّئْهُمْ أَنَّ الْمَاءَ قِسْمَةٌ بَيْنَهُمْ ۖ كُلُّ شِرْبٍ مُّحْتَضَرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ তাদের তুমি সংবাদ দাও, তাদের মধ্যে পানি বণ্টন নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। নিজ নিজ ভাগের পানির জন্যে প্রত্যেকে উপস্থিত হবে পালাক্রমে।
সমকালীন বাংলা
২৯ অতঃপর তারা তাদের এক সঙ্গীকে ডাকলো, সে উটনীটিকে ধরলো এবং হত্যা করলো।
জহুরুল হক
২৯ কিন্তু তারা তাদের সেঙাৎকে ডাক দিল, তখন সে ধরল ও কেটে ফেলল।
Arabic, with marks
٢٩ فَنَادَوْا صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطَىٰ فَعَقَرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ তারপর তারা তাদের এক সাথিকে ডাকলো, সে দায়িত্ব গ্রহণ করলো এবং ওটিকে হত্যা করে ফেললো।
সমকালীন বাংলা
৩০ অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা?
জহুরুল হক
৩০ পরিণামে কেমন হয়েছিল আমার শাস্তি ও আমার সতর্কীকরণ!
Arabic, with marks
٣٠ فَكَيْفَ كَانَ عَذَابِي وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ এবার দেখো, কী কঠোর ছিলো আমার আযাব এবং আমার সতর্কবাণী!
সমকালীন বাংলা
৩১ নিশ্চয়ই আমরা তাদের ওপর একটিমাত্র প্রচণ্ড শব্দ পাঠিয়েছিলাম, অতঃপর তারা শুষ্ক খড়ের মতো হয়ে গেল।
জহুরুল হক
৩১ আমরা অবশ্যই তাদের উপরে পাঠিয়েছিলাম একটিমাত্র মহাগর্জন, ফলে তারা হয়ে গেল খোঁয়াড় - প্রস্তুতকারীর শুকনো - ভাঙ্গা ডালপালার ন্যায়।
Arabic, with marks
٣١ إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ صَيْحَةً وَاحِدَةً فَكَانُوا كَهَشِيمِ الْمُحْتَظِرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ আমরা তাদের প্রতি পাঠিয়েছিলাম এক প্রচন্ড শব্দের আযাব, তাতেই তারা হয়ে পড়লো শুকনো মোড়ানো খড়ের কাঁদির মতো।
সমকালীন বাংলা
৩২ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
জহুরুল হক
৩২ আর আমরা নিশ্চয়ই কুরআনকে উপদেশ - গ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েছি, কিন্তু কেউ কি রয়েছে উপদেশপ্রাপ্তদের অন্যতম?
Arabic, with marks
٣٢ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ আমরা কুরআনকে বুঝা ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করেছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
৩৩ লূতের সম্প্রদায় সতর্কবার্তাগুলোকে অস্বীকার করেছিল।
জহুরুল হক
৩৩ লুত - এর লোকদলও সতর্কীকরণ প্রত্যাখ্যান করেছিল।
Arabic, with marks
٣٣ كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوطٍ بِالنُّذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ লুতের কওমও সতর্কবাণীসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিল,
সমকালীন বাংলা
৩৪ নিশ্চয়ই আমরা তাদের ওপর পাথরবাহী এক ঝড় পাঠিয়েছিলাম, তবে লূতের পরিবারকে নয়; আমরা তাদের রাতের শেষ প্রহরে উদ্ধার করেছিলাম।
জহুরুল হক
৩৪ নিঃসন্দেহ আমরা তাদের উপরে পাঠিয়েছিলাম এক পাথর বর্ষণকারী ঝড়, - - লুত - এর পরিজনদের ব্যতীত, আমরা তাদের উদ্ধার করেছিলাম শেষরাতে - -
Arabic, with marks
٣٤ إِنَّا أَرْسَلْنَا عَلَيْهِمْ حَاصِبًا إِلَّا آلَ لُوطٍ ۖ نَّجَّيْنَاهُم بِسَحَرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ আমরা তাদের উপর পাঠিয়েছিলাম পাথর বহনকারী প্রচন্ড ঝড়, তবে লুত পরিবারকে রক্ষা করেছিলাম। তাদের আমরা উদ্ধার করেছিলাম সেহেরীর সময় (শেষ রাত),
সমকালীন বাংলা
৩৫ আমাদের পক্ষ থেকে অনুগ্রহস্বরূপ। এভাবেই আমরা তাকে প্রতিদান দিই যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
জহুরুল হক
৩৫ আমাদের তরফ থেকে এক অনুগ্রহ। এইভাবেই আমরা পুরস্কার দিই যে কৃতজ্ঞতা দেখায় তাকে।
Arabic, with marks
٣٥ نِّعْمَةً مِّنْ عِندِنَا ۚ كَذَٰلِكَ نَجْزِي مَن شَكَرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ আমাদের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ হিসেবে। যারা শোকর আদায় করে, আমরা এভাবেই তাদের পুরস্কৃত করি।
সমকালীন বাংলা
৩৬ আর অবশ্যই সে তাদের আমাদের কঠিন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল, কিন্তু তারা সতর্কবার্তাগুলো নিয়ে বিতর্ক করেছিল।
জহুরুল হক
৩৬ আর তিনি তো ইতিপূর্বেই তাদের সতর্ক করে দিয়েছিলেন আমাদের ভীষণভাবে পাকড়ানো সম্পর্কে, কিন্তু তারা আমার সতর্কীকরণ সন্বন্ধে কথা - কাটাকাটি করছিল।
Arabic, with marks
٣٦ وَلَقَدْ أَنذَرَهُم بَطْشَتَنَا فَتَمَارَوْا بِالنُّذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ সে (লুত) তাদের সতর্ক করে দিয়েছিল আমাদের কঠোর শাস্তি সম্পর্কে। কিন্তু তারা সতর্কবাণী নিয়ে সন্দেহ করে এবং হয় বিতর্কে লিপ্ত।
সমকালীন বাংলা
৩৭ আর তারা তার অতিথিদের ব্যাপারে তাকে প্রলুব্ধ করতে চেয়েছিল, অতঃপর আমরা তাদের দৃষ্টিশক্তি মুছে দিয়েছিলাম। সুতরাং আস্বাদন করো আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা।
জহুরুল হক
৩৭ আর তারা অবশ্য তাঁর কাছ থেকে তাঁর অতিথিদের চেয়েছিল, তখন আমরা তাদের চোখগুলোকে শেষ করে দিয়েছিলাম, ''অতএব আমার শাস্তি আস্বাদন কর আমার সতর্কীকরণের পরে।’’
Arabic, with marks
٣٧ وَلَقَدْ رَاوَدُوهُ عَن ضَيْفِهِ فَطَمَسْنَا أَعْيُنَهُمْ فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ তারা লুতের কাছে তার মেহমানদের দাবি করে অসৎ উদ্দেশ্যে। তখন আমরা তাদের দৃষ্টিশক্তি লোপ করে দিয়েছিলাম এবং বলেছিলাম: স্বাদ গ্রহণ করো আমার আযাবের এবং সতর্কবাণী (অমান্য করার) পরিণতির।
সমকালীন বাংলা
৩৮ আর অবশ্যই তাদের ওপর সকালে স্থায়ী শাস্তি নেমে এসেছিল।
জহুরুল হক
৩৮ আর অবশ্য নির্ধারিত শাস্তি ভোরবেলাতে তাদের উপরে পড়েছিল।
Arabic, with marks
٣٨ وَلَقَدْ صَبَّحَهُم بُكْرَةً عَذَابٌ مُّسْتَقِرٌّ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ একেবারে বেন বেলায়ই তাদের আঘাত করে এক অপ্রতিরোধ্য আযাব।
সমকালীন বাংলা
৩৯ সুতরাং আস্বাদন করো আমার শাস্তি ও সতর্কবার্তা।
জহুরুল হক
৩৯ ''আমার শাস্তি এখন আস্বাদন কর আমার সতর্কীকরণের পরে?’’
Arabic, with marks
٣٩ فَذُوقُوا عَذَابِي وَنُذُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ ‘স্বাদ গ্রহণ করো আমার আযাব আর সতর্ক বাণী (অমান্য করার) পরিণতির।’
সমকালীন বাংলা
৪০ আর অবশ্যই আমরা কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
জহুরুল হক
৪০ আর আমরা তো নিশ্চয়ই কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজবোধ্য করে দিয়েইছি, কিন্তু কে আছে যে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?
Arabic, with marks
٤٠ وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْآنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ আমরা কুরআনকে বুঝা ও উপদেশ গ্রহণ করার জন্যে সহজ করেছি, অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
৪১ আর অবশ্যই ফেরাউনের লোকদের কাছে সতর্কবার্তা এসেছিল।
জহুরুল হক
৪১ আর অবশ্য ফিরআউনের লোকদের কাছে সতর্কীকরণ এসেছিল।
Arabic, with marks
٤١ وَلَقَدْ جَاءَ آلَ فِرْعَوْنَ النُّذُرُ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ ফেরাউন সম্প্রদায়ের কাছেও এসেছিল আমাদের সতর্কবাণী।
সমকালীন বাংলা
৪২ তারা আমাদের সব নিদর্শন অস্বীকার করেছিল। অতঃপর আমরা তাদের ধরেছিলাম এক পরাক্রমশালী, সর্বশক্তিমান ব্যক্তির ধরার মতো।
জহুরুল হক
৪২ তারা আমাদের নিদর্শনসমূহ - - তাদের সবক’টি, প্রত্যাখ্যান করেছিল, সেজন্য আমরা তাদের পাকড়াও করেছিলাম মহাশক্তিশালী পরমক্ষমতাবানের পাকড়ানোর দ্বারা।
Arabic, with marks
٤٢ كَذَّبُوا بِآيَاتِنَا كُلِّهَا فَأَخَذْنَاهُمْ أَخْذَ عَزِيزٍ مُّقْتَدِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ তারা আমাদের সবগুলো নিদর্শনই প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন আমরা তাদের পাকড়াও করি পরাক্রমশালী শক্তিধরের পাকড়াও।
সমকালীন বাংলা
৪৩ তোমাদের অবিশ্বাসীরা কি তাদের চেয়ে উত্তম? নাকি তোমাদের জন্য কিতাবসমূহে কোনো অব্যাহতি রয়েছে?
জহুরুল হক
৪৩ তোমাদের অবিশ্বাসীরা কি এদের চাইতে ভাল, না তোমাদের জন্য অব্যাহতি রয়েছে ধর্মগ্রন্থের মধ্যে?
Arabic, with marks
٤٣ أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌ مِّنْ أُولَٰئِكُمْ أَمْ لَكُم بَرَاءَةٌ فِي الزُّبُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ তোমাদের কাফিররা কি তাদের চেয়ে উত্তম? নাকি পূর্ববর্তী কিতাবে তোমাদের অব্যাহতি লাভের কোনো সময় আছে?
সমকালীন বাংলা
৪৪ নাকি তারা বলে, “আমরা একটি সংঘবদ্ধ দল, আমরা বিজয়ী হবো”?
জহুরুল হক
৪৪ অথবা তারা কি বলে - - ''আমরা পরস্পরের সাহায্যকারী আস্ত একটা দল’’?
Arabic, with marks
٤٤ أَمْ يَقُولُونَ نَحْنُ جَمِيعٌ مُّنتَصِرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ নাকি তারা বলে: ‘আমরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাজেয় দল?’
সমকালীন বাংলা
৪৫ শীঘ্রই সেই দল পরাজিত হবে এবং তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে পালাবে।
জহুরুল হক
৪৫ শীঘ্রই এ লোকদল বিধবস্ত হবে এবং পৃস্প্রদর্শন করে ফিরে যাবে।
Arabic, with marks
٤٥ سَيُهْزَمُ الْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ الدُّبُرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৫ এই সংঘবদ্ধ দল তো শীঘ্রি পরাজিত হবে এবং পেছনে ফিরে পালাবে।
সমকালীন বাংলা
৪৬ বরং তাদের প্রতিশ্রুত সময় কিয়ামত। আর কিয়ামত অধিক ভয়ংকর এবং অধিক তিক্ত।
জহুরুল হক
৪৬ বস্তুত ঘড়িঘন্টাই তাদের নির্ধারিত স্থানকাল, আর সেই ঘড়িঘন্টা হবে অতি কঠোর ও বড় তিক্ত।
Arabic, with marks
٤٦ بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَالسَّاعَةُ أَدْهَىٰ وَأَمَرُّ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৬ তাদের আসল শাস্তির প্রতিশ্রুত সময় হলো কিয়ামত। কিয়ামত হবে অধিকতর কঠিন এবং অধিকতর তিক্ত।
সমকালীন বাংলা
৪৭ নিশ্চয়ই অপরাধীরা বিভ্রান্ত ও বিকারগ্রস্ত।
জহুরুল হক
৪৭ নিঃসন্দেহ অপরাধীরা বিভ্রান্ত ও বিকারগ্রস্ত হবে।
Arabic, with marks
٤٧ إِنَّ الْمُجْرِمِينَ فِي ضَلَالٍ وَسُعُرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৭ নিশ্চয়ই অপরাধীরা রয়েছে বিভ্রান্তিতে এবং উন্মাতাল অবস্থায়।
সমকালীন বাংলা
৪৮ যেদিন তাদের উপুড় করে আগুনে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে, “সাকারের স্পর্শ আস্বাদন করো।”
Note"সাকার" একটি দোজখের নাম
জহুরুল হক
৪৮ সেই দিন তাদের মুখ হেচঁড়ে তাদের টেনে নিয়ে যাওয়া হবে আগুনের মধ্যে - - ''জ্বালাময় আগুনের স্পর্শ আস্বাদন করো!’’
Arabic, with marks
٤٨ يَوْمَ يُسْحَبُونَ فِي النَّارِ عَلَىٰ وُجُوهِهِمْ ذُوقُوا مَسَّ سَقَرَ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৮ যেদিন তাদের উপুড় করে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হবে জাহান্নামে, সেদিন তাদের বলা হবে: স্বাদ গ্রহণ করো জাহান্নামের যন্ত্রণার।
সমকালীন বাংলা
৪৯ নিশ্চয়ই আমরা প্রত্যেক বিষয় পরিমাপ অনুযায়ী সৃষ্টি করেছি।
জহুরুল হক
৪৯ নিঃসন্দেহ প্রত্যেকটি জিনিস - - আমরা এটি সৃষ্টি করেছি পরিমাপ অনুসারে।
Arabic, with marks
٤٩ إِنَّا كُلَّ شَيْءٍ خَلَقْنَاهُ بِقَدَرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৯ আমরা প্রতিটি বস্ত্ত সৃষ্টি করেছি পরিমাণ মাফিক।
সমকালীন বাংলা
৫০ আর আমাদের আদেশ তো একটিমাত্র, চোখের পলকের মতো।
জহুরুল হক
৫০ আর আমাদের আদেশ একবার বৈ তো নয়, চোখের পলকের ন্যায়।
Arabic, with marks
٥٠ وَمَا أَمْرُنَا إِلَّا وَاحِدَةٌ كَلَمْحٍ بِالْبَصَرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫০ আমাদের নির্দেশ তো এক কথায়ই সম্পন্ন হয়ে যায় চোখের পলকের মতো।
সমকালীন বাংলা
৫১ আর অবশ্যই আমরা তোমাদের মতো লোকদের ধ্বংস করেছি। অতএব কোনো উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
জহুরুল হক
৫১ আর আমরা তো তোমাদের সেঙাৎদের ধ্বংস করে দিয়েছিলাম, কিন্তু কেউ কি রয়েছে উপদেশপ্রাপ্তদের মধ্যেকার?
Arabic, with marks
٥١ وَلَقَدْ أَهْلَكْنَا أَشْيَاعَكُمْ فَهَلْ مِن مُّدَّكِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫১ আমরা (ইতোপূর্বে) তোমাদের অনুরূপ দলগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছি। (সুতরাং) উপদেশ গ্রহণ করার কেউ আছে কি?
সমকালীন বাংলা
৫২ আর তারা যা করেছে, সবকিছু খাতাসমূহে লিখিত রয়েছে।
জহুরুল হক
৫২ আর তারা যা করেছে তার সব - কিছুই নথিপত্রে রয়েছে।
Arabic, with marks
٥٢ وَكُلُّ شَيْءٍ فَعَلُوهُ فِي الزُّبُرِ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫২ তারা যা করছে প্রতিটি জিনিসই রয়েছে রেকর্ডে,
সমকালীন বাংলা
৫৩ আর ছোট-বড় সবকিছুই লিখিত।
জহুরুল হক
৫৩ আর ছোট ও বড় প্রত্যেকটি বিষয় লিপিবদ্ধ আছে।
Arabic, with marks
٥٣ وَكُلُّ صَغِيرٍ وَكَبِيرٍ مُّسْتَطَرٌ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৩ প্রতিটি ক্ষুদ্র এবং বৃহৎ (বিষয়ই) রেকর্ড করা রয়েছে।
সমকালীন বাংলা
৫৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকীরা বেহেশতসমূহ ও নদীর মধ্যে থাকবে।
জহুরুল হক
৫৪ ধর্মভীরুরা অবশ্যই থাকবে ঝরনাবেষ্টিত জান্নাতে - -
Arabic, with marks
٥٤ إِنَّ الْمُتَّقِينَ فِي جَنَّاتٍ وَنَهَرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৪ নিশ্চয়ই মুত্তাকিরা থাকবে জান্নাত এবং নদ নদী নহরে,
সমকালীন বাংলা
৫৫ সত্যের আসনে, এক সর্বশক্তিমান সম্রাটের কাছে।
জহুরুল হক
৫৫ সত্যের আসনে সর্বশক্তিমান রাজাধিরাজের সমক্ষে!
Arabic, with marks
٥٥ فِي مَقْعَدِ صِدْقٍ عِندَ مَلِيكٍ مُّقْتَدِرٍ
আবদুস শহীদ নাসিম
৫৫ যথাযোগ্য আসনে মহাশক্তিধর সর্বময় কর্তৃত্বের মালিকের কাছে।
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report