Kitab

আল ফজর (ভোর)

Chapter 89, 30 verses

  • সমকালীন বাংলা
  • জহুরুল হক
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ প্রভাতের,

জহুরুল হক

ভাবো ভোরবেলার কথা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম ভোরবেলার।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ ফজর (ভোর) - এর।

সমকালীন বাংলা

এবং দশ রাতের,

জহুরুল হক

আর দশ রাত্রির কথা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম দশ রাতের।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ দশ রাতের।

সমকালীন বাংলা

এবং জোড় ও বেজোড়ের,

জহুরুল হক

আর জোড়ের ও বেজোড়ের কথা,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম জোড় ও বিজোড়ের।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ জোড় ও বিজোড়ের।

সমকালীন বাংলা

এবং রাতের, যখন তা অতিক্রম করে,

জহুরুল হক

আর রাত্রির কথা যখন তা বিগত হয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম রাতের, যখন তা বিদায় নেয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ রাতের যখন তা বিদায় নেয়।

সমকালীন বাংলা

এতে কি বুদ্ধিমান ব্যক্তির জন্য কোনো শপথ নেই?

জহুরুল হক

এতে কি নেই কোনো শপথবাক্য বোধশক্তিসম্পন্নদের জন্য?

বয়ান ফাউন্ডেশন

এর মধ্যে কি বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তির জন্য কসম আছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

এগুলোর মধ্যে অবশ্যি বিবেক - বুদ্ধি ওয়ালা লোকদের জন্যে রয়েছে যথেষ্ট নিদর্শন।

সমকালীন বাংলা

তুমি কি দেখোনি তোমার প্রতিপালক কি করেছিলেন ‘আদ’-এর,

Note
'আদ' একটি গোত্র বা বংশের নাম
জহুরুল হক

তুমি কি দেখো নি তোমার প্রভু কি করেছিলেন 'আদ বংশের প্রতি, - -

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি কি দেখনি তোমার রব কিরূপ আচরণ করেছেন ‘আদ জাতির সাথে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি দেখোনি তোমার প্রভু কি ধরণের আচরণ করেছেন আদ জাতির সাথে।

সমকালীন বাংলা

'ইরাম' উচ্চ স্তম্ভসমূহের অধিকারী

Note

'ইরাম' একটি গোত্র বা বংশের নাম,


উঁচু উঁচু স্তম্ভ বা উঁচু উঁচু প্রাসাদের স্তম্ভ সমূহ

জহুরুল হক

ইরামের প্রতি যাদের ছিল উঁচু গঠন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইরাম গোত্রের সাথে, যারা ছিল সুউচ্চ স্তম্ভের অধিকারী?

আবদুস শহীদ নাসিম

ইরাম গোত্রের সাথে, যারা ছিলো খুঁটির মতো দীর্ঘকায়?

সমকালীন বাংলা

যার মতো কিছুই কোনো দেশে সৃষ্টি করা হয়নি,

জহুরুল হক

যাদের ক্ষেত্রে ওগুলোর সমতুল্য অন্য শহরে তৈরি হয় নি,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যার সমতুল্য কোন দেশে সৃষ্টি করা হয়নি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদের মতো কোনো জাতি সৃষ্টি করা হয়নি কোনো দেশে।

সমকালীন বাংলা

এবং সামূদের প্রতি, যাহারা উপত্যকায় পাথর কাটিয়া গৃহ নির্মাণ করিয়াছিল;

জহুরুল হক

আর ছামূদ - জাতির প্রতি, যারা খোলা - প্রান্তরে বিশালাকার পাথর কাটতো;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সামূদ সম্প্রদায়, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে বাড়ি ঘর নির্মাণ করেছিল?

আবদুস শহীদ নাসিম

আর (কি আচরণ করেছিলেন) সামুদ জাতির প্রতি, যারা (গৃহ নির্মাণ) করেছিল পাহাড়ের পাথর কেটে?

সমকালীন বাংলা

এবং ফেরাউন—খুঁটির অধিকারী,

Note

এখানে আল্লাহ সম্ভবত পিরামিডের আকৃতিকে খুঁটির সাথে তুলনা করেছেন। ইংরেজিতে Peg roof বলতে পিরামিড আকৃতির ছাদ বুঝায়। 

জহুরুল হক

আর ফিরআউনের প্রতি, যার ছিল দুর্ধর্ষ সেনাদল,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ফির‘আউন, সেনাছাউনীর অধিপতি?

আবদুস শহীদ নাসিম

আর (কি আচরণ করেছিলেন) ফেরাউনের সাথে, যে ছিলো আওতাদওয়ালা?

সমকালীন বাংলা

যারা দেশে দেশে সীমালঙ্ঘন করেছিল,

জহুরুল হক

যারা বিদ্রোহাচরণ করেছিল শহরে - নগরে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যারা সকল দেশে সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা সীমালংঘন করেছিল নগরসমূহে,

সমকালীন বাংলা

আর সেখানে অশান্তি বাড়িয়েছিল,

জহুরুল হক

আর সেখানে অশান্তি বাড়িয়ে দিয়েছিল?

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা সেখানে বিপর্যয় বাড়িয়ে দিয়েছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং সেসব স্থানে তারা সৃষ্টি করেছিল চরম অশান্তি ও বিপর্যয়।

সমকালীন বাংলা

ফলে তোমার প্রতিপালক তাদের ওপর শাস্তির চাবুক বর্ষণ করেছিলেন,

জহুরুল হক

সেইজন্য তোমার প্রভু তাদের উপরে হেনেছিলেন শাস্তির কশাঘাত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফলে তোমার রব তাদের উপর আযাবের কশাঘাত মারলেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তোমার প্রভু তাদের উপর আঘাত হেনেছেন বিভিন্ন প্রকার কঠিন আযাবের।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক সতর্ক পর্যবেক্ষণে রয়েছেন,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু তো প্রহরামঞ্চে রয়েছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তোমার রব ঘাঁটিতেই।* *مرصاد অর্থ ঘাঁটি, যেখানে কোন লোক তার শত্রুর অজান্তে তার অপেক্ষায় ওঁত পেতে থাকে এবং শত্রুকে বাগে পেয়েই আক্রমণ করে। এখানে আল্লাহর ক্ষেত্রে শব্দটি সতর্ক দৃষ্টি রাখা, অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি তোমার প্রভু ঘাঁটিতে আছেন।

সমকালীন বাংলা

আর মানুষ—যখন তার প্রতিপালক তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর তাকে সম্মানিত করেন এবং অনুগ্রহ দেন, তখন সে বলে, “আমার প্রতিপালক আমাকে সম্মানিত করেছেন,”

জহুরুল হক

সুতরাং মানুষের বেলা - - যখন তার প্রভু তাকে পরীক্ষা করেন, ফলে তাকে সম্মান দেন ও তাকে অনুগ্রহ দান করেন, তখন সে বলে - - ''আমার প্রভু আমাকে সম্মান দিয়েছেন।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর মানুষ তো এমন যে, যখন তার রব তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর তাকে সম্মান দান করেন এবং অনুগ্রহ প্রদান করেন, তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে সম্মানিত করেছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে মানুষের অবস্থা এমন যে, তোমার প্রভু যখন তাকে পরীক্ষা করেন সম্মান আর নিয়ামতরাজি দিয়ে, তখন সে বলে : ‘আমার প্রভু আমাকে সম্মানিত করেছেন।’

সমকালীন বাংলা

আর যখন তিনি তাকে পরীক্ষা করেন এবং তার রিযিক সীমিত করেন, তখন সে বলে, “আমার প্রতিপালক আমাকে অপমানিত করেছেন,”

জহুরুল হক

আর যখন তিনি তাকে পরীক্ষা করেন, ফলে তার প্রতি তার জীবনোপকরণ মেপে - জোখে দেন, তখন সে বলে - - ''আমার প্রভু আমাকে হীন করেছেন।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন তিনি তাকে পরীক্ষা করেন এবং তার উপর তার রিয্ককে সঙ্কুচিত করে দেন, তখন সে বলে, ‘আমার রব আমাকে অপমানিত করেছেন’।

আবদুস শহীদ নাসিম

আবার যখন তাকে পরীক্ষা করেন তার জীবন সামগ্রী সংকুচিত করে দিয়ে, তখন সে বলে : ‘আমার প্রভু আমাকে হীন করেছেন।’

সমকালীন বাংলা

কখনোই না; বরং তোমরা এতিমকে সম্মান করো না,

জহুরুল হক

না, বস্তুত তোমরা এতীমকে সম্মান কর না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, বরং তোমরা ইয়াতীমদের দয়া-অনুগ্রহ প্রদর্শন কর না।

আবদুস শহীদ নাসিম

না ব্যাপার এমনটি নয়; বরং তোমরাই এতিমদের প্রতি দয়া এবং সম্মান প্রদর্শন করোনা,

সমকালীন বাংলা

এবং তোমরা অভাবগ্রস্তকে আহার করাতে পরস্পরকে উৎসাহ দাও না,

জহুরুল হক

আর নিঃস্বদের খাবার দিতে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা মিসকীনদের খাদ্যদানে পরষ্পরকে উৎসাহিত কর না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং মিসকিনদের আহার প্রদানের জন্যে পরস্পরকে উৎসাহ উপদেশ দাওনা।

সমকালীন বাংলা

এবং তোমরা উত্তরাধিকারীদের সম্পত্তি গ্রাস কর সম্পূর্ণভাবে,

জহুরুল হক

আর তোমরা গ্রাস করে ফেল উত্তরাধিকার স্বত্ব পুরোপুরি গলাধঃকরণে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা উত্তরাধিকারের সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে ভক্ষণ কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

অপরদিকে লোভ লালসায় তোমরা খেয়ে ফেলো ওয়ারিশদের সব অর্থ - সম্পদ।

সমকালীন বাংলা

এবং তোমরা ধনসম্পদ অতিরিক্ত ভালোবাসো,

জহুরুল হক

আর তোমরা ধনসম্পত্তি ভালবাস গভীর ভালবাসায়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমরা ধন-সম্পদকে অতিশয় ভালবাস।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর প্রচন্ড ভালোবাসো মাল - সম্পদ।

সমকালীন বাংলা

কখনোই না; যখন পৃথিবী চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হবে,

জহুরুল হক

কখনই না! যখন পৃথিবীটা ভেঙ্গে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, যখন যমীনকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করা হবে পরিপূর্ণভাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

না (তোমাদের এ নীতি সংগত নয়), পৃথিবীকে যখন চুর্ণ বিচুর্ণ করা হবে ধাক্কার পর ধাক্কা দিয়ে,

সমকালীন বাংলা

এবং তোমার প্রতিপালক আসবেন এবং ফেরেশতারা সারিবদ্ধভাবে,

জহুরুল হক

আর তোমার প্রভু ও ফিরিশ্‌তাগণ আসবেন কাতারে কাতারে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তোমার রব ও ফেরেশতাগণ উপস্থিত হবেন সারিবদ্ধভাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তোমার প্রভু যখন উপস্থিত হবেন আর তাঁর সাথে থাকবে সারি সারি ফেরেশতা,

সমকালীন বাংলা

এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে; সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু সেই স্মরণ তার কী উপকারে আসবে?

জহুরুল হক

আর সেইদিন তিনি জাহান্নামকে নিয়ে আসবেন; সেইদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্ত এ স্মরণে তার কী কাজ হবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সেদিন জাহান্নামকে উপস্থিত করা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু সেই স্মরণ তার কী উপকারে আসবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন জাহান্নামকে (সামনে) নিয়ে আসা হবে। সেদিন মানুষ (প্রকৃত ব্যাপার) উপলব্ধি করবে। কিন্তু তার সে উপলব্ধি কী কাজে আসবে?

সমকালীন বাংলা

সে বলবে, ‘হায়! যদি আমি আমার এ জীবনের জন্য আগে কিছু পাঠাতাম,’

জহুরুল হক

সে বলবে - - ''হায় আমার আফসোস! আমি যদি আগবাড়াতাম আমার এই জীবনের জন্য!’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে বলবে, ‘হায়! যদি আমি কিছু আগে পাঠাতাম আমার এ জীবনের জন্য’!

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন সে বলবে: ‘হায়রে, আমার এ জীবনের জন্যে যদি (ভালো) কাজ করে পাঠাতাম!’

সমকালীন বাংলা

সেদিন তাঁর মতো শাস্তি কেউ দিতে পারবে না,

জহুরুল হক

কিন্ত সেইদিন কেউই তাঁর শাস্তির মতো শাস্তি দিতে পারবে না,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর সেদিন তাঁর আযাবের মত আযাব কেউ দিতে পারবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তিনি যে আযাব দেবেন, সে আযাব আর কেউ দিতে পারবেনা,

সমকালীন বাংলা

এবং তাঁর মতো কেউ বাঁধতে পারবে না,

জহুরুল হক

আর না পারবে কেউ বাঁধতে তাঁর বাঁধনের মতো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কেউ তাঁর বাঁধার মত বাঁধতে পারবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তিনি যেভাবে (অপরাধীদের) শক্ত করে বাঁধবেন, সেরকম শক্ত বাঁধা আর কেউ বাঁধতে পারবেনা।

সমকালীন বাংলা

হে প্রশান্ত আত্মা,

জহুরুল হক

''ওহে প্রশান্ত প্রাণ!

বয়ান ফাউন্ডেশন

হে প্রশান্ত আত্মা!

আবদুস শহীদ নাসিম

(সেদিন মুমিনদের বলা হবে:) হে নফসে মুতমায়িন্না!

সমকালীন বাংলা

তুমি ফিরে যাও তোমার প্রতিপালকের দিকে সন্তুষ্টচিত্তে এবং সন্তোষভাজন হয়ে,

জহুরুল হক

''তোমার প্রভুর কাছে ফিরে এসো সন্তষ্ট হয়ে, - - সন্তোষভাজন হয়ে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি ফিরে এসো তোমার রবের প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে, সন্তোষভাজন হয়ে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফিরে আসো তোমার প্রভুর কাছে সন্তুষ্ট চিত্তে এবং তাঁর সন্তোষভাজন হয়ে,

সমকালীন বাংলা

অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও,

Note

সম্ভবত এখানে 'বান্দাদের' বলতে 'অনুগত বা পছন্দের বান্দাদের' বুঝানো হয়েছে।

জহুরুল হক

''তারপর প্রবেশ করো আমার বান্দাদের দলে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমার বান্দাদের মধ্যে শামিল হয়ে যাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রবেশ করো আমার (সম্মানিত) দাসদের মধ্যে,

সমকালীন বাংলা

এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ কর।

জহুরুল হক

''আর প্রবেশ করো আমার জান্নাতে।’’

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর প্রবেশ কর আমার জান্নাতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর প্রবেশ করো আমার জান্নাতে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme