Kitab

আন্ নাজআ’ত (মুক্তি)

Chapter 79, 46 verses

  • সমকালীন বাংলা
  • জহুরুল হক
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন
  • আবদুস শহীদ নাসিম
সমকালীন বাংলা

আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; শপথ তাদের, যারা প্রবলভাবে টেনে বের করে,

জহুরুল হক

ভাবো প্রচেষ্টাকারীদের প্রচন্ড - প্রচেষ্টার কথা;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

শপথ তাহাদের যাহারা নির্মমভাবে উৎপাটন করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ সেই (ফেরেশতাদের), যারা অত্যন্ত কঠোর ও নির্মমভাবে টেনে হিচঁড়ে বের করে নেয় ( ও দুষ্কৃতকারীদের প্রাণ)।

সমকালীন বাংলা

এবং যারা কোমলভাবে মুক্ত করে,

জহুরুল হক

আর ক্ষিপ্রগামীদের ত্বরিত এগুনোয়,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা মৃদুভাবে বন্ধনমুক্ত করিয়া দেয়

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা অত্যন্ত কোমলভাবে বের করে আনে (মুমিনদের আত্মা)।

সমকালীন বাংলা

আর যারা তীব্র গতিতে সাঁতার কাটে,

জহুরুল হক

আর সন্তরণকারীদের দ্রত সন্তরণে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং যাহারা তীব্র গতিতে সন্তরণ করে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং শপথ সেইসব (ফেরেশতা, কিংবা গ্রহের) যারা সাঁতরে চলে।

সমকালীন বাংলা

এবং যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয়,

জহুরুল হক

আর অগ্রগামীরা এগিয়েই চলেছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর যাহারা দ্রুতবেগে অগ্রসর হয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শপথ সেইসব (ফেরেশতা, নক্ষত্র, কিংবা ঘোড়ার) যারা নির্দেশক্রমে সবেগে ধাবিত হয়।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যারা বিষয়সমূহ পরিচালনা করে,

জহুরুল হক

তারপর ঘটনানিয়ন্ত্রণকারীদের কথা!

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যাহারা সকল কর্ম নির্বাহ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর শপথ সেই (ফেরেশতাদের) যারা তাদের প্রভুর নির্দেশক্রমে কার্য সম্পাদন করে থাকে।

সমকালীন বাংলা

যেদিন প্রকম্পনকারী প্রকম্পিত করবে,

জহুরুল হক

সেদিন স্পন্দিত হবে বিরাট স্পন্দনে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেই দিন প্রথম শিংগাধ্বনি প্রকম্পিত করিবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন যখন (প্রথমবার শিংগায় ফুঁ দেয়া হবে), তখন (পৃথিবী, পাহাড় সবই) প্রবল ধাক্কায় বিশৃংখল হয়ে পড়বে।

সমকালীন বাংলা

তারপর আরেকটি প্রকম্পন,

জহুরুল হক

পরবর্তী ঘটনা তাকে অনুসরণ করবেই।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাকে অনুসরণ করিবে পরবর্তী শিংগাধ্বনি,

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রথমটিকে অনুসরণ করবে আরেকটি শিংগাধবনি (তখন পুনরুত্থিত হবে সব মানুষ)।

সমকালীন বাংলা

কত হৃদয় সেই দিন সন্ত্রস্ত হইবে,

জহুরুল হক

হৃদয় সেদিন সন্ত্রস্ত হবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কত হৃদয় সেই দিন সন্ত্রস্ত হইবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

কতো হৃদয় সেদিন কম্পমান হবে ভয়ে।

সমকালীন বাংলা

তাদের দৃষ্টিসমূহ হবে অবনত,

জহুরুল হক

তাদের চোখ হবে অবনত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহাদের দৃষ্টি ভীতি - বিহ্বলতায় নত হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের দৃষ্টি হবে (অপমানে) অবনমিত।

সমকালীন বাংলা

তারা বলবে, “আমাদের কি সত্যিই পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে?”

জহুরুল হক

তারা বলছে - - ''আমরা কি সত্যিই প্রথমাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হব?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হইবই -

আবদুস শহীদ নাসিম

এরা বলে: ‘‘(মরার পর) আমাদের কি আবার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে (জীবিত করে) আনা হবে?

সমকালীন বাংলা

“ক্ষয়প্রাপ্ত অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরেও?”

জহুরুল হক

''যখন আমরা গলা - পচা হাড্ডি হয়ে যাব তখনও?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

গলিত অস্থিতে পরিণত হওয়ার পরও?’

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের হাড় - গোড় পঁচে গলে (বিনাশ হয়ে) যাবার পরও?’’

সমকালীন বাংলা

তারা বলবে, “তবে তো এ প্রত্যাবর্তন হবে সর্বনাশা!”

জহুরুল হক

তারা বলে - - ''তাই যদি হয় তবে এ হবে সর্বনাশা প্রত্যাবর্তন।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাহারা বলে, ‘তাহাই যদি হয় তবে তো ইহা সর্বনাশা প্রত্যাবর্তন।’

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘তবে তো সেটা হবে এক বড় ক্ষতিকর ফিরে আসা।’

সমকালীন বাংলা

প্রকৃতপক্ষে তা একটি মাত্র প্রচণ্ড শব্দ,

জহুরুল হক

কিন্ত এটি নিশ্চয়ই হবে একটি মহাগর্জন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ,

আবদুস শহীদ নাসিম

আসল ব্যাপার হলো, ওটা হবে এক বিকট আওয়ায (দ্বিতীয় শিংগা ধ্বনি)।

সমকালীন বাংলা

তারপর তারা উন্মুক্ত ভূমিতে উপস্থিত হবে,

জহুরুল হক

তখন দেখো! তারা হবে জাগ্রত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তখনই ময়দানে উহাদের আবির্ভাব হইবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(সেই বিকট ধ্বনির) সাথে সাথেই তারা নিজেদেরকে জীবিত হাজির দেখতে পাবে এক উন্মুক্ত ময়দানে।

সমকালীন বাংলা

তোমার কাছে কি মূসার সংবাদ পৌঁছেছে?

জহুরুল হক

তোমার কাছে মূসার কাহিনী পৌঁছেছে কি? - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমার নিকট মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছিয়াছে কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার কাছে মূসার হাদিস (ইতিহাস, ঘটনাবলি) পৌছেছে কি?

সমকালীন বাংলা

যখন তার প্রতিপালক তাকে পবিত্র 'তুওয়া' উপত্যকায় আহ্বান করেছিলেন,

জহুরুল হক

যখন তাঁর প্রভু তাঁকে আহ্বান করেছিলেন পবিত্র উপত্যকা 'তুওয়া’তে - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যখন তাহার প্রতিপালক পবিত্র উপত্যকা তুওয়া - য় তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিয়াছিলেন,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তার প্রভু তাকে পবিত্র তোয়া উপত্যকায় ডেকে বলেছিলেন:

সমকালীন বাংলা

“ফিরাউনের কাছে যাও; নিশ্চয়ই সে সীমালঙ্ঘন করেছে।”

জহুরুল হক

''ফিরআউনের কাছে যাও, সে নিশ্চয়ই বিদ্রোহ করেছে - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘ফির‘আওনের নিকট যাও, সে তো সীমালংঘন করিয়াছে,’

আবদুস শহীদ নাসিম

ফেরাউনের কাছে যাও, সে লংঘন করেছে সমস্ত সীমা।

সমকালীন বাংলা

“এবং তাকে বলো, ‘তুমি কি পরিশুদ্ধ হতে চাও?’”

জহুরুল হক

''তারপর বলো - - 'তোমার কি আগ্রহ আছে যে তুমি পবিত্র হও?’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং বল, ‘তোমার কি আগ্রহ আছে যে, তুমি পবিত্র হও -

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি গিয়ে তাকে বলো: তুমি কি (কুফর, শিরক ও সীমালংঘন থেকে) পবিত্র হবে?

সমকালীন বাংলা

“এবং আমি কি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথ দেখাবো, যাতে তুমি ভীত হও?”

জহুরুল হক

''আমি তাহলে তোমাকে তোমার প্রভুর দিকে পরিচালিত করব যেন তুমি ভয় করো’।’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আর আমি তোমাকে তোমার প্রতিপালকের দিকে পথপ্রদর্শন করি যাহাতে তুমি তাঁহাকে ভয় কর?’

আবদুস শহীদ নাসিম

আর আমি কি তোমাকে সঠিক পথ দেখাবো তোমার মালিকের দিকে, যাতে করে তোমার মধ্যে জাগ্রত হয় তাঁর ভয়?

সমকালীন বাংলা

অতঃপর তিনি তাকে মহা নিদর্শন দেখিয়েছিলেন,

জহুরুল হক

তারপর তিনি তাকে দেখালেন একটি বিরাট নিদর্শন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে উহাকে মহানিদর্শন দেখাইল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে (মূসা) তার (ফেরাউনের) কাছে গিয়ে তাকে অনেক বড় নিদর্শন দেখালো।

সমকালীন বাংলা

কিন্তু সে অস্বীকার করেছিল এবং অবাধ্য হয়েছিল,

জহুরুল হক

কিন্ত সে মিথ্যা আরোপ করল ও অবাধ্য হল।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কিন্তু সে অস্বীকার করিল এবং অবাধ্য হইল।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু সে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করলো এবং অমান্য করলো।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর ফিরে গেলো চেষ্টা করতে;

জহুরুল হক

অতঃপর ফিরে গেলো চেষ্টা করতে;

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর সে পশ্চাৎ ফিরিয়া প্রতিবিধানে সচেষ্ট হইল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সে ষড়যন্ত্র অাঁটার প্রচেষ্টায় পিছু হটলো।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর সে সমবেত করল এবং ঘোষণা করল,

জহুরুল হক

অতঃপর সে সমবেত করল এবং ঘোষণা করল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সে সকলকে সমবেত করিল এবং উচ্চৈ:স্বরে ঘোষণা করিল,

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর (জনতাকে) সমবেত করে ঘোষণা দিলো।

সমকালীন বাংলা

এবং বলল, “আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক।”

জহুরুল হক

এবং বলল, “আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ প্রতিপালক।”

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর বলিল, ‘আমিই তোমাদের শ্রেষ্ঠ প্রতিপালক।’

আবদুস শহীদ নাসিম

বললো: ‘আমিই তোমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রভু।’

সমকালীন বাংলা

তখন তাকে পরকাল ও ইহকালের শাস্তির জন্য ধরলেন।

জহুরুল হক

সেজন্য তাকে পাকড়াও করলেন পরকালের ও পূর্বের জীবনের দৃষ্টান্ত বানিয়ে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর ‌ উহাকে আখিরাতে ও দুনিয়াতে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করিলেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তাকে কঠিন শাস্তিতে পাকড়াও করলেন তার শেষ ও প্রথম সীমা লংঘনের জন্যে।

সমকালীন বাংলা

নিশ্চয়ই এতে শিক্ষা রয়েছে তার জন্য, যে ভয় করে।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এতে বাস্তব শিক্ষা রয়েছে তার জন্য যে ভয় করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে ভয় করে তাহার জন্য অবশ্যই ইহাতে শিক্ষা রহিয়াছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি এ ঘটনার মধ্যে শিক্ষামূলক উপদেশ রয়েছে ঐ ব্যক্তির জন্যে, যে ভয় করে (আল্লাহকে)।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের সৃষ্টি কি অধিক কঠিন, না আকাশের? তিনি তা নির্মাণ করেছেন,

জহুরুল হক

তোমরা কি সৃষ্টিতে কঠিনতর, না মহাকাশ? তিনিই এ - সব বানিয়েছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে সৃষ্টি করা কঠিনতর, না আকাশ সৃষ্টি? তিনিই ইহা নির্মাণ করিয়াছেন;

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের সৃষ্টি করা বেশি কঠিন কাজ, না মহাকাশ সৃষ্টি করা? তিনিই তো সৃষ্টি করেছেন এই (মহাকাশ)।

সমকালীন বাংলা

তিনি তার উচ্চতাকে সুউচ্চ করেছেন, অতঃপর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,

জহুরুল হক

তিনি এর উচ্চতা উন্নীত করেছেন, আর তাকে সুবিন্যস্ত করেছেন,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি ইহার ছাদকে সুউচ্চ করিয়াছেন ও সুবিন্যস্ত করিয়াছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই অনেক উপরে উঠিয়েছেন এর উচ্চতা, অতপর তাকে ভারসাম্যপূর্ণ ও সুবিন্যস্ত করেছেন।

সমকালীন বাংলা

৭৯–২৯ :
এবং তার রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন ও তার সকালকে আলোকিত করেছেন,

জহুরুল হক

আর এর রাতকে তিনি অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন, আর বের করে এনেছেন এর দিবালোক।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তিনি ইহার রাত্রিকে করিয়াছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং প্রকাশ করিয়াছেন ইহার সূর্যালোক;

আবদুস শহীদ নাসিম

আর রাতকে তিনি ঢেকে দেন অন্ধকার দিয়ে, আর দিনকে বের করে আনেন আলোকিত করে।

সমকালীন বাংলা

এবং এরপর পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন,

জহুরুল হক

আর পৃথিবী - - এর পরে তাকে প্রসারিত করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পৃথিবীকে ইহার পর বিস্তৃত করিয়াছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এরপর তিনি বিছিয়ে দিয়েছেন পৃথিবীকে।

সমকালীন বাংলা

তিনি তা থেকে তার পানি ও চারণভূমি বের করেছেন,

জহুরুল হক

এর থেকে তিনি বের করেছেন তার জল, আর তার চারণভূমি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তিনি উহা হইতে বহির্গত করিয়াছেন উহার পানি ও তৃণ,

আবদুস শহীদ নাসিম

তার (পৃথিবীর) মধ্য থেকেই বের করেছেন তার পানি ও তৃণ - লতা (উদ্ভিদ)।

সমকালীন বাংলা

এবং পর্বতমালাকে সুদৃঢ়ভাবে গ্রথিত করেছেন,

জহুরুল হক

আর পাহাড় - পর্বত - - তিনি তাদের মজবুতভাবে বসিয়ে দিয়েছেন, - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রোথিত করিয়াছেন;

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তার মধ্যে মজবুতভাবে গেড়ে দিয়েছেন পাহাড় - পর্বত।

সমকালীন বাংলা

তোমাদের ও তোমাদের গবাদিপশুর জীবিকার জন্য।

জহুরুল হক

তোমাদের জন্য ও তোমাদের গবাদি - পশুর জন্য খাদ্যের আয়োজন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এই সমস্ত তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুদের ভোগের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

(এসবই করেছেন) তোমাদের ও তোমাদের পশুদের কল্যাণার্থে।

সমকালীন বাংলা

অতঃপর যখন মহাবিপর্যয় আসবে,

জহুরুল হক

তারপর যখন ভীষণ দুর্বিপাক আসবে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর যখন মহাসংকট উপস্থিত হইবে

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর যেদিন ঘটে যাবে মহাবিপর্যয়,

সমকালীন বাংলা

সেদিন মানুষ স্মরণ করবে সে কিসের জন্য কষ্ট করেছিল,

জহুরুল হক

সেইদিন মানুষ স্মরণ করবে যার জন্য সে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষ যাহা করিয়াছে তাহা সে সেই দিন স্মরণ করিবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন মানুষ খুব করে স্মরণ করবে তার (পৃথিবীর জীবনের) সা’য়ীর (ব্যস্ততা ও কৃতকর্মের) কথা,

সমকালীন বাংলা

এবং জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে, যে দেখবে তার জন্য,

Note

জাহিম: কুরআনে ব্যবহৃত জাহান্নামের একটি নাম, যা বিশেষভাবে প্রজ্বলিত ও তীব্র জ্বলন্ত আগুনের ধারণা প্রকাশ করে। কুরআনে জাহান্নামের জন্য বিভিন্ন নাম ও বর্ণনা ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে:


  • جَهَنَّم (Jahannam)
  • الْجَحِيم (Al-Jaḥīm)
  • سَقَر (Saqar)
  • لَظَى (Laẓā)
  • الْحُطَمَة (Al-Ḥuṭamah)
  • السَّعِير (As-Saʿīr)
  • الْهَاوِيَة (Al-Hāwiyah)

জহুরুল হক

আর ভয়ংকর আগুন দৃষ্টিগোচর করানো হবে যে দেখে তার জন্য।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং প্রকাশ করা হইবে জাহান্নাম দর্শকদের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যেদিন দর্শকদের সামনে খুলে ধরা হবে জাহিম (দোযখ),

সমকালীন বাংলা

অনন্তর যে সীমালঙ্ঘন করেছে,

জহুরুল হক

তাছাড়া তার ক্ষেত্রে যে সীমালংঘন করেছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অনন্তর যে সীমালংঘন করে

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন (এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে যে,) পৃথিবীর জীবনে যারা সীমালংঘন করেছিল,

সমকালীন বাংলা

এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,

জহুরুল হক

এবং দুনিয়ার জীবনকেই বেছে নিয়েছে,

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দেয়,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং (আখিরাতের চাইতে) অগ্রাধিকার দিয়েছিল দুনিয়ার জীবনকে,

সমকালীন বাংলা

তবে নিশ্চয়ই জাহিম হবে তার আশ্রয়,

জহুরুল হক

সেক্ষেত্রে অবশ্য ভয়ংকর আগুন, - - সেটাই তো বাসস্থান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জাহান্নামই হইবে তাহার আবাস।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আবাস হবে জাহিম (দোযখ)।

সমকালীন বাংলা

অপরদিকে যে তার প্রতিপালকের সামনে দাঁড়ানোর ব্যাপারে ভীত হয়েছে এবং নিজেকে প্রবৃত্তি থেকে বিরত রেখেছে,

জহুরুল হক

পক্ষান্তরে যে তার প্রভুর সামনে দাঁড়াতে ভয় করে এবং আ‌ত্মাকে কামনা - বাসনা থেকে নিবৃত্ত রাখে - -

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

পক্ষান্তরে যে স্বীয় প্রতিপালকের সম্মুখে উপস্থিত হওয়ার ভয় রাখে এবং প্রবৃত্তি হইতে নিজকে বিরত রাখে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যে তার মহান প্রভুর সামনে দাঁড়াবার ভয়ে ভীত ছিলো এবং নিজেকে আত্মার দাসত্ব ও মন্দ কামনা - বাসনা থেকে বিরত রেখেছিল,

সমকালীন বাংলা

তবে নিশ্চয়ই বেহেশতই হবে তার আশ্রয়,

জহুরুল হক

সেক্ষেত্রে অবশ্য জান্নাত, - - সেটাই তো বাসস্থান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জান্নাতই হইবে তাহার আবাস।

আবদুস শহীদ নাসিম

জান্নাতই হবে তাদের আবাস।

সমকালীন বাংলা

তারা তোমাকে সেই সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, ‘তা কখন ঘটবে?’

জহুরুল হক

তারা ঘড়ি - ঘান্টা সম্পর্কে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে - - কখন তার আগমন হবে?’’

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উহারা তোমাকে জিজ্ঞাসা করে কিয়ামত সম্পর্কে, ‘উহা কখন ঘটিবে?’

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মুহাম্মদ!) এরা তোমাকে জিজ্ঞেস করছে সেই সময়টি সম্পর্কে - তা কখন অনুষ্ঠিত হবে?

সমকালীন বাংলা

সে ব্যাপারে আপনার কী বলার আছে?

জহুরুল হক

এ - সন্বন্ধে বলবার মতো তোমার কী আছে?

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার আলোচনার সঙ্গে তোমার কী সম্পর্ক?

আবদুস শহীদ নাসিম

(কিন্তু) এ ব্যাপারে বলার কী জ্ঞান তোমার আছে?

সমকালীন বাংলা

তার চূড়ান্ত জ্ঞান তোমার প্রতিপালকের কাছেই,

জহুরুল হক

এর চরম সীমা রয়েছে তোমার প্রভুর নিকট।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইহার পরম জ্ঞান আছে তোমার প্রতিপালকেরই নিকট;

আবদুস শহীদ নাসিম

এর জ্ঞান তো শুধুমাত্র তোমার প্রভুর নিকটই সীমাবদ্ধ।

সমকালীন বাংলা

তুমি তো কেবল সতর্ককারী তার জন্য, যে তাকে ভয় করে,

জহুরুল হক

তুমি তো শুধু সতর্ককারী তার জন্য যে এ - সন্বন্ধে ভয় করে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যে উহার ভয় রাখে তুমি কেবল তাহার সতর্ককারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র, তাদের জন্যে যারা তাকে (কিয়ামতকে) ভয় করে।

সমকালীন বাংলা

যেদিন তারা তা দেখবে, মনে হবে যেন তারা কেবল এক সন্ধ্যা বা সকালের বেশী অবস্থান করেনি।

জহুরুল হক

যেদিন তারা একে দেখবে সেদিন যেন তারা মাত্র এক সন্ধ্যাবেলা বা তার প্রভাতকাল ব্যতীত অবস্থান করে নি।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যেই দিন উহারা ইহা প্রত্যক্ষ করিবে সেই দিন উহাদের মনে হইবে যেন উহারা পৃথিবীতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক প্রভাত অবস্থান করিয়াছে!

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন তারা সে দিনটিকে দেখতে পাবে, তারা অনুভব করবে, পৃথিবীতে তারা কাটিয়েছে একটি সন্ধ্যা, কিংবা একটি সকাল মাত্র।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme