আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
আকাশ যখন বিদীর্ণ হইবে,
Chapter 82, 19 verses
আল্লাহর নামে শুরু করছি, পরম করুণাময় পরম দয়ালু; যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে,
আকাশ যখন বিদীর্ণ হইবে,
এবং যখন নক্ষত্রগুলো ছিটকে পড়বে,
আর যখন নক্ষত্রসব বিক্ষিপ্ত হবে,
যখন নক্ষত্রসমূহ ঝরে পড়বে,
যখন নক্ষত্রমণ্ডলী বিক্ষিপ্তভাবে ঝরিয়া পড়িবে,
এবং যখন সমুদ্রসমূহ উত্তাল করে দেওয়া হবে,
আর যখন সমুদ্রগুলো উচ্ছলিত হবে,
যখন সমুদ্রকে উত্তাল করে তোলা হবে,
সমুদ্র যখন উদ্বেলিত হইবে,
এবং যখন কবরসমূহ উন্মোচিত করা হবে,
আর যখন কবরগুলো উন্মোচিত হবে, - -
এবং যখন কবরসমূহ উম্মোচিত হবে,
এবং যখন কবর উন্মোচিত হইবে,
তখন প্রত্যেক প্রাণ জানতে পারবে, সে কী আগে পাঠিয়েছে এবং কী পিছনে রেখে এসেছে,
তখন প্রত্যেকেই জানতে পারবে সে কী আগ - বাড়িয়েছে, আর কী সে পেছনে ফেলে রেখেছে।
তখন প্রত্যেকে জেনে নিবে সে কি অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং কি পশ্চাতে ছেড়ে এসেছে।
তখন প্রত্যেকে জানিবে, সে কী অগ্রে পাঠাইয়াছে ও কী পশ্চাতে রাখিয়া গিয়াছে।
হে মানুষ! কী তোমাকে তোমার মহানুভব প্রতিপালক সম্পর্কে বিভ্রান্ত করেছে?
ওহে মানব! কিসে তোমাকে ভুলিয়েছে তোমার মহানুভব প্রভুসন্বন্ধে - -
হে মানুষ, কিসে তোমাকে তোমার মহামহিম পালনকর্তা সম্পর্কে বিভ্রান্ত করল?
হে মানুষ ! কিসে তোমাকে তোমার মহান প্রতিপালক সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করিল?
যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর সুবিন্যস্ত করেছেন এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ করেছেন,
যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাকে সুঠাম করেছেন, তারপর তোমাকে সুসমঞ্জস করেছেন, - -
যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুবিন্যস্ত করেছেন এবং সুষম করেছেন।
যিনি তোমাকে সৃষ্টি করিয়াছেন, অতঃপর তোমাকে সুঠাম করিয়াছেন এবং সুসমঞ্জস করিয়াছেন,
তিনি তোমাকে যে আকৃতিতে ইচ্ছা, তাতেই গঠন করেছেন,
যে আকৃতিতে তিনি চেয়েছেন সেইভাবে তিনি তোমাকে গঠন করেছেন?
যিনি তোমাকে তাঁর ইচ্ছামত আকৃতিতে গঠন করেছেন।
যেই আকৃতিতে চাহিয়াছেন, তিনি তোমাকে গঠন করিয়াছেন।
কখনোই নয়! বরং তোমরা প্রতিদান দিবসকে মিথ্যা বলো,
না, তোমরা বরং সদ্বিচারকেই মিথ্যারোপ করছ।
কখনও বিভ্রান্ত হয়ো না; বরং তোমরা দান - প্রতিদানকে মিথ্যা মনে কর।
না, কখনও না, তোমরা তো শেষ বিচারকে অস্বীকার করিয়া থাক ;
আর নিশ্চয়ই তোমাদের ওপর তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে,
অথচ তোমাদের উপরে নিশ্চয়ই তত্ত্বাবধায়ক রয়েছে, - -
অবশ্যই তোমাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত আছে।
অবশ্যই আছে তোমাদের জন্য তত্ত্বাবধায়কগণ ;
সম্মানিত লিপিকারগণ,
সম্মানিত লিপিকারগণ,
সম্মানিত আমল লেখকবৃন্দ।
সম্মানিত লিপিকরবৃন্দ ;
তারা জানে তোমরা যা করো,
তারা জানে তোমরা যা - কিছু কর।
তারা জানে যা তোমরা কর।
তাহারা জানে তোমরা যাহা কর।
নিশ্চয়ই সৎকর্মপরায়ণরা থাকবে পরম সুখে,
ধার্মিকরা নিশ্চয় থাকবে আনন্দেরই মাঝে,
সৎকর্মশীলগণ থাকবে জান্নাতে।
পুণ্যবানগণ তো থাকিবে পরম স্বাচ্ছন্দ্যে ;
আর নিশ্চয়ই পাপাচারীরা থাকবে জাহিমে,
আর পাপাচারীরা আলবৎ থাকবে ভয়ংকর আগুনে, - -
এবং দুষ্কর্মীরা থাকবে জাহান্নামে;
এবং পাপাচারীরা তো থাকিবে জাহান্নামে ;
তারা তাতে প্রবেশ করবে প্রতিদান দিবসে,
তারা এতে প্রবেশ করবে বিচারের দিনে
তারা বিচার দিবসে তথায় প্রবেশ করবে।
উহারা কর্মফল দিবসে উহাতে প্রবেশ করিবে ;
এবং তারা তা থেকে অনুপস্থিত থাকবে না,
আর তারা এর থেকে গরহাজির থাকতে পারবে না।
তারা সেখান থেকে পৃথক হবে না।
এবং উহারা উহা হইতে অন্তর্হিত হইতে পারিবে না।
এবং কী তোমাকে জানাবে প্রতিদান দিবস কী?
আর কিসে তোমাকে বুঝতে দেবে কী সেই বিচারের দিন?
আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?
কর্মফল দিবস সম্বন্ধে তুমি কী জান?
অতঃপর কী তোমাকে জানাবে প্রতিদান দিবস কী?
পুনরায় কিসে তোমাকে বোঝানো যাবে বিচারের দিন কি?
অতঃপর আপনি জানেন, বিচার দিবস কি?
আবার বলি, কর্মফল দিবস সম্বন্ধে তুমি কী জান?
সেদিন কোনো প্রাণ অন্য কোনো প্রাণের জন্য কিছুই করতে সক্ষম হবে না; এবং সেদিন সকল কর্তৃত্ব আল্লাহর।
এ সেইদিন যেদিন কোনো সত্ত্বা কোনো আত্মার জন্যে কোনো - কিছু করার সামর্থ্য রাখবে না। আর কর্তৃত্ব সেইদিন হবে রই।
যেদিন কেউ কারও কোন উপকার করতে পারবে না এবং সেদিন সব কর্তৃত্ব হবে আল্লাহর।
সেই দিন একের অপরের জন্য কিছু করিবার সামর্থ্য থাকিবে না; এবং সেই দিন সমস্ত কর্তৃত্ব হবে র।