Kitab

আদিপুস্তক / Genesis (Taurah) 30

Chapter 30, 43 verses

  • পুরানো ইচ্ছাপত্র

আদিপুস্তক - 30 রাহেল দেখল য়ে সে যাকোবকে কোন সন্তান দিতে পারে নি। রাহেল তাই তার বোন লেয়ার প্রতি ঈর্ষান্বিত হল। তাই রাহেল যাকোবকে বলল, “আমায় সন্তান দিন নতুবা আমি মারা যাব!”

আদিপুস্তক - 30 যাকোব রাহেলের প্রতি ক্রুদ্ধ হল। সে বলল, “আমি ঈশ্বর নই। ঈশ্বরই তোমার গর্ভ রুদ্ধ করে রেখেছেন।”

আদিপুস্তক - 30 তারপর রাহেল বলল, “আপনি আমার দাসী বিল্হাকে নিন। তার সাথে শয়ন করুন এবং সে আমার জন্য সন্তান প্রসব করবে। তাহলে আমি তার মাধ্যমে মাতা হতে পারব।”

আদিপুস্তক - 30 তাই রাহেল বিল্হাকে যাকোবের কাছে পাঠাল। যাকোব বিল্হার সঙ্গে য়ৌন সহবাস করল।

আদিপুস্তক - 30 বিল্হা গর্ভবতী হয়ে যাকোবের জন্য এক পুত্রের জন্ম দিল।

আদিপুস্তক - 30 রাহেল বলল, “ঈশ্বর আমার প্রার্থনা শুনেছেন। তিনি তাই আমার এক পুত্র দিতে মনস্থ করলেন।” তাই রাহেল এই সন্তানের নাম দান রাখল।

আদিপুস্তক - 30 বিল্হা আবার গর্ভবতী হয়ে দ্বিতীয় পুত্রের জন্ম দিল।

আদিপুস্তক - 30 রাহেল বলল, “আমি আমার বোনের সঙ্গে ভারী প্রতিদ্বন্দিতা করেছি এবং আমি জিতেছি।” তাই সে সেই পুত্রের নাম দিল নপ্তালি।

আদিপুস্তক - 30 লেয়া দেখলেন য়ে তার আর সন্তান হবার সম্ভাবনা নেই। তাই তিনি তার দাসী সিল্পাকে য়োকোবকে দিলেন।

আদিপুস্তক - 30 এবার সিল্পার এক পুত্র হল।

আদিপুস্তক - 30 লেয়া বললেন, “আমি খুবই সৌভাগ্যবতী।” তাই তিনি এই পুত্রের নাম গাদ রাখলেন।

আদিপুস্তক - 30 সিল্পা আর একটি পুত্রের জন্ম দিল।

আদিপুস্তক - 30 লেয়া বললেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দিত! এখন হতে স্ত্রী লোকেরা আমায় ধন্যা বলবে।” তাই তিনি তার নাম আশের রাখলেন।

আদিপুস্তক - 30 গম কাটার সময় রূবেণ ক্ষেতে গিয়ে একটি বিশেষ ধরণের ফুল দেখতে পেলেন। রূবেণ সেই ফুলগুলি তার মা লেয়ার কাছে নিয়ে এল। কিন্তু রাহেল লেয়াকে বলল, “তোমার পুত্রের আনা ঐ ফুলের কিছু আমাকে দাও।”

আদিপুস্তক - 30 লেয়া উত্তরে বললেন, “তুমি এর মধ্যেই আমার স্বামীকে নিয়ে নিয়েছ। এখন তুমি আমার পুত্রের ফুলগুলিও নিতে চাইছ?”কিন্তু রাহেল বলল, “তুমি তোমার পুত্রের আনা ফুল আমায় দিলে আজ রাত্রে আমার স্বামীর সঙ্গে সহবাস করতে পাবে।”

আদিপুস্তক - 30 ক্ষেত থেকে রাতে যাকোব বাড়ী ফিরল। লেয়া তাকে দেখে তার সঙ্গে সাক্ষাত্‌ করতে বাইরে এলেন। তিনি বললেন, “আজ রাতে তুমি আমার সঙ্গে শোবে। আমি তোমার জন্য মূল্য হিসাবে আমার পুত্রের ফুল দিয়ে দিয়েছি।” তাই সেই রাত্রে যাকোব লেয়ার সঙ্গে শয়ন করল।

আদিপুস্তক - 30 এরপর ঈশ্বরের দয়ায় লেয়া আবার গর্ভবতী হলেন। তিনি পঞ্চম পুত্রের জন্ম দিলেন।

আদিপুস্তক - 30 লেয়া বললেন, “আমি আমার দাসীকে আমার স্বামীর কাছে পাঠানোর বেতন হিসাবে ঈশ্বর আমাকে এই সন্তান দিলেন।” তিনি সেই পুত্রের নাম ইষাখর রাখলেন।

আদিপুস্তক - 30 লেয়া আবার গর্ভবতী হয়ে ষষ্ঠ পুত্রের জন্ম দিলেন।

আদিপুস্তক - 30 লেয়া বললেন, “ঈশ্বর আমাকে অপূর্ব উপহার দিলেন। এখন নিশ্চয়ই যাকোব আমাকে গ্রহণ করবেন কারণ আমি তাকে দুটি পুত্র দিয়েছি।” তাই লেয়া সেই পুত্রের নাম সবূলূন রাখলেন।

আদিপুস্তক - 30 পরে লেয়া একটি কন্যার জন্ম দিলেন। তিনি তার নাম রাখলেন দীণা।

আদিপুস্তক - 30 এবার ঈশ্বর রাহেলের প্রার্থনা শুনলেন। ঈশ্বর রাহেলের গর্ভ মুক্ত করলেন।

আদিপুস্তক - 30 রাহেল গর্ভবতী হয়ে এক পুত্রের জন্ম দিল। রাহেল বলল, “ঈশ্বর আমার লজ্জা দূর করেছেন এবং এক পুত্র দিয়েছেন।” তাই রাহেল ঈশ্বর আমাকে আর একটি পুত্র দিন, একথা বলে তার নাম রাখল য়োষেফ।

আদিপুস্তক - 30

আদিপুস্তক - 30 য়োষেফের জন্মের পর যাকোব লাবনকে বলল, “এবার আমাকে আমার বাড়ী ফিরতে দিন।

আদিপুস্তক - 30 আমাকে আমার স্ত্রী ও পুত্রদের নিয়ে য়েতে দিন। আমি 14 বছর পরিশ্রম করে তাদের আপনার কাছ থেকে লাভ করেছি। আপনি জানেন আমি ভালভাবেই আপনার সেবা করেছি।”

আদিপুস্তক - 30 লাবন তাকে বললেন, “এখন আমায় কিছু বলতে দাও! আমি জানি তোমার জন্যই প্রভু আমায় মনোনীত করেছেন।

আদিপুস্তক - 30 আমায় বল তোমার পারিশ্রমিক হিসাবে কি দিতে হবে আর আমি তোমায় তা দেব।”

আদিপুস্তক - 30 যাকোব উত্তরে বলল, “আপনি জানেন য়ে আমি আপনার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমার তত্ত্বাবধানে আপনার পশুবল ভালই রয়েছে এবং বৃদ্ধি পেয়েছে।

আদিপুস্তক - 30 যখন আমি এসেছিলাম তখন আপনার অল্পই ছিল। কিন্তু এখন আপনার প্রচুর হয়েছে। প্রতিবার আমি আপনার জন্য কিছু কাজ করলে প্রভু আপনাকে আশীর্বাদ করেছেন। এখন সময় এসেছে আমার নিজের জন্য কাজ করার। সময় এসেছে আমার নিজের গৃহ গাঁথার।”

আদিপুস্তক - 30 লাবন জিজ্ঞাসা করলেন, “তাহলে আমি তোমায় কি দেব?”যাকোব উত্তরে বলল, “আমি আপনার কাছ থেকে কিছু চাই না। কেবল চাই আপনি আমার শ্রমের বেতন দিন। কেবল এই একটি কাজ করুন; আমি ফিরে গিয়ে আপনার মেষপালের যত্ন নেব।

আদিপুস্তক - 30 কিন্তু আজকে আমাকে আপনার সমস্ত পশুপালের মধ্যে দিয়ে য়েতে দিন এবং য়ে সমস্ত মেষের গায়ে গোল গোল দাগ এবং ডোরা কাটা দাগ রয়েছে তাদের প্রত্যেককে নিতে দিন। আর সমস্ত কালো ছাগ শিশুও আমাকে নিতে দিন। এবং গোল গোল দাগ ও ডোরা কাটা দাগ রয়েছে এমন সমস্ত স্ত্রী ছাগ শিশুও আমার হোক্। সেই হবে আমার বেতন।

আদিপুস্তক - 30 তাহলে আমি আপনার প্রতি বিশ্বস্ত কিনা তা সহজেই বুঝতে পারবেন। আপনি এসে আমার পশুপাল দেখতে পারেন। যদি কোন ছাগ চিত্র বিচিত্র না হয় এবং মেষ কালো রঙের না হয় তাহলেই আপনি বুঝতে পারবেন য়ে আমি চুরি করেছি।”

আদিপুস্তক - 30 লাবন বললেন, “এতে আমার সম্মতি রয়েছে। তুমি যা চাইলে আমরা সেই মত করব।”

আদিপুস্তক - 30 কিন্তু সেই দিন লাবন সমস্ত চিত্র বিচিত্র পুং ছাগল এবং চিতল স্ত্রী ছাগলগুলিকে লুকিয়ে ফেললেন এবং কালো মেষগুলিকে লুকিয়ে ফেললেন। লাবন তার পুত্রদের সেই সমস্ত পাহারা দিতে বললেন।

আদিপুস্তক - 30 তাই তার পুত্রেরা চিত্র বিচিত্র সেই সকল পশু নিয়ে তাদের অন্য এক জায়গায় চরিযে নিয়ে তিন দিন পথের দূরত্ব বজায় রাখলেন। বাকী পশু যা পড়ে রইল যাকোব তার যত্ন নিল। কিন্তু সেই পালে চিত্র বিচিত্র অথবা রঙীন কোন পশুই ছিল না।

আদিপুস্তক - 30 তাই যাকোব ঝাউ ও বাদাম গাছের কচি ডালপালা কাটল এবং ডালের ছাল কিছুটা করে ছাড়াল যাতে ডোরা কাটা দেখায়।

আদিপুস্তক - 30 যাকোব সেই ডালগুলি পশুদের জল খাওয়ার জায়গার সামনে রাখল। পশুরা সেইস্থানে জল পান করতে এলে

আদিপুস্তক - 30 সঙ্গমও করল। এরপর সেই ডালের সামনে সঙ্গম করা পশুদের চিত্র বিচিত্র, ডোরাকাটা অথবা কালো শাবক জন্মাল।

আদিপুস্তক - 30 পশুপালের জন্য সমস্ত পশুর মধ্যে থেকে যাকোব চিত্র বিচিত্র ও কালো পশুদের পৃথক করল। যাকোব তার পশুদের লাবনের পশুদের থেকে আলাদা করে রাখল।

আদিপুস্তক - 30 য়ে কোন সময় বলবান পশুরা সঙ্গম করলে যাকোব সেই ডালগুলি তাদের সামনে রাখত। বলবান পশুরা সেই ডালপালার সামনে সঙ্গম করত।

আদিপুস্তক - 30 কিন্তু দুর্বল পশুরা সঙ্গম করলে যাকোব সেখানে ডালগুলি রাখত না। তাই দুর্বল পশুদের শাবকগুলি লাবনের হল। আর বলবান পশুদের শাবকগুলি হল যাকোবের।

আদিপুস্তক - 30 এইভাবে যাকোব বেশ ধনী হয়ে উঠল। তার অনেক পশু, ভৃত্য, উট এবং গাধা হল।

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme