Kitab

সাবা

Chapter 34, 54 verses

  • বাংলা উচ্চারণ
  • মুহিউদ্দীন খান
  • আবদুস শহীদ নাসিম
বাংলা উচ্চারণ

বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম আল্হাম্দু লিল্লা-হিল্লাযী লাহূ মা-ফিস্ সামা-ওয়া-তি অমা-ফিল্ র্আদ্বি অলাহুল্ হাম্দু ফিল্ আ-খিরহ্ অহুওয়াল্ হাকীমুল্ খর্বী।

মুহিউদ্দীন খান

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি নভোমন্ডলে যা আছে এবং ভূমন্ডলে যা আছে সব কিছুর মালিক এবং তাঁরই প্রশংসা পরকালে। তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি মালিক মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কিছুর, আখিরাতেও সমস্ত প্রশংসা তাঁর। তিনি প্রজ্ঞাবান, সর্ববিষয়ে জ্ঞাত।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়া'লামু মা-ইয়ালিজু ফিল্ র্আদ্বি অমা-ইয়াখ্রুজু মিন্হা-অমা-ইয়ান্যিলু মিনাস্ সামা - য়ি অমা-ইয়ারুজু ফীহা- অহুওয়ার রহীমুল্ গর্ফূ।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি জানেন যা ভূগর্ভে প্রবেশ করে, যা সেখান থেকে নির্গত হয়, যা আকাশ থেকে বর্ষিত হয় এবং যা আকাশে উত্থিত হয়। তিনি পরম দয়ালু ক্ষমাশীল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি জানেন যা প্রবেশ করে জমিনে এবং যা বের হয় জমিন থেকে। তিনি জানেন যা নাযিল হয় আসমান থেকে এবং যা মেরাজ হয় (উঠে) আকাশে। তিনি পরম করুণাময়, অতীব ক্ষমাশীল।

বাংলা উচ্চারণ

অক্ব-লাল্ লাযীনা কাফারূ লা-তাতী নাস্সা'আহ্কুল্ বালা অ রব্বী লাতাতিয়ান্নাকুম্ 'আ-লিমিল্ গইবি লা-ইয়া'যুবু 'আন্হু মিছ্ক্ব-লু র্যারাতিন্ ফিস্ সামা-ওয়া-তি অলা-ফিল্ র্আদ্বি অলা য় আছ্গরু মিন্ যা-লিকা অলা য় আক্বারু ইল্লা-ফী কিতা-বিম্ মুবীন্।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ - অবশ্যই আসবে। তিনি সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূ - মন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ - সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: ‘কিয়ামত আমাদের কাছে আসবেই না।’ তুমি বলো: ‘হাঁ, আমার প্রভুর শপথ, সেটা অবশ্যি তোমাদের কাছে আসবে। তিনি গায়েবের জ্ঞানী, মহাকাশ এবং পৃথিবীতে অণু পরিমাণ, কিংবা তার চাইতে ছোট বা বড় কোনো কিছুই তাঁর অগোচরে নেই। সবকিছুই রেকর্ড করা আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।’

বাংলা উচ্চারণ

লিইয়াজযিয়াল্ লাযীনা আ-মানূ অ'আমিলুছ্ ছোয়া-লিহাত্ উলা - য়িকা লাহুম্ মাগ্ফিরাতুঁও অ রিয্কুন্ কারীম্।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি পরিণামে যারা ও সৎকর্ম পরায়ণ, তাদেরকে প্রতিদান দেবেন। তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মান জনক রিযিক।

আবদুস শহীদ নাসিম

এর কারণ, যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে তিনি তাদের পুরস্কার দেবেন এবং তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত ও সম্মানজনক রিযিক।

বাংলা উচ্চারণ

অল্লাযীনা সা'আও ফী য় আ-ইয়া-তিনা মু'আ-জ্বিযীনা উলা - য়িকা লাহুম্ 'আযা-বুম্ মির রিজযিন্ আলীম।

মুহিউদ্দীন খান

আর যারা আমার আয়াত সমূহকে ব্যর্থ করার জন্য উঠে পড়ে লেগে যায়, তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা আমাদের আয়াতকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করে তাদের জন্যে রয়েছে ভয়ংকর বেদনাদায়ক আযাব।

বাংলা উচ্চারণ

অ ইয়ার ল্লাযীনা ঊতুল্ 'ইলমা ল্লাযী য় উন্যিলা ইলাইকা র্মি রব্বিকা হওয়াল্ হাক্বক্বা অ ইয়াহ্দী য় ইলা-ছিরা-ত্বিল্ 'আযীযিল্ হামীদ্।

মুহিউদ্দীন খান

যারা জ্ঞানপ্রাপ্ত, তারা আপনার পালনকর্তার নিকট থেকে অবর্তীর্ণ কোরআনকে সত্য জ্ঞান করে এবং এটা মানুষকে পরাক্রমশালী, প্রশংসার্হ আল্লাহর পথ প্রদর্শন করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদের জ্ঞান দেয়া হয়েছে, তাদের রায় হলো, তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে যা নাযিল হয়েছে সেটা সত্য। সেটি পথ দেখায় মহাশক্তিধর সপ্রশংসিত আল্লাহর পথ।

বাংলা উচ্চারণ

অ ক্ব-লাল্ লাযীনা কাফারূ হাল্ নাদ্দুল্লুকুম্ 'আলা- রাজুলিইঁ ইয়ুনাব্বিয়ুকুম্ ইযা-মুয্যিক্ব তুম্ কুল্লা মুমায্যাক্বিন্ ইন্নাকুম্ লাফী খল্ক্বিন্ জ্বাদীদ্।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা বলে, আমরা কি তোমাদেরকে এমন ব্যক্তির সন্ধান দেব, যে তোমাদেরকে খবর দেয় যে; তোমরা সম্পুর্ণ ছিন্ন - বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও তোমরা নতুন সৃজিত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: ‘‘আমরা কি তোমাদের এমন এক ব্যক্তির সন্ধান দেবো, যে তোমাদের বলে: তোমাদের দেহ পুরোপুরি মাটির সাথে মিশে যাবার পর তোমাদের নতুন করে সৃষ্টি করা হবে?’’

বাংলা উচ্চারণ

আফ্তারা- 'আলাল্লা-হি কাযিবান্ আম্ বিহী জ্বিন্নাহ্ বালিল্লাযীনা লা-ইয়ুমিনূনা বিল্আ-খিরতি ফিল্ 'আযা-বি অদ্ব্দ্বোয়ালা-লিল্ বা'ঈদ্।

মুহিউদ্দীন খান

সে সম্পর্কে মিথ্যা বলে, না হয় সে উম্মাদ এবং যারা পরকালে অবিশ্বাসী, তারা আযাবে ও ঘোর পথভ্রষ্টতায় পতিত আছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে কি মিথ্যা রচনা করে আল্লাহর প্রতি আরোপ করে? নাকি তাকে জিনে ধরেছে? বরং যারা আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখেনা তারা রয়েছে আযাবের মধ্যে এবং ঘোরতর ভুলপথে।

বাংলা উচ্চারণ

আফালাম্ ইয়ারাও ইলা-মা-বাইনা আইদীহিম্ অমা-খল্ফাহুম্ মিনাস্ সামা - য়ি অল্র্আদ্ব্ ইন্ নাশা নাখ্সিফ্ বিহিমুল্ র্আদ্বোয়া আও নুস্ক্বিত্ব্ 'আলাইহিম্ কিসাফাম্ মিনাস্ সামা - য়্ ইন্না ফী যা-লিকা লা আ-ইয়াতাল্ লিকুল্লি 'আব্দিম্ মুনীব্।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি তাদের সামনের ও পশ্চাতের আকাশ ও পৃথিবীর প্রতিলক্ষ্য করে না? আমি ইচ্ছা করলে তাদের সহ ভূমি ধসিয়ে দেব অথবা আকাশের কোন খন্ড তাদের উপর পতিত করব। অভিমুখী প্রত্যেক বান্দার জন্য এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি তাদের সামনের পেছনের আসমান জমিনে যা আছে সেগুলোর প্রতি লক্ষ্য করেনা? আমরা চাইলে তাদেরকেসহ জমিনকে খসিয়ে দিতে পারি, অথবা তাদের উপর আকাশ ভেংগে ফেলতে পারি। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে একটি নিদর্শন প্রতিটি আল্লাহমুখী বান্দার জন্যে।

বাংলা উচ্চারণ

অ লাক্বদ্ আ-তাইনা- দায়ূদা- মিন্না-ফাদ্ব্লা- ইয়া-জ্বিবা-লু আওয়্যিবী মা'আহূ অত্ব ত্বোয়াইরা অআলান্না-লাহুল্ হাদীদ্।

মুহিউদ্দীন খান

আমি দাউদের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম এই আদেশ মর্মে যে, হে পর্বতমালা, তোমরা দাউদের সাথে আমার পবিত্রতা ঘোষণা কর এবং হে পক্ষী সকল, তোমরাও। আমি তাঁর জন্য লৌহকে নরম করে ছিলাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা আমাদের পক্ষ থেকে দাউদের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম। আমরা নির্দেশ দিয়েছিলাম: ‘হে পর্বতমালা! তোমরা দাউদের সাথে আমার পবিত্রতা ঘোষণা করো এবং পাখিদেরকেও দিয়েছিলাম এ নির্দেশ। আর আমরা তার জন্যে লোহা গলাবার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম।’

বাংলা উচ্চারণ

আনি'মাল্ সা-বিগ-তিঁও অক্বর্দ্দি ফিস্ র্সাদি ওয়া'মালূ ছোয়া-লিহা- ইন্নী বিমা-তা'মালূনা বার্ছী।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাকে আমি বলে ছিলাম, প্রশস্ত বর্ম তৈরী কর, কড়াসমূহ যথাযথভাবে সংযুক্ত কর এবং সৎকর্ম সম্পাদন কর। তোমরা যা কিছু কর, আমি তা দেখি।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলেছিলাম: ‘তুমি পূর্ণ মাপের বর্ম তৈরি করো এবং বুননের ক্ষেত্রে পরিমাণ রক্ষা করো। তোমরা আমলে সালেহ্ করো। তোমরা যা আমল করো সেদিকে আমি দৃষ্টি রাখছি।’

বাংলা উচ্চারণ

অ লিসুলাইমা-র্না রীহা-গুদুওয়্যুহা-শাহ্রুঁও অ রাওয়া-হুহা- শাহ্রুন্ অ আসাল্না-লাহূ 'আইনাল্ ক্বিত্বরি অ মিনাল্ জ্বিন্নি মাইঁ ইয়া'মালু বাইনা ইয়াদাইহি বিইয্নি রব্বিহ্ অমাইঁ ইয়াযিগ্ মিন্হুম্ 'আন্ আম্রিনা-নুযিকহু মিন্ 'আযা-বিস্ সাঈর্'।

মুহিউদ্দীন খান

আর আমি সোলায়মানের অধীন করেছিলাম বায়ুকে, যা সকালে এক মাসের পথ এবং বিকালে এক মাসের পথ অতিক্রম করত। আমি তার জন্যে গলিত তামার এক ঝরণা প্রবাহিত করেছিলাম। কতক জিন তার সামনে কাজ করত তার পালনকর্তার আদেশে। তাদের যে কেউ আমার আদেশ অমান্য করবে, আমি জ্বলন্ত অগ্নির - শাস্তি আস্বাদন করাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা সুলাইমানের জন্যে নিয়োজিত রেখেছিলাম বাতাসকে, যা একমাসের পথ অতিক্রম করতো সকালে এবং এক মাসের পথ অতিক্রম করতো বিকেলে। আমরা তার জন্যে প্রবাহিত করে দিয়েছিলাম গলিত তামার একটি ঝরণাধারা। তার প্রভুর অনুমতিক্রমে একদল জিন তার সামনে কাজ করতো। তাদের কেউ আমাদের নির্দেশ অমান্য করলে আমরা তাকে আস্বাদন করাবো জ্বলন্ত আগুনের আযাব।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়া'মালূনা লাহূ মা-ইয়াশা - য়ু মিম্ মাহা-রীবা অ তামা-ছীলা অজ্বিফা-নিন্ কাল্জ্বাঅ-বি অকুদূর্রি র-সিয়া-ত্ ই'মালূ য় আ-লা দা-য়ূদা শুক্র- অক্বালীলুম্ মিন্ ই'বা-দিয়াশ্ শার্কূ।

মুহিউদ্দীন খান

তারা সোলায়মানের ইচ্ছানুযায়ী দুর্গ, ভাস্কর্য, হাউযসদৃশ বৃহদাকার পাত্র এবং চুল্লির উপর স্থাপিত বিশাল ডেগ নির্মাণ করত। হে দাউদ পরিবার! কৃতজ্ঞতা সহকারে তোমরা কাজ করে যাও। আমার বান্দাদের মধ্যে অল্পসংখ্যকই কৃতজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা সুলাইমানের ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করতো প্রাসাদ নির্মাণের, চিত্রাংকনের, হাউজের মতো বড় আকারের পাত্র নির্মাণের এবং মজবুতভাবে স্থাপিত ডেক নির্মাণের। হে দাউদের পরিবার! তোমরা কৃতজ্ঞতার সাথে কাজ করো। তবে আমার বান্দাদের অল্প লোকই শোকর আদায়কারী।

বাংলা উচ্চারণ

ফালাম্মা- ক্বাদ্বোয়াইনা- 'আলাইহিল্ মাওতা মা-দাল্লাহুম্ 'আলা- মাওতিহী য় ইল্লা-দা - ব্বাতুল্ র্আদ্বি তাকুলু মিন্সায়াতাহূ ফালাম্মা- র্খার তাবাইয়্যানাতিল্ জ্বিন্নু আল্লাও কা-নূ ইয়া'লামূনাল্ গইবা মালাবিছূ ফিল্ 'আযা বিল্ মুহীন্।

মুহিউদ্দীন খান

যখন আমি সোলায়মানের মৃত্যু ঘটালাম, তখন ঘুণ পোকাই জিনদেরকে তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে অবহিত করল। সোলায়মানের লাঠি খেয়ে যাচ্ছিল। যখন তিনি মাটিতে পড়ে গেলেন, তখন জিনেরা বুঝতে পারল যে, বিষয়ের জ্ঞান থাকলে তারা এই লাঞ্ছনাপূর্ণ শাস্তিতে আবদ্ধ থাকতো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যখন সুলাইমানের মউত ঘটালাম, তখন তার মৃত্যুর ঘটনা জানালো কেবল মাটির পোকা, যারা তার লাঠি খাচ্ছিল। যখন সে পড়ে গেলো, তখন জিনেরা বুঝতে পারলো যে, তারা যদি জানতো, তাহলে তাদেরকে এই লাঞ্ছনাকর শাস্তিতে আবদ্ধ থাকতে হতো না।

বাংলা উচ্চারণ

লাক্বদ্ কা-না লিসাবায়িন্ ফী মাস্কানিহিম্ আ-ইয়াতুন্ জ্বান্নাতা-নি আইঁ ইয়ামীনিঁও অশিমা-লিন্ কুলূ র্মি রিয্ক্বি রব্বিকুম্ অশ্কুরূ লাহূ বাল্দাতুন্ ত্বোয়াইয়্যিবাতুঁও অরব্বুন্ গর্ফূ।

মুহিউদ্দীন খান

সাবার অধিবাসীদের জন্যে তাদের বাসভূমিতে ছিল এক নিদর্শন - দুটি উদ্যান, একটি ডানদিকে, একটি বামদিকে। তোমরা তোমাদের পালনকর্তার রিযিক খাও এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। স্বাস্থ্যকর শহর এবং ক্ষমাশীল পালনকর্তা।

আবদুস শহীদ নাসিম

সাবা বাসীদের জন্যে তাদের বসত ভূমিতে ছিলো একটি নিদর্শন। দুটি উদ্যান ছিলো, একটি ডানদিকে, একটি বামদিকে। তাদের বলা হয়েছিল: তোমরা তোমাদের প্রভুর দেয়া জীবিকা ভোগ করো আর তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো। উত্তম নগরী এবং ক্ষমাশীল প্রভু।

বাংলা উচ্চারণ

ফাআ'রদ্বুফার্য়াসাল্না- 'আলাইহিম্ সাইলাল্ 'আরিমি অবাদ্দাল্না-হুম্ বিজ্বান্নাতাইহিম্ জ্বান্নাতাইনি যাওয়া-তাই উকুলিন্ খাম্ত্বিঁও অআছ্লিঁও অশাইয়িম্ মিন্ সিদ্রিন্ ক্বালীল্।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা অবাধ্যতা করল ফলে আমি তাদের উপর প্রেরণ করলাম প্রবল বন্যা! আর তাদের উদ্যানদ্বয়কে পরিবর্তন করে দিলাম এমন দুই উদ্যানে, যাতে উদগত হয় বিস্বাদ ফলমূল, ঝাউ গাছ এবং সামান্য কুলবৃক্ষ।

আবদুস শহীদ নাসিম

পরে তারা অবাধ্য হয়ে পড়ে। ফলে আমরা তাদের উপর প্রবাহিত করে দিলাম বাঁধভাংগা বন্যা, আর উদ্যান দুটিকে বদল করে দিলাম এমন দুটি উদ্যানে যেগুলোতে উৎপন্ন হয় বিস্বাদ ফলমূল, ঝাউ গাছ আর কিছু কুল গাছ।

বাংলা উচ্চারণ

যা-লিকা জ্বাযাইনা-হুম্ বিমা-কাফারূ অহাল্ নুজ্বা-যী য় ইল্লাল্ কার্ফূ।

মুহিউদ্দীন খান

এটা ছিল কুফরের কারণে তাদের প্রতি আমার শাস্তি। আমি অকৃতজ্ঞ ব্যতীত কাউকে শাস্তি দেই না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদের এই শাস্তি দিয়েছিলাম তাদের কুফুরির কারণে। আমরা অকৃতজ্ঞদের ছাড়া আর কাউকেও এ রকম শাস্তি দেই না।

বাংলা উচ্চারণ

অজ্বা'আল্না -বাইনাহুম্ অবাইনাল্ ক্বুরল্লাতী বা-রক্না- ফীহা-কুরান্ জোয়া-হিরাতাঁও অক্বার্দ্দানা- ফীহাস্ সার্ই সীরূ ফীহা-লাইয়া- লিয়া আইয়্যা-মান্ আ-মিনীন্।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের এবং যেসব জনপদের লোকদের প্রতি আমি অনুগ্রহ করেছিলম সেগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অনেক দৃশ্যমান জনপদ স্থাপন করেছিলাম এবং সেগুলোতে ভ্রমণ নির্ধারিত করেছিলাম। তোমরা এসব জনপদে রাত্রে ও দিনে নিরাপদে ভ্রমণ কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের এবং যেসব জনপদের প্রতি আমরা অনুগ্রহ করেছিলাম, সেগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে প্রকাশ্য বহু জনপদ স্থাপন করেছিলাম এবং সেসব জনপদে ভ্রমণের যথাযথ ব্যবস্থা করেছিলাম আর তাদের বলেছিলাম: তোমরা এসব জনপদে নিরাপদে ভ্রমণ করো দিনে এবং রাতে।

বাংলা উচ্চারণ

ফাক্বা-লূ রব্বানা-বা-'ইদ্ বাইনা আস্ফা-রিনা-অজোয়ালামূ য় আন্ফুসাহুম্ ফাজ্বা'আল্না-হুম্ আহা-দীছা অমায্যাক্ব্ না-হুম্ কুল্লা মুমায্যাক্ব্ ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়া-তিল্লি-কুল্লি ছোয়াব্বা-রিন্ শার্কূ।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর তারা বলল, হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের ভ্রমণের পরিসর বাড়িয়ে দাও। তারা নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল। ফলে আমি তাদেরকে উপাখ্যানে পরিণত করলাম এবং সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন - বিচ্ছিন্ন করে দিলাম। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তারা বলেছিল: ‘আমাদের প্রভু! আমাদের সফরের মনযিলের ব্যবধান বাড়িয়ে দাও।’ তারা নিজেদের প্রতি যুলুম করেছিল। ফলে আমরা তাদেরকে কাহিনীর বিষয়বস্তুতে পরিণত করে দিয়েছিলাম, আর তাদেরকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিলাম। নিশ্চয়ই এতে রয়েছে অনেক নিদর্শন প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে।

বাংলা উচ্চারণ

অ লাক্বদ্ ছোয়াদ্দাক্বা 'আলাইহিম্ ইবলীসু জোয়ান্নাহূ ফাত্তাবা'ঊহু ইল্লা-ফারীক্বম্ মিনাল্ মুমিনীন্।

মুহিউদ্দীন খান

আর তাদের উপর ইবলীস তার অনুমান সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল। ফলে তাদের মধ্যে মুমিনদের একটি দল ব্যতীত সকলেই তার পথ অনুসরণ করল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের উপর ইবলিস তার ধারণা সত্য প্রমাণ করেছিল, ফলে তাদের মধ্যে একটি পক্ষ ছাড়া বাকি সকলেই তার ইত্তেবা করেছিল।

বাংলা উচ্চারণ

অমা-কা-না লাহূ 'আলাইহিম্ মিন্ সুল্ত্বোয়া-নিন্ ইল্লা-লিনা'লামা মাইঁ ইয়ুমিনু বিল্আ-খিরা-তি মিম্মান হুওয়া মিন্হা-ফী শাক্ অরব্বুকা 'আলা-কুল্লি শাইয়িন্ হাফীজ্।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের উপর শয়তানের কোন ক্ষমতা ছিল না, তবে কে পরকালে বিশ্বাস করে এবং কে তাতে সন্দেহ করে, তা প্রকাশ করাই ছিল আমার উদ্দেশ্য। আপনার পালনকর্তা সব বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তাদের উপর ইবলিসের কোনো আধিপত্য ছিলনা। কারা আখিরাতে , আর কারা তাতে সন্দিহান তা প্রকাশ করে দেয়াই ছিলো আমার উদ্দেশ্য। তোমার প্রভু প্রতিটি বিষয়ে হিফাযতকারী।

বাংলা উচ্চারণ

কু'লিদ'ঊ ল্লাযীনা যা'আম্তুম্ মিন্ দূনিল্লা-হি লা-ইয়াম্লিকূনা মিছ্ক্ব-লা র্যারতিন্ ফিস্ সামা-ওয়া-তি অলা-ফিল্ র্আদ্বি অমা লাহুম্ ফীহিমা-মিন্ র্শিকিঁও অমা-লাহূ মিন্হুম্ মিন্ জোয়ার্হী।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, তোমরা তাদেরকে আহবান কর, যাদেরকে উপাস্য মনে করতে ব্যতীত। তারা নভোমন্ডল ও ভূ - মন্ডলের অনু পরিমাণ কোন কিছুর মালিক নয়, এতে তাদের কোন অংশও নেই এবং তাদের কেউ আল্লাহর সহায়কও নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘‘তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইলাহ্ মনে করো তাদের ডাকো। তারা মহাকাশ এবং পৃথিবীতে অণু পরিমাণ কিছুরও মালিক নয়। মহাকাশ এবং পৃথিবীর মধ্যে কোনো কিছুতেই তাদের কোনো শিরক (অংশ) নেই এবং কেউই তাঁর (আল্লাহর) সাহায্যকারীও নয়।

বাংলা উচ্চারণ

অলা-তান্ফা'ঊশ্ শাফা-'আতু 'ইন্দাহূ য় ইল্লা- লিমান্ আযিনা লাহ্ হাত্তা য় ইযা-ফ্য্যিয'আ 'আন্ কুলূবিহিম্ ক্ব-লূ মা-যা-ক্ব-লা রব্বুকুম্ ক্ব-লুল্ হাক্ব্ ক্ব অ হুওয়াল্ 'আলিয়্যুল্ কার্বী।

মুহিউদ্দীন খান

যার জন্যে অনুমতি দেয়া হয়, তার জন্যে ব্যতীত আল্লাহর কাছে কারও সুপারিশ ফলপ্রসূ হবে না। যখন তাদের মন থেকে ভয় - ভীতি দূর হয়ে যাবে, তখন তারা পরস্পরে বলবে, তোমাদের পালনকর্তা কি বললেন? তারা বলবে, তিনি সত্য বলেছেন এবং তিনিই সবার উপরে মহান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাঁর ওখানে কারো কোনো শাফায়াত বিন্দুমাত্র কাজে আসবেনা, তবে তিনি নিজেই যদি কাউকেও (কারো ব্যাপারে) সুপারিশ করার অনুমতি দেন সেটা ভিন্ন কথা। পরে যখন তাদের মন থেকে ভয় দূর হবে, তখন তারা একে অপরকে জিজ্ঞাসা করবে: ‘তোমাদের প্রভু কী বললেন?’ তারা বলবে: ‘তিনি সত্য বলেছেন।’ আর তিনি অতি মর্যাদাবান, অতিশয় মহান।’

বাংলা উচ্চারণ

কুল্ মাইঁর্য়্যা যুকুকুম্ মিনাস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্ব কুলিল্লা-হু অইন্না য় আও ইয়্যা-কুম্ লা'আলা- হুদান্ আও ফী দ্বোয়ালা-লিম্ মুবীন্।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, নভোমন্ডল ও ভূ - মন্ডল থেকে কে তোমাদের কে রিযিক দেয়। বলুন, । আমরা অথবা তোমরা সৎপথে অথবা স্পষ্ট বিভ্রান্তিতে আছি ও আছ?

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আসমান এবং জমিন থেকে তোমাদের কে রিযিক দেন?’ বলো: ‘।’ হয় আমরা, না হয় তোমরা হিদায়াতের উপর প্রতিষ্ঠিত, অথবা সুস্পষ্ট গোমরাহিতে নিমজ্জিত।

বাংলা উচ্চারণ

কুল্-লা তুস্য়ালূনা 'আম্মা য় আজরম্না-অলা-নুস্য়ালু 'আম্মা-তা'মালূন্।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমাদের অপরাধের জন্যে তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে না এবং তোমরা যা কিছু কর, সে সম্পর্কে আমরা জিজ্ঞাসিত হব না।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমাদের অপরাধের জন্যে তোমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবেনা, আর তোমাদের কর্মকান্ডের জন্যেও আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবেনা।’

বাংলা উচ্চারণ

কুল্ ইয়াজ্ব্ মা'উ বাইনানা-রব্বুনা-ছুম্মা ইয়াফ্তাহু বাইনান- বিল্ হাক্ব্ অহুওয়াল্ ফাত্তা-হুল্ 'আলীম্।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমাদের পালনকর্তা আমাদেরকে সমবেত করবেন, অতঃপর তিনি আমাদের মধ্যে সঠিকভাবে ফয়সালা করবেন। তিনি ফয়সালাকারী, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমাদের প্রভু আমাদের সবাইকে একত্র করবেন তারপর আমাদের মাঝে ফায়সালা করে দেবেন ন্যায়সংগতভাবে। তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ ফায়সালাকারী, সর্বজ্ঞানী।’

বাংলা উচ্চারণ

কুল্ আরূ নিয়াল্ লাযীনা আল্হাক্ব্ তুম্ বিহী শুরাকা - য়া কাল্লা-বাল্ হুওয়াল্লা-হুল্ 'আযীযুল্ হাকীম্।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, তোমরা যাদেরকে আল্লাহর সাথে অংশীদাররূপে সংযুক্ত করেছ, তাদেরকে এনে আমাকে দেখাও। বরং তিনিই , পরাক্রমশীল, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘তোমরা যাদেরকে শরিক হিসেবে তাঁর সাথে জুড়ে দিয়েছো তাদের দেখাও তো আমাকে। না, কখনো নয় (তারা শরিক হতে পারে না), বরং একমাত্র আল্লাহ্ই মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞাবান।’

বাংলা উচ্চারণ

অমা য় র্আসাল্না-কা ইল্লা-কা - ফ্ফাতা লিন্না-সি বাশীরঁও অনাযীরঁও অলা-কিন্না আক্ছারন্না-সি লা-ইয়া'লামূন্।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাকে রসূল বানিয়ে পাঠিয়েছি সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই এলেম রাখেনা।

বাংলা উচ্চারণ

অ ইয়াকুলূনা মাতা-হা-যাল্ ওয়া'দু ইন্ কুন্তুম্ ছোয়া-দ্বিক্বীন্।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলে, তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে বল, এ ওয়াদা কখন বাস্তবায়িত হবে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা জিজ্ঞাসা করে: ‘তোমরা যদি সত্যবাদী হও, তবে বলো, এই ওয়াদা কখন বাস্তবায়িত হবে?’

বাংলা উচ্চারণ

কুল্ লাকুম্ মী'আ-দু ইয়াওমিল্লা-তাস্তাখিরূনা 'আন্হু সা-'আতাঁও অলা-তাস্তাক্ব দিমূ ন্ ।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, তোমাদের জন্যে একটি দিনের ওয়াদা রয়েছে যাকে তোমরা এক মহূর্তও বিলম্বিত করতে পারবে না এবং ত্বরান্বিত ও করতে পারবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি বলো: ‘তোমাদের জন্যে রয়েছে একটি নির্ধারিত দিন, যা তোমরা মুহূর্তকালও না পিছিয়ে নিতে পারবে, আর না এগিয়ে আনতে পারবে।’

বাংলা উচ্চারণ

অক্বলাল্ লাযীনা কাফারূ লান্ নুমিনা বিহা-যাল্ ক্ব র্আ-নি অলা-বিল্লাযী বাইনা ইয়াদাইহ্অলাও তারা য় ইযিজ্ জোয়া-লিমূনা মাওকুফূনা 'ইন্দা রব্বিহিম্ ইর্য়াজি'ঊ বা'দ্বুহুম্ ইলা-বা'দ্বিনিল্ ক্বওলা ইয়াকু লুল্ লাযীনাস্ তুদ্ব্'ইফূ লিল্লাযীনাস্ তাক্বারূ লাওলা য় আন্তুম্ লাকুন্না-মুমিনীন্।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা বলে, আমরা কখনও এ কোরআনে বিশ্বাস করব না এবং এর পূর্ববর্তী কিতাবেও নয়। আপনি যদি পাপিষ্ঠদেরকে দেখতেন, যখন তাদেরকে তাদের পালনকর্তার সামনে দাঁড় করানো হবে, , তখন তারা পরস্পর কথা কাটাকাটি করবে। যাদেরকে দুর্বল মনে করা হত, তারা অহংকারীদেরকে বলবে, তোমরা না থাকলে আমরা অবশ্যই হতাম।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: ‘আমরা কখনো এই কুরআনের প্রতি ঈমান আনবো না, এর আগের কিতাবসমূহের প্রতিও ঈমান আনবো না।’ হায়, তোমরা যদি দেখতে, এই যালিমদের যখন তাদের প্রভুর সামনে দাঁড় করানো হবে, তখন তারা পরস্পর বাদ - প্রতিবাদ করতে থাকবে। যাদেরকে (পৃথিবীতে) দুর্বল করে রাখা হয়েছিল, তারা ক্ষমতাদর্পীদের বলবে: ‘তোমরা না থাকলে আমরা অবশ্যি হতাম।’

বাংলা উচ্চারণ

ক্ব-লা ল্লাযীনাস্ তাক্বারূ লিল্লাযী নাস্ তুদ্ব্'ইফূ য় আনাহ্নু ছোয়াদাদ্ না-কুম্ 'আনিল্ হুদা-বা'দা ইয্ জ্বা - য়াকুম্ বাল্ কুন্তুম্ মুজ্বরিমীন্।

মুহিউদ্দীন খান

অহংকারীরা দুর্বলকে বলবে, তোমাদের কাছে হেদায়েত আসার পর আমরা কি তোমাদেরকে বাধা দিয়েছিলাম? বরং তোমরাই তো ছিলে অপরাধী।

আবদুস শহীদ নাসিম

দাম্ভিক ক্ষমতাদর্পীরা দুর্বল করে রাখাদের বলবে: ‘তোমাদের কাছে হিদায়াত সুস্পষ্টভাবে এসে যাওয়ার পরও কি আমরাই তোমাদেরকে তা থেকে বাধা দিয়েছিলাম? বরং তোমরা নিজেরাই ছিলে অপরাধী।’

বাংলা উচ্চারণ

অক্ব-লাল্ লাযীনাস্ তুদ্ব'ইফূ লিল্লাযীনাস্ তাক্বারূ বাল্ মাক্রুল লাইলি অন নাহা-রি ইয্ তামুরূ নানা য় আন্ নাক্ফুরা বিল্লা-হি অনাজ্ব্'আলা লাহূ য় আন্দাদা- অআর্সারু ন্নাদা-মাতা লাম্মা-রায়ায়ুল্ 'আযা-ব্ অজ্বা'আল্নাল্ আগ্লা-লা ফী য় 'আনা ক্বি ল্লাযীনা কাফারূ হাল্ ইয়ুজযাওনা ইল্লা-মা-কা-নূ ইয়া'মালূন্।

মুহিউদ্দীন খান

দুর্বলরা অহংকারীদেরকে বলবে, বরং তোমরাই তো দিবারাত্রি চক্রান্ত করে আমাদেরকে নির্দেশ দিতে যেন আমরা আল্লাহকে না মানি এবং তাঁর অংশীদার সাব্যস্ত করি তারা যখন শাস্তি দেখবে, তখন মনের অনুতাপ মনেই রাখবে। বস্তুতঃ আমি কাফেরদের গলায় বেড়ী পরাব। তারা সে প্রতিফলই পেয়ে থাকে যা তারা করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

দুর্বল করে রাখা লোকেরা ক্ষমতাদর্পীদের বলবে: ‘তোমরাই তো দিনরাত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলে, আমাদের নির্দেশ দিয়েছিলে যেনো আমরা আল্লাহর প্রতি কুফুরি করি এবং তাঁর সাথে শরিক করি।’ যখন তারা আযাব দেখতে পাবে, তখন তারা লজ্জা ও অনুতাপ গোপন করবে এবং আমরা কাফিরদের গলায় শিকল পরিয়ে দেবো। তারা যেসব কর্মকান্ডে লিপ্ত ছিলো, তাদেরকে তারই প্রতিফল দেয়া হবে মাত্র।

বাংলা উচ্চারণ

অমা য় র্আসালনা-ফী-র্ক্বাইয়াতিম্ মিন্নাযীরিন্ ইল্লা-ক্বা-লা মুত্রাফূহা য় ইন্না- বিমা য় র্উসিল্তুম্ বিহী কা-ফিরূন্।

মুহিউদ্দীন খান

কোন জনপদে সতর্ককারী প্রেরণ করা হলেই তার বিত্তশালী অধিবাসীরা বলতে শুরু করেছে, তোমরা যে বিষয়সহ প্রেরিত হয়েছ, আমরা তা মানি না।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা যখনই কোনো জনপদে সতর্ককারী পাঠিয়েছি, তখনই সেখানকার সম্পদশালী সীমালংঘনকারীরা বলেছে: ‘তোমরা যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছো, তা আমরা অস্বীকার করছি।’

বাংলা উচ্চারণ

অ ক্ব-লূ নাহ্নু আক্ছারু আমওয়া- লাঁও অআওলা-দাওঁ অমা-নাহ্নু বিমু'আয্যাবীন্।

মুহিউদ্দীন খান

তারা আরও বলেছে, আমরা ধনে - জনে সমৃদ্ধ, সুতরাং আমরা শাস্তিপ্রাপ্ত হব না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আরো বলেছে: ‘ধনে জনে আমরা সমৃদ্ধশালী, আমাদের প্রতি কিছুতেই আযাব আসতে পারবে না।’

বাংলা উচ্চারণ

কুল্ ইন্না রব্বী ইয়াব্স্ত্বর্ রিয্ক্ব লিমাইঁ ইয়াশা - য়ু অইয়াক্ব দিরু অলা-কিন্না আক্ছারন না-সি লা-ইয়া'লামূন্।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমার পালনকর্তা যাকে ইচ্ছা রিযিক বাড়িয়ে দেন এবং পরিমিত দেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা বোঝে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘নিশ্চয়ই আমার প্রভু যাকে ইচ্ছা রিযিক বাড়িয়ে দেন এবং যাকে ইচ্ছা করে দেন সীমিত। তবে অধিকাংশ মানুষই তা জানেনা।’

বাংলা উচ্চারণ

অমা য় আম্ওয়া- লুকুম্ অলা য় আওলা-দুকুম্ বিল্লাতী তুর্ক্বরিবুকুম্ 'ইন্দানা-যুল্ফা য় ইল্লা-মান্ আ-মানা অ'আমিলা ছোয়া-লিহান্ ফাউলা - য়িকা লাহুম্ জ্বাযা - য়ুদ্ব্ দ্বি'ফি বিমা-আ'মিলূ অহুম্ ফিল্ গুরূফা-তি আ-মিনূন্।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের ধন - সম্পদ ও সন্তান - সন্ততি তোমাদেরকে আমার নিকটবর্তী করবে না। তবে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তারা তাদের কর্মের বহুগুণ প্রতিদান পাবে এবং তারা সুউচ্চ প্রাসাদে নিরাপদে থাকবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের ধনমাল এবং সন্তান - সন্ততি এমন জিনিস নয় যা তোমাদেরকে আমাদের নিকটবর্তী করে দেবে। তবে যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, তারাই তাদের আমলের জন্যে পাবে বহুগুণ বেশি পুরস্কার। তারা প্রাসাদসমূহের মধ্যে থাকবে সদা নিরাপদ।

বাংলা উচ্চারণ

অল্লাযীনা ইয়াস্'আওনা ফী য় আ-ইয়াতিনা- 'মুআ-জ্বিযীনা উলা - য়িকা ফিল্ 'আযা-বি মুহ্দ্বোয়ারূন্।

মুহিউদ্দীন খান

আর যারা আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত হয়, তাদেরকে আযাবে উপস্থিত করা হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আমাদের আয়াতকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করবে, তারাই সদা উপস্থিত থাকবে আযাবের মধ্যে।

বাংলা উচ্চারণ

কুল্ ইন্না রব্বী ইয়াব্সুত্বর্ রিয্কা লিমাইঁ ইয়াশা - য়ু মিন্ 'ইবাদিহী অইয়াক্ব দিরু লাহ্ অমা য় আন্ফাক্ব তুম্ মিন্ শাইয়িন্ ফাহুওয়া ইয়ুখ্লিফুহূ অহুওয়া খাইর্রু র-যিক্বীন্।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমার পালনকর্তা তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা রিযিক বাড়িয়ে দেন এবং সীমিত পরিমাণে দেন। তোমরা যা কিছু ব্যয় কর, তিনি তার বিনিময় দেন। তিনি উত্তম রিযিক দাতা।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমার প্রভু তার বান্দাদের যাকে ইচ্ছা রিযিক বাড়িয়ে দেন এবং যাকে ইচ্ছা করে দেন সীমিত। তোমরা আল্লাহর পথে যা কিছু ব্যয় করবে, তার প্রতিদান দেবেন। তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ রিযিকদাতা।’

বাংলা উচ্চারণ

অইয়াওমা ইয়াহ্শুরুহুম্ জ্বামী'আন্ ছুম্মা ইয়াকুলূ লিল্মালা - য়িকাতি আ হা য় য়ুলা - য়ি ইয়্যা-কুম্ কা-নূ ইয়া'বুদূন্।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন তিনি তাদের সবাইকে একত্রিত করবেন এবং ফেরেশতাদেরকে বলবেন, এরা কি তোমাদেরই পূজা করত?

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন তিনি তাদের সবাইকে হাশর করবেন, তারপর ফেরেশতাদের বলবেন: ‘এরা কি তোমাদের ইবাদত করতো?’

বাংলা উচ্চারণ

ক্ব-লূ সুব্হা-নাকা আন্তা অলিয়্যুনা-মিন্ দূনিহিম্ বাল্ কা-নূ ইয়া'বুদূনাল্ জ্বিন্না আক্ছারুহুম্ বিহিম্ মুমিনূন্।

মুহিউদ্দীন খান

ফেরেশতারা বলবে, আপনি পবিত্র, আমরা আপনার পক্ষে, তাদের পক্ষে নই, বরং তারা জিনদের পূজা করত। তাদের অধিকাংশই শয়তানে ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলবে: ‘তুমি পবিত্র ও মহান, ওরা নয়, তুমিই আমাদের প্রভু, বরং তারা ইবাদত করতো জিনদের (শয়তানদের)। তাদের অধিকাংশই তাদের প্রতি ঈমান রাখতো।’

বাংলা উচ্চারণ

ফাল্ইয়াওমা লা-ইয়াম্লিকু বা'দ্বুকুম্ লিবা'দ্বিন্ নাফ্আঁও অলা-দ্বোর্য়ারা- অনাকু লু লিল্লাযীনা জোয়ালামূ যূকু'আযা-বা ন্না-রিল্ লাতী কুন্তুম্ বিহা-তুকায্যিবূন্।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব আজকের দিনে তোমরা একে অপরের কোন উপকার ও অপকার করার অধিকারী হবে না আর আমি জালেমদেরকে বলব, তোমরা আগুনের যে শাস্তিকে মিথ্যা বলতে তা আস্বাদন কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

ফলে আজ তোমাদের একের ক্ষমতা নেই অপরের লাভ কিংবা ক্ষতি করার। আমরা যালিমদের বলবো: ‘আগুনের আযাবের স্বাদ গ্রহণ করো, যে আযাবকে তোমরা অস্বীকার করতে।

বাংলা উচ্চারণ

অইযা-তুত্লা-'আলাইহিম্ আ-ইয়া-তুনা বাইয়্যিনা-তিন্ ক্ব-লূ-মা-হা-যা য় ইল্লা-রাজুলুইঁ ইয়ুরীদু আইঁ ইয়াছুদ্দাকুম্ 'আম্মা কা-না ইয়া'বুদু আ-বা - য়ুকুম্ অক্ব-লূ মা-হা-যা য় ইল্লা য় ইফ্কুম্ মুর্ফ্তা অক্ব-লাল্ লাযীনা কাফারূ লিল্হাক্ব ক্বি লাম্মা-জ্বা - য়াহুম্ ইন্ হা-যা য় ইল্লা-সিহরুম্ মুবীন্।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট আয়াত সমূহ তেলাওয়াত করা হয়, তখন তারা বলে, তোমাদের বাপ - দাদারা যার এবাদত করত এ লোকটি যে তা থেকে তোমাদেরকে বাধা দিতে চায়। তারা আরও বলে, এটা মনগড়া মিথ্যা বৈ নয়। আর কাফেরদের কাছে যখন সত্য আগমন করে, তখন তারা বলে, এতো এক সুস্পষ্ট যাদু।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তাদের প্রতি আমাদের সুস্পষ্ট আয়াত তিলাওয়াত করা হতো তারা বলতো: ‘তোমাদের পূর্ব পুরুষরা যাদের ইবাদত করতো এ ব্যক্তি তো তাদের ইবাদত থেকে তোমাদের বাধা দিতে চায়।’ তারা আরো বলতো: ‘এ তো এক মিথ্যা রচনা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ কাফিররা সত্য আসার পর সত্য সম্পর্কে আরো বলতো: ‘এ তো এক সুস্পষ্ট ম্যাজিক।’

বাংলা উচ্চারণ

অমা য় আ-তাইনা-হুম্ মিন্ কুতুবিঁই ইয়াদ্রুসূনাহার্ অমা য় র্আসাল্না য় ইলাইহিম্ ক্বব্লাকা মিন্ নাযীর।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদেরকে কোন কিতাব দেইনি, যা তারা অধ্যয়ন করবে এবং আপনার পূর্বে তাদের কাছে কোন সতর্ককারী প্রেরণ করিনি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তাদেরকে পূর্বে কোনো কিতাব দিইনি যা তারা পড়তো এবং তোমার আগে তাদের কাছে আমরা কোনো সতর্ককারীও পাঠাইনি।

বাংলা উচ্চারণ

অকায্যা বাল্লাযীনা মিন্ ক্বব্লিহিম্ অমা-বালাগূ মি'শা-র মা য় আ-তাইনা-হুম্ ফাকায্যাবূ রুসুলী ফাকাইফা কা-না নার্কী।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পূর্ববর্তীরাও মিথ্যা আরোপ করেছে। আমি তাদেরকে যা দিয়েছিলাম, এরা তার এক দশমাংশও পায়নি। এরপরও তারা আমার রাসূলগনকে মিথ্যা বলেছে। অতএব কেমন হয়েছে আমার শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের আগেকার লোকেরাও অস্বীকার করেছিল। আমরা তাদেরকে যা দিয়েছিলাম এরা তার এক দশমাংশও পায়নি। তা সত্ত্বেও তারা আমার রসূলদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। ফলে কতো যে ভয়াবহ হয়েছিল আমার শাস্তি!

বাংলা উচ্চারণ

কুল্ ইন্নামা য় আ'ইজুকুম্ বিওয়া-হিদাতিন্ আন্ তাক্বূমূ লিল্লা-হি মাছ্না-অফুর-দা ছুম্মা তাতাফাক্কারূ মা-বিছোয়া-হিবিকুম্ মিন্ জিন্নাহ্ ইন্ হুওয়া ইল্লা-নাযীরুল্লাকুম্ বাইনা ইয়াদাই 'আযা-বিন্ শাদীদ্।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমি তোমাদেরকে একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছিঃ তোমরা আল্লাহর নামে এক একজন করে ও দু, দু জন করে দাঁড়াও, অতঃপর চিন্তা - ভাবনা কর - তোমাদের সঙ্গীর মধ্যে কোন উম্মাদনা নেই। তিনি তো আসন্ন কাঠোর শাস্তি সম্পর্কে তোমাদেরকে সতর্ক করেন মাত্র।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো, আমি তোমাদের একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছি তাহলো: তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে দাঁড়াও দুইজন এবং একজন করে, তারপর তোমরা চিন্তা করে দেখো, তোমাদের সাথি মোটেও জিনে ধরা ব্যক্তি নয়। সে তো কেবল তোমাদের জন্যে একজন সতর্ককারী আসন্ন কঠিন আযাব সম্পর্কে।

বাংলা উচ্চারণ

কুল্ মা-সায়াল্তুকুম্ মিন্ আজরিন্ ফাহুওয়া লাকুম্ ইন্ আজ্ব্রিয়া ইল্লা-'আলাল্লা-হি অহুওয়া 'আলা- কুল্লি শাইয়িন্ শাহীদ্।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমি তোমাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাই না বরং তা তোমরাই রাখ। আমার পুরস্কার তো আল্লাহর কাছে রয়েছে। প্রত্যেক বস্তুই তাঁর সামনে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমি তো তোমাদের কাছে কোনো পারিশ্রমিক চেয়ে থাকলে তা তোমাদেরই। আমার পুরস্কার তো রয়েছে আল্লাহর কাছে। তিনি প্রতিটি বিষয়ের সাক্ষী।’

বাংলা উচ্চারণ

কুল্ ইন্না রব্বী ইয়াক্ব যিফু বিল্হাক্ব ক্বি 'আল্লা- মুল্গুইয়ূব্।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমার পালনকর্তা সত্য অবতরণ করেছেন। তিনি আলেমুল গায়ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমার প্রভু সত্য দিয়ে (অসত্যকে) আঘাত করেন। তিনি গায়েবের আল্লামা (মহাজ্ঞানী)।’

বাংলা উচ্চারণ

কুল্ জ্বা - য়াল্ হাক্ব কুঅমা-ইয়ুব্দিয়ুল্ বা-ত্বিলু অমা-ইয়ু'ঈদ্।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, সত্য আগমন করেছে এবং অসত্য না পারে নতুন কিছু সৃজন করতে এবং না পারে পূনঃ প্রত্যাবর্তিত হতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘সত্য এসেছে, আর অসত্য নতুন সৃষ্টি করতেও পারে না এবং তা পুনসৃষ্টিও করতে পারে না।’

বাংলা উচ্চারণ

কুল্ ইন্ দ্বোয়ালাল্তু ফাইন্নামা য় আদিল্লু 'আলা- নাফ্সী অ ইনিহ্ তাদাইতু ফাবিমা-ইয়ূহী য় ইলাইয়্যা রব্বী- ইন্নাহূ সামীউ'ন্ ক্বরীব্।

মুহিউদ্দীন খান

বলুন, আমি পথভ্রষ্ট হলে নিজের ক্ষতির জন্যেই পথভ্রষ্ট হব; আর যদি আমি সৎপথ প্রাপ্ত হই, তবে তা এ জন্যে যে, আমার পালনকর্তা আমার প্রতি ওহী প্রেরণ করেন। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী।

আবদুস শহীদ নাসিম

বলো: ‘আমি যদি পথভ্রষ্ট হয়েই থাকি, তবে সেটার পরিণতি আমাকেই ভোগ করতে হবে। আর আমি যদি সঠিক পথে থেকে থাকি, তবে তার কারণ, আমার প্রভু আমার প্রতি অহি করেন। তিনি সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী।’

বাংলা উচ্চারণ

অলাও তারা য় ইয্ ফাযি'ঊ ফালা-ফাওতা অউখিযূ মিম্ মাকা-নিন্ ক্বরীব্।

মুহিউদ্দীন খান

যদি আপনি দেখতেন, যখন তারা ভীতসস্ত্রস্ত হয়ে পড়বে, অতঃপর পালিয়েও বাঁচতে পারবে না এবং নিকটবর্তী স্থান থেকে ধরা পড়বে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি দেখতে, যখন তারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়বে, তখন তারা অব্যাহতি পাবে না এবং খুব কাছে থেকেই তাদের ধরা হবে।

বাংলা উচ্চারণ

অক্ব-লূ য় আ-মান্না-বিহী অ আন্না-লাহুমুত্তানা-য়ুশু মিম্ মাকা-নিম্ বাঈ'দ্।

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলবে, আমরা সত্যে বিশ্বাস স্থাপন করলাম। কিন্তু তারা এতদূর থেকে তার নাগাল পাবে কেমন করে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তখন তারা বলবে: ‘আমরা সেটার (পরকালের) প্রতি ঈমান আনলাম’, কিন্তু এখন আর নাগালের বাইরে চলে যাওয়া জিনিসের নাগাল পাবে কিভাবে?

বাংলা উচ্চারণ

অক্বদ্ কাফারূ বিহী মিন্ ক্বব্লু অ ইয়াক্ব ্যিফূনা বিল্গইবি মিম্ মাকা-নিম্ বা'ঈদ্।

মুহিউদ্দীন খান

অথচ তারা পূর্ব থেকে সত্যকে অস্বীকার করছিল। আর তারা সত্য হতে দূরে থেকে অজ্ঞাত বিষয়ের উপর মন্তব্য করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

ইতোপূর্বে (পৃথিবীতে) তো তারা সেটার প্রতি কুফুরি করেছিল এবং আন্দাজে অনেক দূর থেকে কথা বানিয়ে আনতো।

বাংলা উচ্চারণ

অহীলা বাইনাহুম্ অবাইনা মা-ইয়াশ্তাহূনা কামা ফু'ইলা বিআশ্ইয়া-'ইহিম্ মিন্ ক্বব্ল্ ইন্নাহুম্ কা-নূ ফী শাক্কিম্ মুরীব্।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের ও তাদের বাসনার মধ্যে অন্তরাল হয়ে গেছে, যেমন - তাদের সতীর্থদের সাথেও এরূপ করা হয়েছে, যারা তাদের পূর্বে ছিল। তারা ছিল বিভ্রান্তিকর সন্দেহে পতিত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের এবং তাদের চাওয়ার মধ্যে অন্তরায় সৃষ্টি করে দেয়া হয়েছে, যেমন ইতোপূর্বে করা হয়েছিল তাদের সমপন্থীদের ক্ষেত্রে। তারা ছিলো বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme