Kitab

আররা’দ (মেঘের গর্জন)

Chapter 13, 43 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • বাংলা উচ্চারণ
About this chapter


মক্কায় মতান্তরে মদিনায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৪৩, রুকু সংখ্যা: ০৬

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-১৭কুরআন আল্লাহর কিতাব। সমস্ত কর্তৃত্ব আল্লাহর। মানুষের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ। মানুষের কুফুরি। সবাই এবং সবকিছু আল্লাহর কর্তৃত্বের অধীন। বাতিলপন্থীরা বিলীন হয়ে যাবে, সত্যপন্থীরা টিকে থাকবে। ১৮-২৫সত্যপন্থীদের বৈশিষ্ট্য ও শুভ পরিণাম। বিশ্বাসঘাতক ও ফাসাদ সৃষ্টিকারীদের পরিণতি। ২৬-৩১আল্লাহর রিযিক বণ্টন ব্যবস্থা। কাফির ও মুমিনদের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য। ৩২-৪৩সকল নবীর সাথেই বিদ্রূপ করা হয়েছে। কুফুরির পথ ও তাকওয়ার পথ। ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী কাফিরদের অশুভ পরিণতি।
আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ লাম মিম রা। এগুলো আল কিতাবের (আল কুরআনের) আয়াত, যা তোমার প্রতি নাযিল করা হয়েছে। তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে এ এক মহাসত্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই (তাতে) ঈমান আনেনা।

মুহিউদ্দীন খান

আলিফ - লাম - মীম - রা; এগুলো কিতাবের আয়াত। যা কিছু আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে, তা সত্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এতে বিশ্বাস করে না।

বাংলা উচ্চারণ

বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম আলিফ্ লা-ম্ মী-ম্ র- তিল্কা আ-ইয়াতুল কিতাব্ অল্লাযী য় উন্যিলা ইলাইকা র্মি রব্বিকাল্ হাক্বক্বু অলা-কিন্না আক্ছারন্না-সি লা-ইয়ুমিনূ ন্। অল্লাযী য় উন্যিলা ইলাইকা র্মি রব্বিকাল্ হাক্বক্বু অলা-কিন্না আক্ছারন্না-সি লা-ইয়ুমিনূ ন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

, যিনি মহাকাশকে উপরে উঠিয়ে দিয়েছেন স্তম্ভ ছাড়াই, তোমরা তা দেখতে পাচ্ছো। তারপর তিনি সমাসীন হয়েছেন আরশের উপর এবং সূর্যও চাঁদকে (নির্দিষ্ট বিধানের) অধীন করে দিয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে গতিমান। সমস্ত বিষয়ই তিনি পরিচালনা করেন এবং নিদর্শনসমূহ বর্ণনা করেন বিশদভাবে, যাতে তোমরা তোমাদের প্রভুর সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে একীন রাখো।

মুহিউদ্দীন খান

, যিনি উর্ধ্বদেশে স্থাপন করেছেন আকাশমন্ডলীকে স্তম্ভ ব্যতীত। তোমরা সেগুলো দেখ। অতঃপর তিনি আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন। এবং সূর্য ও চন্দ্রকে কর্মে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকে নির্দিষ্ট সময় মোতাবেক আবর্তন করে। তিনি সকল বিষয় পরিচালনা করেন, নিদর্শনসমূহ প্রকাশ করেন, যাতে তোমরা স্বীয় পালনকর্তার সাথে সাক্ষাত সম্বন্ধে নিশ্চিত হও।

বাংলা উচ্চারণ

আল্লা-হুল্লাযী রফা'আস্ সামা-ওয়া-তি বিগইরি 'আমাদিন্ তারাওনাহা- ছুম্মাস্ তাওয়া-'আলাল্ 'আরশি অসাখ্খরাশ্ শাম্সা অল্ ক্বর্মা কুল্লুঁই ইয়াজুরী লিআজ্বালিম্ মুসাম্মা ইয়ুদাব্বিরুল্ আম্র ইয়ুফাছ্ছিলুল্ আ-ইয়া-তি লা'আল্লাকুম্ বিলিক্ব-য়ি রব্বিকুম্ তূক্বিনূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি জমিনকে সমতল করে বিছিয়ে দিয়েছেন এবং তাতে সৃষ্টি করে দিয়েছেন পাহাড় - পর্বত আর নদ - নদী। সেখানে প্রত্যেক প্রকারের ফলফলারি সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায়। তিনিই দিনকে ঢেকে দেন রাত দিয়ে। এতে অবশ্যি নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই ভুমন্ডলকে বিস্তৃত করেছেন এবং তাতে পাহাড় পর্বত ও নদ - নদী স্থাপন করেছেন এবং প্রত্যেক ফলের মধ্যে দু’দু প্রকার সৃষ্টি করে রেখেছেন। তিনি দিনকে রাত্রি দ্বারা আবৃত করেন। এতে তাদের জন্যে নিদর্শণ রয়েছে, যারা চিন্তা করে।

বাংলা উচ্চারণ

অ হুঅল্লাযী মাদ্দাল্ র্আদ্বোয়া অজ্বা'আলা ফীহা- রওয়া-সিয়া অ আন্হা-র- অমিন্ কুল্লিছ্ ছামার-তি জ্বা'আলা ফীহা-যাওজ্বাইনিছ্ নাইনি ইয়ুগ্শিল্ লাইলান্নাহার্- ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়া-তিল লিক্বওমিঁ ইয়াতাফাক্কারূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই পৃথিবীতে সৃষ্টি করে দেয়া হয়েছে পরস্পর কাছাকাছি ভূ - খন্ডসমূহ, তাতে রয়েছে আঙ্গুরের বাগান, শস্যক্ষেত, আর একাধিক মাথাওয়ালা এবং এক মাথাওয়ালা খেজুর গাছ। এগুলোকে পান করানো হয় একই পানি। সেগুলোর কিছু ফল ফসলকে কিছু ফল ফসলের উপর আমরা স্বাদের দিক থেকে চমৎকার করে দিই। যারা আকল খাটায় তাদের জন্যে এতে রয়েছে নিদর্শন।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যমিনে বিভিন্ন শস্য ক্ষেত্র রয়েছে - একটি অপরটির সাথে সংলগ্ন এবং আঙ্গুরের বাগান আছে আর শস্য ও খর্জ্জুরের রয়েছে - একটির মূল অপরটির সাথে মিলিত এবং কতক মিলিত নয়। এগুলো কে একই পানি দ্বারা সেচ করা হয়। আর আমি স্বাদে একটিকে অপরটির চাইতে উৎকৃষ্টতর করে দেই। এগুলোর মধ্যে নিদর্শণ রয়েছে তাদের জন্য যারা চিন্তা ভাবনা করে।

বাংলা উচ্চারণ

অফিল্ র্আদ্বি ক্বিত্বোয়া'ঊম্ মুতাজ্বা-ওয়ির-তুঁও অজ্বান্নাতুম্ মিন্ আ'না-বিঁও ওয়া যার'ঊওঁ অনাখীলুন্ ছিন্ওয়া-নুওঁ অ গইরু ছিনওয়া-নিইঁ ইউস্ক্ব-বিমা-ইঁও অ-হিদিন্ অনুফাদ্দি¦লু বা'দ্বোয়াহা-'আলা-বা'দ্বিন্ ফিল্ উকুল্ ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়া-তিল্লিক্বওমিঁই ইয়া'ক্বিলূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি যদি বিস্মিত হও, তবে বিস্ময়কর হলো তাদের এই কথা, ‘মাটিতে মিশে যাবার পরও কি আমাদের আবার নতুন করে সৃষ্টি করা হবে?’ এরাই তাদের প্রভুর সাথে কুফুরি করেছে আর তাদের গলায়ই থাকবে লোহার শিকল এবং তারাই হবে জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে থাকবে তারা চিরকাল।

মুহিউদ্দীন খান

যদি আপনি বিস্ময়ের বিষয় চান, তবে তাদের একথা বিস্ময়কর যে, আমরা যখন মাটি হয়ে যাব, তখনও কি নতুন ভাবে সৃজিত হব? এরাই স্বীয় পালনকর্তার সত্তায় অবিশ্বাসী হয়ে গেছে, এদের গর্দানেই লৌহ - শৃংখল পড়বে এবং এরাই দোযখী এরা তাতে চিরকাল থাকবে।

বাংলা উচ্চারণ

অ ইন্ তা'জ্বাব ফা'আজ্বাবুন্ ক্বওলুহুম্ আ ইযা-কুন্না-তুর-বান্ আ ইন্না-লাফী খল্ক্বিন্ জ্বাদীদ্ উলা-য়িকাল্লাযীনা কাফারূ বিরব্বীহিম্ অউলা-য়িকাল্ আগ্লা-লু ফী য় আ'না-ক্বিহিম্ অউলা-য়িকা আছ্হা-বু ন্না-রি হুম্ ফীহা-খা-লিদূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

কল্যাণের আগেই তারা তোমাকে অকল্যাণ ত্বরান্বিত করতে বলে: যদিও তাদের আগে এ রকম কথার অনেক দৃষ্টান্ত বিগত হয়েছে। নিশ্চয়ই তোমার প্রভু মানুষের প্রতি তাদের যুলুম - সীমালঙ্ঘন সত্ত্বেও পরম ক্ষমাশীল। আবার তোমার প্রভু শাস্তি প্রদানেও কঠোর।

মুহিউদ্দীন খান

এরা আপনার কাছে মঙ্গলের পরিবর্তে দ্রুত অমঙ্গল কামনা করে। তাদের পূর্বে অনুরূপ অনেক শাস্তিপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠী অতিক্রান্ত হয়েছে। আপনার পালনকর্তা মানুষকে তাদের অন্যায় সত্বেও ক্ষমা করেন এবং আপনার পালনকর্তা কঠিন শাস্তিদাতা ও বটে।

বাংলা উচ্চারণ

অ ইন্না রব্বাকা লাযূ মাগ্ফিরাতি ল্লিন্না-সি 'আলা-জুল্মিহিম্ অইন্না রব্বাকা লাশাদীদুল্ ই'ক্বা-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: ‘তার প্রতি তার প্রভুর পক্ষ থেকে কোনো নিদর্শন নাযিল হলোনা কেন?’ তুমি তো কেবল একজন সতর্ককারী মাত্র আর প্রত্যেক কওমেরই ছিলো একজন সতর্ককারী।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা বলেঃ তাঁর প্রতি তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন অবতীর্ণ হল না কেন? আপনার কাজ তো ভয় প্রদর্শন করাই এবং প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্যে পথপ্রদর্শক হয়েছে।

বাংলা উচ্চারণ

অ ইয়াস্তা'জ্বিলূনাকা বিস্সাইয়িয়াতি ক্বব্লাল্ হাসানাতি অক্বদ খলাত্ মিন্ ক্বব্লিহিমুল্ মাছুলা-ত্অ ইন্না রব্বাকা লাযূ মাগ্ফিরাতি ল্লিন্না-সি 'আলা-জুল্মিহিম্ অইন্না রব্বাকা লাশাদীদুল্ ই'ক্বা-ব্। ইন্নামা য় আন্তা মুন্যিরুঁও অলিকুল্লি ক্বওমিন্ হা-দ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

জানেন প্রত্যেক নারী তার গর্ভে যা বহন করে এবং জরায়ুতে যা কমে আর বাড়ে এবং তাঁর কাছে প্রতিটি বস্তুর পরিণামই নির্ধারিত।

মুহিউদ্দীন খান

জানেন প্রত্যেক নারী যা গর্ভধারণ করে এবং গর্ভাশয়ে যা সঙ্কুচিত ও বর্ধিত হয়। এবং তাঁর কাছে প্রত্যেক বস্তুরই একটা পরিমাণ রয়েছে।

বাংলা উচ্চারণ

আল্লা-হু ইয়া'লামু মা-তাহ্মিলু কুল্লু উন্ছা-অমা-তাগীদ্বুল্ র্আহা-মু অমা-তায্দা-দ্ অ কুল্লু শাইয়িন্ 'ইন্দাহূ বিমিক্বদার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি ও দৃশ্যের জ্ঞানী মহান ও সর্বোচ্চ মর্যাদার মালিক।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি সকল গোপন ও প্রকাশ্য বিষয় অবগত, মহোত্তম, সর্বোচ্চ মর্যাদাবান।

বাংলা উচ্চারণ

'আ-লিমুল্ গইবি অশ্শাহাদাতিল্ কাবীরুল্ মুতা'আল্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কথা গোপন করে এবং যে তা প্রকাশ করে, আর যে রাতে লুকিয়ে থাকে এবং দিনে বিচরণ করে, তারা সবাই আল্লাহর জ্ঞানে সমান।

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের মধ্যে কেউ গোপনে কথা বলুক বা তা সশব্দে প্রকাশ করুক, রাতের অন্ধকারে সে আত্নগোপন করুক বা প্রকাশ্য দিবালোকে বিচরণ করুক, সবাই তাঁর নিকট সমান।

বাংলা উচ্চারণ

সাওয়া-য়ুম্ মিন্কুম্ মান্ আর্সারল্ ক্বওলা অমান্ জ্বাহারা বিহী অমান্ হুঅ মুস্তাখ্ফিম্ বিল্লাইলি অসা-রিবুম্ বিন্নাহার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

তার (মানুষের) জন্যে তার সামনে এবং পেছনে একের পর এক পাহারাদার নিযুক্ত থাকে আল্লাহর নির্দেশে। তারা তার হিফাযত করে। কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেননা, যতোক্ষণ না তারা নিজেরাই নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে। যখন কোনো জাতির অকল্যাণ চান, তখন তা আর রদ হয়না। তাদের জন্যে ছাড়া আর কোনো অলি নেই।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর পক্ষ থেকে অনুসরণকারী রয়েছে তাদের অগ্রে এবং পশ্চাতে, আল্লাহর নির্দেশে তারা ওদের হেফাযত করে। কোন জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যে পর্যন্ত না তারা তাদের নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করে। যখন কোন জাতির উপর বিপদ চান, তখন তা রদ হওয়ার নয় এবং তিনি ব্যতীত তাদের কোন সাহায্যকারী নেই।

বাংলা উচ্চারণ

লাহূ মুআ'ক্ব্ক্বিবা-তুম্ মিম্ বাইনি ইয়াদাইহি অ মিন্ খল্ফিহী ইয়াহ্ফাজূনাহূ মিন্ আম্রিল্লা-হ্ ইন্নাল্লা-হা লা-ইয়ুগইয়্যিরু মা-বিক্বওমিন্ হাত্তা-ইয়ুগ্ইয়্যিরূ মা-বিআন্ফুসিহিম্ অ ইযা য় আরা-দাল্লা-হু বিক্বওমিন্ সূ য় য়ান্ ফালা-মারদ্দা লাহূ অমা-লাহুম্ মিন্ দূনিহী মিওঁ ওয়া-ল্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই তোমাদেরকে বিদ্যুত চমকিয়ে ভয় এবং আশা দেখান। তিনিই সৃষ্টি করেন বর্ষণমুখী ভারি মেঘ।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই তোমাদেরকে বিদ্যুৎ দেখান ভয়ের জন্যে এবং আশার জন্যে এবং উক্ষিত করেন ঘন মেঘমালা।

বাংলা উচ্চারণ

হুঅল্লাযী ইয়ুরীকুমুল্ র্বাক্ব খওফাঁও ওয়া ত্বমা'আঁও অ ইয়ুন্শিয়ুস্ সাহা-বাছ্ ছিক্ব-ল্।

আবদুস শহীদ নাসিম

বজ্রধ্বনি প্রশংসার সাথে তাঁর তসবিহ করে এবং ফেরেশতারাও করে তাঁর ভয়ে। তিনি বজ্রপাত ঘটান এবং তা দিয়ে যাকে ইচ্ছা আঘাত করেন। তারা সম্পর্কে বিতর্ক করে, অথচ তিনি মহাশক্তিমান।

মুহিউদ্দীন খান

তাঁর প্রশংসা পাঠ করে বজ্র এবং সব ফেরেশতা, সভয়ে। তিনি বজ্রপাত করেন, অতঃপর যাকে ইচছা, তাকে তা দ্বারা আঘাত করেন; তথাপি তারা সম্পর্কে বিতন্ডা করে, অথচ তিনি মহাশক্তিশালী।

বাংলা উচ্চারণ

অ ইয়ুসাব্বির্হু র'দু বিহাম্দিহী অল্মালা-য়িকাতু মিন্ খীফাতিহী অইর্য়ুসিলুস্ ছোয়াওয়া-'ইক্বা ফাইয়ুছীবু বিহা-মাইঁ ইয়াশা-য়ু অ হুম্ ইয়ুজ্বা-দিলূনা ফিল্লা-হি অ হুঅ শাদীদুল্ মিহা-ল্।

আবদুস শহীদ নাসিম

সত্যের দাওয়াত তাঁরই জন্যে (তাঁরই দিকে) হবে। যারা তাঁকে ছাড়া অন্যদের ডাকে, তারা তাদের ডাকে কিছুমাত্র সাড়া দেয়না। তাদের উপমা হলো ঐ ব্যক্তি, যে তার দুই হাত প্রসারিত করেছে যেনো তার মুখে পানি পৌঁছে, অথচ তা তার মুখে পৌঁছার নয়। কাফিরদের আহবান একেবারেই নিষ্ফল।

মুহিউদ্দীন খান

সত্যের আহবান একমাত্র তাঁরই এবং তাকে ছাড়া যাদেরকে ডাকে, তারা তাদের কোন কাজে আসে না; ওদের দৃষ্টান্ত সেরূপ, যেমন কেউ দু’ হাত পানির দিকে প্রসারিত করে যাতে পানি তার মুখে পৌঁছে যায়। অথচ পানি কোন সময় পৌঁছাবে না। কাফেরদের যত আহবান তার সবই পথভ্রষ্টতা।

বাংলা উচ্চারণ

লাহূ দা'অতুল্ হাক্ব অল্লাযীনা ইয়াদ্'ঊনা মিন্ দূনিহী লা-ইয়াস্তাজ্বীবূনা লাহুম্ বিশাইয়িন্ ইল্লা-কাবা-সিত্বি কাফ্ফাইহি ইলাল্ মা-য়ি লিয়াব্লুগ ফা-হু অমা-হুওয়া বিবা-লিগিহ্ অমা-দু'আ-য়ুল্ কা-ফিরীনা ইল্লা-ফী দ্বোয়ালা-ল্।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারাই আছে, সবাই ইচ্ছায় হোক কিংবা অনিচ্ছায়, আল্লাহকে সাজদা করে এবং তাদের ছায়াগুলোও তাঁকে সাজদা করে সকালে এবং বিকেলে। (সাজদা)

মুহিউদ্দীন খান

আল্লাহকে সেজদা করে যা কিছু নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে আছে ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় এবং তাদের প্রতিচ্ছায়াও সকাল - সন্ধ্যায়।

বাংলা উচ্চারণ

অ লিল্লা-হি ইয়াস্জদু মান্ ফিস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বি ত্বোয়াওআঁও অর্কাহাঁও অ জিলা-লুহুম্ বিল্ গুদুওয়্যি অল্ আ-ছোয়া-ল্।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! তাদের জিজ্ঞেস করো: ‘মহাকাশ এবং পৃথিবীর রব কে?’ বলো: ‘’। বলো: তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন সব অলি গ্রহণ করেছো যারা তাদের নিজেদেরও লাভ কিংবা ক্ষতি করতে সক্ষম নয়? জিজ্ঞেস করো, অন্ধ আর চক্ষুষ্মান কি সমান? নাকি আলো আর অন্ধকার সমান? নাকি তারা যাদের আল্লাহর সাথে শরিক বানিয়েছে তারা আল্লাহর সৃষ্টির মতো সৃষ্টি করে যে কারণে সৃষ্টি তাদের কাছে সদৃশ মনে হয়? বলো: এক মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্ই সবকিছুর স্রষ্টা।

মুহিউদ্দীন খান

জিজ্ঞেস করুন নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের পালনকর্তা কে? বলে দিনঃ ! বলুনঃ তবে কি তোমরা ব্যতীত এমন অভিভাবক স্থির করেছ, যারা নিজেদের ভাল - মন্দের ও মালিক নয়? বলুনঃ অন্ধ চক্ষুষ্মান কি সমান হয়? অথবা কোথাও কি অন্ধকার ও আলো সমান হয়। তবে কি তারা আল্লাহর জন্য এমন অংশীদার স্থির করেছে যে, তারা কিছু সৃষ্টি করেছে, যেমন সৃষ্টি করেছেন ? অতঃপর তাদের সৃষ্টি এরূপ বিভ্রান্তি ঘটিয়েছে? বলুনঃ আল্লাহই প্রত্যেক বস্তুর স্রষ্টা এবং তিনি একক, পরাক্রমশালী।

বাংলা উচ্চারণ

ক্বুল্ র্মা রব্বুস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্ব্ ক্বুলিল্লা-হ্ ক্বুল্ আফাত্তাখায্তুম্ মিন্ দূনিহী য় আউলিয়া-য়া লা-ইয়াম্লিকূনা লিআন্ফুসিহিম্ নাফ্ 'আও অলা- দ্বোর্য়ার-ক্বুল্ হাল্ ইয়াস্তাওয়িল্ আ'মা-অল্ বাছীরু আম্ হাল্ তাস্তাওয়িজ্ জুলুমা-তু অন্নূরু আম্ জ্বা'আলূ লিল্লা-হি শুরাকা-য়া খলাক্বুকাখল্ক্বিহী ফাতাশা-বাহাল্ খল্ক্ব 'আইহিম্ ক্বুলিল্লা-হু খ-লিক্বু কুল্লি শাইয়িঁও অহুঅল্ ওয়া-হিদুল্ ক্বর্হ্হা।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনিই আসমান থেকে পানি বর্ষণ করেন, ফলে উপত্যকাসমূহ পরিমাণ মতো প্লাবিত হয়। আর প্লাবন তার উপরে আবর্জনা বহন করে বুদবুদ আকারে। এছাড়া তোমরা অলংকার কিংবা তৈজসপত্র তৈরির জন্যে যেসব ধাতু আগুনে বিগলিত করো সেগুলোর উপরিভাগেও অনুরূপ আবর্জনা ভেসে উঠে বুদ্বুদ আকারে। এভাবেই হক এবং বাতিলের উপমা দিয়ে থাকেন। অত:পর আবর্জনা সমেত বুদ্বুদ বিলীন হয়ে যায়, আর যা মানুষের জন্যে কল্যাণকর তা জমিনে জমে থাকে। এভাবেই উপমা দিয়ে থাকেন।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন। অতঃপর স্রোতধারা প্রবাহিত হতে থাকে নিজ নিজ পরিমাণ অনুযায়ী। অতঃপর স্রোতধারা স্ফীত ফেনারাশি উপরে নিয়ে আসে। এবং অলঙ্কার অথবা তৈজসপত্রের জন্যে যে বস্তুকে আগুনে উত্তপ্ত করে, তাতেও তেমনি ফেনারাশি থাকে। এমনি ভাবে সত্য ও অসত্যের দৃষ্টান্ত প্রদান করেন। অতএব, ফেনা তো শুকিয়ে খতম হয়ে যায় এবং যা মানুষের উপকারে আসে, তা জমিতে অবশিষ্ট থাকে। এমনিভাবে দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন।

বাংলা উচ্চারণ

আন্যালা মিনাস্সামা-য়ি মা-য়ান ফাসা-লাত্ আও দিয়াতুম্ বি ক্বদারিহা- ফাহতামালাস্ সাইলু যাবার্দা র-বিয়া- অমিম্মা-ইয়ূক্বিদূনা 'আলাইহি ফিন্না-রিব্ তিগ-য়া হিল্ইয়াতিন্ আও মাতা-'ইন্ যাবাদুম্ মিছ্লুহূ কাযা-লিকা ইয়াদ্রিবুল্লা-হুল্ হাক্বক্ব অল্ বা-ত্বিল্ ফাআম্মায্ যাবাদু ফাইয়ায্হাবু জ্বুফা-য়ান্ অআম্মা-মা-ইয়ান্ফা'উন্না-সা ফাইয়াম্কুছু ফিল্ র্আদ্ব্ কাযা-লিকা ইয়াদ্ব রিবুল্লা-হুল্ আম্ছা-ল্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের রবের আহবানে সাড়া দেয় তাদের জন্যে রয়েছে হুসনা (কল্যাণ)। আর যারা তাঁর আহবানে সাড়া দেয়না, পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই যদি তাদের থাকতো এবং সেই সাথে অনুরূপ আরো থাকতো, তারা (আল্লাহর আযাব থেকে বাঁচার জন্যে) মুক্তিপণ হিসেবে সেই সবই দিয়ে দিতো। তাদের জন্যে রয়েছে নিকৃষ্ট হিসাব এবং তাদের আবাস হবে জাহান্নাম। সেটা খুবই নিকৃষ্ট বিশ্রামের জায়গা।

মুহিউদ্দীন খান

যারা পালনকর্তার আদেশ পালন করে, তাদের জন্য উত্তম প্রতিদান রয়েছে এবং যারা আদেশ পালন করে না, যদি তাদের কাছে জগতের সবকিছু থাকে এবং তার সাথে তার সমপরিমাণ আরও থাকে, তবে সবই নিজেদের মুক্তিপণ স্বরূপ দিয়ে দেবে। তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর হিসাব। তাদের আবাস হবে জাহান্নাম। সেটা কতইনা নিকৃষ্ট অবস্থান।

বাংলা উচ্চারণ

লিল্লাযী নাস্ তাজ্বা-বূ লিরব্বী হিমুল্ হুস্না- অল্লাযীনা লাম্ ইাস্তাজ্বীবূ লাহূ লাও আন্না লাহুম্ মা-ফিল্ র্আদ্বি জ্বামীআঁও অমিছ্লাহূ মা'আহূ লাফ্তাদাঁও বিহ্ উলা-য়িকা লাহুম্ সূ-য়ুল্ হিসা-ব্ অমাওয়া-হুম্ জ্বাহান্নাম্ অবিসাল্ মিহা-দ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ব্যক্তি জানে তোমার প্রভুর নিকট থেকে তোমার কাছে মহাসত্য নাযিল হয়েছে, সে কি ঐ ব্যক্তির সমতুল্য, যে (এ ব্যাপারে) অন্ধ? অনুধাবন করে তো বোধশক্তি সম্পন্ন লোকেরাই,

মুহিউদ্দীন খান

যে ব্যক্তি জানে যে, যা কিছু পালনকর্তার পক্ষ থেকে আপনার প্রতি অবর্তীর্ণ হয়েছে তা সত্য সে কি ঐ ব্যক্তির সমান, যে অন্ধ? তারাই বোঝে, যারা বোধশক্তি সম্পন্ন।

বাংলা উচ্চারণ

আফা মাইঁ ইয়া'লামু আন্নামা য় উন্যিলা ইলাইকা র্মি রব্বিকাল্ হাক্ব্কু কামান্ হুঅ আ'মা- ইন্নামা-ইয়াতাযাক্কারু উলুল্ আল্বা-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা আল্লাহকে দেয়া অঙ্গীকার পূর্ণ করে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেনা,

মুহিউদ্দীন খান

এরা এমন লোক, যারা আল্লাহর প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করে এবং অঙ্গীকার ভঙ্গ করে না।

বাংলা উচ্চারণ

আল্লাযীনা ইয়ূফূনা বিআ'হ্দিল্লা-হি অলা-ইয়ান্কদ্বনাল্ মীছা-ক্ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা যেসব সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সেসব সম্পর্ক বজায় রাখে, তাদের প্রভুকে ভয় করে এবং ভীত থাকে কঠোর হিসাবের দিনের ব্যাপারে,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা বজায় রাখে ঐ সম্পর্ক, যা বজায় রাখতে আদেশ দিয়েছেন এবং স্বীয় পালনকর্তাকে ভয় করে এবং কঠোর হিসাবের আশঙ্কা রাখে।

বাংলা উচ্চারণ

অল্লাযীনা ইয়াছিলূনা মা য় আমারাল্লা-হু বিহী য় আইঁ ইয়ূছলা অ ইয়াখ্ শাওনা রব্বাহুম্ অ ইয়াখা-ফূনা সু-য়াল্ হিসা-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের প্রভুর সন্তুষ্টি লাভের লক্ষ্যে সবর অবলম্বন করে, কায়েম করে, আমাদের দেয়া জীবিকা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় (দান) করে এবং ভালো দিয়ে মন্দ দূর করে, তাদেরই জন্যে রয়েছে পরিণামের ঘর।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা স্বীয় পালনকর্তার সন্তুষ্টির জন্যে সবর করে, প্রতিষ্টা করে আর আমি তাদেরকে যা দিয়েছি, তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্য ব্যয় করে এবং যারা মন্দের বিপরীতে ভাল করে, তাদের জন্যে রয়েছে পরকালের গৃহ।

বাংলা উচ্চারণ

অ ল্লাযীনা ছোয়াবারুব্ তিগা-য়া অজ্ব হি রব্বিহিম্ অ আক্ব-মুছ্ ছলা-তা অআন্ফাক্বু মিম্মা- রযাক্বনা-হুম্ র্সিরাঁও অ'আলা-নিয়াতাঁও অইয়াদ্রয়ূনা বিল্ হাসানাতিস্ সাইয়িয়াতা উলা-য়িকা লাহুম্ 'উক্ববাদ্দার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

তা হলো চিরস্থায়ী জান্নাত, তাতেই তারা দাখিল হবে এবং তাদের বাবা - মা, স্বামী - স্ত্রী ও সন্তান - সন্ততিদের মধ্যে যারা নিজেদের এসলাহ (সংশোধন) করেছে তারাও। প্রত্যেক দরজা দিয়ে ফেরেশতারা তাদের কাছে দাখিল হবে।

মুহিউদ্দীন খান

তা হচ্ছে বসবাসের বাগান। তাতে তারা প্রবেশ করবে এবং তাদের সৎকর্মশীল বাপ - দাদা, স্বামী - স্ত্রী ও সন্তানেরা। ফেরেশতারা তাদের কাছে আসবে প্রত্যেক দরজা দিয়ে।

বাংলা উচ্চারণ

জান্না-তু 'আদ্নিই ইয়াদ্খুলূনাহা-অমান্ ছোয়ালাহা মিন্আ-বা-য়িহিম্ অ আয্ওয়া-জ্বিহিম্ অ র্যুরিয়্যা-তিহিম্ অল্ মালা-য়িকাতু ইয়াদ্খুলূনা 'আলাইহিম্ মিন্ কুল্লি বা-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলবে: ‘সালামুন আলাইকুম - আপনাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, আপনাদের সবর অবলম্বনের কারণে কতো উত্তম পরিণাম আপনাদের!’

মুহিউদ্দীন খান

বলবেঃ তোমাদের সবরের কারণে তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আর তোমাদের এ পরিণাম - গৃহ কতই না চমৎকার।

বাংলা উচ্চারণ

সালা-মুন্ 'আলাইকুম্ বিমা-ছোয়ার্বাতুম্ ফানি'মা 'উক্ববাদ্দার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

পক্ষান্তরে যারা আল্লাহর সাথে মজবুত অঙ্গীকার করার পর তা ভঙ্গ করে, যাদের সাথে সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সেসব সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং জমিনে বিপর্যয় সৃষ্টি করে বেড়ায়, তাদের প্রতি লানত এবং তাদের জন্যে রয়েছে নিকৃষ্ট আবাস।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা আল্লাহর অঙ্গীকারকে দৃঢ় ও পাকা - পোক্ত করার পর তা ভঙ্গ করে, যে, সম্পর্ক বজায় রাখতে আদেশ করেছেন, তা ছিন্ন করে এবং পৃথিবীতে অশান্তি সৃষ্টি করে, ওরা ঐ সমস্ত লোক যাদের জন্যে রয়েছে অভিসম্পাত এবং ওদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব।

বাংলা উচ্চারণ

অল্লাযীনা ইয়ান্কুদ্বুনা 'আহ্দাল্লা-হি মিম্ বা'দি মীছা-ক্বিহী অইয়াক্বত'¡ঊনা মা য় আমারল্লা-হু বিহী য় আঁই ইয়ূছলা অ ইয়ুফ্সিদূনা ফিল্ র্আদ্বি উলা-য়িকা লাহুমুল্লা'নাতু অলাহুম্ সূ-য়ুদ্দার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

যার জন্যে ইচ্ছে জীবিকা বিস্তৃত করে দেন এবং যাকে ইচ্ছা সীমিত করে দেন। তারা দুনিয়ার জীবন নিয়েই উৎফুল্ল, অথচ দুনিয়ার জীবন আখিরাতের তুলনায় একটি ক্ষণস্থায়ী ভোগের সময় মাত্র।

মুহিউদ্দীন খান

যার জন্যে ইচ্ছা রুযী প্রশস্ত করেন এবং সংকুচিত করেন। তারা পার্থিব জীবনের প্রতি মুগ্ধ। পার্থিবজীবন পরকালের সামনে অতি সামান্য সম্পদ বৈ নয়।

বাংলা উচ্চারণ

আল্লা-হু ইয়াবসুত্বর্ রিয্ক্ব লিমাইঁ ইয়াশা-য়ু অইয়াক্বর্ দি অফারিহূ বিল্ হাইয়া-তিদ্ দুন্ইয়া-অমাল্ হাইয়া-তুদ্দুন্ইয়া-ফিল্ আ-খিরতি ইল্লা-মাতা'।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: ‘তার প্রতি তার প্রভুর নিকট থেকে কোনো নিদর্শন নাযিল হলোনা কেন?’ তুমি বলো: ‘‘ যাকে ইচ্ছা বিপথগামী করে দেন। আর তাঁর দিকে পথ দেখান তাদেরকেই যারা তাঁর অভিমুখী হয়,

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা বলেঃ তাঁর প্রতি তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে কোন নিদর্শন কেন অবতীর্ণ হলো না? বলে দিন, যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যে, মনোনিবেশ করে, তাকে নিজের দিকে পথপ্রদর্শন করেন।

বাংলা উচ্চারণ

অইয়াক্বুলুল্লাযীনা কাফারূ লাওলা য় উন্যিলা 'আলাইহি আ-ইয়াতুম্ র্মি রব্বিহ্ ক্বুল্ ইন্নাল্লা-হা ইয়ুদিল্লু মাইঁ ইয়াশা-য়ু অইয়াহ্দী য় ইলাইহি মান্ আনা-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের কলব (অন্তর) প্রশান্তি লাভ করে।’’ জেনে রেখো, কেবল আল্লাহর স্মরণেই কলব প্রশান্তি লাভ করে থাকে।

মুহিউদ্দীন খান

যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর যিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়।

বাংলা উচ্চারণ

আল্লাযীনা আ-মানূ অতাত্বমায়িন্ন ক্বুলূবুহুম্ বিযিক্রিল্লা-হ্ আলা-বিযিক্রিল্লা-হি তাত্ব মায়িন্ন ল্ ক্বুলূব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, আনন্দ আর শুভ পরিণাম তাদেরই।

মুহিউদ্দীন খান

যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের জন্যে রয়েছে সুসংবাদ এবং মনোরম প্রত্যাবর্তণস্থল।

বাংলা উচ্চারণ

আল্লাযীনা আ-মানূ অ 'আমিলুছ্ ছোয়া-লিহাতি ত্বু বা-লাহুম্ অহুসনু মাআ-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

(পূর্বের রসূলদের মতো) একইভাবে আমরা তোমাকে পাঠিয়েছি একটি উম্মতের কাছে। তাদের আগেও অতীত হয়েছে অনেক উম্মত। উদ্দেশ্য হলো: তুমি তাদের প্রতি তিলাওয়াত করবে যা আমরা তোমার কাছে নাযিল করেছি অহির মাধ্যমে। অথচ তারা দয়াময় রহমানের প্রতি কুফুরি করছে। তুমি বলো: ‘তিনিই আমার রব, তিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ্ নেই, তাঁরই উপর আমি তাওয়াক্কুল করেছি এবং তাঁরই কাছে হবে আমার প্রত্যাবর্তন।’

মুহিউদ্দীন খান

এমনিভাবে আমি আপনাকে একটি উম্মতের মধ্যে প্রেরণ করেছি। তাদের পূর্বে অনেক উম্মত অতিক্রান্ত হয়েছে। যাতে আপনি তাদেরকে ঐ নির্দেশ শুনিয়ে দেন, যা আমি আপনার কাছে প্রেরণ করেছি। তথাপি তারা দয়াময়কে অস্বীকার করে। বলুনঃ তিনিই আমার পালনকর্তা। তিনি ব্যতীত কারও উপাসনা নাই। আমি তাঁর উপরই ভরসা করেছি এবং তাঁর দিকেই আমার প্রত্যাবর্তণ।

বাংলা উচ্চারণ

কাযা-লিকা র্আসাল্না-কা ফী য় উম্মাতিন্ ক্বদ্ খলাত্ মিন্ ক্বব্লিহা য় উমামুল্ লিতাত্লুওয়া- 'আলাইহিমুল্লাযী য় আওহাইনা য় ইলাইকা অহুম্ ইয়াক্ফুরূনা র্বিরহ্মা-ন্ ক্বুল্ হুঅ রব্বী লা য় ইলা-হা ইল্লা- হুঅ 'আলাইহি তাওয়াক্কাল্তু অ ইলাইহি মাতা-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি এমন কোনো কুরআন হতো যার স্পর্শে পর্বতমালা চলতো, কিংবা পৃথিবীকে বিদীর্ণ করা যেতো, অথবা তাতে মৃতদের সাথে কথা বলা যেতো (তবু তারা সেই কুরআনের প্রতি ঈমান আনতো না)। বরং সমস্ত কর্তৃত্ব আল্লাহর। যারা ঈমান এনেছে এখনো কি তাদের হতাশা কাটেনি যে, চাইলে সমস্ত মানুষকেই হিদায়াত করতে পারতেন? যারা কুফুরি করেছে তাদের কর্মকান্ডের জন্যে তাদের উপর আপদ আসতেই থাকবে। অথবা আপদ তাদের ঘরের আশে পাশেই ঘটতে থাকবে, যতোক্ষণ না আল্লাহর ওয়াদা (করা সময়টি) এসে পড়বে। কখনো ওয়াদা খেলাফ করেন না।

মুহিউদ্দীন খান

যদি কোন কোরআন এমন হত, যার সাহায্যে পাহাড় চলমান হয় অথবা যমীন খন্ডিত হয় অথবা মৃতরা কথা বলে, তবে কি হত? বরং সব কাজ তো আল্লাহর হাতে। ঈমানদাররা কি এ ব্যাপারে নিশ্চিত নয় যে, যদি চাইতেন, তবে সব মানুষকে সৎপথে পরিচালিত করতেন? কাফেররা তাদের কৃতকর্মের কারণে সব সময় আঘাত পেতে থাকবে অথবা তাদের গৃহের নিকটবর্তী স্থানে আঘাত নেমে আসবে, যে, পর্যন্ত আল্লাহর ওয়াদা না আসে। নিশ্চয় ওয়াদার খেলাফ করেন না।

বাংলা উচ্চারণ

অলাও আন্না ক্বর্আ-নান্ সুইয়্যিরাত্ বিহিল্ জ্বিবালু আও ক্বুত্ত্বিআ'ত্ বিহিল্ র্আদ্বু আও কুল্লিমা বিহিল্ মাওতা- বাল্ লিল্লা-হিল্ আম্রু জ্বামী'আ- আফালাম্ ইয়াইয়াসিল্লাযীনা আ-মানূ য় আল্লাও ইয়াশা-য়ুল্লা-হু লাহাদান না-সা জ্বামীআ'- অলা-ইয়াযা-লুল্লাযীনা কাফারূ তুছীবুহুম্ বিমা-ছোয়ানা'ঊক্ব-রি'আতুন্ আও তাহুল্ল ক্বরীবাম্ মিন্ দা-রিহিম্ হাত্তা-ইয়াতিয়া ওয়া'দুল্লা-হ্ ইন্নাল্লা-হা লা-ইয়ুখ্লিফুল্ মী'আ-দ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আগেকার বহু রসূলকেই বিদ্রূপ করা হয়েছিল। ফলে যারা কুফুরি করেছিল, আমরা তাদেরকে কিছুটা অবকাশ দিয়েছিলাম, অত:পর তাদের পাকড়াও করেছি। কেমন ছিলো আমার শাস্তি?

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পূর্বে কত রাসূলের সাথে ঠাট্টা করা হয়েছে। অতঃপর আমি কাফেরদেরকে কিছু অবকাশ দিয়েছি। , এর পর তাদেরকে পাকড়াও করেছি। অতএব কেমন ছিল আমার শাস্তি।

বাংলা উচ্চারণ

অ লাক্বদিস্ তুহ্যিয়া বিরুসুলিম্ মিন্ ক্বব্লিকা ফাআম্লাইতু লিল্লাযীনা কাফারূ ছুম্মা আখায্তুহুম্ ফাকাইফা কা-না ই'ক্ব -ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে কি প্রতিটি মানুষ যা উপার্জন (আমল) করে, যিনি তার পর্যবেক্ষক, তিনি তাদের অক্ষম ইলাহ্গুলোর মতো? তারপরও তারা আল্লাহর সাথে শরিক বানিয়ে নিয়েছে। বলো: ‘তাদের পরিচয় দাও।’ তোমরা কি পৃথিবীর মধ্যে তাঁকে এমন কিছুর সংবাদ দিতে চাও, যা তিনি জানেন না? নাকি তা বাহ্যিক কথা মাত্র? বরং কাফিরদের কাছে তাদের চক্রান্তগুলোকে শোভনীয় করে দেয়া হয়েছে এবং তাদেরকে বাধা দেয়া হয়েছে সঠিক পথ থেকে। আর যাদের বিপথগামী করে দেন, তাদের কোনো হাদি (সঠিক পথ প্রদর্শক) নেই।

মুহিউদ্দীন খান

ওরা প্রত্যেকেই কি মাথার উপর স্ব স্ব কৃতকর্ম নিয়ে দন্ডায়মান নয়? এবং তারা আল্লাহর জন্য অংশীদার সাব্যস্ত করে। বলুন; নাম বল অথবা খবর দাও পৃথিবীর এমন কিছু জিনিস সম্পর্কে যা তিনি জানেন না? অথবা অসার কথাবার্তা বলছ? বরং সুশোভিত করা হয়েছে কাফেরদের জন্যে তাদের প্রতারণাকে এবং তাদেরকে সৎপথ থেকে বাধা দান করা হয়েছে। যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার কোন পথ প্রদর্শক নেই।

বাংলা উচ্চারণ

আফামান্ হুঅ ক্ব-য়িমুন্ 'আলা-কুল্লি নাফ্সিম্ বিমা-ক্বসাবাত্ অজ্বা'আলূ লিল্লা-হি শুরাকা-য়া ক্বুল্ সাম্ম হুম্ আম্ তুনাব্বিয়ূনাহূ বিমা-লা-ইয়া'লামু ফিল্ র্আদ্বি আম্ বিজোয়া-হিরিম্ মিনাল্ ক্বওল্ বাল্ যুইয়্যিনা লিল্লাযীনা কাফারূ মাক্রুহুম্ অছুদ্দূ 'আনিস্ সাবীল্ অমাইঁ ইয়ুদ্লিলিল্লা-হু ফামা-লাহূ মিন্ হা-দ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

দুনিয়ার জীবনেও তাদের জন্যে রয়েছে আযাব, আর আখিরাতের আযাব তো আরো কঠোর। আল্লাহর আযাব থেকে বাঁচানোর জন্যে তাদের কোনো রক্ষাকারী নেই।

মুহিউদ্দীন খান

দুনিয়ার জীবনেই এদের জন্য রয়েছে আযাব এবং অতি অবশ্য আখেরাতের জীবন কঠোরতম। আল্লাহর কবল থেকে তাদের কোন রক্ষাকারী নেই।

বাংলা উচ্চারণ

লাহুম্ 'আযা-বুন্ ফিল্ হাইয়া-তিদ্ দুনইয়া-অলা 'আযা-বুল্ আ-খিরতি আশাক্বক্বু অমা-লাহুম্ মিনাল্লা-হি মিঁও ওয়া-ক্ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুত্তাকিদের যে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে তার উপমা হলো এরকম, যেমন তার নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদী - নহর, তার ফলন ও ছায়া হবে চিরস্থায়ী। এটাই মুত্তাকিদের (শুভ) পরিণাম। আর কাফিরদের পরিণাম হলো জাহান্নাম।

মুহিউদ্দীন খান

পরহেযগারদের জন্যে প্রতিশ্রুত জান্নাতের অবস্থা এই যে, তার নিম্নে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হয়। তার ফলসমূহ চিরস্থায়ী এবং ছায়াও। এটা তাদের প্রতিদান, যারা সাবধান হয়েছে এবং কাফেরদের প্রতিফল অগ্নি।

বাংলা উচ্চারণ

মাছালুল্ জান্নাতি ল্লাতী উ'ইদাল্ মুত্তাক্বুন্ তাজ্ব রী মিন্ তাহ্তিহাল্ আনহার্- উকুলুহা-দা-য়িমুওঁ অজিল্লুহা- তিল্কা 'উক্ববাল্ লাযীনাত্তাক্বও অ'উক্ববাল্ কা-ফিরীনান্ নার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদেরকে আমরা কিতাব দিয়েছি, তোমার প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে তাতে তারা আনন্দ পায়। কিন্তু কোনো কোনো দল সেটার কিছু কিছু অংশ অস্বীকার করে। বলো: ‘আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আমি যেনো এক আল্লাহর ইবাদত করি এবং তাঁর সাথে কাউকেও শরিক না করি। আমি তাঁরই দিকে আহবান জানাই এবং তাঁরই কাছে হবে আমার প্রত্যাবর্তন।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যাদেরকে আমি গ্রন্থ দিয়েছি, তারা আপনার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে, তজ্জন্যে আনন্দিত হয় এবং কোন কোন দল এর কোন কোন বিষয় অস্বীকার করে। বলুন, আমাকে এরূপ আদেশই দেয়া হয়েছে যে, আমি আল্লাহর এবাদত করি। এবং তাঁর সাথে অংশীদার না করি। আমি তাঁর দিকেই দাওয়াত দেই এবং তাঁর কাছেই আমার প্রত্যাবর্তন।

বাংলা উচ্চারণ

অল্লাযীনা আ-তাইনা-হুমুল্ কিতা-বা ইয়াফ্রাহূনা বিমা য় উন্যিলা ইলাইকা অ মিনাল্ আহ্যা-বি মাইঁ ইয়ুন্কিরু বা'দ্বোয়াহ্ ক্বুল্ ইন্নামা য় উর্মিতু আন্ আ'বুদাল্লা-হা অলা য় উশ্রিকা বিহী ইলাইহি আদ্'ঊঅইলাইহি মাআ-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা সেটিকে নাযিল করেছি একটি বিধান হিসাবে আরবি ভাষায়। তোমার কাছে এলেম আসার পর তুমি যদি তাদের ইচ্ছা বাসনার ইত্তেবা (অনুসরণ) করো, তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার কোনো অভিভাবক এবং রক্ষাকারী থাকবে না।

মুহিউদ্দীন খান

এমনিভাবেই আমি এ কোরআনকে আরবী ভাষায় নির্দেশরূপে অবতীর্ণ করেছি। যদি আপনি তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করেন আপনার কাছে জ্ঞান পৌঁছার পর, তবে আল্লাহর কবল থেকে আপনার না কোন সাহায্যকারী আছে এবং না কোন রক্ষাকারী।

বাংলা উচ্চারণ

অ কাযা-লিকা আন্যাল্না-হু হুক্মান্ 'আরাবিয়্যা- অ লায়িনিত্তাবা'তা আহ্ওয়া য় হুম্ বা'দা মা-জ্বা-কা মিনাল্ 'ইল্মি মা-লাকা মিনাল্লা-হি মিঁও অলিয়্যিঁও অলা-ওয়া-ক্ব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমার আগেও আমরা বহু রসূল পাঠিয়েছিলাম এবং তাদেরও দিয়েছিলাম স্ত্রী এবং সন্তান - সন্ততি। আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো নিদর্শন উপস্থিত করা কোনো রসূলের কাজ নয়। প্রত্যেক বিষয়েরই নির্ধারিত মেয়াদ লেখা রয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

আপনার পূর্বে আমি অনেক রসূল প্রেরণ করেছি এবং তাঁদেরকে পত্নী ও সন্তান - সন্ততি দিয়েছি। কোন রসূলের এমন সাধ্য ছিল না যে আল্লাহর নির্দেশ ছাড়া কোন নিদর্শন উপস্থিত করে। প্রত্যেকটি ওয়াদা লিখিত আছে।

বাংলা উচ্চারণ

অ লাক্বদ্ র্আসালনা- রুসুলাম্ মিন্ ক্বব্লিকা অজ্বা'আল্না-লাহুম্ আয্ওয়া-জ্বাঁও অর্যুরিয়্যাহ্অমা-কা-না লি রসূলিন্ আইঁ ইয়াতিয়া বিআ-ইয়াতিন্ ইল্লা-বিইয্নিল্লা-হ্ লিকুল্লি আজ্বালিন্ কিতা-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যা ইচ্ছা করেন তা মুছে দেন এবং যা ইচ্ছা করেন তা প্রতিষ্ঠিত রাখেন। আর তাঁর কাছেই রয়েছে ‘উম্মুল কিতাব’ (মূল কিতাব, Mother Book)।

মুহিউদ্দীন খান

যা ইচ্ছা মিটিয়ে দেন এবং বহাল রাখেন এবং মূলগ্রন্থ তাঁর কাছেই রয়েছে।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়াম্হুল্লা-হু মা-ইয়াশা-য়ু অ ইয়ুছ্বিতু অ 'ইন্দাহূ য় উম্মুল কিতা-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মুহাম্মদ!) তাদেরকে আমরা যে শাস্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তার কিছুটা যদি তোমার জীবদ্দশাতেই তোমাকে দেখাই, কিংবা যদি তার আগেই তোমার ওফাত ঘটিয়ে দেই (তাতে কিছু যায় আসেনা, সর্বাবস্থায়ই) তোমার দায়িত্ব তো কেবল (বার্তা) পৌঁছে দেয়া, আর আমাদের দায়িত্ব হিসাব নেয়া।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাদের সাথে যে ওয়াদা করেছি, তার কোন একটি যদি আপনাকে দেখিয়ে দেই কিংবা আপনাকে উঠিয়ে নেই, তাতে কি আপনার দায়িত্ব তো পৌছে দেয়া এবং আমার দায়িত্ব হিসাব নেয়া।

বাংলা উচ্চারণ

অ ইঁম্মা-নুরিইয়ান্নাকা বা'দ্বোয়াল্লাযী না'ইদুহুম্ আও নাতাওয়াফ্ফাইয়ান্নাকা ফাইন্নামা-'আলাইকাল্ বালা-গু অ'আলাইনাল্ হিসা-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কি দেখেনা, আমরা তাদের ভূ - খন্ডকে চারদিক থেকে সংকুচিত করে আনছি? ফায়সালা তো করেন । তাঁর ফায়সালা রদ করার কেউ নেই। তিনি হিসাব গ্রহণে দ্রুত।

মুহিউদ্দীন খান

তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক থেকে সমানে সঙ্কুচিত করে আসছি? নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশকে পশ্চাতে নিক্ষেপকারী কেউ নেই। তিনি দ্রুত হিসাব গ্রহণ করেন।

বাংলা উচ্চারণ

আঅলাম্ ইয়ারাও আন্না- নাতিল্ র্আদ্বোয়া নান্ক্ব ুছুহা-মিন্ আত্ব ্র-ফিহা- অল্লা-হু ইয়াহ্কুমু লা-মু'আক্বক্বিবা লিহুক্মিহ্ অ হুঅ সারীউল্ হিসা-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের পূর্বেকার কাফিররাও (রসূলদের বিরুদ্ধে) ষড়যন্ত্র করেছিল। অথচ সব চক্রান্ত আল্লাহর এখতিয়ারে। প্রতিটি মানুষ যা কামাই করে, তা জানেন। অচিরেই কাফিররা জানতে পারবে শুভ পরিণামের ঘর কার?

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পূর্বে যারা ছিল, তারা চক্রান্ত করেছে। আর সকল চক্রান্ত তো আল্লাহর হাতেই আছে। তিনি জানেন প্রত্যেক ব্যক্তি যা কিছু করে। কাফেররা জেনে নেবে যে, পর জীবনের আবাসস্থল কাদের জন্য রয়েছে।

বাংলা উচ্চারণ

অ ক্বদ্ মাকারল্লাযীনা মিন্ ক্বব্লিহিম্ ফালিল্লা-হিল্ মাক্রু জ্বামী'আ ইয়া'লামু মা- তাক্সিবু কুল্লু নাফ্স্ অ সাইয়া'লামুল্ কুফ্ফা-রু লিমান্ 'উক্ববা দ্দার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা বলে: তুমি আল্লাহর প্রেরিত রসূল নও। তুমি বলো: ‘আল্লাহ্ই আমার এবং তোমাদের মাঝে সাক্ষী হিসাবে যথেষ্ট, আর যাদের কাছে কিতাবের জ্ঞান আছে তারা।’

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা বলেঃ আপনি প্রেরিত ব্যক্তি নন। বলে দিন, আমার ও তোমাদের মধ্যে প্রকৃষ্ট সাক্ষী হচ্ছেন এবং ঐ ব্যক্তি, যার কাছে গ্রন্থের জ্ঞান আছে।

বাংলা উচ্চারণ

অইয়াক্বুলু ল্লাযীনা কাফারূ লাস্তা র্মুসালা ক্বুল্ কাফা-বিল্লা-হি শাহীদাম্ বাইনী-অবাইনাকুম্ অমান্ 'ইন্দাহূ 'ইল্মুল্ কিতা-ব্।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme