Kitab

ইবরাহিম

Chapter 14, 52 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • বাংলা উচ্চারণ
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৫২, রুকু সংখ্যা: ০৭

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-০৩কুরআন নাযিলের উদ্দেশ্য। ০৪প্রত্যেক রসূলকে নিজ জাতির ভাষায় দাওয়াত দিতে পাঠানো হয়েছে। ০৫-০৮মূসাকেও একই উদ্দেশ্যে আল্লাহর আয়াত দিয়ে পাঠানো হয়েছিল। ০৯-১৭অতীত রসূলগণের দাওয়াত এবং তাদের জাতির কুফুরি। রসূলগণের দৃঢ়তা এবং কাফিরদের অশুভ পরিণতি। ১৮-২১কাফিরদের কর্মকান্ডের উপমা। পরকালে দুর্বল ও শক্তিমানদের বিতর্ক। ২২বিচার ফায়সালার পর হাশর ময়দানে শয়তানের বক্তৃতা। ২৩-৩৪মুমিনদের শুভ পরিণতি। সত্যবাণী ও মিথ্যা কথার উপমা। বাতিলপন্থীদের পরিণতি। মানুষের প্রতি আল্লাহর সীমাহীন অনুগ্রহ। ৩৫-৪১মূর্তি ও ভাস্কর্য পূজারীদের বিরুদ্ধে ইবরাহিমের আ. প্রার্থনা। ইবরাহিমের সন্তানদের একটি অংশকে মক্কায় প্রতিষ্ঠা এবং এর কারণ। ৪২-৫২মানুষকে কিয়ামতের ব্যাপারে সতর্ক করার নির্দেশ। ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরা ব্যর্থ হয়ে যাবে। কিয়ামতের দিন এই পৃথিবীকে নতুন রূপে গড়া হবে। সেদিন অপরাধীরা থাকবে শৃঙ্খলবদ্ধ।
আবদুস শহীদ নাসিম

আলিফ লাম রা। এই কিতাব আমরা তোমার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে করে তুমি মানব সমাজকে বের করে আনো অন্ধকাররাশি থেকে আলোতে, তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে মহাপরাক্রমশালী সপ্রশংসিত আল্লাহর পথে।

মুহিউদ্দীন খান

আলিফ - লাম - রা; এটি একটি গ্রন্থ, যা আমি আপনার প্রতি নাযিল করেছি - যাতে আপনি মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন - পরাক্রান্ত, প্রশংসার যোগ্য পালনকর্তার নির্দেশে তাঁরই পথের দিকে।

বাংলা উচ্চারণ

বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম আলিফ্ লা-ম্ র-কিতা-বুন্ আন্যালনা-হু ইলাইকা লিতুখ্রিজ্বান্না-সা মিনাজ্ জুলুমা-তি ইলান্ নূরি বিইয্নি রব্বিহিম্ ইলা-সিরাত্বিল্ 'আযীযিল্ হামীদ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

, মহাকাশ এবং এই পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই তাঁর। আর কাফিরদের জন্যে রয়েছে কঠোর আযাবের দুর্ভোগ।

মুহিউদ্দীন খান

তিনি ; যিনি নভোমন্ডল ও ভূ - মন্ডলের সবকিছুর মালিক। কাফেরদের জন্যে বিপদ রয়েছে, কঠোর আযাব;

বাংলা উচ্চারণ

আল্লা-হিল্লাযী লাহূ মা-ফিস্ সামা-ওয়া-তি অমা-ফিল্ র্আদ্ব্ অ ওয়াইলুল্লিল্ কা-ফিরীনা মিন্ 'আযা-বিন্ শাদীদ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা দুনিয়ার জীবনকে বেশি মহববত করে আখিরাতের চাইতে, আর আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে এবং তাতে সন্ধান করে বক্রতার, তারা বিপথে চলে গেছে বহুদূর।

মুহিউদ্দীন খান

যারা পরকালের চাইতে পার্থিব জীবনকে পছন্দ করে; আল্লাহর পথে বাধা দান করে এবং তাতে বক্রতা অন্বেষণ করে, তারা পথ ভুলে দূরে পড়ে আছে।

বাংলা উচ্চারণ

আল্লাযীনা ইয়াস্তাহিব্বূনাল্ হা ইয়া-তাদ্ দুন্ইয়া-'আলাল্ আ-খিরতি অইয়াছুদ্দূনা 'আন্ সাবীলিল্লা-হি অ ইয়াব্গূনাহা-'ইওয়াজ্বা- উলা-য়িকা ফি দ্বোয়ালা-লিম্ বা'ঈদ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা একজন রসূলও পাঠাইনি তার স্বজাতির ভাষায় ছাড়া, যাতে করে সে তাদেরকে স্পষ্ট করে বার্তা পৌঁছাতে পারে। তারপর যাকে চান বিপথগামী করে দেন আর যাকে চান সঠিক পথে পরিচালিত করেন। তিনি দুর্জয় ক্ষমতাবান মহাজ্ঞানী।

মুহিউদ্দীন খান

আমি সব পয়গম্বরকেই তাদের স্বজাতির ভাষাভাষী করেই প্রেরণ করেছি, যাতে তাদেরকে পরিষ্কার বোঝাতে পারে। অতঃপর যাকে ইচ্ছা, পথঃভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথ প্রদর্শন করেন। তিনি পরাক্রান্ত, প্রজ্ঞাময়।

বাংলা উচ্চারণ

অমা য় র্আসালন্ র্মি রসূলিন্ ইল্লা-বিলিসা-নি ক্বওমিহী লিইয়ুবাইয়্যিনা লাহুম্ ফাইয়ুদ্বিল্লুল্লা-হু মাইঁ ইয়াশা-য়ু অ ইয়াহ্দী মাইঁ ইয়াশা-য়্ অ হুওয়াল্ 'আযীযুল্ হাক্বীম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা আমাদের এক গুচ্ছ নিদর্শনসহ মূসাকে পাঠিয়েছিলাম এই নির্দেশ দিয়ে: ‘তুমি তোমার কওমকে অন্ধকাররাশি থেকে আলোতে বের করে আনো আর তাদেরকে আল্লাহর দিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দিতে থাকো। এতে পরম ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ লোকদের জন্যে রয়েছে নিদর্শন।’

মুহিউদ্দীন খান

আমি মূসাকে নিদর্শনাবলী সহ প্রেরণ করেছিলাম যে, স্বজাতিকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে আনয়ন এবং তাদেরকে আল্লাহর দিনসমূহ স্মরণ করান। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।

বাংলা উচ্চারণ

অলাক্বদ্ র্আসালনা-মূসা বিআ-ইয়া-তিনা য় আন্ আখ্রিজ্ব ক্বওমাকা মিনাজ্জুলুমা-তি ইলার্ন্নূ অযার্ক্কিহুম্ বিআইয়্যা-মিল্লা-হ্ ইন্না ফী যা-লিকা লা আ-ইয়া-তিল্ লিকুল্লি ছোয়াব্বা-রিন্ শার্কূ।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, মূসা তার কওমকে বলেছিল: ‘‘তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহের কথা স্মরণ করো যখন তিনি তোমাদের নাজাত দিয়েছিলেন ফেরাউন গোষ্ঠীর কবল থেকে। তারা তোমাদের দিয়েছিল নিকৃষ্ট ধরনের আযাব। তারা যবাই করছিল তোমাদের পুত্র সন্তানদের আর জীবিত রাখছিল তোমাদের নারীদের। এতে তোমাদের প্রভুর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে ছিলো এক বিরাট পরীক্ষা।

মুহিউদ্দীন খান

যখন মূসা স্বজাতিকে বললেনঃ তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর যখন তিনি তোমাদেরকে ফেরাউনের সম্প্রদায়ের কবল থেকে মুক্তি দেন। তারা তোমাদেরকে অত্যন্ত নিকৃষ্ট ধরনের শাস্তি দিত, তোমাদের ছেলেদেরকে হত্যা করত এবং তোমাদের মেয়েদেরকে জীবিত রাখত। এবং এতে তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে বিরাট পরীক্ষা হয়েছিল।

বাংলা উচ্চারণ

অইয্ ক্ব-লা মূসা- লিক্বওমিহিয্ কুরূনি'মাতাল্লা-হি 'আলাইকুম্ ইয্ আন্জ্বা-কুম্ মিন্ আ-লি ফির'আউনা ইয়াসূমূ নাকুম্ সূ-য়াল্ 'আযা-বি অ ইয়ুযাব্বিহূনা আব্না-য়াকুম্ অনিসা য় য়াকুম্ অ ইয়াস্তাহ্ইয়ূনা ফী যা-লিকুম্ বালায়ুম্ র্মি রব্বিকুম্ 'আজীম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, তোমাদের প্রভু তোমাদের জানিয়ে দিয়েছিলেন, তোমরা যদি শোকর গুজারি করো তাহলে আমি তোমাদের আরো বেশি করে দেবো, আর যদি অকৃতজ্ঞ হও, তবে আমার আযাব অবশ্যি কঠোর।’’

মুহিউদ্দীন খান

যখন তোমাদের পালনকর্তা ঘোষণা করলেন যে, যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর, তবে তোমাদেরকে আরও দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর।

বাংলা উচ্চারণ

অইয্ তায়ায্যানা রব্বুকুম্ লায়িন্ শার্কাতুম্ লাআযীদান্নাকুম্ অলায়িন্ কার্ফাতুম্ ইন্না 'আযা-বী লাশাদীদ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

মূসা আরো বলেছিল: ‘তোমরা এবং পৃথিবীর সবাইও যদি আল্লাহর প্রতি অকৃতজ্ঞ হও, তবু সবার থেকে প্রয়োজনমুক্ত স্বয়ম্ভর সপ্রশংসিত।

মুহিউদ্দীন খান

এবং মূসা বললেনঃ তোমরা এবং পৃথিবীর সবাই যদি কর, তথাপি অমুখাপেক্ষী, যাবতীয় গুনের আধার।

বাংলা উচ্চারণ

অক্ব-লা মূসা য় ইন্ তাক্ফুরূয় আন্তুম্ অ মান্ ফিল্ র্আদ্বি জ্বামী'আন্ ফাইন্নাল্লা-হা লাগনিয়্যুন্ হামীদ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের কাছে কি তোমাদের আগেকার লোকদের সংবাদ আসেনি, নূহের জাতি, আদ জাতি ও সামুদ জাতির সংবাদ? আর তাদের পরবর্তীদের সংবাদ? তাদের বিষয়ে ছাড়া আর কেউ জানেন না। তাদের কাছে তাদের রসূলরা এসেছিল সুস্পষ্ট নিদর্শন নিয়ে, কিন্তু তারা তাদের হাত তাদের মুখে চেপে ধরেছিল এবং বলেছিল: ‘তোমরা যা নিয়ে প্রেরিত হয়েছো তার প্রতি আমরা কুফুরি করলাম। তোমরা যার প্রতি আমাদের ডাকছো সে বিষয়ে বিভ্রান্তিকর সন্দেহের মধ্যে আমরা রয়েছি।’

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের কাছে কি তোমাদের পূর্ববর্তী কওমে নূহ, আদ ও সামুদের এবং তাদের পরবর্তীদের খবর পৌছেনি? তাদের বিষয়ে ছাড়া আর কেউ জানে না। তাদের কাছে তাদের পয়গম্বর প্রমানাদি নিয়ে আগমন করেন। অতঃপর তারা নিজেদের হাত নিজেদের মুখে রেখে দিয়েছে এবং বলেছে, যা কিছু সহ তোমাদেরকে প্রেরণ করা হয়েছে, আমরা তা মানি না এবং যে পথের দিকে তোমরা আমাদেরকে দাওয়াত দাও, সে সম্পর্কে আমাদের মনে সন্দেহ আছে, যা আমাদেরকে উৎকন্ঠায় ফেলে রেখেছে।

বাংলা উচ্চারণ

আলাম্ ইয়াতিকুম্ নাবায়ুল্লাযীনা মিন্ ক্বব্লিকুম্ ক্বওমি নূ-হিঁও অ'আ-দিঁও অছামূদ্ অল্লাযীনা মিম্ বা'দিহিম্ লা- য়া'লামুহুম্ ইল্লাল্লা-হ্ জ্বা-য়াত্হুম রুসুলুহুম্ বিল্বাইয়্যিনা-তি ফারাদ্দূ য় আইদিয়াহুম্ ফী য় আফ্ওয়া-হিহিম্ অক্ব-লূ য় ইন্না-কার্ফানা- বিমা য় উরসিল্তুম্ বিহী অইন্না-লাফী শাক্কিম্ মিম্মা- তাদ্'ঊনানা য় ইলাইহি মুরীব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের রসূলরা বলেছিল: ‘আল্লাহর সম্পর্কে তোমাদের সন্দেহ? অথচ তিনিই মহাকাশ ও পৃথিবীর স্রষ্টা। তিনি তোমাদের পাপ ক্ষমা করে দেয়ার উদ্দেশ্যে তোমাদের ডাকছেন আর একটা নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত তোমাদের অবকাশ দেয়ার জন্যে।’ তারা বলেছিল: ‘তোমরা তো আমাদের মতোই মানুষ। তোমরা তো চাইছো, আমাদের পূর্ব পুরুষরা যে সবের ইবাদত করতো আমাদেরকে সেগুলো থেকে বাধা দিতে। তোমরা আমাদেরকে সুস্পষ্ট প্রমাণ দেখাও।’

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পয়গম্বরগণ বলেছিলেনঃ সম্পর্কে কি সন্দেহ আছে, যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের স্রষ্টা? তিনি তোমাদেরকে আহবান করেন যাতে তোমাদের কিছু গুনাহ ক্ষমা করেন এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তোমাদের সময় দেন। তারা বলতঃ তোমরা তো আমাদের মতই মানুষ! তোমরা আমাদেরকে ঐ উপাস্য থেকে বিরত রাখতে চাও, যার এবাদত আমাদের পিতৃপুরুষগণ করত। অতএব তোমরা কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ আনয়ন কর।

বাংলা উচ্চারণ

ক্ব-লাত্ রুসুলুম্ আফিল্লা-হি শাক্কুন্ ফাত্বিরিস্ সামা-ওয়া-তি অল্ আরদ্বি ইয়াদ'ঊকুম্ লিইয়াগ্ফিরলাকুম্ মিন যুনূবিকুম্ অইউআখ্খিরকুম্ ইলা য় আজ্বালিম্ মুসাম্মান্ ক্বলূ য় ইন্ আন্তুম্ ইল্লা-বাশারুম্ মিছ্লুনা- তুরীদূনা আন্ তাছুদ্দূনা 'আম্মা- কা-না ইয়া'বুদূ আ-বা-য়ুনা-ফাতূনা-বিসুল্ত্বোয়া-নিম্ মুবীন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের রসূলরা তাদের বলেছিল: ‘‘আমরা অবশ্যি তোমাদের মতো মানুষ, কিন্তু তাঁর বান্দাদের যাকে চান, তার প্রতি অনুগ্রহ করেন। আল্লাহর অনুমতি ছাড়া তোমাদের কাছে কোনো প্রমাণ নিয়ে আসা আমাদের কাজ নয়। মুমিনরা আল্লাহর উপরই ভরসা করে।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পয়গম্বর তাদেরকে বলেনঃ আমারাও তোমাদের মত মানুষ, কিন্তু বান্দাদের মধ্য থেকে যার উপরে ইচ্ছা, অনুগ্রহ করেন। আল্লাহর নির্দেশ ব্যতীত তোমাদের কাছে প্রমাণ নিয়ে আসা আমাদের কাজ নয়; ঈমানদারদের আল্লাহর উপর ভরসা করা চাই।

বাংলা উচ্চারণ

ক্ব-লাত্ লাহুম্ রুসুলুহুম্ ইন্ নাহ্নু ইল্লা-বাশারুম্ মিছ্লুকুম্ অ লা-কিন্নাল্লা-হা ইয়ামুন্নু 'আলা-মাইঁ ইয়াশা-য়ু মিন্ 'ইবা-দিহ্ অমা-কা-না লানা য় আন্ নাতিয়াকুম্ বিসুল্ত্বোয়া-নিন্ ইল্লা- বিইয্নিল্লা-হ্ অ'আলাল্লা-হি ফাল্ইয়াতাওয়াক্কালিল্ মুমিনূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কেন আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করবো না, অথচ তিনিই তো আমাদেরকে সঠিক পথের সন্ধান দিয়েছেন? তোমরা আমাদের যতো কষ্টই দাও না কেন, আমরা অবশ্যি অটল - সহনশীল থাকবো। যারা নির্ভর করে তারা আল্লাহর উপর নির্ভর করুক।’’

মুহিউদ্দীন খান

আমাদের আল্লাহর উপর ভরসা না করার কি কারণ থাকতে পারে, অথচ তিনি আমাদেরকে আমাদের পথ বলে দিয়েছেন। তোমরা আমাদেরকে যে পীড়ন করেছ, তজ্জন্যে আমরা সবর করব। ভরসাকারিগণের আল্লাহর উপরই ভরসা করা উচিত।

বাংলা উচ্চারণ

অমা-লানা য় আল্লা-নাতাওয়াক্কালা 'আলাল্লা-হি অক্বদ্ হাদা-না-সুবুলানা- অলানাছ্বিরন্না 'আলা-মা য় আ-যাইতুমূনা-অ'আলাল্লা-হি ফাল্ইয়াতাওয়াক্কালিল্ মুতাওয়াক্কিলূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

কাফিররা তাদের রসূলদের বলেছিল: ‘আমরা অবশ্যি আমাদের দেশ থেকে তোমাদের বের করে দেবো, অথবা তোমাদেরকে আমাদের ধর্মেই ফিরে আসতে হবে।’ তখন তাদের (রসূলদের) প্রভু তাদেরকে অহির মাধ্যমে জানিয়ে দেন: ‘‘আমরা অবশ্যি যালিমদের হালাক করে দেবো।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেররা পয়গম্বরগণকে বলেছিলঃ আমরা তোমাদেরকে দেশ থেকে বের করে দেব অথবা তোমরা আমাদের ধর্মে ফিরে আসবে। তখন তাদের কাছে তাদের পালনকর্তা ওহী প্রেরণ করলেন যে, আমি জালিমদেরকে অবশ্যই ধ্বংস করে দেব।

বাংলা উচ্চারণ

অক্বলাল্লাযীনা কাফারূ লিরুসুলিহিম্ লানুখ্রিজ্বান্নাকুম্ মিন্ র্আদ্বিনা য় আও লাতা'ঊদুন্না ফী মিল্লাতিনা- ফাআওহা য় ইলাইহিম্ রব্বুহুম্ লানুহ্ লিকান্নাজ্ জোয়া-লিমীন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের (ধ্বংসের) পরে আমরা তোমাদেরকেই দেশে প্রতিষ্ঠিত করবো। এটা তাদের জন্যে যারা আমার সামনে উপস্থিত হবার ভয় পোষণ করে এবং ভয় করে আমার ধমককে।’’

মুহিউদ্দীন খান

তাদের পর তোমাদেরকে দেশে আবাদ করব। এটা ঐ ব্যক্তি পায়, যে আমার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে এবং আমার আযাবের ওয়াদাকে ভয় করে।

বাংলা উচ্চারণ

অ লানুস্কিনান্নাকুমুল্ র্আদ্বোয়া মিম্ বা'দিহিম্ যা-লিকা লিমান্ খ-ফা মাক্ব-মী অখ-ফা অ'ঈদ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বিজয় কামনা করেছিল। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছিল প্রত্যেক উদ্ধত স্বৈরাচারী।

মুহিউদ্দীন খান

পয়গম্বরগণ ফয়সালা চাইতে লাগলেন এবং প্রত্যেক অবাধ্য, হঠকারী ব্যর্থ কাম হল।

বাংলা উচ্চারণ

অস্তাফ্তাহূ অখ-বা কুল্লু জ্বাব্বা-রিন্ 'আনীদ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

পরবর্তীতে তার জন্যে রয়েছে জাহান্নাম এবং তাকে পান করানো হবে গলিত পূঁজের পানি।

মুহিউদ্দীন খান

তার পেছনে দোযখ রয়েছে। তাতে পূঁজ মিশানো পানি পান করানো হবে।

বাংলা উচ্চারণ

মিওঁ অরা-য়িহী জ্বাহান্নামু অইউস্ক্ব-মিম্ মা-ইন্ ছোয়াদীদ।

আবদুস শহীদ নাসিম

সে বহু কষ্টে এক ঢোক এক ঢোক করে গিলবে এবং গেলা তার জন্যে মোটেই সহজ হবেনা। চতুর্দিক থেকে মৃত্যু তাকে আচ্ছন্ন করবে, কিন্তু তার মউত হবেনা। এরপর তার উপর চেপে বসবে এক কঠিন আযাব।

মুহিউদ্দীন খান

ঢোক গিলে তা পান করবে। এবং গলার ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রতি দিক থেকে তার কাছে মৃত্যু আগমন করবে এবং সে মরবে না। তার পশ্চাতেও রয়েছে কঠোর আযাব।

বাংলা উচ্চারণ

ইতার্জ্বার'উহূ'অলা-ইয়াকা-দু ইউসীগুহূ অইয়া তীহিল মাওতু মিন্ কুল্লি মাকানিওঁ অমা- হুঅ বিমাইয়্যিত্ অ মিঁও অরা-য়িহী'আযা-বুন গলীজ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা তাদের প্রভুর প্রতি কুফুরি করে তাদের উপমা হলো: তাদের আমলসমূহ হলো ভস্মের মতো, ঝড়ের দিনে বাতাস সেগুলো প্রচন্ড বেগে উড়িয়ে নিয়ে যায়। তাদের উপার্জনের কিছুই তারা কাজে লাগাতে সক্ষম হয়না। এটাই হলো ঘোরতর বিপথগামিতা।

মুহিউদ্দীন খান

যারা স্বীয় পালনকর্তার সত্তার অবিশ্বাসী তাদের অবস্থা এই যে, তাদের কর্মসমূহ ছাইভস্মের মত যার উপর দিয়ে প্রবল বাতাস বয়ে যায় ধূলিঝড়ের দিন। তাদের উপার্জনের কোন অংশই তাদের করতলগত হবে না। এটাই দুরবর্তী পথভ্রষ্টতা।

বাংলা উচ্চারণ

মাছালুল্লাযীনা কাফারূ বিরব্বিহিম্ আ'মা-লুহুম্ কারামা- দিনিশ্ তাদ্দাত্ বির্হি রীহু ফী ইয়াওমিন্ 'আ-ছিফ্ লা- ইয়াক্ব দিরূনা মিম্মা-কাসাবূ 'আলা-শাইয়িন্ যা-লিকা হুওয়াদ্ব্ দ্বোয়ালা-লুল্ বা'ঈ-দ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কি দেখছো না যে, বাস্তবতার সাথে মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন? তিনি চাইলে তোমাদের বিলুপ্ত করে নতুন সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনতে পারেন।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি দেখনি যে, নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল যথাবিধি সৃষ্টি করেছেন? যদি তিনি ইচ্ছা করেন, তবে তোমাদেরকে বিলুপ্তিতে নিয়ে যাবেন এবং নতুন সৃষ্টি আনয়ন করবেন।

বাংলা উচ্চারণ

আলাম্ তার আন্নাল্লা-হা খলাক্বস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বোয়া বিল্হাক্ব ইঁ ইয়াশাইয়ুয্ হিব্কুম্ অ ইয়াতি বিখল্ক্বিন্ জ্বাদীদ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

এ কাজ আল্লাহর জন্যে মোটেও কষ্টকর নয়।

মুহিউদ্দীন খান

এটা আল্লাহর পক্ষে মোটেই কঠিন নয়।

বাংলা উচ্চারণ

অমা-যা-লিকা 'আলাল্লা-হি বি'আযীয্।

আবদুস শহীদ নাসিম

সবাই যখন উপস্থিত হবে আল্লাহর কাছে। তখন দাম্ভিক কর্তৃত্বশালীদের উদ্দেশ্যে দুর্বলরা বলবে: ‘আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম, এখন তোমরা কি আল্লাহর আযাব থেকে আমাদের কিছুমাত্র রক্ষা করতে পারবে?’ তারা বলবে: ‘ যদি আমাদেরকে সঠিক পথে চালাতেন, তাহলে আমরাও তোমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করতাম। এখন আমরা সহ্য করি কিংবা ধৈর্য হারাই একই কথা, এখান থেকে আমাদের নিষ্কৃতি নেই।’

মুহিউদ্দীন খান

সবাই আল্লাহর সামনে দন্ডায়মান হবে এবং দুর্বলেরা বড়দেরকে বলবেঃ আমরা তো তোমাদের অনুসারী ছিলাম - অতএব, তোমরা আল্লাহর আযাব থেকে আমাদেরকে কিছুমাত্র রক্ষা করবে কি? তারা বলবেঃ যদি আমাদেরকে সৎপথ দেখাতেন, তবে আমরা অবশ্যই তোমাদের কে সৎপথ দেখাতাম। এখন তো আমাদের ধৈর্য্যচ্যুত হই কিংবা সবর করি - সবই আমাদের জন্যে সমান আমাদের রেহাই নেই।

বাংলা উচ্চারণ

অবারযূ লিল্লা-হি জ্বামী'আন্ ফাক্ব-লাদ্দু'আফা-য়ু লিল্লাযীনাস্ তাক্বারূ য় ইন্না-কুন্না-লাকুম্ তাবা'আন্ ফাহাল্ আন্তুম্ মুগ্নূনা 'আন্না-মিন্ 'আযা-বিল্লা-হি মিন্ শাইয়িন্ ক্ব-লূ লাও হাদা-নাল্লা-হু লাহাদাইনা-কুম্ সাওয়া-য়ুন্ 'আলাইনা য় আজ্বাযি'না য় আম্ ছর্বানা-মা-লানা-মিম্ মাহীছ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন বিচার কাজ শেষ হয়ে যাবে তখন শয়তান বলবে: ‘ তোমাদের ওয়াদা দিয়েছিলেন সত্য ওয়াদা। আর আমিও তোমাদের ওয়াদা দিয়েছিলাম, কিন্তু আমি তোমাদেরকে দেয়া ওয়াদা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর আমার কোনো কর্তৃত্ব ছিলনা। আমি তো কেবল তোমাদের আহবান করেছি। তোমরা আমার আহবানে সাড়া দিয়েছিলে। সুতরাং আজ আমাকে তিরস্কার করোনা, নিজেকে নিজে তিরস্কার করো। আমি তোমাদের রক্ষা করতে সক্ষম নই, তোমরাও আমাকে রক্ষা করতে সক্ষম নও। তোমরা যে আমাকে ইতোপূর্বে (পৃথিবীতে) আল্লাহর শরিক বানিয়েছিলে আমি সেটা অস্বীকার করছি। যালিমদের জন্যে তো রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব।’

মুহিউদ্দীন খান

যখন সব কাজের ফায়সলা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবেঃ নিশ্চয় তোমাদেরকে সত্য ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং আমি তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছি, অতঃপর তা ভঙ্গ করেছি। তোমাদের উপর তো আমার কোন ক্ষমতা ছিল না, কিন্তু এতটুকু যে, আমি তোমাদেরকে ডেকেছি, অতঃপর তোমরা আমার কথা মেনে নিয়েছ। অতএব তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করো না এবং নিজেদেরকেই ভৎর্সনা কর। আমি তোমাদের উদ্ধারে সাহায্যকারী নই। এবং তোমরাও আমার উদ্ধারে সাহায্যকারী নও। ইতোপূর্বে তোমরা আমাকে যে আল্লাহর শরীক করেছিলে, আমি তা অস্বীকার করি। নিশ্চয় যারা জালেম তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

বাংলা উচ্চারণ

অক্ব-লাশ্ শাইত্বোয়া-নু লাম্মা-ক্বুদিয়াল্ আম্রু ইন্নাল্লা-হা অ'আদাল্ হাক্ব্ক্বি অওয়াআত্তুকুম্ ফাআখ্লাফ্তুকুম্ অমা-কা-না লিয়া 'আলাইকুম্ মিন্ সুল্ত্বোয়া-নিন্ ইল্লা য় আন্ দা'আওতুকুম্ ফাস্তাজ্বাব্তুম্ লী ফালা-তালূমূনী অলূমূ য় আন্ফুসাকুম্ মা য় আনা- বিমুছ্রিখিকুম্ অমা য় আন্তুম্ বিমুছ্রিখী ইন্নী কার্ফাতু বিমা য় আশ্রাক্তুমূনি মিন্ ক্বব্ল্ ইন্নাজ্ জোয়া-লিমীনা লাহুম্ 'আযা-বুন্ আলীম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে সালেহ্ করেছে তাদের দাখিল করা হবে জান্নাতে (উদ্যানসমূহে), যেগুলোর নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ - নদী - নহর। সেখানে থাকবে তারা চিরকাল তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে। সেখানে তাদের অভিবাদন হবে ‘সালাম’।

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা বিশ্বাস স্থাপণ করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তাদেরকে এমন উদ্যানে প্রবেশ করানো হবে, যার পাদদেশ দিয়ে নির্ঝরিনী সমূহ প্রবাহিত হবে তারা তাতে পালনকর্তার নির্দেশে অনন্তকাল থাকবে। যেখানে তাদের সম্ভাষণ হবে সালাম।

বাংলা উচ্চারণ

অউদ্খিলাল্লাযীনা আ-মানূ অ'আমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি জ্বান্না-তিন্ তাজ্বরী মিন্ তাহ্তিহাল্ আন্হারু খ-লিদীনা ফীহা-বিইয্নি রব্বিহিম্ তাহিয়্যাতুহুম্ ফীহা- সালাম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি দেখছো না, কিভাবে উপমা দিচ্ছেন: একটি উত্তম কথা যেনো একটি উত্তম গাছ, যার মূল মাটির গভীরে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত আর যার শাখা - প্রশাখা উপরে বিস্তীর্ণ।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি লক্ষ্য কর না, তা’আলা কেমন উপমা বর্ণনা করেছেনঃ পবিত্র বাক্য হলো পবিত্র বৃক্ষের মত। তার শিকড় মজবুত এবং শাখা আকাশে উত্থিত।

বাংলা উচ্চারণ

আলাম্ তারা কাইফা দ্বরাবাল্লা-হু মাছালান্ কালিমাতান্ ত্বইয়্যিবাতান্ কাশাজ্বারাতিন্ ত্বইয়িবাতিন্ আছ্লুহা- ছা-বিতুঁও অর্ফা'উহা-ফিস্ সামা-য়্।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটি তার প্রভুর অনুমতিক্রমে প্রতিনিয়ত ফল দিয়ে থাকে। মানুষের জন্যে উপমা দেন যেনো তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

মুহিউদ্দীন খান

সে পালনকর্তার নির্দেশে অহরহ ফল দান করে। মানুষের জন্যে দৃষ্টান্ত বর্ণণা করেন - যাতে তারা চিন্তা - ভাবনা করে।

বাংলা উচ্চারণ

তুতী য় উকুলাহা-কুল্লা হীনিম্ বিইয্নি রব্বীহা-অইয়াদ্ব্রিবুল্লা-হুল্ আম্ছা-লা লিন্না-সি লা'আল্লাহুম্ ইয়াতাযাক্কারূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর একটি মন্দ কথার উপমা হলো একটি মন্দ গাছ, যার মূল বিচ্ছিন্ন মাটির উপরিভাগে, তার কোনো স্থায়িত্ব নেই।

মুহিউদ্দীন খান

এবং নোংরা বাক্যের উদাহরণ হলো নোংরা বৃক্ষ। একে মাটির উপর থেকে উপড়ে নেয়া হয়েছে। এর কোন স্থিতি নেই।

বাংলা উচ্চারণ

অমাছাল্ কালিমাতিন্ খবীছাতিন্ কাশাজ্বারাতিন খবীছাতি নিজ্ব তুছ্ছাত্ মিন্ ফাওক্বিল্ আরদ্বি মা-লাহা-মিন্ ক্বরার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনদের মজবুত অটল রাখেন মজবুত অটল কথার ভিত্তিতে দুনিয়ার জীবনেও এবং আখিরাতেও, আর বিভ্রান্ত করে দেন যালিমদের এবং যা ইচ্ছা তাই করেন।

মুহিউদ্দীন খান

তা’আলা মুমিনদেরকে মজবুত বাক্য দ্বারা মজবুত করেন। পার্থিবজীবনে এবং পরকালে। এবং জালেমদেরকে পথভ্রষ্ট করেন। যা ইচ্ছা, তা করেন।

বাংলা উচ্চারণ

ইউছাব্বিতুল্লা-হু ল্লাযীনা আ-মানূ বিলক্বওলিছ্ ছা- বিতি ফিল্ হাইয়া-তিদ্ দুন্ইয়া- অফিল্ আ-খিরতি অইয়ুদ্বিল্লু ল্লা-হুজ্ জোয়া-লিমীন্ অ ইয়াফ্ 'আলুল্লা-হু মা- ইয়াশা-য়্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি তাদের দেখছো না, যারা আল্লাহর অনুগ্রহ (ইসলাম) গ্রহণ করার বদলে কুফুরিকে আঁকড়ে ধরেছে এবং তারা তাদের কওমকে নামিয়ে এনেছে ধ্বংসের দুয়ারে?

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি তাদের কে দেখনি, যারা আল্লাহর নেয়ামতকে কুফরে পরিণত করেছে এবং স্ব - জাতিকে সম্মুখীন করেছে ধ্বংসের আলয়ে।

বাংলা উচ্চারণ

আলাম তার ইলাল্লাযীনা বাদ্দালূ নি'মাতাল্লা-হি কুফ্রাঁও ওয়া আহাল্ল ু ক্বওমাহুম্ দা-রল্ বাওয়ার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

জাহান্নামে, আর সেখানেই তারা প্রবেশ করবে। সেটা কতো যে নিকৃষ্ট আবাস!

মুহিউদ্দীন খান

দোযখের? তারা তাতে প্রবেশ করবে সেটা কতই না মন্দ আবাস।

বাংলা উচ্চারণ

জ্বাহান্নামা ইয়াছ্লাওনাহা- অবি'সাল্ ক্বরর্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা আল্লাহর সমকক্ষ বানায় মানুষকে তাঁর পথ থেকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে। হে নবী! তাদের বলো: ভোগ করে নাও, আর জেনে রাখো, তোমাদের ফিরে যাবার জায়গা হলো জাহান্নাম।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তারা আল্লাহর জন্যে সমকক্ষ স্থির করেছে, যাতে তারা তার পথ থেকে বিচ্যুত করে দেয়। বলুনঃ মজা উপভোগ করে নাও। অতঃপর তোমাদেরকে অগ্নির দিকেই ফিরে যেতে হবে।

বাংলা উচ্চারণ

অজ্বা'আলূ লিল্লা-হি আন্দা-দাল্ লিইয়ুদ্বিল্লু 'আন্ সাবীলিহ্ ক্বুল্ তামাত্তা'ঊ ফাইন্না মাছীরকুম্ ইলান্নার্-

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! আমার দাসদের বলো: তারা যেনো কায়েম করে এবং আমরা তাদের যে জীবিকা দিয়েছি তা থেকে যেনো ব্যয় করে গোপনে ও প্রকাশ্যে সেই দিনটি আসার আগেই, যেদিন কোনো বেচাকেনাও থাকবেনা আর কোনো বন্ধুতাও থাকবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

আমার বান্দাদেরকে বলে দিন যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, তারা কায়েম রাখুক এবং আমার দেয়া রিযিক থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করুক ঐদিন আসার আগে, যেদিন কোন বেচা কেনা নেই এবং বন্ধুত্বও নেই।

বাংলা উচ্চারণ

ক্বুল লি'ইবাদিয়াল্লাযীনা আ-মানূ ইয়ূক্বীমুছ ছলা-তা অ ইয়ুন্ফিক্বু মিম্মা-রাযাক্বনা-হুম্ র্সিরঁও অ 'আলা-নিয়াতাম্ মিন্ ক্বব্লি আইঁ ইয়াতিয়া ইয়াওমুল্ লা-বাই'ঊন্ ফীহি অলা-খিলা-ল্।

আবদুস শহীদ নাসিম

, যিনি সৃষ্টি করেছেন মহাকাশ এবং এই পৃথিবী আর নাযিল করেছেন আসমান থেকে পানি, তারপর তা থেকে উৎপন্ন করেছেন ফল ফসল তোমাদের জন্যে জীবিকা হিসেবে। আর নৌযানকে তোমাদের নিয়ন্ত্রণাধীন করে দিয়েছেন, যাতে করে তাঁর নির্দেশক্রমে তা চলাচল করে সমুদ্রে এবং তিনি তোমাদেরই কল্যাণে নিয়োজিত করে দিয়েছেন নদ - নদীকে।

মুহিউদ্দীন খান

তিনিই , যিনি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডল সৃজন করেছেন এবং আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে অতঃপর তা দ্বারা তোমাদের জন্যে ফলের রিযিক উৎপন্ন করেছেন এবং নৌকাকে তোমাদের আজ্ঞাবহ করেছেন, যাতে তাঁর আদেশে সমুদ্রে চলা ফেরা করে এবং নদ - নদীকে তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন।

বাংলা উচ্চারণ

আল্লা হুল্লাযী খলাকাস্সামা-ওয়া-তি অল্র্আদ্বোয়া অ আন্যালা মিনাস্ সামা-য়ি মা-য়ান্ ফাআখ্রাজ্বা বিহী মিনাছ্ ছামার-তি রিয্ক্বাল্লাকুম্ অ সাখ্রা লাকুমুল্ ফুল্কা লিতাজ্বরিয়া ফিল্ বাহ্রি বিআম্রিহী অসাখ্খর লাকুমুল্ আন্হার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

তিনি তোমাদেরই কল্যাণে নিয়োজিত করে দিয়েছেন সূর্য আর চাঁদকে। তারা অবিরাম একই নিয়ম মেনে চলে। তিনি তোমাদের কল্যাণে আরো নিয়োজিত করেছেন রাত আর দিনকে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তোমাদের সেবায় নিয়োজিত করেছেন সূর্যকে এবং চন্দ্রকে সর্বদা এক নিয়মে এবং রাত্রি ও দিবাকে তোমাদের কাজে লাগিয়েছেন।

বাংলা উচ্চারণ

অসাখ্খরা লাকুমুশ্ শাম্সা অল্ ক্বমারা দা-য়িবাইনি অসাখ্ খরা লাকুমুল্ লাইলা অন্নাহার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা তাঁর কাছে যা চেয়েছো (অর্থাৎ যা কিছু তোমাদের প্রয়োজন) তার প্রত্যেকটিই তিনি তোমাদের দিয়েছেন। তোমরা যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ গণনা করো, তাহলে তার সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না। নিশ্চয়ই মানুষ বড় যালিম, অকৃতজ্ঞ।

মুহিউদ্দীন খান

যে সকল বস্তু তোমরা চেয়েছ, তার প্রত্যেকটি থেকেই তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন। যদি আল্লাহর নেয়ামত গণনা কর, তবে গুণে শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয় মানুষ অত্যন্ত অন্যায়কারী, অকৃতজ্ঞ।

বাংলা উচ্চারণ

অআ-তা-কুম্ মিন্ কুল্লি মা-সায়াল্ তুমূহ্ অইন্ তা'উদ্দূ নি'মাতাল্লা-হি লা-তুহ্ছূহা- ইন্নাল্ ইন্সা-না লাজোয়ালূমুন্ কাফ্ফার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

স্মরণ করো, ইবরাহিম বলেছিল: ‘‘আমার প্রভু! তুমি এই (মক্কা) নগরীকে নিরাপদ করে দাও এবং আমাকে ও আমার সন্তানদেরকে ভাষ্কর্য - প্রতিমা পূজা থেকে দূরে রেখো।

মুহিউদ্দীন খান

যখন ইব্রাহীম বললেনঃ হে পালনকর্তা, এ শহরকে শান্তিময় করে দিন এবং আমাকে ও আমার সন্তান সন্ততিকে মূর্তি পূজা থেকে দূরে রাখুন।

বাংলা উচ্চারণ

অইয্ ক্ব-লা ইব্রা-হীমু রব্বিজ্ব'আল্ হা-যাল্ বালাদা আ-মিনাঁও অজ্বনুব্নী- অ বানিয়্যা আন্ না'বুদাল্ আছ্না-ম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার প্রভু! এসব (প্রতিমা) বিপথগামী করেছে বহু মানুষকে। সুতরাং যে আমার অনুসরণ করবে, সেই হবে আমার লোক, আর যে আমার অবাধ্য হবে, সে ক্ষেত্রে তুমি তো পরম ক্ষমাশীল দয়াময়।

মুহিউদ্দীন খান

হে পালনকর্তা, এরা অনেক মানুষকে বিপথগামী করেছে। অতএব যে আমার অনুসরণ করে, সে আমার এবং কেউ আমার অবাধ্যতা করলে নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

বাংলা উচ্চারণ

রব্বী ইন্নাহুন্না আদ্ব্লাল্না কাছীরাম্ মিনান্না-সি ফামান্ তাবি'আনী ফাইন্নাহূ মিন্নী অমান্ 'আছোয়া-নী ফাইন্নাকা গফূর্রু রহীম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের প্রভু! আমি তো আমার বংশধরদের একটি অংশের বসবাসের ব্যবস্থা করেছি এই অনুর্বর উপত্যকায় তোমার সম্মানিত ঘরের কাছে। হে আমার প্রভু! এ জন্যে করেছি, যেনো তারা কায়েম করে। সুতরাং তুমি মানুষের হৃদয় তাদের প্রতি অনুরাগী করে দিও, আর তাদের জীবিকা দিও ফলফলারি দিয়ে, যাতে করে তারা তোমার শোকর আদায় করে।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমাদের পালনকর্তা, আমি নিজের এক সন্তানকে তোমার পবিত্র গৃহের সন্নিকটে চাষাবাদহীন উপত্যকায় আবাদ করেছি; হে আমাদের পালনকর্তা, যাতে তারা কায়েম রাখে। অতঃপর আপনি কিছু লোকের অন্তরকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করুন এবং তাদেরকে ফলাদি দ্বারা রুযী দান করুন, সম্ভবতঃ তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে

বাংলা উচ্চারণ

রব্বানা য় ইন্নী য় আস্কান্তু মিন্ র্যুরিয়্যাতী বিওয়া-দিন্ গইরি যী র্যা'ইন্ 'ইন্দা বাইতিকাল্ মুর্হারমি রব্বানা-লিইয়ুক্বীমুছ্ ছলা-তা ফাজ্ব্'আল্ আফ্য়িদাতাম্ মিনান্না-সি তাহ্ওয়ী য় ইলাইহিম্ র্অযুক্ব্হুম্ মিনাস্সামারা-তি লা'আল্লাহুম্ ইয়াশ্কুরূন্।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের প্রভু! নিশ্চয়ই তুমি জানো আমরা যা গোপন করি এবং আমরা যা প্রকাশ করি। আর আসমান ও জমিনের কিছুই গোপন নেই আল্লাহর কাছে।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি তো জানেন আমরা যা কিছু গোপনে করি এবং যা কিছু প্রকাশ্য করি। আল্লাহর কাছে পৃথিবীতে ও আকাশে কোন কিছুই গোপন নয়।

বাংলা উচ্চারণ

রব্বানা য় ইন্নাকা তা'লামু মা-নুখ্ফী অমা-নু'লিন্ অমা-ইয়াখ্ফা-'আলাল্লা-হি মিন্ শাইয়িন্ ফিল্ র্আদ্বি অলা-ফিস্ সামা-য়্।

আবদুস শহীদ নাসিম

সমস্ত শোকরিয়া আল্লাহর, যিনি বৃদ্ধ বয়সে আমাকে ইসমাঈল এবং ইসহাককে দান করেছেন। নিশ্চয়ই আমার প্রভু দোয়া শুনে থাকেন।

মুহিউদ্দীন খান

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই, যিনি আমাকে এই বার্ধক্যে ইসমাঈল ও ইসহাক দান করেছেন নিশ্চয় আমার পালনকর্তা দোয়া শ্রবণ করেন।

বাংলা উচ্চারণ

আল্হামদু লিল্লা-হিল্লাযী অহাবালী 'আলাল্ কিবারি ইস্মা-'ঈলা অইস্হা-ক্ব ইন্না রব্বী লাসামী'ঊদ্ দু'আ-য়্।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমার প্রভু! আমাকে কায়েমকারী বানাও এবং আমার বংশধরদেরকেও। আমাদের প্রভু! আমার দোয়া কবুল করো।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমার পালনকর্তা, আমাকে কায়েমকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্যে থেকেও। হে আমাদের পালনকর্তা, এবং কবুল করুন আমাদের দোয়া।

বাংলা উচ্চারণ

রব্বিজ্ব্'আল্নী মুক্বীমাছ্ ছলা-তি অমিন্ র্যুরিয়্যাতী রব্বানা- অ তাক্বাব্বাল্ দু'আ-য়।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমাদের প্রভু! আমাকে ক্ষমা করে দাও আর আমার পিতা - মাতাকে এবং মুমিনদেরকে সেইদিন, যেদিন অনুষ্ঠিত হবে হিসাব।

মুহিউদ্দীন খান

হে আমাদের পালনকর্তা, আমাকে, আমার পিতা - মাতাকে এবং সব মুমিনকে ক্ষমা করুন, যেদিন হিসাব কায়েম হবে।

বাংলা উচ্চারণ

রব্বানার্গ্ফিলী অলিওয়া লিদাইয়্যা অ- লিল্মুমিনীনা ইয়াওমা ইয়াক্বুমুল্ হিসা-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যালিমদের কর্মকান্ডের ব্যাপারে আল্লাহকে গাফিল মনে করোনা। তিনি তাদের অবকাশ দিচ্ছেন ঐ দিন পর্যন্ত যেদিন তাদের দৃষ্টি স্থির হয়ে যাবে।

মুহিউদ্দীন খান

জালেমরা যা করে, সে সম্পর্কে আল্লাহকে কখনও বেখবর মনে করো না তাদেরকে তো ঐ দিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে রেখেছেন, যেদিন চক্ষুসমূহ বিস্ফোরিত হবে।

বাংলা উচ্চারণ

অলা-তাহ্সাবান্নাল্লা-হা গ-ফিলান্ 'আম্মা ইয়া'মালুজ্জোয়া-লিমূন্ ইন্নামা-ইয়ুয়াখ্ খিরুহুম্ লিইয়াওমিন্ তাশ্খাছু ফীহিল্ আব্ছোয়ার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন ভীত বিহবল হয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে তারা ছুটাছুটি করবে। নিজেদের দিকে ফিরবে না তাদের দৃষ্টি। তাদের অন্তর থাকবে উদাসীন।

মুহিউদ্দীন খান

তারা মস্তক উপরে তুলে ভীত - বিহবল চিত্তে দৌড়াতে থাকবে। তাদের দিকে তাদের দৃষ্টি ফিরে আসবে না এবং তাদের অন্তর উড়ে যাবে।

বাংলা উচ্চারণ

মুহ্ত্বি'ঈনা মুক্বনি'ঈ রুয়ূসিহিম্ লা-ইর্য়াতাদ্দু ইলাইহিম্ ত্বোর্য়াফুহুম্ অআফ্য়িদাতুহুম্ হাওয়ায়্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন আযাব তাদেরকে পাকড়াও করে ফেলবে সেদিনটি সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করো। সেদিন যালিমরা বলবে: ‘আমাদের প্রভু! অল্পকালের জন্যে আমাদের অবকাশ দাও, আমরা তোমার আহবানে সাড়া দেবো এবং তোমার রসূলদের ইত্তেবা (অনুসরণ) করবো।’ (তাদের বলা হবে:) ইতোপূর্বে (দুনিয়ার জীবনে) তোমরা বলতে না যে, তোমাদের পতন হবেনা?

মুহিউদ্দীন খান

মানুষকে ঐ দিনের ভয় প্রদর্শন করুন, যেদিন তাদের কাছে আযাব আসবে। তখন জালেমরা বলবেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে সামান্য মেয়াদ পর্যন্ত সময় দিন, যাতে আমরা আপনার আহবানে সাড়া দিতে এবং পয়গম্বরগণের অনুসরণ করতে পারি। তোমরা কি ইতোপূর্বে কসম খেতে না যে, তোমাদেরকে দুনিয়া থেকে যেতে হবে না?

বাংলা উচ্চারণ

অআন্যিরি ন্না-সা ইয়াওমা ইয়াতীহিমুল্ 'আযা-বু ফাইয়াক্বুলু ল্লাযীনা জলামূ রব্বানা য় আখ্খিরুনা য় ইলা য় আজ্বালিন্ ক্বারীবিন্ নুজ্বিব্ দা'অতাকা অনাত্তাবি'র্ই রুসুল্ আওয়ালাম্ তাকূনূ য় আক্বসাম্তুম্ মিন্ ক্বব্লু মা-লাকুম্ মিন্ যাওয়া-ল্।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ তোমরা তো বাস করতে সেইসব আবাস ভূমিতেই, যারা (তোমাদের আগে) নিজেদের প্রতি যুলুম করেছিল, আর এটাও তোমাদের কাছে পরিষ্কার ছিলো যে, আমরা তাদের সাথে কী আচরণ করেছিলাম? আমরা তো তোমাদের কাছে তাদের দৃষ্টান্ত পেশ করেছিলাম।

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা তাদের বাসভূমিতেই বসবাস করতে, যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছে এবং তোমাদের হয়ে গিয়েছিল যে, আমি তাদের সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছি এবং আমি তোমাদেরকে ওদের সব কাহিনীই বর্ণনা করেছি।

বাংলা উচ্চারণ

অসাকান্তুম্ ফী মাসা-কিনি ল্লাযীনা জলামূ য় আন্ফুসাহুম্ অতাবাইয়্যানা লাকুম্ কাইফা ফা'আল্না-বিহিম্ অদ্বরাব্না-লাকুমুল্ আম্ছা-ল্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা চক্রান্ত করেছিল তাদের প্রাণান্তকর চক্রান্ত। তাদের চক্রান্ত রদ করে দিয়েছেন। যদিও তারা এমন চক্রান্ত করেছিল যাতে পাহাড় পর্যন্ত টলে যেতো।

মুহিউদ্দীন খান

তারা নিজেদের মধ্যে ভীষণ চক্রান্ত করে নিয়েছে এবং আল্লাহর সামনে রক্ষিত আছে তাদের কু - চক্রান্ত। তাদের কুটকৌশল পাহাড় টলিয়ে দেয়ার মত হবে না।

বাংলা উচ্চারণ

অক্বদ্ মাকারূ মাক্রহুম্ অ'ইন্দাল্লা-হি মাক্রুহুম্ অইন্ কা-না মাক্রুহুম্ লিতাযূলা মিন্হুল্ জ্বিবা-ল্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কখনো মনে করোনা যে, তাঁর রসূলদের দেয়া ওয়াদা খেলাফ করবেন। নিশ্চয়ই মহাপরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব আল্লাহর প্রতি ধারণা করো না যে, তিনি রসূলগণের সাথে কৃত ওয়াদা ভঙ্গ করবেন নিশ্চয় পরাক্রমশালী, প্রতিশোধ গ্রহণকারী।

বাংলা উচ্চারণ

ফালা-তাহ্সাবান্নাল্লা-হা মুখ্লিফা ওয়া'দিহী রুসুলাহ্ ইন্নাল্লা-হা 'আযীযুন্ যুন্ তিক্বা-ম্।

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন এই পৃথিবী পরিবর্তিত হয়ে যাবে অন্য একটি পৃথিবীতে এবং মহাকাশও, তখন সমস্ত মানুষ উপস্থিত হয়ে যাবে আল্লাহর সামনে, যিনি এক এবং মহাপরাক্রমশালী।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন পরিবর্তিত করা হবে এ পৃথিবীকে অন্য পৃথিবীতে এবং পরিবর্তিত করা হবে আকাশ সমূহকে এবং লোকেরা পরাক্রমশালী এবং আল্লাহর সামনে পেশ হবে।

বাংলা উচ্চারণ

ইয়াওমা তুবাদ্দালুল্ র্আদ্বু গইরল্ র্আদ্বি অস্সামাওয়া-তু অবারযূ লিল্লা-হিল্ ওয়া-হিদিল্ ক্বহ্হার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তুমি অপরাধীদের দেখবে শৃংখলিত।

মুহিউদ্দীন খান

তুমি ঐদিন পাপীদেরকে পরস্পরে শৃংখলা বদ্ধ দেখবে।

বাংলা উচ্চারণ

অতারাল্ মুজ্বরিমীনা ইয়াওমায়িযিম্ মুর্ক্বারানীনা ফিল্ আছ্ফা-দ্।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের জামা হবে আলকাতরার, আর তাদের চেহারা ঢেকে নেবে আগুন।

মুহিউদ্দীন খান

তাদের জামা হবে দাহ্য আলকাতরার এবং তাদের মুখমন্ডলকে আগুন আচ্ছন্ন করে ফেলবে।

বাংলা উচ্চারণ

সারা-বীলুহুম্ মিন্ ক্বাতিরা-নিঁও অতাগ্শা- উজউহাহুমুন্নার্-।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা এ জন্যে হবে, যাতে করে প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার কর্মফল দিয়ে দেন। নিশ্চয়ই দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।

মুহিউদ্দীন খান

যাতে প্রত্যেককে তার কৃতকর্মের প্রতিদান দেন। নিশ্চয় দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।

বাংলা উচ্চারণ

লিইয়াজ্বযিয়াল্লা-হু কুল্লা-নাফ্সিম্ মা-কাসাবাত্ ইন্নাল্লা-হা সারী'উল্ হিসা-ব্।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি (এ কুরআন) মানুষের জন্যে একটি বার্তা, যাতে করে এর মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করা যায় এবং মানুষ জানতে পারে যে, নিশ্চয়ই তিনি একমাত্র ইলাহ্, আর যেনো বুঝ বুদ্ধি সম্পন্ন লোকেরা উপদেশ গ্রহণ করে।

মুহিউদ্দীন খান

এটা মানুষের একটি সংবাদনামা এবং যাতে এতদ্বারা ভীত হয় এবং যাতে জেনে নেয় যে, উপাস্য তিনিই - একক; এবং যাতে বুদ্ধিমানরা চিন্তা - ভাবনা করে।

বাংলা উচ্চারণ

হা-যা-বালা-গুল্ লিন্না-সি অ লিইয়ুন্যারূ বিহী অ লিইয়া'লামূ য় আন্নামা-হঅ ইলা-হুঁও ওয়া-হিদুঁও অলিয়ায্ যাক্কার ঊলুল্ আল্বা-ব্।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme