আল মা‘আরিজ (উচ্চ মর্যাদা) , choose another chapter
আল মা‘আরিজ (উচ্চ মর্যাদা)
Chapter 70, 44 verses
আবদুস শহীদ নাসিম
মুহিউদ্দীন খান
বয়ান ফাউন্ডেশন
জহুরুল হক
Add book
List
Grid
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ৪৪, রুকু সংখ্যা: ০২
এই সূরার আলোচ্যসূচি
আয়াতআলোচ্য বিষয়
০১-১৮কাফিররা কিয়ামত প্রতিরোধ করতে পারবে না। কিয়ামত ও হাশরের দৃশ্য।
১৯-৩৫মানুষের স্বভাব। মুসল্লিদের বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি।
৩৬-৪৪কাফিরদের অবস্থা। পুনরুত্থান অবশ্যি ঘটবে।
আবদুস শহীদ নাসিম
১ এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করলো অবধারিত আযাব সম্পর্কে,
মুহিউদ্দীন খান
১ একব্যক্তি চাইল, সেই আযাব সংঘটিত হোক যা অবধারিত -
বয়ান ফাউন্ডেশন
১ এক প্রশ্নকারী জিজ্ঞাসা করল এমন আযাব সম্পর্কে, যা আপতিত হবে-* *আয়াতটির আরেক অর্থ হল, ‘একজন প্রার্থনাকারী এমন আযাবের দো‘আ করল যা আপতিত হবে’।
জহুরুল হক
১ এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করছে অবধারিত শাস্তি সম্পর্কে - -
আবদুস শহীদ নাসিম
২ (যা অবধারিত) কাফিরদের জন্যে, যা প্রতিরোধ করার কেউ নেই,
মুহিউদ্দীন খান
২ কাফেরদের জন্যে, যার প্রতিরোধকারী কেউ নেই।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২ কাফিরদের উপর, যার কোন প্রতিরোধকারী নেই।
জহুরুল হক
২ অবিশ্বাসীদের জন্য, এর প্রতিরোধকারী কেউ নেই - -
আবদুস শহীদ নাসিম
৩ যা আসবে আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।
মুহিউদ্দীন খান
৩ তা আসবে আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে, যিনি সমুন্নত মর্তবার অধিকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩ ঊর্ধ্বারোহণের সোপানসমূহের অধিকারী আল্লাহর পক্ষ থেকে,
জহুরুল হক
৩ আল্লাহ্ র নিকট থেকে, যিনি উন্নয়নের সোপানের অধিকর্তা।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪ ফেরেশতারা এবং রূহ (জিবরিল) তাঁর দিকে উঠে এমন একটি ক্ষুদ্র সময়ের মধ্যে (পৃথিবীর সময় অনুযায়ী) যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
মুহিউদ্দীন খান
৪ ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহ তা’আলার দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪ ফেরেশতাগণ ও রূহ এমন এক দিনে আল্লাহর পানে ঊর্ধ্বগামী হয়, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
জহুরুল হক
৪ ফিরিশ্তাগণ ও আত্মা তাঁর দিকে আরোহণ করে এমন এক দিনে যার পরিমাপ হলো পঞ্চাশ হাজার বছর।
আবদুস শহীদ নাসিম
৫ সুতরাং তুমি সবর করো সব্রে জামিল (সুন্দর সবর)।
মুহিউদ্দীন খান
৫ অতএব, আপনি উত্তম সবর করুন।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৫ অতএব তুমি উত্তমরূপে ধৈর্যধারণ কর।
জহুরুল হক
৫ অতএব তুমি অধ্যবসায় চালিয়ে যাও এক সুমহান ধৈর্যধারণে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৬ তারা সেই (দিনটিকে) দেখে সুদূর,
মুহিউদ্দীন খান
৬ তারা এই আযাবকে সুদূরপরাহত মনে করে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
৬ তারা তো এটিকে সুদূরপরাহত মনে করে।
জহুরুল হক
৬ নিঃসন্দেহ তারা একে মনে করে বহু দূরে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৭ আর আমরা দেখছি একেবারে অদূর।
মুহিউদ্দীন খান
৭ আর আমি একে আসন্ন দেখছি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৭ আর আমি দেখছি তা আসন্ন।
জহুরুল হক
৭ কিন্তু আমরা দেখছি এ নিকটে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৮ সেদিন আসমান হবে গলিত ধাতুর মতো,
মুহিউদ্দীন খান
৮ সেদিন আকাশ হবে গলিত তামার মত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৮ সেদিন আসমান হয়ে যাবে গলিত ধাতুর ন্যায়।
জহুরুল হক
৮ সেইদিন আকাশ হয়ে যাবে গলানো তামার মতো,
আবদুস শহীদ নাসিম
৯ পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মতো।
মুহিউদ্দীন খান
৯ এবং পর্বতসমূহ হবে রঙ্গীন পশমের মত,
বয়ান ফাউন্ডেশন
৯ এবং পর্বতসমূহ হয়ে যাবে রঙিন পশমের ন্যায়।
জহুরুল হক
৯ আর পাহাড়গুলো হবে উলের মতো,
আবদুস শহীদ নাসিম
১০ সেদিন কোনো সহমর্মী বন্ধু কোনো খোঁজ খবর নেবেনা অপর সহমর্মী বন্ধুর।
মুহিউদ্দীন খান
১০ বন্ধু বন্ধুর খবর নিবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১০ আর অন্তরঙ্গ বন্ধু অন্তরঙ্গ বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করবে না।
জহুরুল হক
১০ আর কোনো অন্তরঙ্গ বন্ধু জিজ্ঞাসাবাদ করবে না অন্তরঙ্গ বন্ধু সন্বন্ধে - -
আবদুস শহীদ নাসিম
১১ তাদেরকে পরস্পরের চোখের সামনেই রাখা হবে। অপরাধীরা সেদিনকার আযাবের বিনিময়ে দিয়ে দিতে চাইবে তার সন্তানদের,
মুহিউদ্দীন খান
১১ যদিও একে অপরকে দেখতে পাবে। সেদিন গোনাহগার ব্যক্তি পনস্বরূপ দিতে চাইবে তার সন্তান - সন্ততিকে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
১১ তাদেরকে একে অপরের দৃষ্টিগোচর করা হবে। অপরাধী চাইবে যদি সে সেদিনের শাস্তি থেকে তার সন্তান-সন্ততিকে পণ হিসেবে দিয়ে মুক্তি পেতে,
জহুরুল হক
১১ তাদের পরস্পরকে দৃষ্টিগোচরে রাখা হবে। অপরাধী ব্যক্তি শাস্তি থেকে সেইদিন মুক্তিলাভ করতে চাইবে তার সন্তানদের বিনিময়ে,
আবদুস শহীদ নাসিম
১২ তার স্ত্রীকে, তার ভাইকে,
মুহিউদ্দীন খান
১২ তার স্ত্রীকে, তার ভ্রাতাকে,
বয়ান ফাউন্ডেশন
১২ আর তার স্ত্রী ও ভাইকে,
জহুরুল হক
১২ আর তার সহধর্মিণীর ও তার ভাইয়ের,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৩ তার জ্ঞাতি - গোষ্ঠীকে যারা তাকে দিতো আশ্রয় ও নিরাপত্তা,
মুহিউদ্দীন খান
১৩ তার গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৩ আর তার জ্ঞাতি-গোষ্ঠীকে, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
জহুরুল হক
১৩ আর তার নিকট - আত্মীয়ের যারা তাকে আশ্রয় দিত,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৪ এবং পৃথিবীতে যারা আছে তাদের সবাইকে, যাতে করে তাকে নাজাত দেয় এসব মুক্তিপণ।
মুহিউদ্দীন খান
১৪ এবং পৃথিবীর সবকিছুকে, অতঃপর নিজেকে রক্ষা করতে চাইবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৪ আর যমীনে যারা আছে তাদের সবাইকে, যাতে এটি তাকে রক্ষা করে।
জহুরুল হক
১৪ আর যা - কিছু আছে পৃথিবীতে সে - সমস্তটাই, - - যেন তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৫ কখনো নয়, অবশ্যি তার জন্যে রয়েছে আগুনের লেলিহান শিখা,
মুহিউদ্দীন খান
১৫ কখনই নয়। নিশ্চয় এটা লেলিহান অগ্নি।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৫ কখনো নয়! এটিতো লেলিহান আগুন।
জহুরুল হক
১৫ কখনোই নয়! নিঃসন্দেহ এটি এক শিখায়িত আগুন, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
১৬ যা খসিয়ে দেবে গায়ের চামড়া।
মুহিউদ্দীন খান
১৬ যা চামড়া তুলে দিবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৬ যা মাথার চামড়া খসিয়ে নেবে।
জহুরুল হক
১৬ চামড়া ঝলসিয়ে খসাতে উদগ্রীব, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
১৭ জাহান্নাম ডাকবে ঐ ব্যক্তিকে, যে সত্যের আহবান থেকে পিছু হটে যায় এবং মুখ ফিরিয়ে নেয়,
মুহিউদ্দীন খান
১৭ সে সেই ব্যক্তিকে ডাকবে যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করেছিল ও বিমুখ হয়েছিল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৭ জাহান্নাম তাকে ডাকবে যে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছিল এবং মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল ।
জহুরুল হক
১৭ এ ডাকবে তাকে যে পালিয়েছিল ও ফিরে গিয়েছিল,
আবদুস শহীদ নাসিম
১৮ যে (অর্থ সম্পদ) জমা করে রেখেছিল এবং সংরক্ষণ করেছিল।
মুহিউদ্দীন খান
১৮ সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর আগলিয়ে রেখেছিল।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৮ আর সম্পদ জমা করেছিল, অতঃপর তা সংরক্ষণ করে রেখেছিল।
জহুরুল হক
১৮ আর জমা করেছিল এবং আটকে রেখেছিল।
আবদুস শহীদ নাসিম
১৯ নিশ্চয়ই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির স্বভাবের করে,
মুহিউদ্দীন খান
১৯ মানুষ তো সৃজিত হয়েছে ভীরুরূপে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
১৯ নিশ্চয় মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অস্থির করে।
জহুরুল হক
১৯ নিঃসন্দেহ মানুষের বেলা - - তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে ব্যস্তসমস্ত করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২০ যখন কোনো মন্দ তাকে স্পর্শ করে, সে হা - হুতাশ করে।
মুহিউদ্দীন খান
২০ যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে হা - হুতাশ করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২০ যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে তখন সে হয়ে পড়ে অতিমাত্রায় উৎকন্ঠিত।
জহুরুল হক
২০ যখন খারাপ অবস্থা তাকে স্পর্শ করে তখন অতীব ব্যথাতুর,
আবদুস শহীদ নাসিম
২১ যখন সে লাভ করে কোনো কল্যাণ, তখন সে হয় কৃপণ।
মুহিউদ্দীন খান
২১ আর যখন কল্যাণপ্রাপ্ত হয়, তখন কৃপণ হয়ে যায়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২১ আর যখন কল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন সে হয়ে পড়ে অতিশয় কৃপণ।
জহুরুল হক
২১ আর যখন সচ্ছলতা তাকে স্পর্শ করে তখন হাড় - কিপটে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২২ তবে, মুসল্লিরা এর ব্যতিক্রম
মুহিউদ্দীন খান
২২ তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা নামায আদায় কারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২২ সালাত আদায়কারীগণ ছাড়া,
জহুরুল হক
২২ তারা ব্যতীত যারা মুছল্লী, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
২৩ যারা স্থায়ীভাবে নিয়মিত সালাত আদায়কারী,
মুহিউদ্দীন খান
২৩ যারা তাদের নামাযে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৩ যারা তাদের সালাতের ক্ষেত্রে নিয়মিত।
জহুরুল হক
২৩ যারা তাদের নামাযের প্রতি স্বতঃনিষ্ঠাবান,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৪ যাদের মাল সম্পদে নির্ধারিত হক থাকে
মুহিউদ্দীন খান
২৪ এবং যাদের ধন - সম্পদে নির্ধারিত হক আছে
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৪ আর যাদের ধন-সম্পদে রয়েছে নির্ধারিত হক,
জহুরুল হক
২৪ আর যারা তাদের ধনসম্পত্তিতে নির্দিষ্ট অধিকার রেখেছে - -
আবদুস শহীদ নাসিম
২৫ ভিক্ষুক এবং মাহরুমদের (বঞ্চিতদের) জন্যে,
মুহিউদ্দীন খান
২৫ যাঞ্ছাকারী ও বঞ্চিতের
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৫ যাচঞাকারী ও বঞ্চিতের,
জহুরুল হক
২৫ ভিখারির ও বঞ্চিতের জন্য,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৬ যারা সত্য বলে স্বীকার করে প্রতিদান দিবসকে,
মুহিউদ্দীন খান
২৬ এবং যারা প্রতিফল দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৬ আর যারা প্রতিফল-দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
জহুরুল হক
২৬ আর যারা বিচারের দিনকে সত্য বলে গ্রহণ করে,
আবদুস শহীদ নাসিম
২৭ এবং যারা তাদের প্রভুর আযাব সম্পর্কে থাকে সব সময় ভীত - সন্ত্রস্ত।
মুহিউদ্দীন খান
২৭ এবং যারা তাদের পালনকর্তার শাস্তির সম্পর্কে ভীত - কম্পিত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৭ আর যারা তাদের রবের আযাব সম্পর্কে ভীত-সন্ত্রস্ত।
জহুরুল হক
২৭ আর যারা তাদের প্রভুর শাস্তি সম্পর্কে খোদ ভীতসন্ত্রস্ত, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
২৮ নিশ্চয়ই তাদের প্রভুর আযাব নিরাপদ নয়।
মুহিউদ্দীন খান
২৮ নিশ্চয় তাদের পালনকর্তার শাস্তি থেকে নিঃশঙ্কা থাকা যায় না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৮ নিশ্চয় তাদের রবের আযাব থেকে কেউ নিরাপদ নয়।
জহুরুল হক
২৮ নিশ্চয় তাদের প্রভুর শাস্তি প্রশান্তিদায়ক নয়;
আবদুস শহীদ নাসিম
২৯ তারা হিফাযতকারী তাদের যৌনাংগ।
মুহিউদ্দীন খান
২৯ এবং যারা তাদের যৌন - অঙ্গকে সংযত রাখে
বয়ান ফাউন্ডেশন
২৯ আর যারা তাদের যৌনাংগসমূহের হিফাযতকারী।
জহুরুল হক
২৯ আর যারা নিজেরাই তাদের আঙ্গিক - কর্তব্যাবলী সম্পর্কে যত্নবান, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
৩০ তবে নিজেদের স্ত্রী (এবং স্বামী) এবং অধিকারভুক্ত দাসীদের ছাড়া, কারণ তারা নিন্দনীয় নয়।
মুহিউদ্দীন খান
৩০ কিন্তু তাদের স্ত্রী অথবা মালিকানাভূক্ত দাসীদের বেলায় তিরস্কৃত হবে না।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩০ তবে তাদের স্ত্রী ও তাদের ডান হাত যাদের মালিক হয়েছে সে দাসীগণের ক্ষেত্র ছাড়া। তাহলে তারা সে ক্ষেত্রে নিন্দনীয় হবে না।
জহুরুল হক
৩০ তবে নিজেদের দম্পতি অথবা তাদের ডানহাত যাদের ধরে রেখেছে তাদের ছাড়া, কেননা সেক্ষেত্রে তারা নিন্দনীয় নহে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩১ কিন্তু কেউ এর বাইরে অন্য কাউকেও কামনা করলে তারা হবে সীমালংঘনকারী।
মুহিউদ্দীন খান
৩১ অতএব, যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে, তারাই সীমালংঘনকারী।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩১ তবে যে কেউ এদের বাইরে অন্যকে কামনা করে, তারাই তো সীমালংঘনকারী।
জহুরুল হক
৩১ কিন্তু যে এর বাইরে যাওয়া কামনা করে তাহলে তারা নিজেরাই হবে সীমালংঘনকারী।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩২ (তাদের আরো বৈশিষ্ট্য হলো,) তারা তাদের আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী।
মুহিউদ্দীন খান
৩২ এবং যারা তাদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষা করে
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩২ আর যারা নিজদের আমানত ও ওয়াদা রক্ষাকারী,
জহুরুল হক
৩২ আর যারা খোদ তাদের আমানত সন্বন্ধে ও তাদের অংগীকার সন্বন্ধে সজাগ থাকে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৩ তারা মজবুতভাবে প্রতিষ্ঠিত তাদের সাক্ষ্যদানের উপর,
মুহিউদ্দীন খান
৩৩ এবং যারা তাদের সাক্ষ্যদানে সরল - নিষ্ঠাবান
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৩ আর যারা তাদের সাক্ষ্যদানে অটল,
জহুরুল হক
৩৩ আর যারা স্বয়ং তাদের সাক্ষ্যদানে সুপ্রতিষ্ঠিত,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৪ এবং তারা হিফাযতকারী তাদের সালাতের,
মুহিউদ্দীন খান
৩৪ এবং যারা তাদের নামাযে যত্নবান,
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৪ আর যারা নিজদের সালাতের হিফাযত করে,
জহুরুল হক
৩৪ আর যারা নিজেরা তাদের নামায সন্বন্ধে সদা যত্নবান,
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৫ তারাই হবে জান্নাতে সম্মানিত।
মুহিউদ্দীন খান
৩৫ তারাই জান্নাতে সম্মানিত হবে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৫ তারাই জান্নাতসমূহে সম্মানিত হবে।
জহুরুল হক
৩৫ তারাই থাকবে জান্নাতে পরম সম্মানিত অবস্থায়।
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৬ যারা কুফুরি করেছে তাদের কী হলো যে, (তুমি কুরআন পাঠ করলেই) তারা তোমার দিকে তেড়ে আসে
মুহিউদ্দীন খান
৩৬ অতএব, কাফেরদের কি হল যে, তারা আপনার দিকে উর্ধ্বশ্বাসে ছুটে আসছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৬ কাফিরদের কী হল যে, তারা তোমার দিকে ছুটছে,
জহুরুল হক
৩৬ কিন্তু কি হয়েছে তাদের যারা অবিশ্বাস পোষণ করে, যে তারা তোমার দিকে উদগ্রীব হয়ে ছুটে আসছে - -
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৭ ডান দিক থেকে এবং বাম দিক থেকে দলে দলে?
মুহিউদ্দীন খান
৩৭ ডান ও বামদিক থেকে দলে দলে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৭ ডানে ও বামে দলে দলে?
জহুরুল হক
৩৭ ডান দিক থেকে ও বাম দিক থেকে, দলেদলে?
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৮ তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নিয়ামতে ভরা জান্নাতে দাখিল করা হবে?
মুহিউদ্দীন খান
৩৮ তাদের প্রত্যেকেই কি আশা করে যে, তাকে নেয়ামতের জান্নাতে দাখিল করা হবে?
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৮ তাদের প্রত্যেক ব্যক্তি কি আশা করে যে, তাকে প্রাচুর্যময় জান্নাতে দাখিল করা হবে?
জহুরুল হক
৩৮ তাদের মধ্যের প্রত্যেক লোকই কি আশা করে যে তাকে প্রবেশ করানো হবে আনন্দময় উদ্যানে?
আবদুস শহীদ নাসিম
৩৯ কখনো নয়, আমরা তাদেরকে যা দিয়ে সৃষ্টি করেছি, তা তারা জানে।
মুহিউদ্দীন খান
৩৯ কখনই নয়, আমি তাদেরকে এমন বস্তু দ্বারা সৃষ্টি করেছি, যা তারা জানে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৩৯ কখনো নয়, নিশ্চয় আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি তারা যা জানে তা থেকে।
জহুরুল হক
৩৯ কখনই না। নিঃসন্দেহ আমরা কি দিয়ে তাদের গড়েছি তা তারা জানে।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪০ না, আমি উদয়াচল এবং অস্তাচলসমূহের প্রভুর কসম খেয়ে বলছি, অবশ্যি আমরা সক্ষম,
মুহিউদ্দীন খান
৪০ আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের পালনকর্তার, নিশ্চয়ই আমি সক্ষম!
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪০ অতএব, আমি উদয়স্থল ও অস্তাচলসমূহের রবের কসম করছি যে, আমি অবশ্যই সক্ষম!
জহুরুল হক
৪০ কিন্তু না, আমি উদয়াচলের ও অস্তাচলের প্রভুর নামে শপথ করছি যে আমরা আলবৎ সমর্থ - -
আবদুস শহীদ নাসিম
৪১ তাদের বদলে তাদের চেয়ে উত্তম (মানব দলকে) তাদের স্থলাভিষিক্ত করতে এবং একাজে কেউ পারবেনা আমাদের পরাস্ত করতে।
মুহিউদ্দীন খান
৪১ তাদের পরিবর্তে উৎকৃষ্টতর মানুষ সৃষ্টি করতে এবং এটা আমার সাধ্যের অতীত নয়।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪১ তাদের চাইতে উত্তমদেরকে তাদের স্থলে নিয়ে আসতে এবং আমি অক্ষম নই।
জহুরুল হক
৪১ যে আমরা তাদের চেয়ে ভালোদের দিয়ে বদলে দেব, আর আমরা পরাজিত হবার নই।
আবদুস শহীদ নাসিম
৪২ সুতরাং তাদেরকে বাক - বিতর্ক আর খেলতামাশায় মত্ত থাকতে দাও যেদিনটি সম্পর্কে তাদের সতর্ক করা হয়েছিল সেই দিনটি আসার আগ পর্যন্ত।
মুহিউদ্দীন খান
৪২ অতএব, আপনি তাদেরকে ছেড়ে দিন, তারা বাকবিতন্ডা ও ক্রীড়া - কৌতুক করুক সেই দিবসের সম্মুখীন হওয়া পর্যন্ত, যে দিবসের ওয়াদা তাদের সাথে করা হচ্ছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪২ অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা (বেহুদা কথায়) মত্ত থাকুক আর খেল-তামাশা করুক যতক্ষণ না তারা দেখা পায় সেদিনের, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে।
জহুরুল হক
৪২ সেজন্য তাদের ছেড়ে দাও গল্পগুজব ও খেলাধুলো করতে যে পর্যন্ত না তারা তাদের সেই দিনটির সাক্ষাৎ পায় যার সন্বন্ধে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল, - -
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৩ সেদিন তারা দ্রুত বেরিয়ে আসবে কবর থেকে, মনে হবে যেনো তারা উপাসনালয়ের দিকে দৌড়াচ্ছে।
মুহিউদ্দীন খান
৪৩ সে দিন তারা কবর থেকে দ্রুতবেগে বের হবে, যেন তারা কোন এক লক্ষ্যস্থলের দিকে ছুটে যাচ্ছে।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৩ যেদিন দ্রুতবেগে তারা কবর থেকে বের হয়ে আসবে, যেন তারা কোন লক্ষ্যের দিকে ছুটছে,
জহুরুল হক
৪৩ সেইদিন তারা কবরগুলো থেকে বেরিয়ে আসবে ব্যস্তসমস্ত হয়ে, যেন তারা একটি লক্ষ্যস্থলের দিকে ধাবিত হয়েছে,
আবদুস শহীদ নাসিম
৪৪ তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনত, তাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে যিল্লতি। এটাই সেই দিন যার ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছিল তাদের।
মুহিউদ্দীন খান
৪৪ তাদের দৃষ্টি থাকবে অবনমিত; তারা হবে হীনতাগ্রস্ত। এটাই সেইদিন, যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হত।
বয়ান ফাউন্ডেশন
৪৪ অবনত চোখে। লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে! এটিই সেদিন যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছিল।
জহুরুল হক
৪৪ তাদের চোখ হবে অবনত, হীনতা তাদের আচ্ছন্ন করবে। এমনটাই সেইদিন যার বিষয়ে তাদের ওয়াদা করা হয়েছিল।
Recitation
Add a book to compare
It opens next to the books you’re reading, at the same verse.
Verse
Play from here
Bookmark
Add note
Copy
Share
Suggest a translation
Explain (AI)
Say it simply (AI)
See suggestions
Edit verse
Chapters
Find a chapter
Dictionary
Suggest a translation
Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.
Log in Create an account
Suggested translations
Your note
Ask AI about this chapter
AI-generated from the text on this page. It can make mistakes and is not a religious ruling; check it against the text and ask a scholar for guidance.
Report a problem with this answer
What is wrong?
Send report