Kitab

আল মুরসালাত (প্রেরিত)

Chapter 77, 50 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ৫০, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-১৯কিয়ামত অবশ্যি অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে হবে ধ্বংস। ২০-২৪আল্লাহ্ মানুষ সৃষ্টি করেছেন সুষম করে। ২৫-২৮পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন মানুষের জন্যে উপযোগী করে। ২৯-৫০কিয়ামতের দিনটি হবে কাফিরদের জন্যে বেদনাদায়ক। সেটি মুত্তাকিদের জন্যে হবে সুখকর।
আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ একের পর এক প্রেরিত বাতাসের,

মুহিউদ্দীন খান

কল্যাণের জন্যে প্রেরিত বায়ুর শপথ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম কল্যাণের উদ্দেশ্যে প্রেরিত বাতাসের,

জহুরুল হক

ভাবো প্রেরিতপুরুষগণের কথা - - একের পর এক,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ প্রলয়ংকরী ঝড়ের,

মুহিউদ্দীন খান

সজোরে প্রবাহিত ঝটিকার শপথ,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর প্রচন্ড বেগে প্রবাহিত ঝঞ্ঝার।

জহুরুল হক

আর ভাবো ঝড়ের মতো আসা দমকা হাওয়ার কথা,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ (মেঘমালা) সঞ্চালনকারী বায়ুর,

মুহিউদ্দীন খান

মেঘবিস্তৃতকারী বায়ুর শপথ

বয়ান ফাউন্ডেশন

কসম মেঘমালা ও বৃষ্টি বিক্ষিপ্তকারী বায়ুর,

জহুরুল হক

আর ভাবো যারা ছড়াচ্ছে ছড়ানোর মতো,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর মেঘপুঞ্জ বিচ্ছিন্নকারী বাতাসের,

মুহিউদ্দীন খান

মেঘপুঞ্জ বিতরণকারী বায়ুর শপথ এবং

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সুস্পষ্টরূপে পার্থক্যকারীর (আল-কুরআনের আয়াতের)।

জহুরুল হক

তারপর আলাদা করে দেয় আলাদা করণে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং শপথ তাদের যারা মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দেয় উপদেশ,

মুহিউদ্দীন খান

ওহী নিয়ে অবতরণকারী ফেরেশতাগণের শপথ -

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর কসম, উপদেশগ্রন্থ আনয়নকারী (ফেরেশতাদের),

জহুরুল হক

তারপর গেথে দেঁয় স্মারক গ্রন্থ, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

ওজর রহিত করা এবং সতর্ক করার জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

ওযর - আপত্তির অবকাশ না রাখার জন্যে অথবা সতর্ক করার জন্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অজুহাত দূরকারী ও সতর্ককারী।

জহুরুল হক

পরিশোধিত করতে অথবা সতর্ক করতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের যে বিষয়ের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তা অবশ্যি ঘটবে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয়ই তোমাদেরকে প্রদত্ত ওয়াদা বাস্তবায়িত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদেরকে যা কিছুর ওয়াদা দেয়া হয়েছে তা অবশ্যই ঘটবে।

জহুরুল হক

নিশ্চয় তোমাদের যা ওয়াদা করা হয়েছে তা অবশ্যই ঘটতে যাচ্ছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তারকারাজির আলো নিভে যাবে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন নক্ষত্রসমুহ নির্বাপিত হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যখন তারকারাজি আলোহীন হবে,

জহুরুল হক

সুতরাং যখন তারাগুলো ঝিমিয়ে পড়বে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন বিদীর্ণ হয়ে যাবে আকাশ,

মুহিউদ্দীন খান

যখন আকাশ ছিদ্রযুক্ত হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আকাশ বিদীর্ণ হবে,

জহুরুল হক

আর যখন আকাশ ভেঙ্গে পড়বে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখন পর্বতমালাকে উঠিয়ে বিক্ষিপ্ত করে দেয়া হবে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন পর্বতমালাকে উড়িয়ে দেয়া হবে এবং

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন পাহাড়গুলি চূর্ণবিচূর্ণ হবে,

জহুরুল হক

আর যখন পাহাড়গুলোকে উড়িয়ে দেওয়া হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর নির্ধারিত সময়ে হাজির করা হবে রসূলদের,

মুহিউদ্দীন খান

যখন রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় নিরূপিত হবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যখন রাসূলদেরকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত করা হবে;

জহুরুল হক

আর যখন রসূলগণকে নির্ধারিত সময়ে নিয়ে আসা হবে - -

আবদুস শহীদ নাসিম

সব কিছু বিলম্বিত করা হয়েছে কোন্ দিনটির জন্যে?

মুহিউদ্দীন খান

এসব বিষয় কোন দিবসের জন্যে স্থগিত রাখা হয়েছে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

কোন্ দিনের জন্য এসব স্থগিত করা হয়েছিল?

জহুরুল হক

কোন সে দিনের জন্য ধার্য রাখা হয়েছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

ফায়সালার দিনের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

বিচার দিবসের জন্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

বিচার দিনের জন্য।

জহুরুল হক

ফয়সালার দিনের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কী করে জানবে - ফায়সালার দিন কী?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি জানেন বিচার দিবস কি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর কিসে তোমাকে জানাবে বিচার দিবস কী?

জহুরুল হক

আর কী তোমাকে বুঝতে দেবে ফয়সালার দিনটি কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে হবে চরম দুর্ভোগ।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ!

জহুরুল হক

ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য!

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কি পূর্ববর্তীদের হালাক করিনি?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কি পূর্ববর্তীদেরকে ধ্বংস করিনি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি কি পূর্ববর্তীদেরকে ধ্বংস করিনি?

জহুরুল হক

আমরা কি পূর্ববর্তীদের নিধন করি নি?

আবদুস শহীদ নাসিম

শেষের লোকদেরও আমরা ওদের অনুসারেই করবো।

মুহিউদ্দীন খান

এরপর পরবর্তীদেরকে তাদের মতো করেই আনবো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর পরবর্তীদেরকে তাদের অনুসারী বানাই।

জহুরুল হক

তারপর পরবর্তীদেরও আমরা তাদের অনুগমন করাব।

আবদুস শহীদ নাসিম

অপরাধীদের সাথে আমরা এভাবেই করে থাকি।

মুহিউদ্দীন খান

অপরাধীদের সাথে আমি এরূপই করে থাকি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অপরাধীদের সাথে আমি এমনই করে থাকি।

জহুরুল হক

এইভাবেই আমরা অপরাধীদের প্রতি আচরণ করে থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন হবে চরম দুর্ভোগ প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের ধ্বংস!

জহুরুল হক

ধিক সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি!

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কি তোমাদের সৃষ্টি করিনি একটি তুচ্ছ পানি থেকে?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কি তোমাদেরকে তুচ্ছ পানি থেকে সৃষ্টি করিনি?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি কি তোমাদেরকে তুচ্ছ পানি দিয়ে সৃষ্টি করিনি?

জহুরুল হক

তোমাদের কি আমরা সৃষ্টি করি নি এক তুচ্ছ জলীয় পদার্থ থেকে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সেটাকে আমরা রেখেছি একটি নিরাপদ অবস্থানস্থলে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তা রেখেছি এক সংরক্ষিত আধারে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর তা আমি রেখেছি সুরক্ষিত আধারে

জহুরুল হক

তারপর আমরা তা স্থাপন করি এক সুরক্ষিত স্থানে, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত।

মুহিউদ্দীন খান

এক নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত,

বয়ান ফাউন্ডেশন

একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত।

জহুরুল হক

এক অবহিত পরিমাপ পর্যন্ত;

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে আমরা তাকে সুষম করে গঠন করেছি, কতো নিপুণ স্রষ্টা আমরা!

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি পরিমিত আকারে সৃষ্টি করেছি, আমি কত সক্ষম স্রষ্টা?

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর আমি পরিমাপ করেছি। আর আমিই উত্তম পরিমাপকারী।

জহুরুল হক

তারপর আমরা বিন্যস্ত করি, সুতরাং কত নিপুণ বিন্যাসকারী আমরা!

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ!

জহুরুল হক

ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি!

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কি ভূ - পৃষ্ঠকে ধারণকারী বানাইনি,

মুহিউদ্দীন খান

আমি কি পৃথিবীকে সৃষ্টি করিনি ধারণকারিণীরূপে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি কি ভূমিকে ধারণকারী বানাইনি

জহুরুল হক

আমরা কি পৃথিবীটাকে বানাই নি আধাররূপে - -

আবদুস শহীদ নাসিম

জীবিত ও মৃতদের জন্যে?

মুহিউদ্দীন খান

জীবিত ও মৃতদেরকে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

জীবিত ও মৃতদেরকে?

জহুরুল হক

জীবিত ও মৃত, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা তাতে স্থাপন করেছি সুদৃঢ় উঁচু উঁচু পর্বতমালা এবং তোমাদের পান করিয়েছি সুপেয় পানি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাতে স্থাপন করেছি মজবুত সুউচ্চ পর্বতমালা এবং পান করিয়েছি তোমাদেরকে তৃষ্ণা নিবারণকারী সুপেয় পানি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর এখানে স্থাপন করেছি সুদৃঢ় ও সুউচ্চ পর্বত এবং তোমাদেরকে পান করিয়েছি সুপেয় পানি।

জহুরুল হক

আর তাতেই তো আমরা বানিয়েছি উঁচু পাহাড় - পর্বত, আর তোমাদের পান করতে দিয়েছি সুপেয় পানি?

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ!

জহুরুল হক

ধিক সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি!

আবদুস শহীদ নাসিম

(সেদিন বলা হবে:) চলো তার দিকে যাকে (যে জাহান্নামকে) তোমরা অস্বীকার করতে।

মুহিউদ্দীন খান

চল তোমরা তারই দিকে, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

(তাদেরকে বলা হবে), তোমরা যা অস্বীকার করতে সেদিকে গমন কর।

জহুরুল হক

''তোমরা চলো তারই দিকে যাকে তোমরা অস্বীকার করতে, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

চলো, তিন শাখাওয়ালা ছায়ার দিকে।

মুহিউদ্দীন খান

চল তোমরা তিন কুন্ডলীবিশিষ্ট ছায়ার দিকে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

যাও তিন শাখা বিশিষ্ট আগুনের ছায়ায়,

জহুরুল হক

''চলো সেই ছায়ার দিকে যার রয়েছে তিনটি স্তর, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ছায়া ঠান্ডা নয় এবং যা রক্ষা করেনা অগ্নিশিখা থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

যে ছায়া সুনিবিড় নয় এবং অগ্নির উত্তাপ থেকে রক্ষা করে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যা ছায়াদানকারী নয় এবং তা জাহান্নামের জ্বলন্ত অগ্নিশিখার মোকাবেলায় কোন কাজেও আসবে না।

জহুরুল হক

''যা ছায়াময় নয় এবং অগ্নিশিখা থেকে রক্ষা করার মতোও নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটা উৎক্ষেপ করে বড় বড় স্ফুলিংগ অট্টালিকার মতো।

মুহিউদ্দীন খান

এটা অট্টালিকা সদৃশ বৃহৎ স্ফুলিংগ নিক্ষেপ করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তা (জাহান্নাম) ছড়াবে প্রাসাদসম স্ফুলিঙ্গ।

জহুরুল হক

''নিঃসন্দেহ এটি স্ফুলিঙ্গ তোলে অট্টালিকার আকারে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেগুলো যেনো হলুদ উট।

মুহিউদ্দীন খান

যেন সে পীতবর্ণ উষ্ট্রশ্রেণী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তা যেন হলুদ উষ্ট্রী।

জহুরুল হক

''যেন সেগুলো হলুদবরণ উটের পাল।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ!

জহুরুল হক

ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি!

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা হবে এমন একটা দিন যেদিন কেউ কথা বলবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

এটা এমন দিন, যেদিন কেউ কথা বলবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটা এমন দিন যেদিন তারা কথা বলবে না।

জহুরুল হক

এ হচ্ছে ঐ দিন যেদিন তারা কোনো কথা বলতে পারবে না,

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তাদের অনুমতি দেয়া হবেনা ওজর পেশ করার।

মুহিউদ্দীন খান

এবং কাউকে তওবা করার অনুমতি দেয়া হবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তাদেরকে অজুহাত পেশ করার অনুমতিও দেয়া হবে না ।

জহুরুল হক

আর তাদের অনুমতি দেওয়া হবে না যেন তারা অজুহাত দেখাতে পারে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের ধ্বংস!

জহুরুল হক

ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখানকারীদের প্রতি!

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা হলো ফায়সালার দিন, আমরা (আজ) জমা (একত্র) করেছি তোমাদের এবং পূর্বের লোকদের।

মুহিউদ্দীন খান

এটা বিচার দিবস, আমি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে একত্রিত করেছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

এটি ফয়সালার দিন; তোমাদেরকে ও পূর্ববর্তীদেরকে আমি একত্র করেছি।

জহুরুল হক

এই হচ্ছে ফয়সালা করার দিন, আমরা তোমাদের সমবেত করেছি, আর পূর্ববর্তীদেরও।

আবদুস শহীদ নাসিম

আজ যদি তোমাদের কোনো চক্রান্ত থেকে থাকে তবে তা প্রয়োগ করো আমার বিরুদ্ধে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমাদের কোন অপকৌশল থাকলে তা প্রয়োগ কর আমার কাছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমাদের কোন কৌশল থাকলে আমার বিরুদ্ধে প্রয়োগ কর।

জহুরুল হক

সুতরাং তোমাদের যদি কোনো কলাকৌশল থাকে তাহলে আমার বিরুদ্ধে অপকৌশল চালাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ!

জহুরুল হক

ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি!

আবদুস শহীদ নাসিম

মুত্তাকিরা থাকবে ছায়া আর ঝরণাধারা ওয়ালা জায়গায়।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় খোদাভীরুরা থাকবে ছায়ায় এবং প্রস্রবণসমূহে -

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে ছায়া ও ঝর্ণাবহুল স্থানে,

জহুরুল হক

নিশ্চয় ধর্মভীরুরা থাকবে স্নিগ্ধছায়ায় ও ফোয়ারাগুলোতে,

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা পাবে প্রচুর ফলমূল যা চাইবে তাদের মন।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদের বাঞ্ছিত ফল - মূলের মধ্যে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর নিজদের বাসনানুযায়ী ফলমূল-এর মধ্যে।

জহুরুল হক

আর ফলফসলের মধ্যে যা তারা পেতে চায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের আমলের পুরস্কার হিসেবে তোমরা খাও এবং পান করো তৃপ্তি সহকারে।

মুহিউদ্দীন খান

বলা হবেঃ তোমরা যা করতে তার বিনিময়ে তৃপ্তির সাথে পানাহার কর।

বয়ান ফাউন্ডেশন

(তাদেরকে বলা হবে) ‘তোমরা যে আমল করতে তার প্রতিদানস্বরূপ তৃপ্তির সাথে পানাহার কর;

জহুরুল হক

''খাও আর পিয়ো মহানন্দে যা তোমরা করে চলেছিলে সেজন্য।’’

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করি কল্যাণপরায়ণদের।

মুহিউদ্দীন খান

এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সৎকর্মশীলদের আমরা এমন-ই প্রতিদান দিয়ে থাকি।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এইভাবেই আমরা প্রতিদান দিই সৎকর্মশীলদের।

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ!

জহুরুল হক

ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি!

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা খাও এবং ভোগ করে নাও অল্প কিছু দিন। তোমরা অবশ্যি অপরাধী।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেরগণ, তোমরা কিছুদিন খেয়ে নাও এবং ভোগ করে নাও। তোমরা তো অপরাধী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

(হে কাফিররা!) তোমরা আহার কর এবং ভোগ কর ক্ষণকাল; নিশ্চয় তোমরা অপরাধী।

জহুরুল হক

খাও - দাও আর ভোগ করে নাও অল্পকালের জন্য - - তোমরা তো অপরাধী!’’

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের ধ্বংস!

জহুরুল হক

ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি!

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের যখন বলা হয় ‘রুকু করো (নত হও)’, তারা রুকু করেনা।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদেরকে বলা হয়, নত হও, তখন তারা নত হয় না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তাদেরকে যখন বলা হয় ‘রুকূ‘ কর,’ তখন তারা রুকূ‘ করত না।

জহুরুল হক

আর যখন তাদের বলা হয় ''নত হও’’, তারা নত হয় না।

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের দুর্ভোগ!

জহুরুল হক

ধিক্ সেইদিন সত্যপ্রত্যাখ্যানকারীদের প্রতি!

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তারা এর (কুরআনের) পরিবর্তে আর কোন্ বাণীর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে?

মুহিউদ্দীন খান

এখন কোন কথায় তারা এরপর বিশ্বাস স্থাপন করবে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং কুরআনের পরিবর্তে আর কোন্ বাণীর প্রতি তারা ঈমান আনবে?

জহুরুল হক

অতএব এর পরে আর কোন বাণীতে তারা বিশ্বাস করবে?

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme