Kitab

আন্ নাবা (মহাসংবাদ)

Chapter 78, 40 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
  • জহুরুল হক
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৪০, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-২০মানুষের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ। বিচারের দিনটি অবশ্যি আসবে। ২১-৩০আল্লাদ্রোহীদের পরকালীন দুর্দশা। ৩১-৩৬মুত্তাকিদের পরকালীন পুরস্কার। ৩৭-৪০কিয়ামতের দিন সুপারিশ করা তো দূরের কথা আল্লাহর সামনে টু শব্দটি করার সাহসও কারো হবেনা।
আবদুস শহীদ নাসিম

এরা একে অপরকে জিজ্ঞাসা করছে কী বিষয়ে?

মুহিউদ্দীন খান

তারা পরস্পরে কি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?

বয়ান ফাউন্ডেশন

কোন্ বিষয় সম্পর্কে তারা পরস্পর জিজ্ঞাসাবাদ করছে ?

জহুরুল হক

কি সন্বন্ধে তারা পরস্পরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

সেই মহাসংবাদ সম্পর্কে নাকি?

মুহিউদ্দীন খান

মহা সংবাদ সম্পর্কে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

মহাসংবাদটি সম্পর্কে,

জহুরুল হক

সেই মহাসংবাদ সন্বন্ধে - -

আবদুস শহীদ নাসিম

যে বিষয়ে তারা লিপ্ত রয়েছে ইখতিলাফে?

মুহিউদ্দীন খান

যে সম্পর্কে তারা মতানৈক্য করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে বিষয়ে তারা মতভেদ করছে।

জহুরুল হক

যে বিষয়ে তারা মতানৈক্যের মধ্যে রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিছুতেই (এটা ইখতিলাফের বিষয়) নয়, অচিরেই তারা জানতে পারবে (এর সত্যতা)।

মুহিউদ্দীন খান

না, সত্ত্বরই তারা জানতে পারবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

কখনো না, অচিরেই তারা জানতে পারবে।

জহুরুল হক

না, তারা শীঘ্রই জানতে পারবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

পুনরায় বলছি, কিছুতেই (এটা ইখতিলাফের বিষয়) নয়, অচিরেই তারা জানতে পারবে।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর না, সত্বর তারা জানতে পারবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর কখনো না, তারা অচিরেই জানতে পারবে।

জহুরুল হক

পুনশ্চ, না, তারা অতিশীঘ্রই জানতে পারবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কি পৃথিবীকে বানাইনি শয্যা?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কি করিনি ভূমিকে বিছানা

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি কি বানাইনি যমীনকে শয্যা?

জহুরুল হক

আমরা কি পৃথিবীটাকে পাতানো - বিছানারূপে বানাই নি,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পাহাড়গুলোকে (গেড়ে দেইনি) পেরেকের মতো?

মুহিউদ্দীন খান

এবং পর্বতমালাকে পেরেক?

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পর্বতসমূহকে পেরেক?

জহুরুল হক

আর পাহাড় - পর্বতকে খুটিরূঁপে?

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আমরা কি তোমাদের সৃষ্টি করিনি জোড়ায় জোড়ায়?

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদেরকে জোড়া জোড়া সৃষ্টি করেছি,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি জোড়ায় জোড়ায়।

জহুরুল হক

আর আমরা তোমাদের সৃষ্টি করেছি জোড়ায় - জোড়ায়;

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তোমাদের নিদ্রাকে বানাইনি তোমাদের জন্যে বিশ্রাম?

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের নিদ্রাকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রাম।

জহুরুল হক

আর তোমাদের ঘুমকে করেছি বিশ্রাম,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং রাতকে কি বানাইনি (অন্ধকার দ্বারা পোশাকের মতো) আবরণ?

মুহিউদ্দীন খান

রাত্রিকে করেছি আবরণ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি রাতকে করেছি আবরণ।

জহুরুল হক

আর রাতকে করেছি পোশাকস্বরূপ;

আবদুস শহীদ নাসিম

আর দিনকে কি বানাইনি তোমাদের জীবন - সামগ্রী উপার্জনের সময়?

মুহিউদ্দীন খান

দিনকে করেছি জীবিকা অর্জনের সময়,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি দিনকে করেছি জীবিকার্জনের সময়।

জহুরুল হক

আর দিনকে করেছি জীবিকার সংস্থান।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং আমরা বানিয়েছি তোমাদের উপরে সাতটি মজবুত (আকাশ)।

মুহিউদ্দীন খান

নির্মান করেছি তোমাদের মাথার উপর মজবুত সপ্ত - আকাশ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তোমাদের উপরে বানিয়েছি সাতটি সুদৃঢ় আকাশ।

জহুরুল হক

আর তোমাদের উপরে আমরা বানিয়েছি সাত মজবুত জিনিস,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর স্থাপন করে দিয়েছি একটি উজ্জ্বল উত্তপ্ত বাতি (সূর্য)।

মুহিউদ্দীন খান

এবং একটি উজ্জ্বল প্রদীপ সৃষ্টি করেছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি সৃষ্টি করেছি উজ্জ্বল একটি প্রদীপ।

জহুরুল হক

আর তৈরি করেছি একটি অত্যুজ্জ্বল প্রদীপ,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর বর্ষাধারী মেঘমালা থেকে বর্ষণ করেছি প্রচুর পানি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি জলধর মেঘমালা থেকে প্রচুর বৃষ্টিপাত করি,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি মেঘমালা থেকে প্রচুর পানি বর্ষণ করেছি।

জহুরুল হক

আর ঝরন্ত - মেঘ থেকে আমরা বর্ষণ করি প্রচুর বৃষ্টি,

আবদুস শহীদ নাসিম

তা দিয়ে উৎপন্ন করার জন্যে শস্য, শাক - সবজি,

মুহিউদ্দীন খান

যাতে তদ্দ্বারা উৎপন্ন করি শস্য, উদ্ভিদ।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যাতে তা দিয়ে আমি শস্য ও উদ্ভিদ উৎপন্ন করতে পারি।

জহুরুল হক

যেন তার দ্বারা গজাতে পারি শস্য ও গাছপালা,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর নিবিড় উদ্যান।

মুহিউদ্দীন খান

ও পাতাঘন উদ্যান।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর ঘন উদ্যানসমূহ।

জহুরুল হক

আর ঘনসন্নিবিষ্ট বাগানসমূহ।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই ফায়সালার দিনটি তো নির্দিষ্ট হয়েই আছে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় বিচার দিবস নির্ধারিত রয়েছে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় ফয়সালার দিন নির্ধারিত আছে।

জহুরুল হক

নিশ্চয় ফয়সালা করার দিনের এক নির্ধারিত সময়কাল আছে - -

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন যেইমাত্র শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, সাথে সাথে তোমরা এসে হাজির হবে দলে দলে।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন তোমরা দলে দলে সমাগত হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে, তখন তোমরা দলে দলে আসবে।

জহুরুল হক

সেইদিন শিঙ্গায় ফুৎকার দেওয়া হবে, তখন তোমরা আসবে দলে - দলে,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর উন্মুক্ত করে দেয়া হবে আকাশ এবং তাতে তৈরি হয়ে যাবে অসংখ্য দরজা।

মুহিউদ্দীন খান

আকাশ বিদীর্ণ হয়ে; তাতে বহু দরজা সৃষ্টি হবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আসমান খুলে দেয়া হবে, ফলে তা হবে বহু দ্বারবিশিষ্ট।

জহুরুল হক

আর আকাশকে বিদীর্ণ করা হবে, সুতরাং তা হবে বহু - দরজা - বিশিষ্ট।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পর্বতসমূহকে স্থানচ্যুত করে চালিয়ে দেয়া হবে, ফলে সেগুলো পরিণত হবে মরীচিকায়।

মুহিউদ্দীন খান

এবং পর্বতমালা চালিত হয়ে মরীচিকা হয়ে যাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পর্বতসমূহকে চলমান করা হবে, ফলে সেগুলো মরীচিকা হয়ে যাবে।

জহুরুল হক

আর পাহাড়গুলো ধসে পড়বে, ফলে তা হবে বালুময় - মরীচিকা।

আবদুস শহীদ নাসিম

অবশ্যি জাহান্নাম অতর্কিত আক্রমণের এক গোপন স্থান।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় জাহান্নাম প্রতীক্ষায় থাকবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় জাহান্নাম গোপন ফাঁদ।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ জাহান্নাম - - তা প্রতীক্ষায় রয়েছে - -

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহদ্রোহী সীমালংঘনকারীদের বাসস্থান।

মুহিউদ্দীন খান

সীমালংঘনকারীদের আশ্রয়স্থলরূপে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য প্রত্যাবর্তন স্থল।

জহুরুল হক

সীমালংঘনকারীদের জন্য প্রত্যাবর্তনস্থল; - -

আবদুস শহীদ নাসিম

যুগ যুগ ধরে (অনন্তকাল) তারা অবস্থান করবে সেখানে।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তথায় শতাব্দীর পর শতাব্দী অবস্থান করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেখানে তারা যুগ যুগ ধরে অবস্থান করবে।

জহুরুল হক

সেখানে তারা অবস্থান করবে যুগ যুগ ধরে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা না ঠান্ডা, আর না পানযোগ্য কিছু আস্বাদন করবে।

মুহিউদ্দীন খান

তথায় তারা কোন শীতল এবং পানীয় আস্বাদন করবে না;

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেখানে তারা কোন শীতলতা আস্বাদন করবে না এবং না কোন পানীয়।

জহুরুল হক

তারা সেখানে স্বাদ গ্রহণ করবে না শীতলতার, না কোনো পানীয়ের - -

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে পান করবে শুধু ফুটন্ত পানি আর ক্ষত থেকে নির্গত পুঁজ।

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু ফুটন্ত পানি ও পূঁজ পাবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ফুটন্ত পানি ও পুঁজ ছাড়া।

জহুরুল হক

শুধু ফুটন্ত জল ও হিমশীতল পানীয় ব্যতীত, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

(এ হবে তাদের কৃতকর্মের) উপযুক্ত প্রতিফল।

মুহিউদ্দীন খান

পরিপূর্ণ প্রতিফল হিসেবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

উপযুক্ত প্রতিফলস্বরূপ।

জহুরুল হক

এক যথাযথ প্রতিদান।

আবদুস শহীদ নাসিম

কারণ, হিসাব দিতে হবে - এ দৃষ্টিভংগি তারা পোষণ করতো না।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় তারা হিসাব - নিকাশ আশা করত না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় তারা হিসাবের আশা করত না।

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ তারা হিসাবের কথা ভাবে নি,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তারা মিথ্যা বলে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছিল আমাদের আয়াত সমূহকে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং আমার আয়াতসমূহে পুরোপুরি মিথ্যারোপ করত।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তারা আমার আয়াতসমূহকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছিল।

জহুরুল হক

আর আমাদের বাণীসমূহ প্রত্যাখ্যান করেছিল জোর প্রত্যাখ্যানে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ প্রতিটি জিনিসকেই আমরা লিখে রেখেছি গুণে গুণে।

মুহিউদ্দীন খান

আমি সবকিছুই লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষিত করেছি।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সব কিছুই আমি লিখিতভাবে সংরক্ষণ করেছি।

জহুরুল হক

আর সব - কিছুই - - আমরা তা লিখিতভাবে সংরক্ষণ করছি,

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং এখন আস্বাদন করো (তোমাদের আল্লাহদ্রোহী কৃতকর্মের প্রতিফল)। কেবলমাত্র শাস্তি ছাড়া তোমাদের জন্যে আমরা কোনো কিছুই বৃদ্ধি করবোনা। (হে ! আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করুন!)

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমরা আস্বাদন কর, আমি কেবল তোমাদের শাস্তিই বৃদ্ধি করব।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সুতরাং তোমরা স্বাদ গ্রহণ কর। আর আমি তো কেবল তোমাদের আযাবই বৃদ্ধি করব।

জহুরুল হক

সুতরাং স্বাদ গ্রহণ করো, আমরা তোমাদের বাড়িয়ে দেবো না শাস্তি ব্যতীত।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুত্তাকিদের (যারা কঠিন হিসাবের ভয়ে আল্লাহর হুকুম অমান্য করা থেকে বিরত থেকেছিল, তাদের) জন্যে রয়েছে সাফল্য (জান্নাত)।

মুহিউদ্দীন খান

পরহেযগারদের জন্যে রয়েছে সাফল্য।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে সফলতা।

জহুরুল হক

ধর্মভীরুদের জন্য নিশ্চয়ই রয়েছে মহাসাফল্য - -

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং উদ্যানসমূহ আর আংগুরের বাগান।

মুহিউদ্দীন খান

উদ্যান, আঙ্গুর,

বয়ান ফাউন্ডেশন

উদ্যানসমূহ ও আঙ্গুরসমূহ।

জহুরুল হক

ফলের বাগান ও আঙুর,

আবদুস শহীদ নাসিম

আর সমবয়সী পূর্ণ যৌবনা তরুণী দল।

মুহিউদ্দীন খান

সমবয়স্কা, পূর্ণযৌবনা তরুণী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর সমবয়স্কা উদ্‌ভিন্ন যৌবনা তরুণী।

জহুরুল হক

আর সমবয়স্ক ফুটফুটে কিশোর,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং (শরাব) ভর্তি পানপাত্র।

মুহিউদ্দীন খান

এবং পূর্ণ পানপাত্র।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর পরিপূর্ণ পানপাত্র।

জহুরুল হক

আর পরিপূর্ণ পানপাত্র।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেখানে তারা শুনবেনা কোনো বাজে কিংবা মিথ্যা কথাবার্তা।

মুহিউদ্দীন খান

তারা তথায় অসার ও মিথ্যা বাক্য শুনবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারা সেখানে কোন অসার ও মিথ্যা কথা শুনবে না।

জহুরুল হক

তারা সেখানে খেলো কথা শুনবে না, আর মিথ্যাকথাও নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

(এসবই দেয়া হবে) তোমার সেই মহান প্রভুর পক্ষ থেকে পুরস্কার আর হিসাব পরিমাণ দান হিসেবে,

মুহিউদ্দীন খান

এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে যথোচিত দান,

বয়ান ফাউন্ডেশন

তোমার রবের পক্ষ থেকে প্রতিফল, যথোচিত দানস্বরূপ।

জহুরুল হক

তোমার প্রভুর কাছ থেকে প্রতিফল, - - হিসাবমতো পুরস্কার, - -

আবদুস শহীদ নাসিম

যিনি মহাবিশ্ব, এই পৃথিবী এবং এগুলোর মধ্যবর্তী সমস্ত কিছুর মালিক। পরম দয়াবান তিনি। তাঁর সম্মুখে কথা বলার শক্তি - সাহস কারোই থাকবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

যিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর পালনকর্তা, দয়াময়, কেউ তাঁর সাথে কথার অধিকারী হবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এতদোভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব, পরম করুণাময়। তারা তাঁর সামনে কথা বলার সামর্থ্য রাখবে না।

জহুরুল হক

মহাকাশমন্ডল ও পৃথিবীর এবং তাদের মধ্যে যা - কিছু আছে তার প্রভু, পরম করুণাময়, তাঁর কাছে বক্তব্য রাখার কোনো ক্ষমতা তারা রাখে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন রূহ (জিবরিল) এবং ফেরেশতারা দাঁড়িয়ে থাকবে সফ (সারি) বদ্ধ হয়ে। তারা কোনো কথা বলবেনা (বলার সাহস করবেনা); তবে দয়াময় রহমান কাউকেও অনুমতি দিলে (সে বলবে) এবং সে বলবে যথার্থ ও ন্যায়সঙ্গত কথা।

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন রূহ ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে। দয়াময় যাকে অনুমতি দিবেন, সে ব্যতিত কেউ কথা বলতে পারবে না এবং সে সত্যকথা বলবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

সেদিন রূহ* ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে, যাকে পরম করুণাময় অনুমতি দেবেন সে ছাড়া অন্যরা কোন কথা বলবে না। আর সে সঠিক কথাই বলবে। *হযরত জিবরীল (আঃ)।

জহুরুল হক

সেইদিন আর - রূহ ও ফিরিশ্‌তাগণ সারবেঁধে দাঁড়াবে, পরম করুণাময় যাকে অনুমতি দেবেন সে ব্যতীত তাদের কেউ কথা বলতে পারবে না, আর সে সঠিক কথা বলবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এই দিনটি (যে আসবেই তা অনিবার্য) এক মহাসত্য। সুতরাং যার ইচ্ছা সে তার মালিকের দিকে ফেরার জন্যে পথ ধরুক।

মুহিউদ্দীন খান

এই দিবস সত্য। অতঃপর যার ইচ্ছা, সে তার পালনকর্তার কাছে ঠিকানা তৈরী করুক।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ঐ দিনটি সত্য। অতএব যে চায়, সে তার রবের নিকট আশ্রয় গ্রহণ করুক।

জহুরুল হক

এইটাই মহাসত্যের দিন। অতএব যে কেউ চায় সে তার প্রভুর কাছে আশ্রয়স্থল খুঁজুক।

আবদুস শহীদ নাসিম

অত্যাসন্ন আযাব সম্পর্কে আমরা তোমাদের সতর্ক করে দিলাম; সেদিন প্রতিটি মানুষই দেখতে পাবে তার দুই হাত কী কামাই করে (অর্থাৎ - সে কি কৃতকর্ম) সম্মুখে (বিচার দিনের জন্যে) পাঠিয়েছে? আর (তখন) বলবে: ‘হায়, আমি যদি মাটি হতাম!’

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদেরকে আসন্ন শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করলাম, যেদিন মানুষ প্রত্যেক্ষ করবে যা সে সামনে প্রেরণ করেছে এবং বলবেঃ হায়, আফসোস - আমি যদি মাটি হয়ে যেতাম।

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে একটি নিকটবর্তী আযাব সম্পর্কে সতর্ক করলাম। যেদিন মানুষ দেখতে পাবে, তার দু’হাত কী অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং বলবে ‘হায়, আমি যদি মাটি হতাম’!

জহুরুল হক

নিশ্চয় আমরা তোমাদের সতর্ক করছি এক নিকটবর্তী শাস্তি সন্বন্ধে, - - যেদিন মানুষ দেখতে পাবে তার হাত দুখানা কী আগবাড়িয়েছে, আর অবিশ্বাসী ব্যক্তি বলবে - - ''হায় আমার আফসোস! আমি যদি ধুলো হয়ে যেতাম!’’

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme