Kitab

আল মুরসালাত (প্রেরিত)

Chapter 77, 50 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • মুহিউদ্দীন খান
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা : ৫০, রুকু সংখ্যা: ০২

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-১৯কিয়ামত অবশ্যি অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে হবে ধ্বংস। ২০-২৪আল্লাহ্ মানুষ সৃষ্টি করেছেন সুষম করে। ২৫-২৮পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন মানুষের জন্যে উপযোগী করে। ২৯-৫০কিয়ামতের দিনটি হবে কাফিরদের জন্যে বেদনাদায়ক। সেটি মুত্তাকিদের জন্যে হবে সুখকর।
আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ একের পর এক প্রেরিত বাতাসের,

মুহিউদ্দীন খান

কল্যাণের জন্যে প্রেরিত বায়ুর শপথ,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ প্রলয়ংকরী ঝড়ের,

মুহিউদ্দীন খান

সজোরে প্রবাহিত ঝটিকার শপথ,

আবদুস শহীদ নাসিম

শপথ (মেঘমালা) সঞ্চালনকারী বায়ুর,

মুহিউদ্দীন খান

মেঘবিস্তৃতকারী বায়ুর শপথ

আবদুস শহীদ নাসিম

আর মেঘপুঞ্জ বিচ্ছিন্নকারী বাতাসের,

মুহিউদ্দীন খান

মেঘপুঞ্জ বিতরণকারী বায়ুর শপথ এবং

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং শপথ তাদের যারা মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দেয় উপদেশ,

মুহিউদ্দীন খান

ওহী নিয়ে অবতরণকারী ফেরেশতাগণের শপথ -

আবদুস শহীদ নাসিম

ওজর রহিত করা এবং সতর্ক করার জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

ওযর - আপত্তির অবকাশ না রাখার জন্যে অথবা সতর্ক করার জন্যে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের যে বিষয়ের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তা অবশ্যি ঘটবে।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয়ই তোমাদেরকে প্রদত্ত ওয়াদা বাস্তবায়িত হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন তারকারাজির আলো নিভে যাবে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর যখন নক্ষত্রসমুহ নির্বাপিত হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যখন বিদীর্ণ হয়ে যাবে আকাশ,

মুহিউদ্দীন খান

যখন আকাশ ছিদ্রযুক্ত হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যখন পর্বতমালাকে উঠিয়ে বিক্ষিপ্ত করে দেয়া হবে,

মুহিউদ্দীন খান

যখন পর্বতমালাকে উড়িয়ে দেয়া হবে এবং

আবদুস শহীদ নাসিম

আর নির্ধারিত সময়ে হাজির করা হবে রসূলদের,

মুহিউদ্দীন খান

যখন রসূলগণের একত্রিত হওয়ার সময় নিরূপিত হবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

সব কিছু বিলম্বিত করা হয়েছে কোন্ দিনটির জন্যে?

মুহিউদ্দীন খান

এসব বিষয় কোন দিবসের জন্যে স্থগিত রাখা হয়েছে?

আবদুস শহীদ নাসিম

ফায়সালার দিনের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

বিচার দিবসের জন্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কী করে জানবে - ফায়সালার দিন কী?

মুহিউদ্দীন খান

আপনি জানেন বিচার দিবস কি?

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে হবে চরম দুর্ভোগ।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কি পূর্ববর্তীদের হালাক করিনি?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কি পূর্ববর্তীদেরকে ধ্বংস করিনি?

আবদুস শহীদ নাসিম

শেষের লোকদেরও আমরা ওদের অনুসারেই করবো।

মুহিউদ্দীন খান

এরপর পরবর্তীদেরকে তাদের মতো করেই আনবো।

আবদুস শহীদ নাসিম

অপরাধীদের সাথে আমরা এভাবেই করে থাকি।

মুহিউদ্দীন খান

অপরাধীদের সাথে আমি এরূপই করে থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন হবে চরম দুর্ভোগ প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কি তোমাদের সৃষ্টি করিনি একটি তুচ্ছ পানি থেকে?

মুহিউদ্দীন খান

আমি কি তোমাদেরকে তুচ্ছ পানি থেকে সৃষ্টি করিনি?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সেটাকে আমরা রেখেছি একটি নিরাপদ অবস্থানস্থলে,

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি তা রেখেছি এক সংরক্ষিত আধারে,

আবদুস শহীদ নাসিম

একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত।

মুহিউদ্দীন খান

এক নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত,

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবে আমরা তাকে সুষম করে গঠন করেছি, কতো নিপুণ স্রষ্টা আমরা!

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর আমি পরিমিত আকারে সৃষ্টি করেছি, আমি কত সক্ষম স্রষ্টা?

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা কি ভূ - পৃষ্ঠকে ধারণকারী বানাইনি,

মুহিউদ্দীন খান

আমি কি পৃথিবীকে সৃষ্টি করিনি ধারণকারিণীরূপে,

আবদুস শহীদ নাসিম

জীবিত ও মৃতদের জন্যে?

মুহিউদ্দীন খান

জীবিত ও মৃতদেরকে?

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর আমরা তাতে স্থাপন করেছি সুদৃঢ় উঁচু উঁচু পর্বতমালা এবং তোমাদের পান করিয়েছি সুপেয় পানি।

মুহিউদ্দীন খান

আমি তাতে স্থাপন করেছি মজবুত সুউচ্চ পর্বতমালা এবং পান করিয়েছি তোমাদেরকে তৃষ্ণা নিবারণকারী সুপেয় পানি।

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(সেদিন বলা হবে:) চলো তার দিকে যাকে (যে জাহান্নামকে) তোমরা অস্বীকার করতে।

মুহিউদ্দীন খান

চল তোমরা তারই দিকে, যাকে তোমরা মিথ্যা বলতে।

আবদুস শহীদ নাসিম

চলো, তিন শাখাওয়ালা ছায়ার দিকে।

মুহিউদ্দীন খান

চল তোমরা তিন কুন্ডলীবিশিষ্ট ছায়ার দিকে,

আবদুস শহীদ নাসিম

যে ছায়া ঠান্ডা নয় এবং যা রক্ষা করেনা অগ্নিশিখা থেকে।

মুহিউদ্দীন খান

যে ছায়া সুনিবিড় নয় এবং অগ্নির উত্তাপ থেকে রক্ষা করে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেটা উৎক্ষেপ করে বড় বড় স্ফুলিংগ অট্টালিকার মতো।

মুহিউদ্দীন খান

এটা অট্টালিকা সদৃশ বৃহৎ স্ফুলিংগ নিক্ষেপ করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেগুলো যেনো হলুদ উট।

মুহিউদ্দীন খান

যেন সে পীতবর্ণ উষ্ট্রশ্রেণী।

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা হবে এমন একটা দিন যেদিন কেউ কথা বলবেনা।

মুহিউদ্দীন খান

এটা এমন দিন, যেদিন কেউ কথা বলবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তাদের অনুমতি দেয়া হবেনা ওজর পেশ করার।

মুহিউদ্দীন খান

এবং কাউকে তওবা করার অনুমতি দেয়া হবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটা হলো ফায়সালার দিন, আমরা (আজ) জমা (একত্র) করেছি তোমাদের এবং পূর্বের লোকদের।

মুহিউদ্দীন খান

এটা বিচার দিবস, আমি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে একত্রিত করেছি।

আবদুস শহীদ নাসিম

আজ যদি তোমাদের কোনো চক্রান্ত থেকে থাকে তবে তা প্রয়োগ করো আমার বিরুদ্ধে।

মুহিউদ্দীন খান

অতএব, তোমাদের কোন অপকৌশল থাকলে তা প্রয়োগ কর আমার কাছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুত্তাকিরা থাকবে ছায়া আর ঝরণাধারা ওয়ালা জায়গায়।

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় খোদাভীরুরা থাকবে ছায়ায় এবং প্রস্রবণসমূহে -

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা পাবে প্রচুর ফলমূল যা চাইবে তাদের মন।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তাদের বাঞ্ছিত ফল - মূলের মধ্যে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের আমলের পুরস্কার হিসেবে তোমরা খাও এবং পান করো তৃপ্তি সহকারে।

মুহিউদ্দীন খান

বলা হবেঃ তোমরা যা করতে তার বিনিময়ে তৃপ্তির সাথে পানাহার কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

এভাবেই আমরা পুরস্কৃত করি কল্যাণপরায়ণদের।

মুহিউদ্দীন খান

এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদেরকে পুরস্কৃত করে থাকি।

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা খাও এবং ভোগ করে নাও অল্প কিছু দিন। তোমরা অবশ্যি অপরাধী।

মুহিউদ্দীন খান

কাফেরগণ, তোমরা কিছুদিন খেয়ে নাও এবং ভোগ করে নাও। তোমরা তো অপরাধী।

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের যখন বলা হয় ‘রুকু করো (নত হও)’, তারা রুকু করেনা।

মুহিউদ্দীন খান

যখন তাদেরকে বলা হয়, নত হও, তখন তারা নত হয় না।

আবদুস শহীদ নাসিম

ধ্বংস সেদিন প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্যে।

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন মিথ্যারোপকারীদের দুর্ভোগ হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সুতরাং তারা এর (কুরআনের) পরিবর্তে আর কোন্ বাণীর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে?

মুহিউদ্দীন খান

এখন কোন কথায় তারা এরপর বিশ্বাস স্থাপন করবে?

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme