Kitab

আল আ’লা (মহান)

Chapter 87, 19 verses

  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • জহুরুল হক
  • মুহিউদ্দীন খান
  • বয়ান ফাউন্ডেশন
About this chapter


মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ১৯, রুকু সংখ্যা: ০১

এই সূরার আলোচ্যসূচি

আয়াতআলোচ্য বিষয় ০১-১৯যিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন তিনি তার গোপন ও প্রকাশ্য সবই জানেন। উপদেশ দিতে থাকো, যদি উপদেশ কাজে লাগে। যে আত্মোন্নয়ন করে সেই সফল। মানুষ দুনিয়ার প্রতি গুরুত্ব দেয়, অথচ আখিরাতই চিরস্থায়ী।
আবদুস শহীদ নাসিম

তসবিহ্ করো তোমার মহান প্রভুর নামের,

জহুরুল হক

মহিমা ঘোষণা করো তোমার সর্বোন্নত প্রভুর নামের, - -

মুহিউদ্দীন খান

আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামের পবিত্রতা বর্ণনা করুন

বয়ান ফাউন্ডেশন

তুমি তোমার সুমহান রবের নামের তাসবীহ পাঠ কর,

আবদুস শহীদ নাসিম

যিনি সৃষ্টি করেছেন এবং সুষম করেছেন,

জহুরুল হক

যিনি সৃষ্টি করেন, তারপর সুঠাম করেন,

মুহিউদ্দীন খান

যিনি সৃষ্টি করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যিনি সৃষ্টি করেন। অতঃপর সুসম করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

যিনি সামঞ্জ্যপূর্ণ অনুপাত নির্ধারণ করেছেন এবং পথ প্রদর্শন করেছেন।

জহুরুল হক

আর যিনি সুসমঞ্জস করেন, তারপর পথ দেখিয়ে নেন,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যিনি সুপরিমিত করেছেন ও পথ প্রদর্শন করেছেন

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যিনি নিরূপণ করেন অতঃপর পথ নির্দেশ দেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং যিনি (জমিন থেকে) বের করে আনেন উদ্ভিদ।

জহুরুল হক

আর যিনি তৃণলতা উদ্‌গত করেন,

মুহিউদ্দীন খান

এবং যিনি তৃণাদি উৎপন্ন করেছেন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর যিনি তৃণ-লতা বের করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারপর সেগুলোকে পরিণত করেন কালো আবর্জনায়।

জহুরুল হক

তারপর তাকে শুকিয়ে পাঁশুটে বানিয়ে ফেলেন।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর করেছেন তাকে কাল আবর্জনা।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর তা কালো খড়-কুটায় পরিণত করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাকে পড়িয়ে দেবো (কুরআন), তারপর তুমি আর তা ভুলবেনা।

জহুরুল হক

আমরা যথাশীঘ্র তোমাকে পড়াবো, ফলে তুমি ভুলবে না, - -

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনাকে পাঠ করাতে থাকব, ফলে আপনি বিস্মৃত হবেন না

বয়ান ফাউন্ডেশন

আমি তোমাকে পড়িয়ে দেব অতঃপর তুমি ভুলবে না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যা ইচ্ছা করেন, নিশ্চয়ই তিনি জানেন প্রকাশ্য এবং গোপনীয় সবকিছু।

জহুরুল হক

শুধু যা - কিছু ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত। নিশ্চয় তিনি জানেন প্রকাশ্য এবং যা গুপ্ত রয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

যা ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত। নিশ্চয় তিনি জানেন প্রকাশ্য ও গোপন বিষয়।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যা চান তা ছাড়া। নিশ্চয় তিনি জানেন, যা প্রকাশ্য এবং যা গোপন থাকে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমার জন্যে সহজ পথকে সহজ করে দেবো।

জহুরুল হক

আর আমরা তোমার জন্য সহজ করে দেব সহজকরনের জন্য।

মুহিউদ্দীন খান

আমি আপনার জন্যে সহজ শরীয়ত সহজতর করে দেবো।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর আমি তোমাকে সহজ বিষয় সহজ করে দেব।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাই তুমি (মানুষকে) উপদেশ দিতে থাকো, যদি উপদেশ তাদের উপকারে আসে।

জহুরুল হক

অতএব তুমি স্মরণ করিয়ে চলোচ নিশ্চয় স্মরণ করানোতে সুফল রয়েছে।

মুহিউদ্দীন খান

উপদেশ ফলপ্রসূ হলে উপদেশ দান করুন,

বয়ান ফাউন্ডেশন

অতঃপর উপদেশ দাও যদি উপদেশ ফলপ্রসু হয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

ঐ ব্যক্তি অবশ্যি উপদেশ গ্রহণ করবে, যে ভয় করে (আল্লাহকে)।

জহুরুল হক

যে ভয় করে সে যথাসত্বর উপদেশ গ্রহণ করবে,

মুহিউদ্দীন খান

যে ভয় করে, সে উপদেশ গ্রহণ করবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

সে-ই উপদেশ গ্রহণ করে, যে ভয় করে ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তা উপেক্ষা করবে ঐ ব্যক্তি, যে বড়ই দুর্ভাগা,

জহুরুল হক

কিন্ত এটি এড়িয়ে চলবে নেহাত দুশ্চরিত্র, - -

মুহিউদ্দীন খান

আর যে, হতভাগা, সে তা উপেক্ষা করবে,

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর হতভাগাই তা এড়িয়ে যায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

যে প্রবেশ করবে সাংঘাতিক আগুনে।

জহুরুল হক

যে বিরাট আগুনে ঢোকে পড়বে,

মুহিউদ্দীন খান

সে মহা - অগ্নিতে প্রবেশ করবে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

যে ভয়াবহ আগুনে প্রবেশ করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

অতপর সেখানে সে মরবেওনা, বাঁচবেওনা।

জহুরুল হক

তখন সে সেখানে মরবে না, আর বাঁচবেও না।

মুহিউদ্দীন খান

অতঃপর সেখানে সে মরবেও না, জীবিতও থাকবে না।

বয়ান ফাউন্ডেশন

তারপর সে সেখানে মরবেও না এবং বাঁচবেও না।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই সাফল্য অর্জন করবে ঐ ব্যক্তি, যে তাযকিয়া করবে,

জহুরুল হক

সে - ই যথার্থ হবে যে নিজেকে পবিত্র করেছে,

মুহিউদ্দীন খান

নিশ্চয় সাফল্য লাভ করবে সে, যে শুদ্ধ হয়

বয়ান ফাউন্ডেশন

অবশ্যই সাফল্য লাভ করবে যে আত্মশুদ্ধি করবে,

আবদুস শহীদ নাসিম

এবং তার প্রভুর নাম যিকির (উচ্চারণ, আলোচনা, স্মরণ) করবে, আর আদায় করবে ।

জহুরুল হক

এবং তার প্রভুর নাম স্মরণ করে, আর পড়ে।

মুহিউদ্দীন খান

এবং তার পালনকর্তার নাম স্মরণ করে, অতঃপর আদায় করে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

আর তার রবের নাম স্মরণ করবে, অতঃপর আদায় করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

কিন্তু তোমরা প্রাধান্য দিয়ে চলছো দুনিয়ার হায়াতকে।

জহুরুল হক

না, তোমরা দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দাও,

মুহিউদ্দীন খান

বস্তুতঃ তোমরা পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দাও,

বয়ান ফাউন্ডেশন

বরং তোমরা দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দিচ্ছ।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথচ ( - এর হায়াতই) হবে উত্তম এবং তা বাকি (স্থায়ী) থাকবে চিরকাল।

জহুরুল হক

অথচ পরকালই বেশি ভাল ও দীর্ঘস্থায়ী।

মুহিউদ্দীন খান

অথচ পরকালের জীবন উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী।

বয়ান ফাউন্ডেশন

অথচ সর্বোত্তম ও স্থায়ী।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই এই উপদেশ পূর্বের সহিফাগুলোতেও (কিতাবগুলোতেও) রয়েছে,

জহুরুল হক

নিঃসন্দেহ এইসব আছে পূর্ববর্তী ধর্মগ্রন্থে - -

মুহিউদ্দীন খান

এটা লিখিত রয়েছে পূর্ববতী কিতাবসমূহে;

বয়ান ফাউন্ডেশন

নিশ্চয় এটা আছে পূর্ববর্তী সহীফাসমূহে।

আবদুস শহীদ নাসিম

ইবরাহিম এবং মূসার সহিফায়।

জহুরুল হক

ইব্রাহীম ও মূসার ধর্মগ্রন্থে।

মুহিউদ্দীন খান

ইব্রাহীম ও মূসার কিতাবসমূহে।

বয়ান ফাউন্ডেশন

ইবরাহীম ও মূসার সহীফাসমূহে।

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme