হা - মীম।
হা মিম।
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম হা-মী-ম্।
Chapter 42, 53 verses
হা - মীম।
হা মিম।
বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-ম হা-মী-ম্।
আইন, সীন ক্বা - ফ।
আঈন সিন কাফ।
'আই-ন্ সী-ন্ ক্ব- ফ্।
এমনিভাবে পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় আপনার প্রতি ও আপনার পূর্ববর্তীদের প্রতি ওহী প্রেরণ করেন।
(হে মুহাম্মদ!) এভাবেই মহাক্ষমতাবান মহাজ্ঞানী তোমার প্রতি এবং আগের (নবী রসূলদের) প্রতি অহি করে আসছেন।
কাযা-লিকা ইয়ূহী য় ইলাইকা অ ইলা ল্লাযীনা মিন্ ক্বব্লিকা ল্লা-হুল্ 'আযীযুল্ হাকীম্।
নভোমন্ডলে যা কিছু আছে এবং ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সমস্তই তাঁর। তিনি সমুন্নত, মহান।
মহাবিশ্ব এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সবই তাঁর। তিনি সর্বোচ্চ, অতি মহান।
লাহূ মা-ফিস্ সামা-ওয়া-তি অমা-ফিল্ র্আদ অহুওয়াল্ 'আলিয়্যুল্ 'আজীম্।
আকাশ উপর থেকে ফেটে পড়ার উপক্রম হয় আর তখন ফেরেশতাগণ তাদের পালনকর্তার প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করে এবং পৃথিবীবাসীদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে। শুনে রাখ, আল্লাহই ক্ষমাশীল, পরম করুনাময়।
(এই মহান আল্লাহর সাথেই তারা শিরক করছে, যার ফলে) তাদের উপর আকাশ ভেংগে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ( এতোই মহান ও উদার যে,) তা সত্ত্বেও ফেরেশতারা তাদের প্রভুর প্রশংসার তসবিহ্ করার সাথে সাথে পৃথিবীর অধিবাসীদের জন্যেও ক্ষমা ভিক্ষা করছে। এখনো সতর্ক হয়ে যাও, নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল, অতীব দয়ালু।
তাকা-দুস্ সামা-ওয়া-তু ইয়াতাফাতত্বোর্য়ানা-মিন্ ফাওক্বিহিন্না অল্মালা-য়িকাতু ইয়ুসাব্বিহূনা বিহাম্দি রব্বিহিম্ অইয়াস্তাগ্ফিরূনা লিমান্ ফিল্ র্আদ্ব্ আলা য় ইন্নাল্লা-হা হুওয়াল্ গফূর্রু রহীম্।
যারা ব্যতীত অপরকে অভিভাবক হিসাবে গ্রহণ করে, তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখেন। আপনার উপর নয় তাদের দায় - দায়িত্ব।
যারা ছাড়া অন্যদেরকে অলি (বন্ধু, রক্ষক, প্রভু ও অভিভাবক) হিসেবে গ্রহণ করে, (তারা তো নিজেদের জন্যে অতি ঠুনকো ও নিকৃষ্ট অলি গ্রহণ করে), প্রকৃত পক্ষে আল্লাহই তাদের রক্ষক ও হিফাযতকারী। তুমি তাদের (কার্যক্রমের) জিম্মাদার নও।
অল্লাযীনাত্ তাখাযূ মিন্ দূনিহী য় আউলিয়া-য়াল্লা-হু হাফীজুন্ 'আলাইহিম্ অমা য় আন্তা 'আলাইহিম্ বিঅকীল্।
এমনি ভাবে আমি আপনার প্রতি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি, যাতে আপনি মক্কা ও তার আশ - পাশের লোকদের সতর্ক করেন এবং সতর্ক করেন সমাবেশের দিন সম্পর্কে, যাতে কোন সন্দেহ নেই। একদল জান্নাতে এবং একদল জাহান্নামে প্রবেশ করবে।
(হে মুহাম্মদ!) এভাবেই আমি তোমার প্রতি আরবি ভাষায় একটি কুরআন অবতীর্ণ করেছি, যাতে করে তুমি সতর্ক করে দিতে পারো মানব বসতির কেন্দ্র (মক্কা) এবং তার চারপাশের লোকদের। যেনো তুমি সতর্ক করতে পারো, সেদিনটি সম্পর্কে যেদিন সবাইকে (বিচারের জন্যে) একত্র করা হবে এবং সেদিনটির আগমন সম্পর্কে কোনোই সন্দেহ নেই। সেদিন একদল লোককে থাকতে দেয়া হবে জান্নাতে, আরেক দলকে নিক্ষেপ করা হবে প্রজ্জ্বলিত আগুনে।
অকাযা-লিকা আওহাইনা য় ইলাইকা ক্বর্ আ-নান্ 'আরবিয়্যাল্ লিতুন্যির উম্মাল্ কুর-অমান্ হাওলাহা-অতুন্যির ইয়াওমাল জ্বাম্'ই লা-রইবা ফীহ্ ফারীকুন্ ফিল্ জ্বান্নাতি অ ফারীকুন্ ফিস্ সা'র্ঈ।
ইচ্ছা করলে সমস্ত লোককে এক দলে পরিণত করতে পারেন। কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা স্বীয় রহমতে দাখিল করেন। আর যালেমদের কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী নেই।
চাইলে তাদেরকে (মানুষকে) এক উম্মতে পরিণত করতে (এক আদর্শের অনুসারী জাতি বানাতে) পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেন না, বরং তিনি যাকে চান তাকে নিজ রহমতের মধ্যে শামিল করে নেন। আর যালিমদের না আছে কোনো অলি, আর না আছে কোনো সাহায্যকারী।
অলাও শা-য়া ল্লা-হু লাজ্বা'আলাহুম্ উম্মাতাঁও ওয়া-হিদাতাঁও অলা-কিইঁ ইয়ুদ্খিলু মাইঁ ইয়াশা-য়ু ফী রহ্মাতিহ্ অজ্ জোয়া-লিমূনা মা-লাহুম্ মিওঁ অলিয়্যিঁও অলা-নার্ছী।
তারা কি ব্যতীত অপরকে অভিভাবক স্থির করেছে? পরন্তু আল্লাহই তো একমাত্র অভিভাবক। তিনি মৃতদেরকে জীবিত করেন। তিনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাবান।
নাকি এরা আল্লাহকে ছাড়া অন্যদের অলি বানিয়ে নিয়েছে? অথচ আল্লাহই তো একমাত্র অলি। তিনিই তো মৃতকে জীবিত করেন আর একমাত্র তিনিই তো সক্ষম সবকিছু করতে।
আমিত্তাখযূ মিন্ দুনিহী য় আউলিয়া-য়া ফাল্লা-হু হুওয়াল্ অলিয়্যু অহুওয়া ইয়ুহ্য়িল মাওতা অ হুওয়া 'আলা-কুল্লি শাইয়িন্ ক্বর্দী।
তোমরা যে বিষয়েই মতভেদ কর, তার ফয়সালা আল্লাহর কাছে সোপর্দ। ইনিই আমার পালনকর্তা আমি তাঁরই উপর নির্ভর করি এবং তাঁরই অভিমুখী হই।
তোমরা যে ব্যাপারেই মতভেদ করো না কেন, তার ফায়সালা দেয়ার মালিক তো একমাত্র । (হে মুহাম্মদ! ঘোষণা করে দাও) এই আল্লাহই আমার রব। তাঁর উপরই আমি আস্থা স্থাপন করেছি এবং (সকল ব্যাপারে) আমি কেবল তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন করি।
অমাখ্ তালাফ্তুম্ ফীহি মিন্ শাইয়িন্ ফাহুক্মুহূ য় ইলাল্লা-হ্ যা-লিকুমুল্লা-হু রব্বী 'আলাইহি তাওয়াক্কাল্তু অইলাইহি উনীব্।
তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের স্রষ্টা। তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্যে যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং চতুস্পদ জন্তুদের মধ্য থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন। এভাবে তিনি তোমাদের বংশ বিস্তার করেন। কোন কিছুই তাঁর অনুরূপ নয়। তিনি সব শুনেন, সব দেখেন।
মহাবিশ্ব এবং এই পৃথিবীর তিনিই সৃষ্টিকর্তা। তিনি তোমাদের থেকেই তোমাদের জোড়া (নারী - পুরুষ) সৃষ্টি করেছেন এবং অন্যান্য জীব - জানোয়ারেরও জোড়া সৃষ্টি করেছেন (তাদের প্রজাতি থেকেই)। এই (নারী - পুরুষ মিলন) প্রক্রিয়াতেই তিনি তোমাদের সৃষ্টি করেন। কিছুই নেই তাঁর মতো, তাঁর সদৃশ। সর্বশ্রোতা তিনি, সর্বদ্রষ্টা তিনি।
ফা-ত্বিরুস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্ব্ জ্বা'আলা লাকুম্ মিন্ আন্ফুস্কিম্ আয্ওয়া-জ্বাঁও অমিনাল্ আন্'আ-মি আয্ওয়া-জ্বান্ ইয়ায্রায়ুকুম্ ফীহ্ লাইসা কামিছ্লিহী শাইয়ুন্ অহুওয়াস্ সামীউ'ল্ বার্ছী।
আকাশ ও পৃথিবীর চাবি তাঁর কাছে। তিনি যার জন্যে ইচ্ছা রিযিক বৃদ্ধি করেন এবং পরিমিত করেন। তিনি সর্ব বিষয়ে জ্ঞানী।
মহাবিশ্ব এবং এই পৃথিবীর (সমস্ত সম্পদ ভান্ডারের) চাবিকাঠি তাঁরই হাতে। তিনি যাকে ইচ্ছা জীবিকা প্রশস্ত করে দেন, আর সীমাবদ্ধ করে দেন (যাকে ইচ্ছা)। (কারণ) সকল বিষয়ে তিনি সর্বজ্ঞানী।
লাহূ মাক্ব-লীদুস্ সামা-ওয়া-তি অল্ র্আদ্বি ইয়াব্সুত্বর্ রিয্ক্ব লিমাইঁ ইয়াশা-য়ু অইয়ার্ক্ব্দি ইন্নাহূ বিকুল্লি শাইয়িন্ 'আলীম্।
তিনি তোমাদের জন্যে দ্বীনের ক্ষেত্রে সে পথই নিধারিত করেছেন, যার আদেশ দিয়েছিলেন নূহকে, যা আমি প্রত্যাদেশ করেছি আপনার প্রতি এবং যার আদেশ দিয়েছিলাম ইব্রাহীম, মূসা ও ঈসাকে এই মর্মে যে, তোমরা দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত কর এবং তাতে অনৈক্য সৃষ্টি করো না। আপনি মূশরেকদেরকে যে বিষয়ের প্রতি আমন্ত্রণ জানান, তা তাদের কাছে দুঃসাধ্য বলে মনে হয়। যাকে ইচ্ছা মনোনীত করেন এবং যে তাঁর অভিমুখী হয়, তাকে পথ প্রদর্শন করেন।
তিনি তোমাদের জন্যে স্থির করে দিয়েছেন সেই একই দীন (জীবন - পদ্ধতি), যা নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন নূহকে এবং যা এখন আমরা অহি করছি (হে মুহাম্মদ!) তোমাকে। এটাই সেই দীন (জীবন - পদ্ধতি) যা আমরা স্থির করে দিয়েছিলাম ইবরাহিম এবং মূসা ও ঈসাকে। (তাদের সবাইকে নির্দেশ দিয়েছিলাম:) এই দীনকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত করো এবং তাতে কোনো বিভক্তি সৃষ্টি করোনা। (হে মুহাম্মদ!) মুশরিকদের জন্যে (এই দীন) বড়ই অসহনীয় - যার দিকে তুমি তাদের ডাকছো। যাকে ইচ্ছা নিজের জন্যে মনোনীত করেন এবং তিনি নিজের দিকে পথ দেখান সে ব্যক্তিকেই, যে (অনুশোচনা, আনুগত্য ও) বিনয়ের সাথে তাঁর প্রতি রুজু হয়।
শারা'আ লাকুম্ মিনাদ্দীনি মা-অছ্ছোয়া- বিহী নূহাঁও অল্লাযী য় আওহাইনা য় ইলাইকা অমা-অছ্ছোয়াইনা-বিহী ইব্রা য় হীমা অমূসা-অ'ঈসা য় আন্ আক্বীমুদ্দীনা অলা-তাতার্ফারকু ফীহ্ কাবুর 'আলাল্ মুশ্রিকীনা মা-তাদ্'ঊহুম্ ইলাইহ্ আল্লা-হু ইয়াজ্ব্ তাবী য় ইলাইহি মাইঁ ইয়াশা-য়ু অইয়াহ্দী য় ইলাইহি মাইঁ ইয়ুনীব্।
তাদের কাছে জ্ঞান আসার পরই তারা পারস্পরিক বিভেদের কারণে মতভেদ করেছে। যদি আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশের পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকত, তবে তাদের ফয়সালা হয়ে যেত। তাদের পর যারা কিতাব প্রাপ্ত হয়েছে, তারা অস্বস্তিকর সন্দেহে পতিত রয়েছে।
প্রকৃত জ্ঞান আসার পরেই লোকেরা বিভক্ত হয়ে পড়েছে নিজেদের মধ্যে পারস্পারিক (স্বার্থগত) বাড়াবাড়ির কারণে। তোমার প্রভুর পক্ষ থেকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অবকাশ প্রদানের পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকলে অবশ্যি তাদের এই (বিবাদ বিভক্তির) চূড়ান্ত ফায়সালা করে দেয়া হতো। প্রথম দিকের লোকদের পরে যারা কিতাবের উত্তরাধিকারী হয়েছে, তারা (আল্লাহর দীন ও কিতাব) সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর সন্দেহে নিমজ্জিত রয়েছে।
অমা-তার্ফারাকু য় ইল্লা-মিম্ বা'দি মা-জ্বা-য়াহুমুল্ 'ইল্মু বাগ্ইয়াম্ বাইনাহুম্ অলাওলা- কালিমাতুন্ সাবাক্বত্ র্মি রব্বিকা ইলা -আজ্বালিম্ মুসাম্মাল্ লাকুদিয়া বাইনাহুম্ অইন্নাল্লাযীনা ঊরিছুল্ কিতা-বা মিম্ বা'দিহিম্ লাফী শাক্কিম্ মিন্হু মুরীব্।
সুতরাং আপনি এর প্রতিই দাওয়াত দিন এবং হুকুম অনুযায়ী অবিচল থাকুন; আপনি তাদের খেয়ালখুশীর অনুসরণ করবেন না। বলুন, যে কিতাব নাযিল করেছেন, আমি তাতে বিশ্বাস স্থাপন করেছি। আমি তোমাদের মধ্যে ন্যায় বিচার করতে আদিষ্ট হয়েছি। আমাদের পালনকর্তা ও তোমাদের পালনকর্তা। আমাদের জন্যে আমাদের কর্ম এবং তোমাদের জন্যে তোমাদের কর্ম। আমাদের মধ্যে ও তোমাদের মধ্যে বিবাদ নেই। আমাদেরকে সমবেত করবেন এবং তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তণ হবে।
এমতাবস্থায় তুমি সরাসরি কেবল আল্লাহর দীনের দিকেই মানুষকে আহবান করো এবং এর উপরই অটল অবিচল থাকো, যেভাবে তোমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। লোকেরা যা চায়, তা মেনে চলোনা; বরং তাদের বলো: ‘আমি তো আল্লাহর অবতীর্ণ কিতাবের প্রতি ঈমান এনেছি (তাই আমি এ কিতাব বাদ দিয়ে মানুষের ইচ্ছার অনুসরণ করতে পারিনা), তাছাড়া তোমাদের মাঝে ন্যায়বিচার করার নির্দেশ আমাকে দেয়া হয়েছে। আল্লাহই আমাদের প্রভু এবং তোমাদেরও প্রভু। আমাদের কর্ম আমাদের জন্যে আর তোমাদের কর্ম তোমাদের জন্যে। আমাদের ও তোমাদের মাঝে কোনো বিতর্ক নেই। একদিন আমাদের সবাইকে একস্থানে জমায়েত করবেন আর শেষ পর্যন্ত সবাইকে ফিরে যেতে হবে তাঁরই কাছে।’
ফালিযা-লিকা ফাদ্'উ অস্তাক্বিম্ কামা য় উর্মিতা অলা-তাত্তাবি' আহ্ওয়া য় য়াহুম অকুল্ আ-মান্তু বিমা য় আন্যালা ল্লা-হু মিন্ কিতা-বিন্ আউর্মিতু লিআ'দিলা বাইনাকুম্ আল্লা-হু রব্বুনা- অরব্বুকুম্ লানা য় আ'মা-লুনা-অলাকুম্ আ'মা-লুকুম্লা-হুজ্জাতা বাইনানা- অবাইনাকুম্ আল্লা-হু ইয়াজ্ব মা'উ বাইনানা অইলাইহিল্ মার্ছী।
আল্লাহর মেনে নেয়ার পর যারা সে সম্পর্কে বিতর্কে প্রবৃত্ত হয়, তাদের বিতর্ক তাদের পালনকর্তার কাছে বাতিল, তাদের প্রতি আল্লাহর গযব এবং তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর আযাব।
আল্লাহর দেয়া দীন ও জীবন পদ্ধতি গ্রহণ করার পর যারা দীনের এই প্রকৃত অনুসারীদের সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয়, তাদের প্রভুর দৃষ্টিতে তাদের এই বিতর্ক অর্থহীন - বাতিল। তাদের উপর আপতিত হয় প্রচন্ড গজব। আর তাদের জন্যে রয়েছে দু:সহ আযাব।
অল্লাযীনা ইয়ুহা-জুনা ফিল্লা-হি মিম্ বা'দি মাস্তুজীবা লাহূ হুজ্জ্বাতুহুম্ দা-হিদ্বোয়াতুন্ 'ইন্দা রব্বিহিম্ অ'আলাইহিম্ গদ্বোয়াবুঁও অলাহুম্ 'আযা-বুন্ শাদীদ্।
আল্লাহই সত্যসহ কিতাব ও ইনসাফের মানদন্ড নাযিল করেছেন। আপনি কি জানেন, সম্ভবতঃ কেয়ামত নিকটবর্তী।
, নিঃসন্দেহে তিনিই নাযিল করেছেন ‘আল কিতাব’ (আল কুরআন) এবং ‘আল মীযান’ (জীবন - যাপনের সুষম বিধান)। তুমি কী করে জানবে হয়তো কিয়ামত একেবারে সন্নিকটে?
আল্লা-হুল্ লাযী য় আন্যালাল্ কিতা-বা বিল্হাক্ব ক্বি অল্ মীযা-ন্ অমা-ইয়ুদ্রীকা লা'আল্লাস্ সা-'আতা ক্বরীব্।
যারা তাতে বিশ্বাস করে না তারা তাকে তড়িৎ কামনা করে। আর যারা বিশ্বাস করে, তারা তাকে ভয় করে এবং জানে যে, তা সত্য। জেনে রাখ, যারা কেয়ামত সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা দূরবর্তী পথ ভ্রষ্টতায় লিপ্ত রয়েছে।
যারা ঐ দিনটিকে বিশ্বাস করেনা, তারাই সে দিনটির জন্যে তাড়াহুড়া করে। আর যারা সে দিনটির প্রতি ঈমান এনেছে তারা তার ভয়ে ভীত। তারা জানে, সে দিনটি মহাসত্য। সাবধান! যারা সে দিনটির আগমন সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা নিমজ্জিত দুস্তর ভুলের মধ্যে।
ইয়াস্তা'জ্বিলু বিহাল্লাযীনা লা- ইয়ুমিনূনা বিহা-অল্লাযীনা আ-মানূ মুশ্ফিকুনা মিন্হা- অইয়া'লামূনা আন্নাহাল্ হাক্ব্ আলা য় ইন্নাল্ লাযীনা ইয়ুমা-রূনা ফিস্ সা-'আতি লাফী দ্বোয়ালা-লিম্ বা'ঈদ্।
তাঁর বান্দাদের প্রতি দয়ালু। তিনি যাকে ইচ্ছা, রিযিক দান করেন। তিনি প্রবল, পরাক্রমশালী।
তাঁর বান্দাদের প্রতি পরম দয়াবান। তিনি যাকে ইচ্ছা জীবিকার প্রাচুর্য দিয়ে থাকেন। তিনি সর্বশক্তিমান এবং সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
আল্লা-হু লাত্বীফুম্ বি'ইবা-দিহী ইর্য়াযুকু মাইঁ ইয়াশা-য়ু অহুওয়াল্ ক্বওয়িয়্যুল্ 'আযীয্।
যে কেউ পরকালের ফসল কামনা করে, আমি তার জন্যে সেই ফসল বাড়িয়ে দেই। আর যে ইহকালের ফসল কামনা করে, আমি তাকে তার কিছু দিয়ে দেই এবং পরকালে তার কোন অংশ থাকবে না।
যে (নিজের কর্মের মাধ্যমে) আখিরাতের ফসল (পুরস্কার) কামনা করে, আমি প্রবৃদ্ধি দান করি তার সেই ফসলে। আর যে (নিজের কর্মের মাধ্যমে) পেতে চায় ইহজাগতিক ফসল (পুরস্কার), আমি তাকে সেখান থেকে কিছু অংশ দিয়ে থাকি। কিন্তু তার জন্যে কিছুই নেই আখিরাতে।
মান্ কা-না ইয়ুরীদু র্হাছাল্ আ-খিরতি নাযিদ্ লাহূ ফী র্হাছিহী অমান্ কা-না ইয়ুরীদু র্হাছাদ্দুন্ইয়া- নুতিহী মিন্হা-অমা-লাহূ ফিল্ আ-খিরতি মিন্ নাছীব্।
তাদের কি এমন শরীক দেবতা আছে, যারা তাদের জন্যে সে ধর্ম সিদ্ধ করেছে, যার অনুমতি দেননি ? যদি চুড়ান্ত সিন্ধান্ত না থাকত, তবে তাদের ব্যাপারে ফয়সালা হয়ে যেত। নিশ্চয় যালেমদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
নাকি তারা আল্লাহর শরিকদার বানিয়ে নিয়েছে এবং সেই শরিকদাররা তাদের জন্যে এমন কোনো জীবন - বিধান প্রবর্তন করেছে, যার অনুমতি দেননি? (আখিরাতে) ফায়সালা করার ঘোষণা যদি দেয়া না থাকতো, তবে তাদের (এই বিরোধের) ফায়সালা (এখানেই) করে দেয়া হতো। আর এই যালিমদের জন্যে অবশ্যি রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।
আম্ লাহুম্ শুরাকা-য়ু শারা'উলাহুম্ মিনা দ্দীনি মা-লাম্ ইয়াযাম্ বিহিল্লা-হ্ অলাওলা-কালিমাতুল্ ফাছ্লি লাকুদ্বিয়া বাইনাহুম্ অইন্নাজ্ জোয়া-লিমীনা লাহুম্ 'আযা-বুন্ আলীম্।
আপনি কাফেরদেরকে তাদের কৃতকর্মের জন্যে ভীতসন্ত্রস্ত দেখবেন। তাদের কর্মের শাস্তি অবশ্যই তাদের উপর পতিত হবে। আর যারা ও সৎকর্মী, তারা জান্নাতের উদ্যানে থাকবে। তারা যা চাইবে, তাই তাদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে। এটাই বড় পুরস্কার।
তুমি দেখতে পাবে (বিচারের দিন) এই যালিমরা তাদের কৃতকর্মের জন্যে ভীত আতংকিত। অথচ তা (আল্লাহর আযাব) তাদের উপর আপতিত হবেই। পক্ষান্তরে যারা ‘ঈমান এনেছে’ এবং ‘আমলে সালেহ্’ করেছে, তারা বসবাস করবে জান্নাতের মনোরম বাগ - বাগিচায়। তারা যা যা ইচ্ছা করবে তাদের প্রভুর কাছে সবই পাবে। এ হলো সর্বশ্রেষ্ঠ অনুগ্রহ (Supreme Grace)।
তারজ্ জোয়া-লিমীনা মুশ্ফিক্বীনা মিম্মা-কাসাবূ অহুওয়া ওয়া-ক্বিউ'ম্ বিহিম্ অল্লাযীনা আ-মানূ অ'আমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি ফী রাওদ্বোয়া-তিল্ জ্বান্না-তি লাহুম্ মা-ইয়াশা-য়ূনা 'ইন্দা রব্বিহিম্ যা-লিকা হুওয়াল্ ফাদ্ব্লুল্ কার্বী।
এরই সুসংবাদ দেন তার সেসব বান্দাকে, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে। বলুন, আমি আমার দাওয়াতের জন্যে তোমাদের কাছে কেবল আত্নীয়তাজনিত সৌহার্দ চাই। যে কেউ উত্তম কাজ করে, আমি তার জন্যে তাতে পুণ্য বাড়িয়ে দেই। নিশ্চয় ক্ষমাকারী, গুণগ্রাহী।
এটাই সেই মহোত্তম পুরস্কার, এরই সুসংবাদ দিচ্ছেন তাঁর সেইসব দাসদের, যারা ‘ঈমান এনেছে’ এবং ‘আমলে সালেহ’ করেছে। হে মুহাম্মদ! (তোমার জ্ঞাতির লোকদের) বলো: ‘এর (এই দাওয়াত ও আহবানের) বিনিময়ে আমি তোমাদের কাছে আত্মীয়তার সৌজন্য ছাড়া আর কোনো প্রতিদান চাইনা।’ যে কল্যাণকর কাজ করে, আমি তাতে তার কল্যাণের মাত্রা বাড়িয়ে দিই। নিশ্চয়ই পরম ক্ষমাশীল এবং ভালো কাজের মর্যাদা দানকারী।
যা-লিকাল্লাযী ইয়ুবাশ্শিরুল্লা-হু 'ইবা-দাহুল্ লাযীনা আ-মানূ অ'আমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-ত্ কুল্ লা য় আস্য়ালুকুম্ 'আলাইহি আজ্ব রান্ ইল্লাল্ মাওয়াদ্দাতা ফিল্ ক্বর্ ুবা- অ মাইঁ ইয়াক্ব তারিফ্ হাসানাতান্ নাযিদ্ লাহূ ফীহা-হুস্না-ইন্না ল্লা-হা গফূরুন্ শার্কূ।
নাকি তারা একথা বলে যে, তিনি আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা রটনা করেছেন? ইচ্ছা করলে আপনার অন্তরে মোহর এঁটে দিতেন। বস্তুতঃ তিনি মিথ্যাকে মিটিয়ে দেন এবং নিজ বাক্য দ্বারা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেন। নিশ্চয় তিনি অন্তর্নিহিত বিষয় সম্পর্কে সর্বিশেষ জ্ঞাত।
নাকি তারা বলে: ‘সে (মুহাম্মদ) আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা - মনগড়া কথা বলছে?’ চাইলে তোমার দিলে মোহর মেরে দিতে পারেন। আসলে তো মিথ্যাকেই মুছে (নির্মূল করে) দেন, আর নিজ বাণী (আল কুরআন) দিয়ে প্রমাণিত ও প্রতিষ্ঠিত করে দেন সত্যকে। অবশ্যি তিনি মানব মনের গোপন বিষয়ও ভালোভাবে অবগত।
আম্ ইয়াকু লূনাফ্ তারা-'আলাল্লা-হি কাযিবান্ ফাইঁ ইয়াশায়িল্লা-হু ইয়াখ্তিম্ 'আলা-ক্বল্বিক্ অইয়াম্হু ল্লা-হুল্ বা-ত্বিলা অ ইয়ুহিক্ব কুল্ হাক্ব ক্ব বিকালিমা-তিহ্ ইন্নাহূ 'আলীমুম্ বিযা-তিছ্ছুর্দূ।
তিনি তাঁর বান্দাদের তওবা কবুল করেন পাপসমূহ মার্জনা করেন এবং তোমাদের কৃত বিষয় সম্পর্কে অবগত রয়েছেন।
আর তিনিই সেই মহান সত্তা, যিনি নিজ বান্দাদের তওবা (অনুশোচনা) কবুল করেন এবং গুনাহ খাতা মাফ করেন। তিনি অবগত আছেন তোমরা যা করো।
অহুওয়াল্ লাযী ইয়াক্ব বালুত্ তাওবাতা 'আন 'ইবা-দিহী অইয়া'ফূ 'আনিস্ সাইয়িয়া-তি অইয়া'লামু মা-তাফ্'আলূ ন্।
তিনি ও সৎকর্মীদের দোয়া শোনেন এবং তাদের প্রতি স্বীয় অনুগ্রহ বাড়িয়ে দেন। আর কাফেরদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি।
যারা ‘ঈমান আনে’ এবং ‘আমলে সালেহ্’ করে, তিনি তাদের দোয়া কবুল করেন এবং তাদের প্রতি বাড়িয়ে দেন নিজের অনুগ্রহ। অন্যদিকে রয়েছে কাফিররা, তাদের জন্যে রয়েছে শক্ত আযাব।
অ ইয়াস্তাজ্বীবুল্ লাযীনা আ-মানূ অ'আমিলুছ্ ছোয়া-লিহা-তি অইয়াযীদুহুম্ মিন্ ফাদ্ব্লিহ্ অল্ কা-ফিরূনা লাহুম্ 'আযা-বুন্ শাদীদ্।
যদি তাঁর সকল বান্দাকে প্রচুর রিযিক দিতেন, তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত। কিন্তু তিনি যে পরিমাণ ইচ্ছা সে পরিমাণ নাযিল করেন। নিশ্চয় তিনি তাঁর বান্দাদের খবর রাখেন ও সবকিছু দেখেন।
যদি তাঁর সব বান্দাকেই অঢেল সম্পদ - সামগ্রী দান করতেন, তবে অবশ্যি তারা পৃথিবীতে বিদ্রোহ - বাড়াবাড়িতে লিপ্ত হতো। বরং তিনি একটি পরিমাণ মতো নাযিল করেন - যা তিনি চান। নিজ বান্দাদের প্রতি তিনি পূর্ণ সতর্ক ও দৃষ্টিবান।
অলাও বাসাত্বোয়া ল্লা-র্হু রিয্ক্ব লি'ইবা-দিহী লাবাগাও ফিল্ র্আদ্বি অলা-কিঁও ইয়ুনায্যিলু বিক্বদারিম্ মা-ইয়াশা-য়ু ইন্নাহূ বি'ইবা-দিহী খবীরুম্ বাছ্রী।
মানুষ নিরাশ হয়ে যাওয়ার পরে তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং স্বীয় রহমত ছড়িয়ে দেন। তিনিই কার্যনির্বাহী, প্রশংসিত।
তিনিই সে মহীয়ান সত্তা, মানুষ নিরাশ হয়ে পড়ার পর যিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তাদের প্রতি বিস্তার করেন নিজের করুণা। আর তিনিই সপ্রশংসিত প্রকৃত অভিভাবক।
অহুওয়াল্লাযী ইয়ুনায্যিলুল্ গইছা মিম্ বা'দি মা- ক্বানতু অইয়ান্শুরু রহ্মাতাহ্ অহুওয়াল্ অলিইয়ুল্ হামীদ্।
তাঁর এক নিদর্শন নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যেসব জীব - জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি যখন ইচ্ছা এগুলোকে একত্রিত করতে সক্ষম।
মহাবিশ্ব আর এই পৃথিবীর সৃষ্টি এবং এগুলোতে তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন যেসব প্রাণীকুল, তাতে রয়েছে তাঁর অন্যতম নিদর্শন। যখন চাইবেন, তখনই তিনি এদের সবাইকে একত্র জমায়েত করতে সক্ষম।
অমিন্ আ-ইয়া-তিহী খল্ক্ব স্ সামা-ওয়া-তি অল্র্আদ্বি অমা-বাছ্ছা ফীহিমা-মিন্ দা-ব্বাহ্ অহুওয়া 'আলা-জ্বাম্'ইহিম্ ইযা- ইয়াশা-য়ু ক্বর্দী।
তোমাদের উপর যেসব বিপদ - আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গোনাহ ক্ষমা করে দেন।
তোমাদের জীবনে যে দুর্দশা - দুর্ঘটনাই (misfortune) ঘটে, তা তোমাদেরই হাতের কামাই। আর অনেক অপরাধ তো তিনি ক্ষমাই করে দেন।
অমা-আছোয়া-বাকুম্ মিম্ মুছীবাতিন্ ফাবিমা-কাসাবাত্ আইদীকুম্ অ ইয়া'ফূ 'আন্ কার্ছী।
তোমরা পৃথিবীতে পলায়ন করে আল্লাহকে অক্ষম করতে পার না এবং ব্যতীত তোমাদের কোন কার্যনির্বাহী নেই, সাহায্যকারীও নেই।
তোমরা পৃথিবীতে আল্লাহর পাকড়াও থেকে পলায়ন করতে পারবেনা। আর ছাড়া তোমাদের না আছে কোনো অলি (অভিভাবক) আর না আছে কোনো সাহায্যকারী।
অমা য় আন্তুম্ বিমু'জ্বিযীনা ফিল্ র্আদ্বি অমা-লাকুম্ মিন্ দূনিল্লা-হি অমা-লাকুম্ মিন্ দূ নিল্লা-হি মিঁও অলিয়িঁও অলা-নার্ছী।
সমুদ্রে ভাসমান পর্বতসম জাহাজসমূহ তাঁর অন্যতম নিদর্শন।
সমুদ্রে চলমান পর্বতমালার মতো নৌযানগুলোও তাঁর অন্যতম নিদর্শন।
অমিন্ আ-ইয়া-তিহিল্ জ্বাওয়া-রি ফিল্ বাহ্রি কাল্ আ'লা-ম্।
তিনি ইচ্ছা করলে বাতাসকে থামিয়ে দেন। তখন জাহাজসমূহ সমুদ্রপৃষ্ঠে নিশ্চল হয়ে পড়ে যেন পাহাড়। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক সবরকারী, কৃতজ্ঞের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।
তিনি চাইলে বাতাসকে থামিয়ে দিতে পারেন, তখন নৌযানগুলো দাঁড়িয়ে থাকবে সমুদ্রের পিঠে। অবশ্যি এর মধ্যে নিদর্শন রয়েছে প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে।
ইঁইয়াশা ইয়ুস্কির্নি রীহা-ফাইয়াজ্লাল্না রাওয়া-কিদা 'আলা-জোয়াহ্রিহ্ ইন্না ফী যা-লিকা লাআ-ইয়া-তিল্ লিকুল্লি ছোয়াব্বা-রিন্ শার্কূ।
অথবা তাদের কৃতকর্মের জন্যে সেগুলোকে ধ্বংস করে দেন এবং অনেককে ক্ষমাও করে দেন।
কিংবা তাদের কৃতকর্মের জন্যে তিনি সেগুলোকে ডুবিয়েও দিতে পারেন। আর অনেক (বা অনেকের) অপরাধ তো তিনিই ক্ষমা করে দেন।
আও ইয়ূ বিক্ব হুন্না বিমা-কাসাবূ অইয়া'ফু 'আন্ কার্ছী।
এবং যারা আমার ক্ষমতা সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা যেন জানে যে, তাদের কোন পলায়নের জায়গা নেই।
যারা আমাদের আয়াতসমূহ সম্পর্কে বিতর্কে লিপ্ত হয়, (এতে করে) তারা যেনো জানতে পারে তাদের আশ্রয়ের কোনো জায়গা নেই।
অ ইয়া'লামুল্ লাযীনা ইয়ুজ্বা-দিলূনা ফী য় আ-ইয়া-তিনা- মা-লাহুম্ মিম্ মাহীছ্।
অতএব, তোমাদেরকে যা দেয়া হয়েছে তা পার্থিব জীবনের ভোগ মাত্র। আর আল্লাহর কাছে যা রয়েছে, তা উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী তাদের জন্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও তাদের পালনকর্তার উপর ভরসা করে।
সুতরাং যা কিছু তোমাদের দেয়া হয়েছে, তা পার্থিব জীবনের ক্ষণস্থায়ী ভোগের সামগ্রী মাত্র। অন্যদিকে আল্লাহর কাছে যা রয়েছে, সেগুলো যেমনি উত্তম, তেমনি চিরস্থায়ী সেইসব লোকদের জন্যে, যারা ঈমান আনে এবং তারা তাদের প্রভুর উপর তাওয়াক্কুল করে;
ফামা য় ঊতীতুম্ মিন্ শাইয়িন্ ফামাতা-'উল্ হা-ইয়া-তিদ্ দুন্ইয়া-অমা-'ইন্দাল্লা-হি খইরুঁও অআব্ক্ব- লিল্লাযীনা আ-মানূ অ'আলা-রব্বিহিম্ ইয়াতাওয়াক্কালূন্।
যারা বড় গোনাহ ও অশ্লীল কার্য থেকে বেঁচে থাকে এবং ক্রোধাম্বিত হয়েও ক্ষমা করে,
যারা কবিরা গুনাহ ও অশ্লীল কাজ পরিহার করে চলে, এবং ক্রোধান্বিত হলে ক্ষমা করে দেয়;
অল্লাযীনা ইয়াজ্ব্ তানিবূনা কাবা-য়িরাল্ ইছ্মি অল্ফাওয়া-হিশা অইযা-মা-গদ্বিবূ হুম্ ইয়াগ্ফিরূন্।
যারা তাদের পালনকর্তার আদেশ মান্য করে, কায়েম করে; পারস্পরিক পরামর্শক্রমে কাজ করে এবং আমি তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে,
যারা তাদের প্রভুর আহবানে সাড়া দেয়, কায়েম করে, পারস্পরিক পরামর্শের ভিত্তিতে নিজেদের বিষয়াদি পরিচালনা করে এবং আমার দেয়া রিযিক থেকে খরচ করে;
অল্লাযীনাস্ তাজ্বা-বূ লিরব্বিহিম্ অআক্ব-মুছ্ ছলা-তা অআম্রুহুম্ শূরা- বাইনাহুম্ অমিম্মা-রাযাক্বনা-হুম্ ইয়ুন্ফিকুন্।
যারা আক্রান্ত হলে প্রতিশোধ গ্রহণ করে।
আর (তাদের উপর) অন্যায় অত্যাচার করা হলে প্রতিশোধ গ্রহণ করে।
অল্লাযীনা ইযা য় আছোয়া-বাহুমুল্ বাগ্ইয়ু হুম্ ইয়ান্তাছিরূন্।
আর মন্দের প্রতিফল তো অনুরূপ মন্দই। যে ক্ষমা করে ও আপোষ করে তার পুরস্কার আল্লাহর কাছে রয়েছে; নিশ্চয় তিনি অত্যাচারীদেরকে পছন্দ করেন নাই।
মন্দের বিনিময় তো অনুরূপ মন্দ। তবে যে ক্ষমা করে দেয় এবং নিষ্পত্তি করে নেয়, তার পুরস্কার আল্লাহর জিম্মায়। তিনি অত্যাচারীদের মোটেও পছন্দ করেননা।
অজ্বাযা-য়ু সাইয়িয়াতিন্ সাইয়িয়াতুম্ মিছ্লুহা-ফামান্ 'আফা-অআছ্লাহা ফাআজরুহূ 'আলাল্লা-হ্ ইন্নাহূ লা-ইয়ুহিব্বুজ্ জোয়া-লিমীন্।
নিশ্চয় যে অত্যাচারিত হওয়ার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে, তাদের বিরুদ্ধেও কোন অভিযোগ নেই।
তবে যারা অত্যাচারিত হবার পর প্রতিশোধ গ্রহণ করে, তাদের অপরাধ ধরা হবেনা।
অলামানিন্ তাছোয়ার বা'দা জুল্মিহী ফায়ুলা-য়িকা মা 'আলাইহিম্ মিন্ সাবীল্।
অভিযোগ কেবল তাদের বিরুদ্ধে, যারা মানুষের উপর অত্যাচার চালায় এবং পৃথিবীতে অন্যায়ভাবে বিদ্রোহ করে বেড়ায়। তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
অপরাধী সাব্যস্ত করা হবে তদেরকে, যারা মানুষের উপর অত্যাচার করে এবং পৃথিবীতে অন্যায় বাড়াবাড়িতে লিপ্ত হয়। তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।
ইন্নামাস্ সাবীলু 'আলাল্লাযীনা ইয়াজ্লিমূনান্না-সা অইয়াব্গূনা ফিল্ র্আদ্বি বিগইরিল্ হাক্ব উলা-য়িকা লাহুম্ 'আযা-বুন্ আলীম্।
অবশ্যই যে সবর করে ও ক্ষমা করে নিশ্চয় এটা সাহসিকতার কাজ।
যে সবর অবলম্বন করে এবং ক্ষমা করে দেয়, তার সে কাজ অবশ্যি আল্লাহর পছন্দনীয় মহোত্তম সংকল্পের কাজ।
অলামান্ ছবার অগফার ইন্না যা-লিকা লামিন্ 'আয্মিল্ উ'র্মূ।
যাকে পথ ভ্রষ্ট করেন, তার জন্যে তিনি ব্যতীত কোন কার্যনির্বাহী নেই। পাপাচারীরা যখন আযাব প্রত্যক্ষ করবে, তখন আপনি তাদেরকে দেখবেন যে, তারা বলছে আমাদের ফিরে যাওয়ার কোন উপায় আছে কি?
যাকে পথভ্রষ্ট করে দেন, ছাড়া তার কোনো রক্ষাকারী নেই। এই যালিমরা যখন আযাবের সম্মুখীন হবে, তখন তুমি তাদের বলতে দেখবে: ‘(পৃথিবীতে) ফিরে যাবার কোনো পথ আছে কি?’
অমাইঁ ইয়ুদ্ব্লিলিল্লা-হু ফামা-লাহূ মিঁও অলিয়ি্যঁম্ মিম্ বা'দিহ্ অতারাজ্জোয়া-লিমীনা লাম্মা-রয়ায়ুল্ 'আযা-বা ইয়াকুলূনা হাল্ ইলা- মারাদ্দিম্মিন্ সাবীল্।
জাহান্নামের সামনে উপস্থিত করার সময় আপনি তাদেরকে দেখবেন, অপমানে অবনত এবং অর্ধ নিমীলিত দৃষ্টিতে তাকায়। মুমিনরা বলবে, কেয়ামতের দিন ক্ষতিগ্রস্ত তারাই, যারা নিজেদের ও তাদের পরিবার - পরিজনের ক্ষতি সাধন করেছে। শুনে রাখ, পাপাচারীরা স্থায়ী আযাবে থাকবে।
তুমি দেখতে পাবে, অবনত অপদস্থ করে এদের জাহান্নামে নেয়া হচ্ছে এবং নত চোখ বাঁকা করে তারা তাকে দেখছে। সেদিন মুমিনরা বলবে: ‘আসল ক্ষতিগ্রস্ত তারাই, যারা আজ নিজেদেরকে এবং নিজেদের পরিবার পরিজনকে ক্ষতির মধ্যে নিক্ষেপ করেছে।’ সাবধান, যালিমরা অবশ্যি থাকবে চিরস্থায়ী আযাবের মধ্যে।
অ তর-হুম্ ইয়ু'রদ্ব না 'আলাইহা-খ-শি'ঈনা মিনায্ যুল্লি ইয়ান্জুরূনা মিন্ ত্বোর্য়াফিন্ খফী অক্বা-লাল্ লাযীনা আ-মানূ য় ইন্নাল্ খ-সিরীনাল্ লাযীনা খসিরূ য় আন্ফুসাহুম্ অআহ্লীহিম্ ইয়াওমাল্ ক্বিয়া-মাহ্ আলা য় ইন্নাজ্ জোয়া-লিমীনা ফী 'আযা-বিম্ মুক্বীম্।
তা’আলা ব্যতীত তাদের কোন সাহায্যকারী থাকবে না, যে তাদেরকে সাহায্য করবে। তা’আলা যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার কোন গতি নেই।
ছাড়া তাদের সাহায্য করার জন্যে তাদের আর কোনোই অলি - অভিভাবক থাকবেনা। যাকে পথভ্রষ্ট করে দেন, তার রক্ষা পাবার আর কোনো পথ থাকেনা।
অমা-কা-না লাহুম্ মিন্ আউলিয়া-য়া ইয়ান্ছুরূনাহুম্ মিন্ দূনিল্লা-হ্ অমাইঁ ইয়ুদ্ব্লিলিল্লা-হু ফামা-লাহূ মিন্ সাবীল্।
তা’আলার পক্ষ থেকে অবশ্যম্ভাবী দিবস আসার পূর্বে তোমরা তোমাদের পালনকর্তার আদেশ মান্য কর। সেদিন তোমাদের কোন আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তা নিরোধকারী কেউ থাকবে না।
সুতরাং, তোমরা আল্লাহর আহবানে সাড়া দাও (তাঁর নির্দেশ মতো জীবন পরিচালনা করো) সেই দিনটি আসার আগেই, যার আগমন অপ্রতিরোধ্য। সেদিন তোমাদের কোনো আশ্রয়স্থল থাকবেনা এবং তোমাদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করারও কেউ থাকবেনা।
ইস্তাজ্বীবূ লিরব্বিকুম্ মিন্ ক্বব্লি আইঁ ইয়াতিয়া ইয়াওমুল্ লা-মারদ্দা লাহূ মিনাল্লা-হ্ মা-লাকুম্ মিম্ মাল্জ্বায়িঁ ইয়াওমায়িযিঁও অমা-লাকুম্ মিন্ নার্কী।
যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আপনাকে আমি তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। আপনার কর্তব্য কেবল প্রচার করা। আমি তাদের রক্ষক করে পাঠাইনি। আপনার কর্তব্য কেবল প্রচার করা। আমি যখন মানুষকে আমার রহমত আস্বাদন করাই, তখন সে উল্লসিত, আর যখন তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের কোন অনিষ্ট ঘটে, তখন মানুষ খুব অকৃতজ্ঞ হয়ে যায়।
এরপরও যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আমরা তো তোমাকে তাদের রক্ষক বানিয়ে পাঠাইনি। বার্তা পৌঁছে দেয়া ছাড়া তোমার কোনো দায় দায়িত্ব নেই। মানুষের অবস্থা তো হলো এই যে, আমরা যখন তাকে আমাদের রহমতের স্বাদ গ্রহণ করাই, সে উল্লসিত হয়ে উঠে। আবার যখন তাদের কৃতকর্মের ফলে তাদের উপর দু:খ দুর্দশা চেপে বসে, তখন মানুষ হয়ে পড়ে চরম অকৃতজ্ঞ।
ফাইন আ'রাদ্ব ফামা য় র্আসাল্না-কা 'আলাইহিম্ হাফীজোয়া- ইন্ 'আলাইকা ইল্লাল্ বালা-গ্ অইন্না য় ইযা য় আযাক্ব নাল্ ইন্সা-না মিন্না-রহ্মাতান্ ফারিহা-বিহা-অইন্ তুছিব্হুম্ সাইয়িয়াতুম্ বিমা-ক্বদ্দামাত্ আইদীহিম্ ফাইন্নাল্ ইন্সা-না কার্ফূ।
নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব তা’আলারই। তিনি যা ইচ্ছা, সৃষ্টি করেন, যাকে ইচ্ছা কন্যা - সন্তান এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন।
মহাবিশ্ব এবং এই পৃথিবীর শাসন - কর্তৃত্ব একমাত্র আল্লাহর। তিনি তাই সৃষ্টি করেন, যা তিনি চান। তিনি যাকে চান কন্যা সন্তান দান করেন, আর যাকে চান দান করেন পুত্র সন্তান।
লিল্লা-হি মুল্কুস্ সামা-ওয়া-তি অল্আরদ্ব্ ইয়াখ্লুকু মা-ইয়া শা-য়্ ইয়াহাবু লিমাইঁ ইয়াশা-য়ু ইনা-ছাঁও অইয়াহাবু লিমাই ইঁয়াশা-য়ুয্ যুর্কূ।
অথবা তাদেরকে দান করেন পুত্র ও কন্যা উভয়ই এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করে দেন। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ, ক্ষমতাশীল।
যাকে চান তিনি পুত্র - কন্যা উভয় সন্তানই দান করেন, আর যাকে ইচ্ছা করে রাখেন বন্ধ্যা। তিনি সর্বজ্ঞানী এবং সর্বশক্তিমান।
আও ইয়ুযাওয়্যিজুহুম্ যুক্রা-নাঁও অইনা-ছান্ অইয়াজ্ব্-'আলূ মাইঁ ইয়াশা-য়ু 'আক্বীমা- ইন্নাহূ 'আলীমুন্ ক্বর্দী।
কোন মানুষের জন্য এমন হওয়ার নয় যে, তার সাথে কথা বলবেন। কিন্তু ওহীর মাধ্যমে অথবা পর্দার অন্তরাল থেকে অথবা তিনি কোন দূত প্রেরণ করবেন, অতঃপর যা চান, সে তা তাঁর অনুমতিক্রমে পৌঁছে দেবে। নিশ্চয় তিনি সর্বোচ্চ প্রজ্ঞাময়।
কোনো মানুষকে এ মর্যাদা দেয়া হয়নি যে, তার সাথে (সরাসরি) কথা বলবেন। তিনি কারো সাথে কথা বললে বলে থাকেন অহির (সুক্ষ্ম ইংগিতের) মাধ্যমে, অথবা পর্দার অন্তরাল থেকে, কিংবা তার কাছে বার্তাবাহক (ফেরেশতা) পাঠিয়ে দেন এবং সে তাঁর হুকুম মতো তিনি যা চান, তা অহি করে। নি:সন্দেহে তিনি অতি মহান ও মহাবিজ্ঞ।
অমা- কা-না লিবাশারিন্ আইঁ ইয়ুকাল্লিমাহুল্লা-হু ইল্লা-অহ্ইয়ান্ আও মিওঁ অর-য়ি হিজ্বা-বিন্ আও ইর্য়ুসিলা রসূলান্ ফাইয়ূহিয়া বিইয্নিহী মা-ইয়াশা-য়্ ইন্নাহূ 'আলিয়্যুন্ হাকীম।
এমনিভাবে আমি আপনার কাছে এক ফেরেশতা প্রেরণ করেছি আমার আদেশক্রমে। আপনি জানতেন না, কিতাব কি এবং ঈমান কি? কিন্তু আমি একে করেছি নূর, যাদ্দ্বারা আমি আমার বান্দাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করি। নিশ্চয় আপনি সরল পথ প্রদর্শন করেন -
(হে মুহাম্মদ) এ পদ্ধতিতেই আমরা আমাদের নির্দেশ (Command) - এর একটি ‘রূহ’ তোমার কাছে অহি করেছি। তুমি তো কিছুই জানতে না, কিতাব কী? ঈমান কী? (আসল কথা হলো, আমরা তোমার কাছে প্রেরিত) সেই রূহটিকে (তোমার জন্যে) একটি আলোকবর্তিকা বানিয়ে দিয়েছি। এই আলোকবর্তিকা দিয়েই আমরা আমাদের দাসদের যাকে ইচ্ছা সঠিক পথ দেখিয়ে থাকি। আর নি:সন্দেহে (হে মুহাম্মদ!) তুমি সিরাতুল মুস্তাকিমের (সঠিক পথের) দিকেই ডাকছো।
অ কাযা-লিকা আওহাইনা য় ইলাইকা রূহাম্ মিন্ আম্রিনা- মা-কুন্তা তাদ্রী মাল্ কিতা-বু অলাল্ ঈমা-নু অলা-কিন্ জ্বা'আল্না-হু নূরান্ নাহ্দী বিহী মান্ নাশা-য়ু মিন্ 'ইবা-দিনা- অইন্নাকা লা-তাহ্দী ইলা-ছিরা-ত্বিম্ মুস্তাকীম্।
আল্লাহর পথ। নভোমন্ডল ও ভূমন্ডল যা কিছু আছে, সব তাঁরই। শুনে রাখ, তা’আলার কাছেই সব বিষয়ে পৌঁছে।
(তুমি মানুষকে) সেই মহান (আল্লাহর) পথের দিকেই ডাকছো, মহাবিশ্ব এবং এই পৃথিবীর সবকিছুর যিনি মালিক। সতর্ক হও, নি:সন্দেহে সমস্ত বিষয় (চূড়ান্ত ফায়সালার জন্যে) ফিরে যায় আল্লাহরই কাছে।
ছিরা-ত্বি ল্লা-হিল্ লাযীলাহূ মা-ফিস্ সামা-ওয়া-তি অমা-ফিল্ র্আদ্ব আলা য় ইলাল্লা-হি তাছীরূল উর্মূ।