Kitab

আল নূর

Chapter 24, 64 verses

  • মুহিউদ্দীন খান
  • আবদুস শহীদ নাসিম
  • Word by word
মুহিউদ্দীন খান

এটা একটা সূরা যা আমি নাযিল করেছি, এবং দায়িত্বে অপরিহার্য করেছি। এতে আমি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ অবতীর্ণ করেছি, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।

আবদুস শহীদ নাসিম

এটি একটি সূরা। আমরা এটি নাযিল করেছি এবং ফরয করে দিয়েছি এর বিধান। আর এতে নাযিল করেছি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ, যাতে করে তোমরা উপদেশ গ্রহণ করো।

Word by word

سُورَةٌ أَنزَلْنَٰهَا وَفَرَضْنَٰهَا وَأَنزَلْنَا فِيهَآ ءَايَٰتٍۭ بَيِّنَٰتٍ لَّعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ

মুহিউদ্দীন খান

ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ; তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি হয়ে থাক। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।

আবদুস শহীদ নাসিম

জিনাকারী নারী এবং জিনাকারী পুরুষ তাদের প্রত্যেককে বেত্রাঘাত করো একশটি করে।১ আল্লাহর আইন বাস্তবায়নে তাদের প্রতি দয়া যেনো তোমাদের প্রভাবিত না করে যদি তোমরা ঈমান রাখো আল্লাহর প্রতি এবং আখিরাতের প্রতি। আর তাদের শাস্তি দেখার জন্যে একদল যেনো উপস্থিত থাকে।

Word by word

ٱلزَّانِيَةُ وَٱلزَّانِى فَٱجْلِدُوا۟ كُلَّ وَٰحِدٍ مِّنْهُمَا مِا۟ئَةَ جَلْدَةٍ وَلَا تَأْخُذْكُم بِهِمَا رَأْفَةٌ فِى دِينِ ٱللَّهِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْءَاخِرِ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَ

মুহিউদ্দীন খান

ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে এবং এদেরকে মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

জিনাকারী বিয়ে করেনা কোনো জিনাকারিনী কিংবা মুশরিক নারী ছাড়া। আর কোনো জিনাকারিনীও বিয়ে করেনা কোনো জিনাকারী কিংবা মুশরিক ছাড়া। এটা হারাম করে দেয়া হলো মুমিনদের জন্যে।

Word by word

ٱلزَّانِى لَا يَنكِحُ إِلَّا زَانِيَةً أَوْ مُشْرِكَةً وَٱلزَّانِيَةُ لَا يَنكِحُهَآ إِلَّا زَانٍ أَوْ مُشْرِكٌ وَحُرِّمَ ذَٰلِكَ عَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ

মুহিউদ্দীন খান

যারা সতী - সাধ্বী নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অতঃপর স্বপক্ষে চার জন পুরুষ সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। এরাই না’ফারমান।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা সতী সাধ্বী নারীদের প্রতি (ব্যভিচারের) অপবাদ আরোপ করে, তারপর চারজন সাক্ষী হাজির করতে ব্যর্থ হয় তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করো এবং কখনো তাদের সাক্ষ্যগ্রহণ করবেনা। কারণ, তারা ফাসিক (সীমালঙ্ঘনকারী)।

Word by word

وَٱلَّذِينَ يَرْمُونَ ٱلْمُحْصَنَٰتِ ثُمَّ لَمْ يَأْتُوا۟ بِأَرْبَعَةِ شُهَدَآءَ فَٱجْلِدُوهُمْ ثَمَٰنِينَ جَلْدَةً وَلَا تَقْبَلُوا۟ لَهُمْ شَهَٰدَةً أَبَدًا وَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْفَٰسِقُونَ

মুহিউদ্দীন খান

কিন্তু যারা এরপর তওবা করে এবং সংশোধিত হয়, ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তবে যারা এমনটি করার পর অনুতপ্ত হয়ে তওবা করে এবং নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয়, তাদের কথা ভিন্ন। কারণ তো পরম ক্ষমাশীল অতীব দয়াবান।

Word by word

إِلَّا ٱلَّذِينَ تَابُوا۟ مِنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ وَأَصْلَحُوا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

মুহিউদ্দীন খান

এবং যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে এবং তারা নিজেরা ছাড়া তাদের কোন সাক্ষী নেই, এরূপ ব্যক্তির সাক্ষ্য এভাবে হবে যে, সে আল্লাহর কসম খেয়ে চারবার সাক্ষ্য দেবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা নিজ স্ত্রীর প্রতি অপবাদ আরোপ করবে, অথচ নিজেরা ছাড়া তাদের আর কোনো সাক্ষী নেই, তাদের একজনের সাক্ষ্যই চার সাক্ষীর সমতুল্য হবে। এভাবে যে, সে আল্লাহর নামে চারবার শপথ করে বলবে, সে অবশ্যি সত্যবাদী।

Word by word

وَٱلَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَٰجَهُمْ وَلَمْ يَكُن لَّهُمْ شُهَدَآءُ إِلَّآ أَنفُسُهُمْ فَشَهَٰدَةُ أَحَدِهِمْ أَرْبَعُ شَهَٰدَٰتٍۭ بِٱللَّهِ إِنَّهُۥ لَمِنَ ٱلصَّٰدِقِينَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং পঞ্চমবার বলবে যে, যদি সে মিথ্যাবাদী হয় তবে তার উপর আল্লাহর লানত।

আবদুস শহীদ নাসিম

পঞ্চমবার বলবে, তার উপর আল্লাহর লা’নত নেমে আসুক যদি সে মিথ্যাবাদী হয়।

Word by word

وَٱلْخَٰمِسَةُ أَنَّ لَعْنَتَ ٱللَّهِ عَلَيْهِ إِن كَانَ مِنَ ٱلْكَٰذِبِينَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং স্ত্রীর শাস্তি রহিত হয়ে যাবে যদি সে আল্লাহর কসম খেয়ে চার বার সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামী অবশ্যই মিথ্যাবাদী;

আবদুস শহীদ নাসিম

আর তার স্ত্রীর দন্ডও রহিত হয়ে যাবে যদি সে চারবার আল্লাহর নামে শপথ করে সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামী মিথ্যাবাদী।

Word by word

وَيَدْرَؤُا۟ عَنْهَا ٱلْعَذَابَ أَن تَشْهَدَ أَرْبَعَ شَهَٰدَٰتٍۭ بِٱللَّهِ إِنَّهُۥ لَمِنَ ٱلْكَٰذِبِينَ

মুহিউদ্দীন খান

এবং পঞ্চমবার বলে যে, যদি তার স্বামী সত্যবাদী হয় তবে তার ওপর আল্লাহর গযব নেমে আসবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর পঞ্চমবার বলবে, তার নিজের উপর আল্লাহর গজব নেমে আসুক যদি তার স্বামী সত্যবাদী হয়।

Word by word

وَٱلْخَٰمِسَةَ أَنَّ غَضَبَ ٱللَّهِ عَلَيْهَآ إِن كَانَ مِنَ ٱلصَّٰدِقِينَ

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকলে এবং তওবা কবুল কারী, প্রজ্ঞাময় না হলে কত কিছুই যে হয়ে যেত।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তোমাদের কেউই রক্ষা পেতোনা) যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত না হতো এবং তিনি যদি তওবা কবুলকারী প্রজ্ঞাবান না হতেন।

Word by word

وَلَوْلَا فَضْلُ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُۥ وَأَنَّ ٱللَّهَ تَوَّابٌ حَكِيمٌ

মুহিউদ্দীন খান

যারা মিথ্যা অপবাদ রটনা করেছে, তারা তোমাদেরই একটি দল। তোমরা একে নিজেদের জন্যে খারাপ মনে করো না; বরং এটা তোমাদের জন্যে মঙ্গলজনক। তাদের প্রত্যেকের জন্যে ততটুকু আছে যতটুকু সে গোনাহ করেছে এবং তাদের মধ্যে যে এ ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে, তার জন্যে রয়েছে বিরাট শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা এই অপবাদ রচনা করেছে২ তারা তো তোমাদেরই একটি গ্রুপ। এ ঘটনাকে তোমাদের জন্যে ক্ষতিকর মনে করোনা, বরং ওটা তোমাদের জন্যে কল্যাণকর। এ মিথ্যা ঘটনা রটনাকারী প্রত্যেকের জন্যে তাই রয়েছে, যে যা পাপ কামাই করেছে। আর তাদের মধ্যে যে ব্যক্তি৩ এ ব্যাপারে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে তার জন্যে রয়েছে বিরাট আযাব।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ جَآءُو بِٱلْإِفْكِ عُصْبَةٌ مِّنكُمْ لَا تَحْسَبُوهُ شَرًّا لَّكُم بَلْ هُوَ خَيْرٌ لَّكُمْ لِكُلِّ ٱمْرِئٍ مِّنْهُم مَّا ٱكْتَسَبَ مِنَ ٱلْإِثْمِ وَٱلَّذِى تَوَلَّىٰ كِبْرَهُۥ مِنْهُمْ لَ

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যখন একথা শুনলে, তখন পুরুষ ও নারীগণ কেন নিজেদের লোক সম্পর্কে উত্তম ধারণা করনি এবং বলনি যে, এটা তো নির্জলা অপবাদ?

আবদুস শহীদ নাসিম

পুরুষ এবং নারীরা যখন এই (অপবাদের) ঘটনা শুনলো, তখন কেন তারা নিজেদের সম্পর্কে সুধারণা করলো না এবং কেন বললোনা: ‘এ তো এক সুস্পষ্ট অপবাদ।’

Word by word

لَّوْلَآ إِذْ سَمِعْتُمُوهُ ظَنَّ ٱلْمُؤْمِنُونَ وَٱلْمُؤْمِنَٰتُ بِأَنفُسِهِمْ خَيْرًا وَقَالُوا۟ هَٰذَآ إِفْكٌ مُّبِينٌ

মুহিউদ্দীন খান

তারা কেন এ ব্যাপারে চার জন সাক্ষী উপস্থিত করেনি; অতঃপর যখন তারা সাক্ষী উপস্থিত করেনি, তখন তারাই আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা কেন এ ব্যাপারে চারজন সাক্ষী হাজির করলোনা? যেহেতু তারা সাক্ষী উপস্থিত করেনি, তাই তারা আল্লাহর কাছে মিথ্যাবাদী।

Word by word

لَّوْلَا جَآءُو عَلَيْهِ بِأَرْبَعَةِ شُهَدَآءَ فَإِذْ لَمْ يَأْتُوا۟ بِٱلشُّهَدَآءِ فَأُو۟لَٰٓئِكَ عِندَ ٱللَّهِ هُمُ ٱلْكَٰذِبُونَ

মুহিউদ্দীন খান

যদি ইহকালে ও পরকালে তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকত, তবে তোমরা যা চর্চা করছিলে, তজ্জন্যে তোমাদেরকে গুরুতর আযাব স্পর্শ করত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের প্রতি যদি আল্লাহর অনুগ্রহ এবং রহমত না হতো, তাহলে তোমরা যে অন্যায়ে লিপ্ত হয়েছিলে তার জন্যে তোমাদের দুনিয়া এবং আখিরাতে স্পর্শ করতো মহাশাস্তি।

Word by word

وَلَوْلَا فَضْلُ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُۥ فِى ٱلدُّنْيَا وَٱلْءَاخِرَةِ لَمَسَّكُمْ فِى مَآ أَفَضْتُمْ فِيهِ عَذَابٌ عَظِيمٌ

মুহিউদ্দীন খান

যখন তোমরা একে মুখে মুখে ছড়াচ্ছিলে এবং মুখে এমন বিষয় উচ্চারণ করছিলে, যার কোন জ্ঞান তোমাদের ছিল না। তোমরা একে তুচ্ছ মনে করছিলে, অথচ এটা আল্লাহর কাছে গুরুতর ব্যাপার ছিল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা মুখে মুখে তা ছড়াচ্ছিলে এবং মুখে এমন বিষয় উচ্চারণ করে যাচ্ছিলে যার কোনো এলেম তোমাদের ছিলনা। তোমরা এটাকে মনে করছিলে সহজ। অথচ এটা ছিলো এক জঘন্য বিষয় আল্লাহর কাছে।

Word by word

إِذْ تَلَقَّوْنَهُۥ بِأَلْسِنَتِكُمْ وَتَقُولُونَ بِأَفْوَاهِكُم مَّا لَيْسَ لَكُم بِهِۦ عِلْمٌ وَتَحْسَبُونَهُۥ هَيِّنًا وَهُوَ عِندَ ٱللَّهِ عَظِيمٌ

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা যখন এ কথা শুনলে তখন কেন বললে না যে, এ বিষয়ে কথা বলা আমাদের উচিত নয়। তো পবিত্র, মহান। এটা তো এক গুরুতর অপবাদ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা এই (অপবাদ) শুনার সাথে সাথে কেন বললেনা: ‘এ বিষয়ে আমাদের কথা বলা উচিত নয়, পবিত্র, এ - তো এক বিরাট অপবাদ।’

Word by word

وَلَوْلَآ إِذْ سَمِعْتُمُوهُ قُلْتُم مَّا يَكُونُ لَنَآ أَن نَّتَكَلَّمَ بِهَٰذَا سُبْحَٰنَكَ هَٰذَا بُهْتَٰنٌ عَظِيمٌ

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদেরকে উপদেশ দিচ্ছেন, তোমরা যদি হও, তবে তখনও পুনরায় এ ধরণের আচরণের পুনরাবৃত্তি করো না।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের ওয়ায (উপদেশ) করছেন, তোমরা যেনো অনুরূপ কাজে আর কখনো জড়িত না হও, যদি তোমরা হয়ে থাকো।

Word by word

يَعِظُكُمُ ٱللَّهُ أَن تَعُودُوا۟ لِمِثْلِهِۦٓ أَبَدًا إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের জন্যে কাজের কথা স্পষ্ট করে বর্ণনা করেন। সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের জন্যে পরিষ্কারভাবে বয়ান করছেন আয়াতসমূহ। জ্ঞানী এবং প্রজ্ঞাবান।

Word by word

وَيُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمُ ٱلْءَايَٰتِ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ

মুহিউদ্দীন খান

যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে ব্যভিচার প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্যে ইহাকাল ও পরকালে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। জানেন, তোমরা জান না।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা মুমিনদের মাঝে ফাহেশার প্রচার প্রসার পছন্দ করে, তাদের জন্যে রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব দুনিয়া এবং আখিরাতে। জানেন, তোমরা জানোনা।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ يُحِبُّونَ أَن تَشِيعَ ٱلْفَٰحِشَةُ فِى ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ فِى ٱلدُّنْيَا وَٱلْءَاخِرَةِ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنتُمْ لَا تَعْلَمُونَ

মুহিউদ্দীন খান

যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকত এবং দয়ালু, মেহেরবান না হতেন, তবে কত কিছুই হয়ে যেত।

আবদুস শহীদ নাসিম

(তোমরা রক্ষা পেতেনা) যদি তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ এবং রহমত না হতো এবং যদি কোমল ও দয়াবান না হতেন।

Word by word

وَلَوْلَا فَضْلُ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُۥ وَأَنَّ ٱللَّهَ رَءُوفٌ رَّحِيمٌ

মুহিউদ্দীন খান

হে ঈমানদারগণ, তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। যে কেউ শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, তখন তো শয়তান নির্লজ্জতা ও মন্দ কাজেরই আদেশ করবে। যদি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া তোমাদের প্রতি না থাকত, তবে তোমাদের কেউ কখনও পবিত্র হতে পারতে না। কিন্তু যাকে ইচ্ছা পবিত্র করেন। সবকিছু শোনেন, জানেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা ইত্তেবা (অনুসরণ) করোনা শয়তানের পদাংক। যে কেউ ইত্তেবা করবে শয়তানের পদাংকের, সে জেনে রাখুক, শয়তান নিশ্চয়ই নির্দেশ দেয় ফাহেশা এবং গর্হিত কাজের। তোমাদের প্রতি যদি আল্লাহর অনুগ্রহ এবং রহমত না হতো, তাহলে তোমাদের কেউ কখনো পবিত্র থাকতে পারতোনা। আল্লাহ্ই পবিত্র রাখেন যাকে ইচ্ছা করেন। সব শুনেন, সব জানেন।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَتَّبِعُوا۟ خُطُوَٰتِ ٱلشَّيْطَٰنِ وَمَن يَتَّبِعْ خُطُوَٰتِ ٱلشَّيْطَٰنِ فَإِنَّهُۥ يَأْمُرُ بِٱلْفَحْشَآءِ وَٱلْمُنكَرِ وَلَوْلَا فَضْلُ ٱللَّهِ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَتُهُۥ مَا

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের মধ্যে যারা উচ্চমর্যাদা ও আর্থিক প্রাচুর্যের অধিকারী, তারা যেন কসম না খায় যে, তারা আত্নীয় - স্বজনকে, অভাবগ্রস্তকে এবং আল্লাহর পথে হিজরতকারীদেরকে কিছুই দেবে না। তাদের ক্ষমা করা উচিত এবং দোষক্রটি উপেক্ষা করা উচিত। তোমরা কি কামনা কর না যে, তোমাদেরকে ক্ষমা করেন? ক্ষমাশীল, পরম করুণাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের মধ্যে যারা ধন - মালে প্রাচুর্যের অধিকারী তারা যেনো কসম খেয়ে না বলে যে, তারা আত্মীয় - স্বজন, মিসকিন (অভাবী) এবং আল্লাহর পথে হিজরতকারীদের কিছুই দেবেনা। তারা যেনো তাদের ক্ষমা করে দেয় এবং তাদের দোষ - ত্রুটি উপেক্ষা করে। তোমরা কি চাওনা যে, তোমাদের ক্ষমা করে দিন? আর তো পরম ক্ষমাশীল দয়াবান।

Word by word

وَلَا يَأْتَلِ أُو۟لُوا۟ ٱلْفَضْلِ مِنكُمْ وَٱلسَّعَةِ أَن يُؤْتُوٓا۟ أُو۟لِى ٱلْقُرْبَىٰ وَٱلْمَسَٰكِينَ وَٱلْمُهَٰجِرِينَ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ وَلْيَعْفُوا۟ وَلْيَصْفَحُوٓا۟ أَلَا تُحِبُّونَ أَن يَغْفِرَ ٱللَّهُ

মুহিউদ্দীন খান

যারা সতী - সাধ্বী, নিরীহ নারীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে, তারা ইহকালে ও পরকালে ধিকৃত এবং তাদের জন্যে রয়েছে গুরুতর শাস্তি।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা সতী সাধ্বী সরলমনা নারীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে, তাদের প্রতি লা’নত বর্ষিত হয়েছে দুনিয়া এবং আখিরাতে, আর তাদের জন্যে রয়েছে বিরাট আযাব।

Word by word

إِنَّ ٱلَّذِينَ يَرْمُونَ ٱلْمُحْصَنَٰتِ ٱلْغَٰفِلَٰتِ ٱلْمُؤْمِنَٰتِ لُعِنُوا۟ فِى ٱلدُّنْيَا وَٱلْءَاخِرَةِ وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ

মুহিউদ্দীন খান

যেদিন প্রকাশ করে দেবে তাদের জিহবা, তাদের হাত ও তাদের পা, যা কিছু তারা করত;

আবদুস শহীদ নাসিম

যেদিন তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে তাদের জবান, তাদের হাত, তাদের পা তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে,

Word by word

يَوْمَ تَشْهَدُ عَلَيْهِمْ أَلْسِنَتُهُمْ وَأَيْدِيهِمْ وَأَرْجُلُهُم بِمَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ

মুহিউদ্দীন খান

সেদিন তাদের সমুচিত শাস্তি পুরোপুরি দেবেন এবং তারা জানতে পারবে যে, অল্লাহই সত্য, স্পষ্ট ব্যক্তকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেদিন তাদের পুরোপুরি দেবেন তাদের সত্যিকার প্রতিফল এবং (তখন) তারা জানতে পারবে আল্লাহ্ই প্রকৃত সত্য, স্পষ্টভাষী।

Word by word

يَوْمَئِذٍ يُوَفِّيهِمُ ٱللَّهُ دِينَهُمُ ٱلْحَقَّ وَيَعْلَمُونَ أَنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلْحَقُّ ٱلْمُبِينُ

মুহিউদ্দীন খান

দুশ্চরিত্রা নারীকূল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে। তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার সাথে তারা সম্পর্কহীন। তাদের জন্যে আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা।

আবদুস শহীদ নাসিম

খবিছ নারীরা খবিছ পুরুষদের জন্যে এবং খবিছ পুরুষরা খবিছ নারীদের জন্যে। আর পবিত্র নারীরা পবিত্র পুরুষদের জন্যে এবং পবিত্র পুরুষরা পবিত্র নারীদের জন্যে। লোকেরা যা বলে তা থেকে এরা পবিত্র। তাদের জন্যে রয়েছে মাগফিরাত এবং সম্মানজনক রিযিক।

Word by word

ٱلْخَبِيثَٰتُ لِلْخَبِيثِينَ وَٱلْخَبِيثُونَ لِلْخَبِيثَٰتِ وَٱلطَّيِّبَٰتُ لِلطَّيِّبِينَ وَٱلطَّيِّبُونَ لِلطَّيِّبَٰتِ أُو۟لَٰٓئِكَ مُبَرَّءُونَ مِمَّا يَقُولُونَ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَرِزْقٌ كَرِيمٌ

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদের গৃহ ব্যতীত অন্য গৃহে প্রবেশ করো না, যে পর্যন্ত আলাপ - পরিচয় না কর এবং গৃহবাসীদেরকে সালাম না কর। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা! তোমরা নিজেদের ঘর ছাড়া অন্য ঘরে অনুমতি না নিয়ে এবং ঘরবাসীদের সালাম না দিয়ে ঢুকে পড়োনা। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম নিয়ম। আশা করা যায় তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَدْخُلُوا۟ بُيُوتًا غَيْرَ بُيُوتِكُمْ حَتَّىٰ تَسْتَأْنِسُوا۟ وَتُسَلِّمُوا۟ عَلَىٰٓ أَهْلِهَا ذَٰلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ

মুহিউদ্দীন খান

যদি তোমরা গৃহে কাউকে না পাও, তবে অনুমতি গ্রহণ না করা পর্যন্ত সেখানে প্রবেশ করো না। যদি তোমাদেরকে বলা হয় ফিরে যাও, তবে ফিরে যাবে। এতে তোমাদের জন্যে অনেক পবিত্রতা আছে এবং তোমরা যা কর, তা ভালোভাবে জানেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

যদি তোমরা ঘরে কাউকেও না পাও, তাহলে তোমরা সে ঘরে প্রবেশ করোনা যতোক্ষণ না তোমাদের অনুমতি দেয়া হয়। আর যদি তোমাদের ফিরে যেতে বলা হয়, তবে ফিরে যাও। এটাই তোমাদের জন্যে পবিত্রতম পন্থা। জ্ঞাত তোমরা যা আমল করো।

Word by word

فَإِن لَّمْ تَجِدُوا۟ فِيهَآ أَحَدًا فَلَا تَدْخُلُوهَا حَتَّىٰ يُؤْذَنَ لَكُمْ وَإِن قِيلَ لَكُمُ ٱرْجِعُوا۟ فَٱرْجِعُوا۟ هُوَ أَزْكَىٰ لَكُمْ وَٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ عَلِيمٌ

মুহিউদ্দীন খান

যে গৃহে কেউ বাস করে না, যাতে তোমাদের সামগ্রী আছে এমন গৃহে প্রবেশ করাতে তোমাদের কোন পাপ নেই এবং জানেন তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর।

আবদুস শহীদ নাসিম

এমন ঘরে প্রবেশ করার মধ্যে তোমাদের কোনো দোষ হবেনা, যে ঘরে কেউ বসবাস করেনা যদি সেখানে তোমাদের মাল সামগ্রী থাকে। তোমরা কী প্রকাশ করো আর কী গোপন করো তা জানেন।

Word by word

لَّيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَن تَدْخُلُوا۟ بُيُوتًا غَيْرَ مَسْكُونَةٍ فِيهَا مَتَٰعٌ لَّكُمْ وَٱللَّهُ يَعْلَمُ مَا تُبْدُونَ وَمَا تَكْتُمُونَ

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে তা অবহিত আছেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! পুরুষদের বলো: তারা যেনো (নারীদের থেকে) নিজেদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং হিফাযত করে নিজেদের যৌন জীবনকে। এটা তাদের জন্যে পবিত্রতম পন্থা। তারা যা করে সে বিষয়ে ভালোভাবে অবহিত।

Word by word

قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا۟ مِنْ أَبْصَٰرِهِمْ وَيَحْفَظُوا۟ فُرُوجَهُمْ ذَٰلِكَ أَزْكَىٰ لَهُمْ إِنَّ ٱللَّهَ خَبِيرٌۢ بِمَا يَصْنَعُونَ

মুহিউদ্দীন খান

নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ - সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর নারীদের বলো, তারা যেনো (পুরুষদের থেকে) নিজেদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং হিফাযত করে নিজেদের যৌন জীবন। যা সাধারণত প্রকাশ থাকে, তা ছাড়া নিজেদের যীনত (সৌন্দর্য) যেনো তারা প্রকাশ না করে। তাদের চাদর (বা ওড়না) দিয়ে যেনো তাদের গলা এবং বক্ষ ঢেকে রাখে। তারা যেনো তাদের যীনত (সৌন্দর্য) প্রকাশ না করে এদের সম্মুখে ছাড়া: তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, ছেলে, স্বামীর ছেলে, ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বোনপুত, আপন নারীকুল, তাদের মালিকানাধীন দাস - দাসী, যৌন কামনাহীন পুরুষ এবং নারীদের গোপন অঙ্গসমূহ সম্পর্কে চেতনাহীন শিশু। তারা যেনো তাদের গোপন সৌন্দর্য প্রকাশের উদ্দেশ্যে সজোরে পা ফেলে না চলে। হে মুমিনরা! তোমরা সবাই অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে আসো, যাতে করে তোমরা অর্জন করো সফলতা।

Word by word

وَقُل لِّلْمُؤْمِنَٰتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَٰرِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَىٰ جُيُوبِهِنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন। প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের মধ্যে যাদের স্বামী নেই এবং যাদের স্ত্রী নেই, তাদের বিয়ে দিয়ে দাও, আর তোমাদের দাস দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরকেও। তারা যদি অভাবী হয়ে থাকে, তবে নিজ অনুগ্রহে তাদের অভাবমুক্ত করবেন। উদার, জ্ঞানী।

Word by word

وَأَنكِحُوا۟ ٱلْأَيَٰمَىٰ مِنكُمْ وَٱلصَّٰلِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَآئِكُمْ إِن يَكُونُوا۟ فُقَرَآءَ يُغْنِهِمُ ٱللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ وَٱللَّهُ وَٰسِعٌ عَلِيمٌ

মুহিউদ্দীন খান

যারা বিবাহে সামর্থ নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে যে পর্যন্ত না নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন। তোমাদের অধিকারভুক্তদের মধ্যে যারা মুক্তির জন্য লিখিত চুক্তি করতে চায়, তাদের সাথে তোমরা লিখিত চুক্তি কর যদি জান যে, তাদের মধ্যে কল্যাণ আছে। তোমাদেরকে যে, অর্থ - কড়ি দিয়েছেন, তা থেকে তাদেরকে দান কর। তোমাদের দাসীরা নিজেদের পবিত্রতা রক্ষা করতে চাইলে তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদের লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য কারো না। যদি কেহ তাদের উপর জোর - জবরদস্তি করে, তবে তাদের উপর জোর - জবরদস্তির পর তাদের প্রতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাদের বিয়ে করার (আর্থিক) সামর্থ নেই, তাদেরকে তাঁর অনুগ্রহে অভাবমুক্ত করা পর্যন্ত তারা যেনো সংযম অবলম্বন করে। তোমাদের দাসদাসীদের মধ্যে কেউ তার মুক্তির জন্যে লিখিত চুক্তি করতে চাইলে তোমরা তাদের সাথে লিখিত চুক্তি করে নাও, যদি তোমরা তাদের মধ্যে কল্যাণ দেখতে পাও। আর তোমাদের যে সম্পদ দিয়েছেন তা থেকে তাদের দান করো। পার্থিব জীবনের (অর্থ) লোভে তোমরা তোমাদের দাসীদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য করোনা যদি তারা তাদের সতীত্ব রক্ষা করতে চায়। আর কেউ তাদেরকে বাধ্য করলে, বাধ্য হওয়াদের ব্যাপারে ক্ষমাশীল, দয়াময়।

Word by word

وَلْيَسْتَعْفِفِ ٱلَّذِينَ لَا يَجِدُونَ نِكَاحًا حَتَّىٰ يُغْنِيَهُمُ ٱللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ وَٱلَّذِينَ يَبْتَغُونَ ٱلْكِتَٰبَ مِمَّا مَلَكَتْ أَيْمَٰنُكُمْ فَكَاتِبُوهُمْ إِنْ عَلِمْتُمْ فِيهِمْ خَيْرًا وَءَاتُو

মুহিউদ্দীন খান

আমি তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ করেছি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ, তোমাদের পূর্ববর্তীদের কিছু দৃষ্টান্ত এবং ভীরুদের জন্যে দিয়েছি উপদেশ।

আবদুস শহীদ নাসিম

আমরা তোমাদের কাছে নাযিল করেছি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ এবং তোমাদের আগেকার লোকদের উদাহরণ আর সতর্ক সচেতন লোকদের জন্যে উপদেশ।

Word by word

وَلَقَدْ أَنزَلْنَآ إِلَيْكُمْ ءَايَٰتٍ مُّبَيِّنَٰتٍ وَمَثَلًا مِّنَ ٱلَّذِينَ خَلَوْا۟ مِن قَبْلِكُمْ وَمَوْعِظَةً لِّلْمُتَّقِينَ

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের জ্যোতি, তাঁর জ্যোতির উদাহরণ যেন একটি কুলঙ্গি, যাতে আছে একটি প্রদীপ, প্রদীপটি একটি কাঁচপাত্রে স্থাপিত, কাঁচপাত্রটি উজ্জ্বল নক্ষত্র সদৃশ্য। তাতে পুতঃপবিত্র যয়তুন বৃক্ষের তৈল হয়, যা পূর্বমুখী নয় এবং পশ্চিমমুখীও নয়। অগ্নি স্পর্শ না করলেও তার তৈল যেন আলোকিত হওয়ার নিকটবর্তী। জ্যোতির উপর জ্যোতি। যাকে ইচ্ছা পথ দেখান তাঁর জ্যোতির দিকে। মানুষের জন্যে দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন এবং সব বিষয়ে জ্ঞাত।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ এবং পৃথিবীর নূর। তাঁর নূরের উপমা হলো একটি প্রদীপ ঘর। তাতে আছে প্রদীপ। প্রদীপটি স্থাপিত একটি কাঁচের পরিবেষ্টনীর মধ্যে। কাঁচের পরিবেষ্টনীটি যেনো উজ্জ্বল নক্ষত্র। সেটি জ্বালানো হয় পবিত্র যয়তুন গাছের তেল দিয়ে। সেটি পূর্বেরও নয়, পশ্চিমেরও নয়। আগুন সেটিকে স্পর্শ না করলেও যেনো সেটির তেলই ছড়াচ্ছে উজ্জ্বল আলো। নূরের উপর নূর। যাকে ইচ্ছা পথ দেখান তাঁর নূরের দিকে। মানুষের জন্যে এভাবেই দৃষ্টান্ত দিয়ে থাকেন। সব বিষয়ে জ্ঞানী।

Word by word

ٱللَّهُ نُورُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ مَثَلُ نُورِهِۦ كَمِشْكَوٰةٍ فِيهَا مِصْبَاحٌ ٱلْمِصْبَاحُ فِى زُجَاجَةٍ ٱلزُّجَاجَةُ كَأَنَّهَا كَوْكَبٌ دُرِّىٌّ يُوقَدُ مِن شَجَرَةٍ مُّبَٰرَكَةٍ زَيْتُونَةٍ لَّا شَرْق

মুহিউদ্দীন খান

যেসব গৃহকে মর্যাদায় উন্নীত করার এবং সেগুলোতে তাঁর নাম উচ্চারণ করার আদেশ দিয়েছেন, সেখানে সকাল ও সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে;

আবদুস শহীদ নাসিম

সেইসব ঘর, যেসব ঘরে তাঁর নাম সমুন্নত ও স্মরণ করতে অনুমতি দিয়েছেন, সকাল - সন্ধ্যায় সেগুলোতে তাঁর তসবিহ করে

Word by word

فِى بُيُوتٍ أَذِنَ ٱللَّهُ أَن تُرْفَعَ وَيُذْكَرَ فِيهَا ٱسْمُهُۥ يُسَبِّحُ لَهُۥ فِيهَا بِٱلْغُدُوِّ وَٱلْءَاصَالِ

মুহিউদ্দীন খান

এমন লোকেরা, যাদেরকে ব্যবসা - বাণিজ্য ও ক্রয় - বিক্রয় আল্লাহর স্মরণ থেকে, কায়েম করা থেকে এবং যাকাত প্রদান করা থেকে বিরত রাখে না। তারা ভয় করে সেই দিনকে, যেদিন অন্তর ও দৃষ্টিসমূহ উল্টে যাবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

সেইসব লোক, যাদেরকে ব্যবসা - বাণিজ্য ও বেচা - কেনা বিরত রাখেনা আল্লাহর যিকির, কায়েম ও যাকাত প্রদান থেকে। তারা ভয় করে সেই দিনটিকে যেদিন মানুষের অন্তর আর চোখ উল্টে যাবে।

Word by word

رِجَالٌ لَّا تُلْهِيهِمْ تِجَٰرَةٌ وَلَا بَيْعٌ عَن ذِكْرِ ٱللَّهِ وَإِقَامِ ٱلصَّلَوٰةِ وَإِيتَآءِ ٱلزَّكَوٰةِ يَخَافُونَ يَوْمًا تَتَقَلَّبُ فِيهِ ٱلْقُلُوبُ وَٱلْأَبْصَٰرُ

মুহিউদ্দীন খান

(তারা আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে) যাতে তাদের উৎকৃষ্টতর কাজের প্রতিদান দেন এবং নিজ অনুগ্রহে আরও অধিক দেন। যাকে ইচ্ছা অপরিমিত রুযী দান করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

যাতে করে তাদের আমলের উত্তম পুরস্কার তাদের দিতে পারেন এবং বৃদ্ধি করে দিতে পারেন তাঁর অনুগ্রহ থেকে। আর যাকে ইচ্ছা রিযিক দিয়ে থাকেন বিনা হিসাবে।

Word by word

لِيَجْزِيَهُمُ ٱللَّهُ أَحْسَنَ مَا عَمِلُوا۟ وَيَزِيدَهُم مِّن فَضْلِهِۦ وَٱللَّهُ يَرْزُقُ مَن يَشَآءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ

মুহিউদ্দীন খান

যারা , তাদের কর্ম মরুভুমির মরীচিকা সদৃশ, যাকে পিপাসার্ত ব্যক্তি পানি মনে করে। এমনকি, সে যখন তার কাছে যায়, তখন কিছুই পায় না এবং পায় সেখানে আল্লাহকে, অতঃপর তার হিসাব চুকিয়ে দেন। দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যারা কুফুরি করে, তাদের আমলের উপমা হলো মরুভূমির মরীচিকা, পীপাসার্ত ব্যক্তি যাকে মনে করে পানি। যখন সে সেখানে এসে পৌঁছে, কিছুই পায়না। সে তো সেখানে পায় কেবল আল্লাহকে। তিনি তাকে তার কর্মফল পূর্ণমাত্রায় দিয়ে দেবেন, আর দ্রুত হিসাবগ্রহণকারী।

Word by word

وَٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ أَعْمَٰلُهُمْ كَسَرَابٍۭ بِقِيعَةٍ يَحْسَبُهُ ٱلظَّمْـَٔانُ مَآءً حَتَّىٰٓ إِذَا جَآءَهُۥ لَمْ يَجِدْهُ شَيْـًٔا وَوَجَدَ ٱللَّهَ عِندَهُۥ فَوَفَّىٰهُ حِسَابَهُۥ وَٱللَّهُ سَرِيعُ ٱلْحِسَا

মুহিউদ্দীন খান

অথবা (তাদের কর্ম) প্রমত্ত সমুদ্রের বুকে গভীর অন্ধকারের ন্যায়, যাকে উদ্বেলিত করে তরঙ্গের উপর তরঙ্গ, যার উপরে ঘন কালো মেঘ আছে। একের উপর এক অন্ধকার। যখন সে তার হাত বের করে, তখন তাকে একেবারেই দেখতে পায় না। যাকে জ্যোতি দেন না, তার কোন জ্যোতিই নেই।

আবদুস শহীদ নাসিম

অথবা (তাদের আমলের) উপমা হলো গভীর সমুদ্রের অন্ধকাররাশি, যাকে ঢেকে রাখে ঢেউয়ের উপর ঢেউ, তার উপর কালো মেঘপুঞ্জ। অন্ধকার রাশির স্তর একটির উপর একটি। সে যখন তার হাত বের করে, আদৌ দেখতে পায় না। যাকে নূর দান করেন না, তার কোনো নূর নেই।

Word by word

أَوْ كَظُلُمَٰتٍ فِى بَحْرٍ لُّجِّىٍّ يَغْشَىٰهُ مَوْجٌ مِّن فَوْقِهِۦ مَوْجٌ مِّن فَوْقِهِۦ سَحَابٌ ظُلُمَٰتٌۢ بَعْضُهَا فَوْقَ بَعْضٍ إِذَآ أَخْرَجَ يَدَهُۥ لَمْ يَكَدْ يَرَىٰهَا وَمَن لَّمْ يَجْعَلِ

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি দেখ না যে, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যারা আছে, তারা এবং উড়ন্ত পক্ষীকুল তাদের পাখা বিস্তার করতঃ আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই তার যোগ্য এবাদত এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণার পদ্ধতি জানে। তারা যা করে, সে বিষয়ে সম্যক জ্ঞাত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি দেখোনা মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারাই আছে তারা সবাই এবং উড়ন্ত পাখিকুল তসবিহ করছে আল্লাহর। তারা প্রত্যেকেই জেনেছে তার (ইবাদত) ও তসবিহর পদ্ধতি। তারা যা করে তা জ্ঞাত আছেন।

Word by word

أَلَمْ تَرَ أَنَّ ٱللَّهَ يُسَبِّحُ لَهُۥ مَن فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَٱلطَّيْرُ صَٰٓفَّٰتٍ كُلٌّ قَدْ عَلِمَ صَلَاتَهُۥ وَتَسْبِيحَهُۥ وَٱللَّهُ عَلِيمٌۢ بِمَا يَفْعَلُونَ

মুহিউদ্দীন খান

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সার্বভৌমত্ব আল্লাহরই এবং তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

মহাকাশ ও পৃথিবীর কর্তৃত্ব আল্লাহর এবং আল্লাহর কাছেই হবে সবার প্রত্যাবর্তন।

Word by word

وَلِلَّهِ مُلْكُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَإِلَى ٱللَّهِ ٱلْمَصِيرُ

মুহিউদ্দীন খান

তুমি কি দেখ না যে, মেঘমালাকে সঞ্চালিত করেন, অতঃপর তাকে পুঞ্জীভূত করেন, অতঃপর তাকে স্তরে স্তরে রাখেন; অতঃপর তুমি দেখ যে, তার মধ্য থেকে বারিধারা নির্গত হয়। তিনি আকাশস্থিত শিলাস্তুপ থেকে শিলাবর্ষণ করেন এবং তা দ্বারা যাকে ইচ্ছা আঘাত করেন এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা, তা অন্যদিকে ফিরিয়ে দেন। তার বিদ্যুৎঝলক দৃষ্টিশক্তি যেন বিলীন করে দিতে চায়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তুমি কি দেখোনা, আল্লাহ্ই তো পরিচালিত করেন মেঘমালাকে, তারপর সেগুলোকে একত্র করেন, অত:পর পুঞ্জীভুত করেন, তারপর তুমি দেখতে পাও সেগুলোর ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে বৃষ্টির পানি। আকাশের জমে যাওয়া মেঘস্তূপ থেকে তিনি বর্ষণ করেন শিলা, আর তা দিয়ে তিনি যাকে ইচ্ছা আঘাত করেন এবং যাকে ইচ্ছা তা থেকে রক্ষা করেন উপর থেকে সরিয়ে দিয়ে। তার বিদ্যুতের ঝলক দৃষ্টি প্রায় কেড়ে নেয়।

Word by word

أَلَمْ تَرَ أَنَّ ٱللَّهَ يُزْجِى سَحَابًا ثُمَّ يُؤَلِّفُ بَيْنَهُۥ ثُمَّ يَجْعَلُهُۥ رُكَامًا فَتَرَى ٱلْوَدْقَ يَخْرُجُ مِنْ خِلَٰلِهِۦ وَيُنَزِّلُ مِنَ ٱلسَّمَآءِ مِن جِبَالٍ فِيهَا مِنۢ بَرَدٍ فَيُصِ

মুহিউদ্দীন খান

দিন ও রাত্রির পরিবর্তন ঘটান। এতে অর্ন্তদৃষ্টি - সম্পন্নগণের জন্যে চিন্তার উপকরণ রয়েছে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আল্লাহ্ই পরিবর্তন ঘটান রাত আর দিনের। দৃষ্টিবান লোকদের জন্যে এতে রয়েছে একটি শিক্ষা।

Word by word

يُقَلِّبُ ٱللَّهُ ٱلَّيْلَ وَٱلنَّهَارَ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَعِبْرَةً لِّأُو۟لِى ٱلْأَبْصَٰرِ

মুহিউদ্দীন খান

প্রত্যেক চলন্ত জীবকে পানি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন। তাদের কতক বুকে ভয় দিয়ে চলে, কতক দুই পায়ে ভর দিয়ে চলে এবং কতক চার পায়ে ভর দিয়ে চলে; যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। নিশ্চয়ই সবকিছু করতে সক্ষম।

আবদুস শহীদ নাসিম

প্রতিটি জীবকে সৃষ্টি করেছেন পানি থেকে। তাদের কিছু জীব চলে পেটে ভর দিয়ে, কিছু চলে দুই পায়ে এবং কিছু চলে চার পায়ে। সৃষ্টি করেন যা তিনি চান। নিশ্চয়ই সব বিষয়ে শক্তিমান।

Word by word

وَٱللَّهُ خَلَقَ كُلَّ دَآبَّةٍ مِّن مَّآءٍ فَمِنْهُم مَّن يَمْشِى عَلَىٰ بَطْنِهِۦ وَمِنْهُم مَّن يَمْشِى عَلَىٰ رِجْلَيْنِ وَمِنْهُم مَّن يَمْشِى عَلَىٰٓ أَرْبَعٍ يَخْلُقُ ٱللَّهُ مَا يَشَآءُ إِنَّ

মুহিউদ্দীন খান

আমি তো সুস্পষ্ট আয়াত সমূহ অবর্তীর্ণ করেছি। যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালনা করেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

নিশ্চয়ই আমরা নাযিল করেছি সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ। যাকে ইচ্ছা হিদায়াত করেন সিরাতুল মুস্তাকিমের দিকে।

Word by word

لَّقَدْ أَنزَلْنَآ ءَايَٰتٍ مُّبَيِّنَٰتٍ وَٱللَّهُ يَهْدِى مَن يَشَآءُ إِلَىٰ صِرَٰطٍ مُّسْتَقِيمٍ

মুহিউদ্দীন খান

তারা বলেঃ আমরা ও রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি এবং আনুগত্য করি; কিন্তু অতঃপর তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং তারা নয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা বলে: ‘আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর প্রতি এবং তাঁর রসূলের প্রতি আর আমরা আনুগত্য মেনে নিলাম।’ কিন্তু এর পরই তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয়। আসলে তারা নয়।

Word by word

وَيَقُولُونَ ءَامَنَّا بِٱللَّهِ وَبِٱلرَّسُولِ وَأَطَعْنَا ثُمَّ يَتَوَلَّىٰ فَرِيقٌ مِّنْهُم مِّنۢ بَعْدِ ذَٰلِكَ وَمَآ أُو۟لَٰٓئِكَ بِٱلْمُؤْمِنِينَ

মুহিউদ্দীন খান

তাদের মধ্যে ফয়সালা করার জন্য যখন তাদেরকে ও রসূলের দিকে আহবান করা হয তখন তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদেরকে যখন এবং তাঁর রসূলের দিকে ডাকা হয় তাদের মাঝে ফায়সালা করে দেয়ার জন্যে, তখন তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয়

Word by word

وَإِذَا دُعُوٓا۟ إِلَى ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ إِذَا فَرِيقٌ مِّنْهُم مُّعْرِضُونَ

মুহিউদ্দীন খান

সত্য তাদের স্বপক্ষে হলে তারা বিনীতভাবে রসূলের কাছে ছুটে আসে।

আবদুস শহীদ নাসিম

আর যদি তাদের প্রাপ্য কোনো অধিকারের বিষয় হয়, তখন তারা বিনীত হয়ে রসূলের কাছে ছুটে আসে।

Word by word

وَإِن يَكُن لَّهُمُ ٱلْحَقُّ يَأْتُوٓا۟ إِلَيْهِ مُذْعِنِينَ

মুহিউদ্দীন খান

তাদের অন্তরে কি রোগ আছে, না তারা ধোঁকায় পড়ে আছে; না তারা ভয় করে যে, ও তাঁর রাসূল তাদের প্রতি অবিচার করবেন? বরং তারাই তো অবিচারকারী ?

আবদুস শহীদ নাসিম

তাদের অন্তরে কি ব্যাধি আছে, নাকি তারা সংশয়ে নিমজ্জিত? আর নাকি তারা ভয় করে যে, এবং তাঁর রসূল তাদের প্রতি যুলুম করবেন? আসল কথা হলো তারা যালিম।

Word by word

أَفِى قُلُوبِهِم مَّرَضٌ أَمِ ٱرْتَابُوٓا۟ أَمْ يَخَافُونَ أَن يَحِيفَ ٱللَّهُ عَلَيْهِمْ وَرَسُولُهُۥ بَلْ أُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلظَّٰلِمُونَ

মুহিউদ্দীন খান

মুমিনদের বক্তব্য কেবল এ কথাই যখন তাদের মধ্যে ফয়সালা করার জন্যে ও তাঁর রসূলের দিকে তাদেরকে আহবান করা হয়, তখন তারা বলেঃ আমরা শুনলাম ও আদেশ মান্য করলাম। তারাই ।

আবদুস শহীদ নাসিম

মুমিনদেরকে যখন ও আল্লাহর রসূলের দিকে ডাকা হয় তাদের মাঝে ফায়সালা করে দেয়ার জন্যে তখন তাদের কথা একটাই হয়ে থাকে যে, ‘আমরা শুনলাম এবং মেনে নিলাম।’ এসব লোকই হবে ।

Word by word

إِنَّمَا كَانَ قَوْلَ ٱلْمُؤْمِنِينَ إِذَا دُعُوٓا۟ إِلَى ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ أَن يَقُولُوا۟ سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا وَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْمُفْلِحُونَ

মুহিউদ্দীন খান

যারা ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে আল্লাহকে ভয় করে ও তাঁর শাস্তি থেকে বেঁচে থাকে তারাই কৃতকার্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

যারা ও তাঁর রসূলের ইতায়াত (আনুগত্য) করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর অবাধ্যতা থেকে আত্মরক্ষা করে, তারাই অর্জন করবে সাফল্য।

Word by word

وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَيَخْشَ ٱللَّهَ وَيَتَّقْهِ فَأُو۟لَٰٓئِكَ هُمُ ٱلْفَآئِزُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তারা দৃঢ়ভাবে আল্লাহর কসম খেয়ে বলে যে, আপনি তাদেরকে আদেশ করলে তারা সবকিছু ছেড়ে বের হবেই। বলুনঃ তোমরা কসম খেয়ো না। নিয়মানুযায়ী তোমাদের আনুগত্য, তোমরা যা কিছু কর নিশ্চয় সে বিষয়ে জ্ঞাত।

আবদুস শহীদ নাসিম

তারা (মুনাফিকরা) শক্তভাবে আল্লাহর নামে কসম খেয়ে বলে, তুমি তাদের নির্দেশ দিলে তারা অবশ্যি (যুদ্ধে) বের হবে। বলো: তোমরা কসম খেয়োনা, তোমাদের থেকে প্রচলিত আনুগ্যতই কাম্য। তোমরা যা করো সে বিষয়ে গভীরভাবে অবহিত।

Word by word

وَأَقْسَمُوا۟ بِٱللَّهِ جَهْدَ أَيْمَٰنِهِمْ لَئِنْ أَمَرْتَهُمْ لَيَخْرُجُنَّ قُل لَّا تُقْسِمُوا۟ طَاعَةٌ مَّعْرُوفَةٌ إِنَّ ٱللَّهَ خَبِيرٌۢ بِمَا تَعْمَلُونَ

মুহিউদ্দীন খান

বলুনঃ আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রসূলের আনুগত্য কর। অতঃপর যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তার উপর ন্যস্ত দায়িত্বের জন্যে সে দায়ী এবং তোমাদের উপর ন্যস্ত দায়িত্বের জন্যে তোমরা দায়ী। তোমরা যদি তাঁর আনুগত্য কর, তবে সৎ পথ পাবে। রসূলের দায়িত্ব তো কেবল সুস্পষ্টরূপে পৌছে দেয়া।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে নবী! বলো: তোমরা আনুগত্য করো আল্লাহর এবং আনুগত্য করো এই রসূলের। যদি মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তার (রসূলের) প্রতি অর্পিত দায়িত্বের জন্যে সে - ই দায়ী হবে, আর তোমরা দায়ী হবে তোমাদের উপর অর্পিত দায়িত্বের জন্যে। তোমরা যদি আনুগত্য করো, তবেই সঠিক পথ পাবে। স্পষ্টভাবে বার্তা পৌঁছে দেয়া ছাড়া আমাদের রসূলের উপর আর কোনো দায়িত্ব নেই।

Word by word

قُلْ أَطِيعُوا۟ ٱللَّهَ وَأَطِيعُوا۟ ٱلرَّسُولَ فَإِن تَوَلَّوْا۟ فَإِنَّمَا عَلَيْهِ مَا حُمِّلَ وَعَلَيْكُم مَّا حُمِّلْتُمْ وَإِن تُطِيعُوهُ تَهْتَدُوا۟ وَمَا عَلَى ٱلرَّسُولِ إِلَّا ٱلْبَلَٰغُ ٱلْمُبِينُ

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসনকর্তৃত্ব দান করেছেন তাদের পূর্ববতীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্যে পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয় - ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন। তারা আমার এবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না। এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে, তারাই অবাধ্য।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে এবং আমলে সালেহ্ করে, তাদেরকে ওয়াদা দিচ্ছেন, তিনি তাদের ভূ - খন্ডে প্রতিনিধিত্ব (রাষ্ট্রক্ষমতা) দান করবেন, যেমন তিনি রাষ্ট্র ক্ষমতা দান করেছিলেন তাদের পূর্ববর্তীদের। তিনি তাদের জন্যে প্রতিষ্ঠিতি করে দেবেন তাদের দীনকে, যা তিনি তাদের জন্যে মনোনীত করেছেন এবং তাদেরকে ত্রাস ও ভীতির বদলে দেবেন শান্তি ও নিরাপত্তা। তখন তারা কেবল আমারই দাসত্ব করবে এবং আমার সাথে কাউকেও শরিক করবেনা। তবে এরপরও যারা কুফুরি করবে তারা হবে ফাসিক (সীমালঙ্ঘনকারী পাপিষ্ঠ)।

Word by word

وَعَدَ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ مِنكُمْ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ لَيَسْتَخْلِفَنَّهُمْ فِى ٱلْأَرْضِ كَمَا ٱسْتَخْلَفَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ وَلَيُمَكِّنَنَّ لَهُمْ دِينَهُمُ ٱلَّذِى ٱرْتَضَىٰ لَهُمْ وَلَي

মুহিউদ্দীন খান

কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং রসূলের আনুগত্য কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা কায়েম করো, যাকাত প্রদান করো এবং আনুগত্য করো এই রসূলের, আশা করা যায় তোমরা অনুকম্পা লাভ করবে।

Word by word

وَأَقِيمُوا۟ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتُوا۟ ٱلزَّكَوٰةَ وَأَطِيعُوا۟ ٱلرَّسُولَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ

মুহিউদ্দীন খান

তোমরা কাফেরদেরকে পৃথিবীতে পরাক্রমশালী মনে করো না। তাদের ঠিকানা অগ্নি। কতই না নিকৃষ্ট এই প্রত্যাবর্তনস্থল।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমরা পৃথিবীতে কাফিরদের কখনো প্রবল পরাক্রমশালী মনে করোনা। তাদের আশ্রয় তো হবে জাহান্নামে, যা খুবই নিকৃষ্ট ফিরে যাবার জায়গা।

Word by word

لَا تَحْسَبَنَّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مُعْجِزِينَ فِى ٱلْأَرْضِ وَمَأْوَىٰهُمُ ٱلنَّارُ وَلَبِئْسَ ٱلْمَصِيرُ

মুহিউদ্দীন খান

হে মুমিনগণ! তোমাদের দাসদাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে অনুমতি গ্রহণ করে, ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখ এবং এশার নামাযের পর। এই তিন সময় তোমাদের দেহ খোলার সময়। এ সময়ের পর তোমাদের ও তাদের জন্যে কোন দোষ নেই। তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়, এমনি ভাবে তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ বিবৃত করেন। সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

হে লোকেরা, তোমাদের মালিকানাধীন দাসদাসীরা এবং তোমাদের যারা এখনো বয়োপ্রাপ্ত হয়নি, তারা যেনো তিনটি সময় তোমাদের কক্ষে প্রবেশ কালে অনুমতি নেয়: ফজর সালাতের আগে, দুপুরে যখন তোমাদের পোশাক খুলে রাখো তখন এবং এশার সালাতের পরে। এই তিনটি তোমাদের গোপনীয়তা অবলম্বনের সময়। এই সময় ছাড়া বাকি সময়ে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে তোমাদেরও এবং তাদেরও কোনো দোষ হবেনা। তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়। এভাবেই বয়ান করেন তোমাদের জন্যে তাঁর আয়াতসমূহ। জ্ঞানী ও প্রজ্ঞাময়।

Word by word

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لِيَسْتَـْٔذِنكُمُ ٱلَّذِينَ مَلَكَتْ أَيْمَٰنُكُمْ وَٱلَّذِينَ لَمْ يَبْلُغُوا۟ ٱلْحُلُمَ مِنكُمْ ثَلَٰثَ مَرَّٰتٍ مِّن قَبْلِ صَلَوٰةِ ٱلْفَجْرِ وَحِينَ تَضَعُونَ ثِيَابَكُم مِّ

মুহিউদ্দীন খান

তোমাদের সন্তান - সন্ততিরা যখন বায়োপ্রাপ্ত হয়, তারাও যেন তাদের পূর্ববর্তীদের ন্যায় অনুমতি চায়। এমনিভাবে তাঁর আয়াতসমূহ তোমাদের কাছে বর্ণনা করেন। সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

আবদুস শহীদ নাসিম

তোমাদের বাচ্চারা যখন বয়োপ্রাপ্ত হয়, তখন তারাও যেনো অনুমতি চেয়ে নেয় যেভাবে অনুমতি নেয় তাদের বয়োজ্যেষ্ঠরা। এভাবেই বর্ণনা করেন তোমাদের জন্যে তাঁর আয়াত। জ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবান।

Word by word

وَإِذَا بَلَغَ ٱلْأَطْفَٰلُ مِنكُمُ ٱلْحُلُمَ فَلْيَسْتَـْٔذِنُوا۟ كَمَا ٱسْتَـْٔذَنَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ كَذَٰلِكَ يُبَيِّنُ ٱللَّهُ لَكُمْ ءَايَٰتِهِۦ وَٱللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ

মুহিউদ্দীন খান

বৃদ্ধা নারী, যারা বিবাহের আশা রাখে না, যদি তারা তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে তাদের বস্ত্র খুলে রাখে। তাদের জন্যে দোষ নেই, তবে এ থেকে বিরত থাকাই তাদের জন্যে উত্তম। সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

আবদুস শহীদ নাসিম

বৃদ্ধ নারীরা, যারা বিয়ের আশা রাখেনা, তারা যদি তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে বহিরাবরণ খুলে রাখে, তবে তাদের কোনো দোষ হবেনা। তবে সংযত থাকাই তাদের জন্যে উত্তম। সব শুনেন, সব জানেন।

Word by word

وَٱلْقَوَٰعِدُ مِنَ ٱلنِّسَآءِ ٱلَّٰتِى لَا يَرْجُونَ نِكَاحًا فَلَيْسَ عَلَيْهِنَّ جُنَاحٌ أَن يَضَعْنَ ثِيَابَهُنَّ غَيْرَ مُتَبَرِّجَٰتٍۭ بِزِينَةٍ وَأَن يَسْتَعْفِفْنَ خَيْرٌ لَّهُنَّ وَٱللَّهُ سَمِيعٌ عَلِ

মুহিউদ্দীন খান

অন্ধের জন্যে দোষ নেই, খঞ্জের জন্যে দোষ নেই, রোগীর জন্যে দোষ নেই, এবং তোমাদের নিজেদের জন্যেও দোষ নেই যে, তোমরা আহার করবে তোমাদের গৃহে অথবা তোমাদের পিতাদের গৃহে অথবা তোমাদের মাতাদের গৃহে অথবা তোমাদের ভ্রাতাদের গৃহে অথবা তোমাদের ভগিণীদের গৃহে অথবা তোমাদের পিতৃব্যদের গৃহে অথবা তোমাদের ফুফুদের গৃহে অথবা তোমাদের মামাদের গৃহে অথবা তোমাদের খালাদের গৃহে অথবা সেই গৃহে, যার চাবি আছে তোমাদের হাতে অথবা তোমাদের বন্ধুদের গৃহে। তোমরা একত্রে আহার কর অথবা পৃথকভবে আহার কর, তাতে তোমাদের কোন দোষ নেই। অতঃপর যখন তোমরা গৃহে প্রবেশ কর, তখন তোমাদের স্বজনদের প্রতি সালাম বলবে। এটা আল্লাহর কাছ থেকে কল্যাণময় ও পবিত্র দোয়া। এমনিভাবে তোমাদের জন্যে আয়াতসমূহ বিশদভাবে বর্ননা করেন, যাতে তোমরা বুঝে নাও।

আবদুস শহীদ নাসিম

অন্ধদের দোষ নেই, খোড়াদের দোষ নেই এবং রোগীদেরও দোষ নেই (তারা যদি অনুমতি ছাড়া কারো কিছু খেয়ে নেয়), আর তোমাদের নিজেদেরও দোষ হবেনা তোমরা যদি (অনুমতি ছাড়া) খাও তোমাদের নিজেদের ঘরে, তোমাদের পিতাদের ঘরে, তোমাদের মায়েদের ঘরে, তোমাদের ভাইদের ঘরে, তোমাদের বোনদের ঘরে, তোমাদের চাচাদের ঘরে, তোমাদের ফুফুদের ঘরে, তোমাদের মামাদের ঘরে, তোমাদের খালাদের ঘরে, সেইসব ঘরে যেসব ঘরের চাবি তোমাদের অধিকারে থাকে এবং তোমাদের বন্ধুদের ঘরে। তোমরা একত্রে খাও কিংবা আলাদা আলাদা খাও তাতে তোমাদের কোনো দোষ হবেনা। যখনই তোমরা ঘরে দাখিল হবে নিজেদের প্রতি সালাম করবে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে দেয়া অভিবাদন কল্যাণময় ও উত্তম। এভাবেই তোমাদের জন্যে বয়ান করেন আয়াতসমূহ বিস্তারিতভাবে, যাতে করে তোমরা আকল খাটাও।

Word by word

لَّيْسَ عَلَى ٱلْأَعْمَىٰ حَرَجٌ وَلَا عَلَى ٱلْأَعْرَجِ حَرَجٌ وَلَا عَلَى ٱلْمَرِيضِ حَرَجٌ وَلَا عَلَىٰٓ أَنفُسِكُمْ أَن تَأْكُلُوا۟ مِنۢ بُيُوتِكُمْ أَوْ بُيُوتِ ءَابَآئِكُمْ أَوْ بُيُوتِ أُمَّهَٰتِكُمْ

মুহিউদ্দীন খান

তো তারাই; যারা আল্লাহর ও রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং রসূলের সাথে কোন সমষ্টিগত কাজে শরীক হলে তাঁর কাছ থেকে অনুমতি গ্রহণ ব্যতীত চলে যায় না। যারা আপনার কাছে অনুমতি প্রার্থনা করে, তারাই ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে। অতএব তারা আপনার কাছে তাদের কোন কাজের জন্যে অনুমতি চাইলে আপনি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুমতি দিন এবং তাদের জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। ক্ষমাশীল, মেহেরবান।

আবদুস শহীদ নাসিম

তো তারাই, যারা ঈমান আনে আল্লাহর প্রতি ও তাঁর রসূলের প্রতি, আর রসূলের সাথে সামষ্টিক বিষয়ে একত্র হলে তারা অনুমতি ছাড়া চলে যায়না। যারা (প্রয়োজনে) তোমার কাছে অনুমতি চায় তারাই ঈমান রাখে আল্লাহর প্রতি এবং তাঁর রসূলের প্রতি। তারা তাদের কোনো প্রয়োজনে (বৈঠক থেকে) বাইরে যেতে তোমার কাছে অনুমতি চাইলে তুমি যাকে ইচ্ছা অনুমতি দেবে এবং তাদের জন্যে আল্লাহর কাছে মাগফিরাত প্রার্থনা করবে। কারণ তো অতীব ক্ষমাশীল দয়াময়।

Word by word

إِنَّمَا ٱلْمُؤْمِنُونَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ وَإِذَا كَانُوا۟ مَعَهُۥ عَلَىٰٓ أَمْرٍ جَامِعٍ لَّمْ يَذْهَبُوا۟ حَتَّىٰ يَسْتَـْٔذِنُوهُ إِنَّ ٱلَّذِينَ يَسْتَـْٔذِنُونَكَ أُو۟لَٰٓئِكَ ٱلَّذِين

মুহিউদ্দীন খান

রসূলের আহবানকে তোমরা তোমাদের একে অপরকে আহ্বানের মত গণ্য করো না। তাদেরকে জানেন, যারা তোমাদের মধ্যে চুপিসারে সরে পড়ে। অতএব যারা তাঁর আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা এ বিষয়ে সতর্ক হোক যে, বিপর্যয় তাদেরকে স্পর্শ করবে অথবা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি তাদেরকে গ্রাস করবে।

আবদুস শহীদ নাসিম

(হে মুমিনরা!) রসূলের আহবানকে তোমাদের পরস্পরকে আহবান করার সমতুল্য মনে করোনা। তোমাদের যারা (রসূলের ডাকা বৈঠক থেকে) অনুমতি ছাড়াই সরে পড়ে, তাদের জানেন। সুতরাং যারা তার আদেশের বিরুদ্ধাচারণ করে তারা যেনো সতর্ক হয় এ জন্যে যে, তাদের উপর ফিতনা এসে পড়তে পারে, কিংবা তাদের উপর আপতিত হতে পারে যন্ত্রণাদায়ক আযাব।

Word by word

لَّا تَجْعَلُوا۟ دُعَآءَ ٱلرَّسُولِ بَيْنَكُمْ كَدُعَآءِ بَعْضِكُم بَعْضًا قَدْ يَعْلَمُ ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ يَتَسَلَّلُونَ مِنكُمْ لِوَاذًا فَلْيَحْذَرِ ٱلَّذِينَ يُخَالِفُونَ عَنْ أَمْرِهِۦٓ أَن تُصِيبَهُمْ فِ

মুহিউদ্দীন খান

মনে রেখো নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা আছে, তা আল্লাহরই। তোমরা যে অবস্থায় আছ তা তিনি জানেন। যেদিন তারা তাঁর কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে, সেদিন তিনি বলে দেবেন তারা যা করেছে। প্রত্যেক বিষয়ই জানেন।

আবদুস শহীদ নাসিম

সাবধান, জেনে রাখো, মহাকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর। তোমরা যেসব কাজে নিরত আছো সবই জানেন। যেদিন তাদেরকে তাঁর (আল্লাহর) কাছে ফিরিয়ে নেয়া হবে সেদিন তিনি তাদের অবহিত করবেন তারা কী কাজ করেছিল? প্রতিটি বিষয়ে জ্ঞাত।

Word by word

أَلَآ إِنَّ لِلَّهِ مَا فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ قَدْ يَعْلَمُ مَآ أَنتُمْ عَلَيْهِ وَيَوْمَ يُرْجَعُونَ إِلَيْهِ فَيُنَبِّئُهُم بِمَا عَمِلُوا۟ وَٱللَّهُ بِكُلِّ شَىْءٍ عَلِيمٌۢ

Recitation

Reciters

Ticked reciters play one after another for each verse.

Repeat
Speed
Listen offline

Save this chapter’s recitation by the ticked reciters on this device.

Add a book to compare

It opens next to the books you’re reading, at the same verse.

Verse

Chapters

Dictionary

Suggest a translation

Log in to suggest a better translation. Admins review every suggestion before it changes the text.

Log in Create an account

Suggested translations

Your note

Ask AI about this chapter

Display

Theme