সে বিরক্তি প্রকাশ করলো এবং মুখ (মনোযোগ) ফিরিয়ে নিলো,
আবাসা (সে বিরক্তি প্রকাশ করলো)
Chapter 80, 42 verses
About this chapter
মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত সংখ্যা: ৪২, রুকু সংখ্যা: ০১
এই সূরার আলোচ্যসূচি
এ কারণে যে অন্ধ লোকটি এসেছিল তার কাছে,
তুমি কি করে জানবে, হয়তো সে শুদ্ধতা অর্জন করতো?
কিংবা উপদেশ গ্রহণ করতো এবং সেই উপদেশ তার উপকার সাধন করতো?
অথচ যে নিজেকে ভাবে মুখাপেক্ষাহীন,
তুমি মনোযোগ আরোপ করছো তার প্রতি।
তোমার কি আসে যায় যদি সে শুদ্ধতা অর্জন না করে?
কিন্তু যে ছুটে এসেছে তোমার কাছে,
এবং সে ( ও তাঁর শাস্তিকে) ভয় করে,
তাকে তুমি অবজ্ঞা করলে এবং অন্যদের প্রতি মনোযোগী হলে।
না (কখনো এমনটি করোনা); অবশ্যি এটি (এ কুরআন) একটি উপদেশ।
সুতরাং যার ইচ্ছে, সে এটি গ্রহণ করবে।
(এটি সংরক্ষিত আছে) অতীব সম্মানিত সহীফা সমূহে (লওহে মাহফুযে)।
খুবই উঁচু মর্যাদা সম্পন্ন ও পবিত্র,
সেইসব লেখকদের (ফেরেশতাদের) হাতে,
যারা সম্মানিত ও অনুগত।
ধ্বংস হলো (অবিশ্বাসী) মানুষগুলো। কতো বড় অকৃতজ্ঞ তারা!
কোন্ জিনিস থেকে তিনি সৃষ্টি করেছেন তাকে (মানুষকে)?
এক বিন্দু নোতফা (শুক্র) থেকে, তিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন তারপর তাকে যথাযথভাবে গঠন করেছেন।
তারপর তিনি সহজ করে দেন তার জীবন চলার পথ।
তারপর তার মউত ঘটান এবং পৌঁছে দেন তাকে কবরে।
অতপর যখন চাইবেন , তখন আবার উঠিয়ে আনবেন তাকে।
না, সে পালন করেনি তিনি যে নির্দেশ তাকে দিয়েছেন।
তবে, মানুষ তার খাবারের জিনিসগুলোর প্রতি নজর বুলিয়ে দেখুক (কে সৃষ্টি করেছে সেগুলো)।
আমরাই তো বর্ষণ করি প্রচুর পানি।
তারপর শক্ত হয়ে এঁটে থাকা জমিনকে আমরা ফেঁড়ে দেই।
আর তাতে উৎপাদনের ব্যবস্থা করি শস্য,
আংগুর, শাক - শবজি,
যয়তুন, খেজুর,
বিপুল বৃক্ষ - রাজির নিবিড় বন,
ফল - ফলারি এবং সেইসাথে অনেক ঘাস।
(এভাবে আমিই ব্যবস্থা করি) তোমাদের ও তোমাদের গবাদি পশুর জীবন ধারণের সামগ্রী।
অতপর যেদিন মহাধ্বনি (শিংগার দ্বিতীয় ফুৎকার) উচ্চারিত হবে,
সেদিন মানুষ পালাবে তার ভাই থেকে,
তার মা থেকে এবং বাপ থেকে,
তার স্ত্রী ও সন্তানদের থেকে।
সে দিনটি হবে এতোই ভয়াবহ যে, সেদিন কেউই নিজের ছাড়া অন্য কারো ব্যাপারে ভাববারই চিন্তা করবেনা।
সেদিন অনেক লোকের চেহারা হবে উজ্জ্বল,
হাসি খুশি আর শুভ সংবাদে আনন্দ মুখর।
আবার অনেক চেহারাই হবে সেদিন ধূলো - মলিন।
সেই চেহারাগুলোকে আচ্ছন্ন করবে কালিমা।
কারণ, তারা (হবে) অবিশ্বাসী - অমান্যকারী - এবং পাপিষ্ঠ - দূরাচারী।