Kitab

Al-Quran By Bayaan Foundation

114 chapters

সম্পাদনা পরিষদের কথা:

সকল প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য, যিনি তাঁর মহান গ্রন্থে ঘোষণা করেছেন,

‘‘এটি কিতাব যার আয়াতসমূহ সুস্থিত করা হয়েছে, অতঃপর বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে প্রজ্ঞাময়, সবিশেষ অবহিত সত্বার পক্ষ থেকে। [সূরা হূদ : ১]

‘‘অবশ্যই তোমাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে আলো ও স্পষ্ট কিতাব এসেছে।’’ [সূরা আল-মায়েদা : ১৫]

সালাত ও সালাম প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি, যিনি বলেছেন,

‘সে-ই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম যে আল-কুরআন শিখে ও শেখায়।’ [সহীহ আল-বুখারী]।

আরো সালাম বর্ষিত হোক তাঁর পরিবার ও সাহাবীবৃন্দ- সকলের প্রতি।

আল-কুরআনুল কারীম আল্লাহর একমাত্র সংরক্ষিত কিতাব যা বাতুলতার সকল স্পর্শ থেকে সদা-পবিত্র। আল-কুরআন তার ভাষার নৈপুণ্যে, শব্দের অলংকরণে ও উপমা-উৎপ্রেক্ষায় অলৌকিক; বক্তব্যে-অভিব্যক্তিতে অনন্য; অর্থের ব্যাপকতায় ও ভাবের প্রকাশভঙ্গিমায় অতুলনীয়। আল-কুরআন আল্লাহর কালাম ও পূর্ণাঙ্গতম রববানী পথ-পদ্ধতি যা মানুষকে সঠিক পথের দিশা দেয়।

এ অলৌকিকতা ও মাহাত্ম্যের কারণেই যখন কেউ এর অর্থ ও ভাব অন্য ভাষায় ভাষান্তর করতে চায় তখন অভিজ্ঞতায় সিক্ত হওয়া সত্ত্বেও এ গুরুভার-কর্ম তাকে নিশ্চিতরূপে ঘাবড়ে দেয়। তবে যেহেতু পবিত্র কুরআন নাযিল হওয়ার মূল উদ্দেশ্যই হল এর সন্নিবিষ্ট বিষয়সমূহ জীবন-সংলগ্ন করে নেয়া, এর হিদায়াত অনুযায়ী পথ চলা, তাই ইহ-পরকালীন কল্যাণপ্রত্যাশী প্রতিটি মানুষের অবশ্য কর্তব্য আল-কুরআনের বক্তব্য অনুধাবন করা। এর আয়াতসমূহ গুরুত্বসহকারে বুঝা। যারা আরবী ভাষাভাষী, যেহেতু আল-কুরআন তাদের ভাষায়ই নাযিল হয়েছে, তাদের জন্য তাই এ কাজটি নিঃসন্দেহে সহজ। তবে যারা অনারব, অনুবাদের আশ্রয় ছাড়া আল-কুরআনের বক্তব্য বুঝা তাদের পক্ষে দুষ্কর। এ হিসেবে অন্যান্য ভাষায় আল-কুরআনের অনুবাদ একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তবে এ কাজটি যে মোটেও সহজসাধ্য নয় তা বলাই বাহুল্য। তবু এ গুরুভার কর্মটি সম্পাদনের জন্য এগিয়ে এসেছেন বিভিন্ন ভাষায় কথা বলা কুরআন-প্রেমিকদের অনেকেই। আমাদের বাংলা ভাষার বলয়েও বেশ কিছু অনুবাদ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে একক প্রচেষ্টায় উপহার দিতে সক্ষম হয়েছেন আমাদের প্রাজ্ঞ উলামা-মাশায়েখ ও গবেষকদের অনেকেই। তবে সাবলীলতা ও বিশুদ্ধতার বিচারে আরো উত্তম একটি অনুবাদ উপহার দেওয়ার ইচ্ছায় অনুপ্রাণিত হয়ে আল-বায়ান ফাউন্ডেশন নতুন করে উদ্যোগ গ্রহণ করে যা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। আল-বায়ান ফাউন্ডেশন এ মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনুবাদ, সম্পাদনা, পরামর্শ, ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে বিশাল এক কর্মী বাহিনী নিয়োগ করে, যারা - আমাদের ধারণা অনুযায়ী- অত্যন্ত দক্ষতা ও ঐকান্তিকতার সাথে অনুবাদকর্মের সকল পর্যায় অতিক্রম করে একটি চমৎকার অনুবাদ উপহার দিতে সক্ষম হয়েছে।

এটা নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলার বিশেষ অনুগ্রহ যে, তিনি আমাদেরকে একমাত্র তাঁরই উপর তাওয়াক্কুল করে এ মুবারক প্রকল্পে জড়িত হওয়ার তাওফীক দান করেছেন।

কাজের ধরন-প্রকৃতি বিষয়ে বলা যায় যে, শুরুতে বিজ্ঞ অনুবাদকমন্ডলী তাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা প্রয়োগ করে সাবলীল ভাষায় অনুবাদকর্ম সম্পন্ন করতে প্রয়াস পেয়েছেন। পরবর্তী পর্যায়ে সম্পাদকমন্ডলীর হাতের ছোঁয়ায় সেগুলোকে আরো সমৃদ্ধ এবং তাতে আরো উৎকর্ষ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ে সর্বশেষ সম্পাদনা ও নিরীক্ষা পরিষদ অনুবাদকর্মটি আদ্যোপান্ত পরীক্ষা করে দেখেছেন এবং সম্পাদকমন্ডলীর দৃষ্টি এড়িয়ে যাওয়া কোন অসংগতি কোথাও থেকে গেলে তা সংশোধন করতে প্রয়াস পেয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, অনুবাদকর্ম যাতে অভিন্ন ধারার অনুবর্তীতায় সম্পন্ন করা সম্ভব হয়, সে লক্ষ্যে ব্যবস্থাপনা ও সম্পদনা পরিষদ শুরুতেই কিছূ নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন, যা এই অনুবাদকর্মের শেষে সন্নিবিষ্ট করা হয়েছে। এ অনুবাদকর্মের সাথে আল-কুরআনের যে মূল পাঠ ছাপা হয়েছে তার তিলাওয়াত সহজ করার জন্য- তার পঠন-পদ্ধতি সম্পর্কেও একটি নির্দেশিকা সংযুক্ত করা হয়েছে।

আমরা সর্বার্থে বুঝতে পারি যে, আল-কুরআনের অর্থানুবাদ যত দক্ষ হাতেই করা হোক না কেন, তা আল-কুরাআনের বক্তব্যের শতভাগ প্রতিনিধিত্ব করতে অক্ষম। অনুবাদের মাধ্যমে যেটুকু ভাব ও অর্থ প্রকাশিত হয় তা কেবলই আল কুরআনের অর্থ অনুধাবনে অনুবাদকের উপলব্ধির ফসলমাত্র। আর মানুষের জ্ঞান-উপলদ্ধি শতভাগ ত্রুটিমুক্ত হবে- এ ধারণা নিশ্চয় অবান্তর। সে হিসেবে আমাদের এই অনুবাদকর্ম শতভাগ ত্রুটিমুক্ত বলে দাবি করার দুঃসাহসিকতা আমাদের নেই। তাই সুহৃদ পাঠকমন্ডলীর কাছে আমাদের আবেদন এতে কোন ভুল-ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে আমাদেরকে অবশ্যই জ্ঞাত করবেন। পরবর্তী সংস্করণে সেগুলো শুদ্ধ করার প্রয়াস অবশ্যই থাকবে ইনশাআল্লাহু তা’আলা।

পরিশেষে আল্লাহর কাছে আমাদের দোআ তিনি যেন এ মহান আমল কবুল করেন এবং একে আমাদের সকলের নাজাতের উসিলা বানান। আমীন


ভাষান্তর: আল-বায়ান ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ

উপদেষ্ট পরিষদে যারা আছেন :
০১. উস্তাদ মুহাম্মাদ সুলতান যওক নদভী
০২. মুফতী সাঈদ আহমাদ
০৩. মুফতী নূরুদ্দীন (রাহিমাহুল্লাহ)
০৪. সাইয়্যেদ কামালুদ্দীন আব্দুল্লাহ জাফরী
০৫. ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)
০৬. মাওলানা ক্বারী মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ (রাহিমাহুল্লাহ)
০৭. মাওলানা মাসরুর আহমদ ফযল আহমদ
০৮. মাওলানা মুফতী শামসুদ্দীন জিয়া
০৯. বিচারপতি আব্দুর রউফ
১০. মুহাম্মদ মুফাজ্জাল হুসাইন খান
১১. প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান

অনুবাদ করেছেন:
১. প্রফেসর মুখতার আহমদ
২. নুমান আবুল বাশার
৩. আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৪. চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৫. কাউসার বিন খালিদ
৬. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা
৭. আ. ন. ম. হেলাল উদ্দিন
৮. যুবায়ের মোহাম্মদ এহসানুল হক
সম্পাদনা করেছেন :
১. ড. আব্দুল জলীল
২. মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান আল-মাদানী
৩. ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৪. ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৫. ড. শামসুল হক সিদ্দিক
৬. ড. হাসান মুঈন উদ্দিন
৭. মুহাম্মদ আব্দুল কাদের
৮. হাফেজ মুফতী সানাউল্লাহ নিজর আহম্মদ



Start reading
  1. ১ আল ফাতিহা (সূচনা) 7 verses
  2. ২ আল বাকারাহ (গরু) 286 verses
  3. ৩ আলে ইমরান (ইমরান নামের এক ব্যক্তি) 200 verses
  4. ৪ আল নিসা (নারী) 176 verses
  5. ৫ আল মায়েদাহ (দস্তরখান) 120 verses
  6. ৬ আল আন-আম (গবাদি পশু) 165 verses
  7. ৭ আল আ’রাফ (পরকালের একটি স্থানের নাম) 206 verses
  8. ৮ আল আনফাল (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) 75 verses
  9. ৯ আল তাওবাহ (অনুশোচনা) 129 verses
  10. ১০ ইউনুস (নবী ইউনুস আঃ) 109 verses
  11. ১১ হুদ (নবী হুদ আঃ) 123 verses
  12. ১২ ইউসূফ (নবী ইউসূফ আঃ) 111 verses
  13. ১৩ আলরা’দ (মেঘের গর্জন) 43 verses
  14. ১৪ ইব্রাহীম (নবী ইব্রাহীম আঃ) 52 verses
  15. ১৫ আল হিজর (হিজর নামক একটি পাহাড়ী উপত্যকা) 99 verses
  16. ১৬ আল নাহল (মৌমাছি) 128 verses
  17. ১৭ আল ইসরা (রাত্রি ভ্রমণ) 111 verses
  18. ১৮ আল কাহফ (গুহা) 110 verses
  19. ১৯ মারইয়াম (নবী ঈসা আঃ এর মায়ের নাম) 98 verses
  20. ২০ ত্বা হা (আরবী বর্ণমালার দু'টি অক্ষর) 135 verses
  21. ২১ আল আন্বিয়াহ্ (নবীগণ) 112 verses
  22. ২২ আল হজ্জ (ইচ্ছা বা সংকল্প) 78 verses
  23. ২৩ আল মু’মিনূন (বিশ্বাসীগণ) 118 verses
  24. ২৪ আল নূর (আলো) 64 verses
  25. ২৫ আল ফুরকান (মানদন্ড) 77 verses
  26. ২৬ আল শো’আরা (কবি) 227 verses
  27. ২৭ আল নমল (পিঁপড়া) 93 verses
  28. ২৮ আল কাসাস (কাহিনী সমূহ) 88 verses
  29. ২৯ আল আনকাবুত (মাকড়সা) 69 verses
  30. ৩০ আল রূম (রোম রাজ্য বা সাম্রাজ্য) 60 verses
  31. ৩১ লোকমান (লোকমান নামের একজন ব্যক্তি) 34 verses
  32. ৩২ আল সিজ্দাহ (সিজদাহ করা) 30 verses
  33. ৩৩ আল আহ্‌যাব (বাহিনী সমূহ) 73 verses
  34. ৩৪ সাবা (একটি সম্রাজ্যের নাম) 54 verses
  35. ৩৫ ফাতির (সৃষ্টির সূচনাকারী) 45 verses
  36. ৩৬ ইয়া সীন (আরবী বর্ণমালার দু'টি অক্ষর) 83 verses
  37. ৩৭ আল সাফফাত (সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়ানো) 182 verses
  38. ৩৮ ছোয়াদ (আরবী বর্ণমালার একটি অক্ষর) 88 verses
  39. ৩৯ আল যুমার (দল সমূহ) 75 verses
  40. ৪০ গাফ্ফার (ক্ষমাকারী) 85 verses
  41. ৪১ ফুসিলাত (মীমাংসা বা ফয়সালা) 54 verses
  42. ৪২ আল শূরা (পরামর্শ) 53 verses
  43. ৪৩ আল যুখরুফ (স্বর্ণ দ্বারা সজ্জিত) 89 verses
  44. ৪৪ আল দুখান (ধোঁয়া) 59 verses
  45. ৪৫ আল জাসিয়া (নতজানু হওয়া) 37 verses
  46. ৪৬ আল আহক্বাফ (একটি প্রাচীন শহর) 35 verses
  47. ৪৭ মুহাম্মদ (নবী মুহাম্মদ সঃ) 38 verses
  48. ৪৮ আল ফাত্হ (বিজয়) 29 verses
  49. ৪৯ আল হুজরাত (বাড়ী ঘর) 18 verses
  50. ৫০ ক্বাফ (আরবী বর্ণমালার একটি অক্ষর) 45 verses
  51. ৫১ আল যারিয়াত (উড়ন্ত ধূলিকণা) 60 verses
  52. ৫২ আল তুর (তুর নামের পাহাড়) 49 verses
  53. ৫৩ আল নাজম (আকাশের তারা) 62 verses
  54. ৫৪ আল ক্বামার (চাঁদ) 55 verses
  55. ৫৫ আল রহমান (পরম দানশীল) 78 verses
  56. ৫৬ আল ওয়াক্বিয়া (বিশেষ ঘটনা) 96 verses
  57. ৫৭ আল হাদীদ (লোহা, ইস্পাত) 29 verses
  58. ৫৮ আল মুজাদালাহ (অভিযোগকারী মহিলা) 22 verses
  59. ৫৯ আল হাশর (সমাবেশ) 24 verses
  60. ৬০ আল মুমতাহিনা (পরীক্ষনীয় নারী) 13 verses
  61. ৬১ আল ছফ (সারি বা সারিবদ্ধ হওয়া) 14 verses
  62. ৬২ আল জুম্‌আঁ (শুক্রবার) 11 verses
  63. ৬৩ আল মুনাফিকুন (ভন্ড বা প্রতারকগণ) 11 verses
  64. ৬৪ আল তাগাবুন (লাভ ক্ষতি) 18 verses
  65. ৬৫ আল ত্বালাক্ব (বিবাহ বিচ্ছেদ) 12 verses
  66. ৬৬ আল তাহরীম (হারাম বা নিষিদ্ধ করা) 12 verses
  67. ৬৭ আল মুলক (সর্বময় কর্তৃত্ব) 30 verses
  68. ৬৮ আল কলম (কলম) 52 verses
  69. ৬৯ আল হাক্বাহ্‌ (অবশ্যম্ভাবী ঘটনা) 52 verses
  70. ৭০ আল মারিজ (উচ্চ মর্যাদা) 44 verses
  71. ৭১ নূহ (নবী নূহ আঃ) 28 verses
  72. ৭২ আল জীন (জীন সম্প্রদায়) 28 verses
  73. ৭৩ আল মুজাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদিত) 20 verses
  74. ৭৪ আল মুদ্দাসসির (আচ্ছাদিত) 56 verses
  75. ৭৫ আল ক্বেয়ামাহ (চূড়ান্ত বিচার ও প্রতিদানের দিন) 40 verses
  76. ৭৬ আল ইনসান (মানুষ) 31 verses
  77. ৭৭ আল মুরসালাত (প্রেরিত) 50 verses
  78. ৭৮ আল নাবাহ (মহাসংবাদ) 40 verses
  79. ৭৯ আল নাজআ’ত (মুক্তি) 46 verses
  80. ৮০ আবাসা (সে বিরক্তি প্রকাশ করলো) 42 verses
  81. ৮১ আল তাকওয়ায়ীর (গুটিয়ে নিয়ে আলোহীন করা) 29 verses
  82. ৮২ আল ইনফিতার (ফেটে যাওয়া) 19 verses
  83. ৮৩ আল মুতাফফীন (প্রতারক ব্যক্তিরা) 36 verses
  84. ৮৪ আল ইনশিকাক (চুর্ণ বিচুর্ণ হওয়া) 25 verses
  85. ৮৫ আল বুরূজ (বিশাল নক্ষত্র) 22 verses
  86. ৮৬ আল তারিক্ (আকাশের তারা) 17 verses
  87. ৮৭ আল আ’লা (সর্ব মহান) 19 verses
  88. ৮৮ আল গাশিয়াহ (আচ্ছন্নকারী) 26 verses
  89. ৮৯ আল ফজর (ভোর) 30 verses
  90. ৯০ আল বালাদ (শহর) 20 verses
  91. ৯১ আল শামস (সূর্য) 15 verses
  92. ৯২ আল লায়ীল (রাত) 21 verses
  93. ৯৩ আল দ্বোহা (পূর্বাহ্ন / দুপুরের আগে) 11 verses
  94. ৯৪ আল সারাহ (উন্মুক্ত করা) 8 verses
  95. ৯৫ আল ত্বীন (ডুমুর জাতীয় একরকম ফল) 8 verses
  96. ৯৬ আল আলাক (জমাট বাঁধা বস্তু) 19 verses
  97. ৯৭ আল কদর (মহামান্বিত) 5 verses
  98. ৯৮ আল বাইয়্যিনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ) 8 verses
  99. ৯৯ আল যালযালাহ (ভূ-কম্পন) 8 verses
  100. ১০০ আল আদিয়াত (উর্ধ্বশ্বাসে দৌড়ানো) 11 verses
  101. ১০১ আল কারেয়া (প্রচন্ড ঘটনা) 11 verses
  102. ১০২ আল তাকাসূর (অতিরিক্ত সম্পদ লাভের প্রতিযোগিতা) 8 verses
  103. ১০৩ আল আছর (সময়) 3 verses
  104. ১০৪ আল হুমাযাহ (অপবাদ রটনাকারী) 9 verses
  105. ১০৫ আল ফীল (হাতী) 5 verses
  106. ১০৬ কোরাইশ (কোরাইশ নামের গোত্র বা বংশ) 4 verses
  107. ১০৭ আল মাউন (ক্ষুদ্র সহযোগিতা) 7 verses
  108. ১০৮ আল কাওসার (বেহেশতের একটি ঝর্ণা ধারা) 3 verses
  109. ১০৯ আল কাফিরুন (সত্য প্রত্যাখ্যানকারী গণ) 6 verses
  110. ১১০ আল নছর (সাহায্য) 3 verses
  111. ১১১ আল মাসাদ (খেজুর গাছের আঁশের রশি) 5 verses
  112. ১১২ আল ইখলাছ (একত্ব) 4 verses
  113. ১১৩ আল ফালাক্ব (সকাল) 5 verses
  114. ১১৪ আল নাস (মানবজাতি) 6 verses

Display

Theme